নিজস্ব প্রতিনিধি ,তুলামুড়া :
দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে যুব সমাজকে স্বনির্ভর করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে বেসরকারি উদ্যোগে কাজ করে চলেছে স্কিল ডেভেলপমেন্ট একাডেমি।
সেই ধারাবাহিকতায় রবিবার উদয়পুর মহকুমার তুলামুড়া কমিউনিটি হলে আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পালিত হলো স্কিল ডেভেলপমেন্ট একাডেমির চতুর্থ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান।
"চলো শিখি, শেখাই, সবার মুখে হাসি ফুটাই" এই মূল বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষার্থী, অভিভাবক-অভিভাবিকা এবং এলাকার গুণীজনেরা।
অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একাডেমির বিগত দিনের কর্মকাণ্ড, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং আগামী দিনের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন ত্রিপুরা বিধানসভার বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, ত্রিপুরা হাইকোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল দাতামোহন জমাতিয়া,
টিএসইসিএল-এর জেনারেল ম্যানেজার মিঠুন ভৌমিক, বিশিষ্ট সমাজসেবী উমাকান্ত বিশ্বাস, কাকড়াবন আর.ডি ব্লকের সহ-সভাপতি প্রণব দাস, বিশিষ্ট সমাজসেবী
ও ক্রীড়াবিদ অমিত পোদ্দার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায় বলেন, বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক সময়ে যুব
সমাজের জন্য কারিগরি ও পেশাগত দক্ষতা অর্জন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র শিক্ষাগত যোগ্যতা নয়, বাস্তবমুখী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমেই কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি করা সম্ভব।
দক্ষতা থাকলে যুবক-যুবতীরা চাকরির পাশাপাশি নিজেদের উদ্যোগে কাজ শুরু করে স্বনির্ভর হয়ে উঠতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, স্কিল ডেভেলপমেন্ট একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠানগুলি সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষের মধ্যে দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে।
এই ধরনের উদ্যোগ যুব সমাজকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
চতুর্থ বর্ষপূর্তি উপলক্ষে একাডেমির পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রী ও যুবকদের উৎসাহিত করতে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অতিথিদের হাত ধরে কৃতী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ট্রফি ও প্রশংসাপত্র তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক কর্মসূচিরও আয়োজন করা হয়।
সার্বিকভাবে, স্কিল ডেভেলপমেন্ট একাডেমির চতুর্থ বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান যুব সমাজকে দক্ষ, আত্মনির্ভর ও কর্মক্ষম করে গড়ে তোলার এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করেছে।
অনুষ্ঠানে এলাকার বয়স্ক গুণীজন, ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবক-অভিভাবিকাদের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ছিল বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়।