শান্তিরবাজার প্রতিনিধি :
পুলিশের তৎপরতায় চুরি যাওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই উদ্ধার হলো একটি অ্যাপাচি RTR 160 বাইক। দ্রুততার সঙ্গে অভিযান চালিয়ে বাইক উদ্ধার
এবং এক যুবককে আটক করায় শান্তিরবাজার থানার পুলিশের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বাইকের মালিক রাহুল দেববর্মা ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, মঙ্গলবার আনুমানিক বিকেল ৪টা ২০ মিনিট নাগাদ মনপাথর থানা সংলগ্ন এলাকার E-Cart অফিসের সামনে থেকে
TR08D5393 নম্বরের একটি অ্যাপাচি RTR 160 বাইক চুরি হয়ে যায়। বাইকের মালিক রাহুল দেববর্মা ওই সময় অফিসের ভিতরে ছিলেন। কাজ শেষে অফিস থেকে
বেরিয়ে এসে তিনি দেখতে পান, নির্দিষ্ট স্থানে তাঁর বাইকটি নেই। এরপর বিষয়টি দ্রুত মনপাথর থানায় জানানো হয়।
ঘটনার খবর পাওয়ার পরই মনপাথর থানার পক্ষ থেকে বিষয়টি শান্তিরবাজার থানাকে জানানো হয়। খবর পাওয়া মাত্রই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে মাঠে নামে শান্তিরবাজার থানার পুলিশ।
শান্তিরবাজার থানার ওসি রাজু দত্তের নেতৃত্বে একটি পুলিশ টিম বাইকটির সন্ধানে তৎপরতা শুরু করে।
পুলিশের তৎপরতায় বাইকটির গতিবিধি সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এরপর সংশ্লিষ্ট এলাকায় নাকা তল্লাশি জোরদার করা হয়। শেষ পর্যন্ত জালাইবাড়ি থানার নাকা পয়েন্টে
বাইকটিকে আটক করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে বাইকটি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে এক যুবককেও আটক করে পুলিশ।
পরবর্তী সময়ে বাইক ও আটক যুবককে শান্তিরবাজার থানায় নিয়ে আসা হয়। চুরি যাওয়া বাইক দ্রুত উদ্ধার হওয়ায় স্বস্তি ফিরে আসে বাইকের
মালিক রাহুল দেববর্মার পরিবারে। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাহুল দেববর্মা -শান্তিরবাজার থানার পুলিশ ও ওসি রাজু দত্তের নেতৃত্বাধীন পুলিশ টিমের তৎপরতার প্রশংসা করেন।
তিনি জানান, ঘটনার পর পুলিশ যেভাবে দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বাইক উদ্ধার করেছে, তাতে তিনি অত্যন্ত খুশি।
অন্যদিকে, শান্তিরবাজার থানার ওসি রাজু দত্ত সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে ঘটনাটির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।
চুরি যাওয়া বাইক উদ্ধারে পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপ এবং আন্তঃথানা সমন্বয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে চুরি যাওয়া বাইক উদ্ধার করে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও বাড়ানোর পাশাপাশি শান্তিরবাজার থানার
তৎপরতা ও কর্তব্যনিষ্ঠারও নজির সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।