নিজস্ব প্রতিনিধি , কাঁকড়াবন | ২৪ সেপ্টেম্বর :
আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনার অষ্টম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আজ কাকড়াবনে এক মেগা র্যালির আয়োজন করা হয়। এই বর্ণাঢ্য পদযাত্রা এবং তৎপরবর্তী
সমাবেশে স্বাস্থ্যক্ষেত্রে অর্জিত উল্লেখযোগ্য সাফল্যগুলি উদযাপন করেন পদস্থ আধিকারিকরা।
কাকড়াবন কমিউনিটি হেলথ সেন্টারের উদ্যোগে আয়োজিত এই পদযাত্রায় নেতৃত্ব দেন
কাকড়াবন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক জীতেন্দ্র মজুমদার। অনুষ্ঠানে জেলার শীর্ষ স্বাস্থ্য আধিকারিকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিফ মেডিক্যাল অফিসার, ডিএফডব্লিউও,
ডিআইও, ডিটিও সহ উদয়পুর এবং করবুকের এসডিএমও। এছাড়াও এই পদযাত্রায় অংশ নেন কাকড়াবন পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন সুপ্রিয়া সাহা,
মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন শিল্পী দাস, কাকড়াবন পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারপার্সন প্রণব দাস সহ কাকড়াবন ও
মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির অন্যান্য জন প্রতিনিধিবৃন্দ। বর্ণাঢ্য এই পদযাত্রাটি স্থানীয় কমিউনিটি হলে এসে শেষ হয়। সেখানে মূল বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক জীতেন্দ্র মজুমদার
স্বাস্থ্যক্ষেত্রে এক বড় সাফল্যের কথা ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই স্থানীয় জনসংখ্যার ৫৬ শতাংশ মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরিষেবা সফলভাবে পৌঁছে
দেওয়া সম্ভব হয়েছে। এই সাফল্যের জন্য আধিকারিকরা কাকড়াবন সিএইচসি, তুলামুড়া পিএইচসি এবং স্থানীয় উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলির কর্মীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
কাকড়াবন সিএইচসি-র চিকিৎসক আধিকারিক ডাঃ জয়শঙ্কর মজুমদার বলেন, সরকারের দেওয়া সমস্ত সুযোগ-সুবিধা, যার মধ্যে আয়ুষ্মান ভারত এবং মুখ্যমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা
অন্যতম, সেগুলি কাজে লাগিয়ে আমরা বিনামূল্যে সর্বোত্তম পরিষেবা প্রদানের চেষ্টা করছি। তবে আমরা বর্তমান এই পরিসংখ্যানেই সন্তুষ্ট থাকতে নারাজ ।
স্বাস্থ্য পরিষেবার পরিধি আরও সম্প্রসারিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। বিধায়ক জীতেন্দ্র মজুমদার আশা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাধারণ মানুষের খোঁজ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানান।
আগামী দিনে এই পরিদর্শনের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিষেবা থেকে বঞ্চিত মানুষদের চিহ্নিত করে তাঁদের দ্রুত সহায়তা করা হবে।
কাকড়াবন বিধানসভা কেন্দ্র সহ গোমতী জেলার প্রতিটি মানুষের কাছে স্বাস্থ্য পরিষেবার সর্বোচ্চ সুবিধা পৌঁছে দেওয়াই এখন দপ্তরের চূড়ান্ত লক্ষ্য হয়।
আশা কর্মী, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী এবং ত্রিপুরা রুরাল লাইভলিহুড মিশনের সদস্যরা এই র্যালির মূল অংশ ছিলেন।