নিজস্ব প্রতিনিধি, কুমারঘাট | ৮ নভেম্বর :
অবৈধ কারবারের বিরুদ্ধে পৃথক পৃথক অভিযান কুমারঘাট থানার পুলিশের। অভিযানে মোটা অংকের বার্মিজ সিগারেট আটক উর্দিধারীদের।
দীপাবলির আগে আটক অবৈধ শব্দবাজিও। ত্রিপুরায় অবৈধ সামগ্রীর আমদানি ও পাচার নিয়ে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ।
কফ সিরাপ থেকে ইয়াবা, আগ্নেয়াস্ত্র থেকে বার্মিজ সিগারেট, ত্রিপুরায় নিষিদ্ধ সামগ্রীর আমদানি ঘিরে প্রশ্নের মুখে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা।
অথচ রাজধানী আগরতলায় নিজেদের চাকরির দাবিতে আন্দোলন করতে যাওয়া হবু শিক্ষকদের দমনে অতি সক্রিয় মানিক সাহার পুলিশ। এমনই অভিমত সচেতন মহলের।
এরই মধ্যে পুলিশের ব্যর্থতা কিছুটা আড়াল করতে উনকোটি জেলার কুমারঘাটে পরপর দুটি অভিযানে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার বার্মিজ সিগারেট এবং
অবৈধ শব্দবাজি আটক করে নিজেদের সক্রিয়তা তুলে ধরার চেষ্টা পুলিশের। কুমারঘাট থানার ওসি সঞ্জয় দাস জানান, বিশেষ সূত্রে খবর পেয়ে
৯১ মাইল নাকা পয়েন্টে AS-01-EH-9983 নম্বরের একটি ওয়াগনার গাড়ি আটক করে পুলিশ। পরে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ২২ কার্টনে
মোট ২ লক্ষ ১২ হাজার ২০০টি বার্মিজ সিগারেট। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। আইনি প্রক্রিয়া মেনে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে সিগারেট সহ গাড়িটি।
পাশাপাশি গাড়ির চালক ও সহচালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে জানান কুমারঘাটের শান্তি রক্ষক।
V/O:- বার্মিজ সিগারেট উদ্ধারের পাশাপাশি দীপাবলির আগে অবৈধ শব্দবাজির বিরুদ্ধেও অভিযান চালায় পুলিশ। কুমারঘাট থানার ওসি জানান, সায়দাবাড়ী এলাকায় মোবাইল পেট্রলিং চলাকালীন একটি ইলেকট্রিক অটোতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় ১৭ প্যাকেট বিভিন্ন ধরনের শব্দবাজি। যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১০ হাজার টাকা। তিনি জানান, বাজিগুলি কুমারঘাট থেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল সোনাইমুড়ির উদ্দেশ্যে। এই ঘটনায় অটোচালককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানোর পাশাপাশি বাজি সহ গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।বাইট--সঞ্জয় দাস (ওসি, কুমারঘাট থানা)।
V/O:- একদিকে নিজেদের ন্যায্য চাকরির দাবিতে ত্রিপুরায় আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের জলকামান, লাঠিচার্জ এমনকি ঘাড় ধাক্কার মুখেও পড়তে হচ্ছে হবু শিক্ষকদের। অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অবৈধ সামগ্রীর কারবার নিয়ে উঠছে একের পর এক অভিযোগ। এই পরিস্থিতিতে এমন অভিযান কুমারঘাট পুলিশের সাফল্যের খাতায় নাম লেখালেও রাজ্যজুড়ে অবৈধ সামগ্রীর আমদানি ও কারবার সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করতে আগামী দিনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর হাতে থাকা স্বরাষ্ট্র দপ্তর কতোটা কার্যকর ভূমিকা গ্রহণ করে এখন সেটাই দেখার।