নিজস্ব প্রতিনিধি , সাব্রুম | ২৮ সেপ্টেম্বর :
সরকারি অর্থ ব্যয় করে তৈরী করা হয়েছে রাস্তা ও সেতু। অথচ সেই পরিকাঠামোর ওপর নিয়ম না মেনে অতিরিক্ত ভার বহনকারী যান চলাচল করলে প্রশ্ন উঠছে—সরকারের কোটি কোটি
টাকার উন্নয়নমূলক কাজ কি শেষ পর্যন্ত দুর্ভোগ ও ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াবে?
দক্ষিণ ত্রিপুরার সাব্রুম মহকুমার সাব্রুম-বৈষ্ণবপুর সড়কে প্রতিনিয়ত ভারী পণ্যবাহী যান চলাচল
করছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এলাকাবাসীর দাবি, এই রাস্তা দিয়ে লোহার রড,সিমেন্ট,পাথর সহ বিভিন্ন কাজের নির্মাণ সামগ্রী বোঝাই গাড়ি নিয়মিত চলাচল করছে।
স্থানীয়দের বক্তব্য যার ফলে এই রাস্তাটি ধীরে ধীরে ভগ্ন দশাতে পরিণত হচ্ছে সাব্রুম থেকে বৈষ্ণবপুর যাওয়ার রাস্তাটি এবং দুটি সেতু।
বৈষ্ণবপুর বাজার সংলগ্ন লোহার সেতুর ধারণক্ষমতা ৮ টন। অভিযোগ রয়েছে—এর চেয়ে অনেক বেশি ওজনের পণ্য নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে।
এমনকি কিছু গাড়িতে ১৫ থেকে ১৬ টন পর্যন্ত মাল বহন করা হচ্ছে এই লোহার সেতুর উপর দিয়ে বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ গত বছর এই সেতুটির উপর দিয়ে অতিরিক্ত স্টোনপাথর বুঝাই ভারী যান চলাচলের কারণে এই সেতু ভেঙে পড়েছিল।
যার ফলে এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা নৃত্য যাত্রীরা দীর্ঘদিন যাবত দুর্ভোগ পোয়াতে হলো। নিয়ম বহির্ভূতভাবে ভারী যান চলাচল অব্যাহত থাকলে যেকোনও সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে
পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। প্রশ্ন উঠছে, সেতুর নির্ধারিত ধারণক্ষমতার চেয়ে দ্বিগুণের কাছাকাছি ভার নিয়ে যানবাহন চলাচল
করলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর নজরদারি খুবই দরকার। কার অনুমতিতে বা কীভাবে এমন ভারী যান চলাচল করছে, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।
এখন দেখার বিষয়, সাব্রুম-বৈষ্ণবপুর সড়কে অতিরিক্ত ভারবাহী যান চলাচলের অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট দপ্তর কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
পাশাপাশি সেতুগুলোর প্রকৃত ধারণক্ষমতা এবং যান চলাচলের নিয়ম যথাযথভাবে কার্যকর হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।