নিজস্ব প্রতিনিধি , বিলোনিয়া | 26 সেপ্টেম্বর :-
পোষণ মাহের মঞ্চে ব্রাত্য সংবাদমাধ্যম, অন্ধকারে রেখে পুষ্টির আলো ছড়ানোর আজব উদ্যোগ দক্ষিণ জেলায় । কথায় বলে, প্রচারেই প্রসার। কিন্তু দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলা সমাজ শিক্ষা দপ্তর
বোধহয় উল্টো পথে হাঁটতেই বেশি ভালোবাসে। তাই তো ৯ম রাষ্ট্রীয় পোষণ মাহ-২০২৬ এর জেলা-স্তরের শুভ সূচনা হলো নীরবে, নিভৃতে, সাংবাদিকদের চোখের আড়ালে। বিলোনিয়ার
অগ্নিবীণা কমিউনিটি হলে ঘটা করে পালিত হলো অনুষ্ঠান। স্লোগান - "হামারি অঙ্গনওয়াড়ি, হামারি জিম্মেদারি"। মা ও শিশুর পুষ্টি, স্বাস্থ্য, মাতৃস্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা বাড়ানোই লক্ষ্য।
খুব ভালো কথা। কিন্তু সচেতনতা বাড়াবেন কাদের মধ্যে? যদি সেই খবরই মানুষের কাছে না পৌঁছয়, তবে পুষ্টি পাবে কে? মঞ্চের চার দেওয়াল? এখানেই রহস্য।
এত বড় একটি জনসচেতনতামূলক সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ পেলেন না জেলার সাংবাদিকরা। যারা গ্রামে-গঞ্জে, অঙ্গনওয়াড়িতে খবর পৌঁছে দেওয়ার প্রধান সেতু, তাদেরকেই রাখা হলো ব্রাত্য
করে। প্রশ্ন উঠছে, কেন এই লুকোচুরি? তবে কি প্রচারে অনীহা? নাকি এমন কিছু আছে যা ক্যামেরার ফ্ল্যাশের আলোয় আসুক, তা চায়নি দপ্তর? সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষার মতো
জনস্বার্থ জড়িত দপ্তরের এমন আচরণে গুঞ্জন তো উঠবেই। সবার দায়িত্ব" বলে স্লোগান তুলে, সবার খবর বহনকারী সংবাদমাধ্যমকেই যদি দূরে ঠেলে দেওয়া হয়, তাহলে সেই স্লোগানের
সারবত্তা কোথায়? এ কেমন জিম্মেদারি, যেখানে জিম্মেদারদেরই ডাকা হয় না? এ বিষয়ে দক্ষিণ জেলা সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকের কাছে এখন একটাই জিজ্ঞাসা -
সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ না জানানোর নেপথ্য কারণটা কী? ভুলবশত বাদ পড়া, নাকি সযত্নে এড়িয়ে যাওয়া?
জনগণ জানতে চায়, পোষণ মাহের পুষ্টি কি তবে শুধু হলের ভিতরেই সীমাবদ্ধ থাকবে?