নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা :
১ জুলাই ভারতের বিশিষ্ট চিকিৎসক তথা সমাজসেবী তথা পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ডা: বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিবস এবং প্রয়াণ দিবস।
ভারতরত্ন উপাধিতে ভূষিত বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিবসকে ডাক্তার দিবস হিসাবে পালন করা হয়। বিধানচন্দ্র রায়ের নামে সমৃদ্ধ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বিধান শিশু উদ্যান মেধা অন্বেষা গত আট বছর যাবৎ দিনটিকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শ্রদ্ধার সঙ্গে পালন করে আসছে।
অন্যান্য বৎসরের ন্যায় এবৎসরও বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দিনটিকে পালন করল বিধান শিশু উদ্যান মেধা অন্বেষা।
বুধবার কলকাতার সল্টলেকস্থিত ত্রিপুরা ভবনে বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার ত্রিপুরা ভবনের জয়েন্ট রেসিডেন্ট কমিশনার রামেশ্বর চক্রবর্তী, ইঞ্জিনিয়ার চুনচুন জমাতিয়া ও মেধা অন্বেষার ত্রিপুরা রাজ্যের কনভেনার তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী ও শিক্ষক মনোজ রায়।
অনুষ্ঠানে সল্টলেক ত্রিপুরা ভবনের সমস্ত কর্মচারীরাও উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত গত পাঁচ বছর যাবৎ মনোজ বাবু বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সল্টলেক ও প্রিটোরিয়া স্ট্রিট স্থিত ত্রিপুরা ভবনে বিভিন্ন ফুল ও ফলগাছের চারা রোপণ করে আসছেন নিজে অর্থ ব্যয় করে।
এরপর বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় প্রিটোরিয়া স্ট্রিট স্থিত ত্রিপুরা ভবনে। সেখানেও বিভিন্ন ফল ও ফুলের চারা রোপণ করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার নিউজ নয়া ভারত এর চিফ এডিটর স্বপন দাস, ভবনের রেসিডেন্ট (যুগ্ম) কমিশনার রামেশ্বর চক্রবর্তী সহ ভবনের কর্মীবৃন্দ।
বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের দেয়া সাক্ষাৎকারে বিধান শিশু উদ্যান মেধা অন্বেষার ত্রিপুরার মনোজ রায় জানান ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের জনগণের উচিত
ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীর "এক পেড় মা কে নাম" আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রতিটি উল্লেখযোগ্য দিনকে স্মরণে রেখে নিজ নিজ মায়ের নামে বৃক্ষরোপণ করা।
প্রসঙ্গত মনোজ রায়কে বুনিয়াদী শিক্ষা দফতর থেকে ত্রিপুরার সমস্ত স্কুল ও মাদ্রাসাতে কিচেন গার্ডেন এর পরামর্শদাতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল যা তিনি অবসরে যাওয়ার পরও দায়িত্ববিমুখ হননি।