BREAKING :
(1) জনগণনার সঙ্গে জুড়েছে জাতগণনাও। জনগণনায় জাতিগত তথ্য সংগ্রহ নিয়ে প্রথম থেকেই নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন সরকারের বিরোধিতায় সরব কংগ্রেস। এ বার প্রধানমন্ত্রী মোদীকে চিঠি দিলেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গাঁধী। (2) প্রত্যেক পাইলটের বছরের যে কোনও সময়ে একবার করে ডোপ পরীক্ষা করানোর ভাবনা! ‘গাঁজা-বিতর্কের’ পর আরও সতর্কতা কেন্দ্রের

অ্যাম্বুলেন্স চালক থেকে সোজা ইসরোতে, অদম্য জেদে স্বপ্নের উড়ান নদিয়ার দেবজিতের

অ্যাম্বুলেন্স চালক থেকে সোজা ইসরোতে, অদম্য জেদে স্বপ্নের উড়ান নদিয়ার দেবজিতের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা , ২৫ আগস্ট : 

অভাব অনটন ও শত প্রতিকূলতাকে হার মানিয়ে দেশের অন্যতম শীর্ষ মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো ISRO তে চাকরির সুযোগ পেয়ে নজির গড়লেন

নদিয়া জেলার গাংনাপুরের যুবক দেবজিৎ ভদ্র। শ্রী হরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টারে টেকনিশিয়ান B পদে নিয়োগপত্র হাতে পেয়েছেন তিনি।

পেশায় শক্তিনগর জেলা হাসপাতালের সরকারি অ্যাম্বুলেন্স চালক দেবজিতের এই অভাবনীয় সাফল্যে এখন গর্বিত গোটা এলাকা। ​

Must Read আসাম রাইফেলসের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির অনু‌ষ্ঠিত পাথারকা‌ন্দির নারাইনপু‌রে। আসাম রাইফেলসের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা শিবির অনু‌ষ্ঠিত পাথারকা‌ন্দির নারাইনপু‌রে।

ছোটবেলা থেকেই আর্থিক অনটনের সঙ্গে লড়াই করে বড় হয়েছেন দেবজিৎ। তবে চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও পড়াশোনা থেকে কখনো পিছপা হননি।

 আইটিআই পাশের পর ভারতের চন্দ্রযান অভিযানের সাফল্য দেখে মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে যুক্ত হওয়ার অনুপ্রেরণা পান তিনি। শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে টানা ১২ ঘণ্টার

অ্যাম্বুলেন্স চালকের ডিউটি সামলে, ডিউটি রুমের ফাঁকা সময় ও বাড়িতে ফিরে নিরন্তর পড়াশোনা চালিয়ে গেছেন। প্রায় পাঁচ থেকে ছয় বার বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক

পরীক্ষায় ব্যর্থ হলেও নিজের লক্ষ্য থেকে কখনো বিচ্যুত হননি। বন্ধুদের সঙ্গে সুস্থ প্রতিযোগিতা আর অদম্য জেদকে সম্বল করে অবশেষে সাফল্যের মুখ দেখেছেন তিনি।

Also Read ব্রু সম্প্রদায়ের সুবিধাভোগীদের হাতে টুলকিট বিতরণ করে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা। ব্রু সম্প্রদায়ের সুবিধাভোগীদের হাতে টুলকিট বিতরণ করে মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ মানিক সাহা।

দেবজিতের মতে, এই সফলতার পেছনে রয়েছে ঈশ্বরের আশীর্বাদ, পরিবারের অক্লান্ত সমর্থন এবং বন্ধুদের সহযোগিতা। ​ছেলের এই ঐতিহাসিক সাফল্যে আনন্দে

আত্মহারা দেবজিতের বাবা মা। তাঁর বাবা জানান, জীবনে পদে পদে উন্নতি ও এগিয়ে যাওয়া মানুষের কর্ম এবং ভাগ্যের ফল, যা দেবজিৎ করে দেখিয়েছে।

অন্যদিকে অতীত সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন মা চায়না ভদ্র। তিনি জানান, তীব্র অর্থকষ্টের দিনগুলোতেও ছেলেকে কখনো ভেঙে পড়তে দেননি,

 সর্বদাই ভরসা জুগিয়ে গেছেন। স্বামীর এই সাফল্যে অত্যন্ত গর্বিত তাঁর স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা ভদ্রও। তিনি জানান, ভালোবাসার সম্পর্ক থেকেই তাঁদের বিয়ে

 এবং শুরু থেকেই স্বামীর কঠোর পরিশ্রম ও মেধার ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা ছিল যে তিনি একদিন না একদিন ঠিক বড় কোনো সাফল্য অর্জন করবেন।

দেবজিতের এই আকাশছোঁয়া সাফল্য আজ শুধু তাঁর পরিবারকেই নয়, সমগ্র নদিয়া জেলা তথা বাংলাকেই গর্বিত করেছে।

Admin Desk

Admin Desk

I am senior editor of this News Portal. Me and my team verify all news with trusted sources and publish here.

Home Shorts

Categories

Facebook YouTube Instagram X (Twitter) WhatsApp Telegram