নিজস্ব সংবাদদাতা, খোয়াই, ত্রিপুরা :
খোয়াই লালছড়ায় নিজ বাড়ীতেই নেশার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছে সৈকত দেববর্মা নামে এক নেশা কারবারী।
বাড়ীতে হানা দিয়ে মাষ্টারমাইন্ডকে পুলিশ তুলে আনলেও, কোনও এক অজ্ঞাত কারণে গোটা ঘটনা চেপে যাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।
এমনটাই অভিযোগ জনসাধারণের। ঘটনার এত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও, মিডিয়ার সামনে তথ্য তুলে ধরতে গড়িমসি করছে পুলিশ।
এদিকে জানা যায়, শুক্রবার ভরদুপুরে খোয়াই থানাধীন লালছড়া এলাকায় সৈকত দেববর্মা নামে এক নেশা কারবারীর গোপন ডেরায় যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ড্রাগস সহ তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
লালছড়াকে পুনরায় নেশার করিডোর বানানোর ছক বানচাল করে দেওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে এলাকায়। কিন্তু মিডিয়ার সামনে এবিষয়ে মুখ খুলছে না পুলিশ প্রশাসন। চলছে গড়িমসি, টালবাহানা।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুপুর আনুমানিক ১২টা নাগাদ পুলিশের কাছে একটি গোপন খবর আসে যে, লালছড়া এলাকার বাসিন্দা সৈকত দেববর্মার বাড়িতে বিপুল পরিমাণ ড্রাগস মজুত করা হয়েছে।
খবরের সত্যতা যাচাই করে কালবিলম্ব না করে সুভাষপার্ক পুলিশ ফাঁড়ির ওসি রঞ্জিত সরকারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ এবং প্রশাসনের ডেপুটি কালেক্টরের (DCM) উপস্থিতিতে ওই বাড়িতে অতর্কিত হানা দেওয়া হয়।
অভিযান চালিয়ে ধৃত সৈকত দেববর্মার বাড়ি থেকে মোট ৩.২৪ গ্রাম ব্রাউন সুগার বা ড্রাগস উদ্ধার করা হয়েছে। যার আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় লক্ষাধিক টাকা হবে বলে ধারণা করছে পুলিশ।
এছাড়া মাদক বিক্রির নগদ ৫,৫৬০ টাকা, ড্রাগস ওজনের একটি ডিজিটাল পরিমাপক যন্ত্র, মাদক প্যাকেজিংয়ের জন্য ৯৮টি খালি কৌটো (ফাইলস) এবং একটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
লালছড়া এলাকাকে কেন্দ্র করে পুনরায় নেশার জাল বোনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জনগণের অভিযোগ। এদিকে ধৃতের বিরুদ্ধে খোয়াই থানায় এনডিপিস (NDPS) ধারায় সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
কিন্তু গোটা বিষয়টি কেন মিডিয়া থেকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে তা নিয়েই জনমনে কৌতূহল বিরাজ করছে।