বক্সনগর প্রতিনিধি :-
ত্রিপুরা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বড়সড় সাফল্য পেল যাত্রাপুর থানার পুলিশ।
ভবানীপুর পঞ্চায়েত এলাকার লালটিলা পাড়ায় অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে পুঁতে রাখা সিনটেক্সের ১১টি ড্রাম থেকে মোট ৭৯৪ কেজি শুকনো গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় দেড় কোটি টাকা।ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে যাত্রাপুর থানার ওসি পার্থনাথ ভৌমিক বৃহস্পতিবার সকালে
জানান,পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের গোপন সূত্রে খবর পাওয়ার পর বুধবার গভীর রাতে নির্দিষ্ট স্থানে অভিযান চালানো হয়।
রাত ১২টা থেকে ভোর প্রায় ৪টা পর্যন্ত ওসির নেতৃত্বে যাত্রাপুর থানার সাব-ইন্সপেক্টর ও টিএসআর জওয়ানদের নিয়ে অভিযান চলে।
একটি নতুন নির্মীয়মাণ বিল্ডিংয়ের ভিতরে মাটির নিচে সিনটেক্সের ড্রাম গুলিতে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা মজুত করে রাখা হয়েছিল।
সেখান থেকেই ১১টি ড্রাম উদ্ধার করা হয়।ঘটনায় বাড়ির মালিক বাদল চন্দ্র দে কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অভিযানের মাঝপথে পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওসি পার্থনাথ ভৌমিক সোনামুড়ার মহকুমা পুলিশ আধিকারিককে খবর দেন।খবর পেয়ে তিনি এবং সোনামুড়া থানার ওসি ঘটনাস্থলে পৌঁছান।
পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যেই অভিযান সম্পন্ন হয় বলে জানান যাত্রাপুর থানার ওসি।
এদিকে বিপুল পরিমাণ শুকনো গাঁজা উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যেও প্রশ্ন উঠেছে,
এত বিপুল পরিমাণ নেশাদ্রব্য কী উদ্দেশ্যে বাড়ির ভিতরে মাটির নিচে মজুত করে রাখা হয়েছিল।
পুলিশের দাবি, সাম্প্রতিক কয়েক বছরের মধ্যে যাত্রাপুর থানার এটি অন্যতম বড় সাফল্য।
গ্রেফতার হওয়া বাদল চন্দ্র দে-র বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং বৃহস্পতিবারই
তাকে সোনামুড়া আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানিয়েছেন ওসি পার্থনাথ ভৌমিক।