নিজস্ব প্রতিনিধি , উদয়পুর | ১৯ সেপ্টেম্বর :
প্রতিদিন দুর্ঘটনা পিছু ছাড়ছে না উদয়পুর শহর এলাকা থেকে শুরু করে বাগমা বাজার এলাকা । শনিবার দুপুর দুইটা নাগাদ বাগমা
বাজারে TR 03 S 0543 নাম্বারের প্রাইভেট গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বাগমা বাজারে জাতীয় সড়কের পাশে থাকা মিষ্টি দোকান থেকে
শুরু করে পান দোকান ও জুতা দোকান সহ আরো একাধিক দোকান ব্যাপকভাবে ভাঙচুর করে গাড়িটি। সংবাদের সূত্রে জানা যায় ,
উদয়পুরের দিক থেকে যাওয়া এই প্রাইভেট গাড়িটির পেছনে আরো একটি গাড়ি ছিল কিন্তু হঠাৎ করে গাড়ির গতি বাড়িয়ে
ওভারটেগ করতে গিয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রতিটি দোকানে ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয় দোকান মালিকরা।
মুহূর্তের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয় বাগমা বাজার এলাকায় । জানা যায় গাড়ির গতি বেশি থাকার কারণে রাস্তার ধারে থাকা সরকারি
বৈদ্যুতিক খুঁটি পর্যন্ত ভেঙে উপড়ে পড়ে যায় জাতীয় সড়কের উপর। কিন্তু কোন ধরনের আহত অথবা নিহতের খবর পাওয়া যায়নি।
পরবর্তী সময় গাড়ি চালক শুভ্রজিত দাস কে বাগমা ফাঁড়ি থানার পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। জানা যায় তার বাড়ি উদয়পুর ব্রহ্মাবাড়ি এলাকায় ।
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে গোটা বাজার জুড়ে। জাতীয় সড়কে কোন ধরনের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ নেই উদয়পুর রাধা কিশোরপুর ট্রাফিক দপ্তরের।
শুধুমাত্র সন্ধ্যা হলেই উদয়পুর শহরে ট্রাফিক ব্যবস্থার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে জরিমানা আদায় করতে ব্যস্ত থাকে ট্রাফিক বাবুরা।
আর জাতীয় সড়কে যেভাবে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটে চলেছে তাতে করে গোমতী জেলা পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং মহকুমা পুলিশ
আধিকারিকের কোন ধরনের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা পর্যন্ত নেই। অন্যদিকে নিধিরাম সর্দার রাধা কিশোরপুর ট্রাফিক দপ্তরের ডিএসপি তরুণ দাস
পর্যন্ত একেবারে নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছে জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার পর থেকে। কেন জাতীয় সড়কে গাড়ির গতি কমানো যাচ্ছে না
এই নিয়ে কোন ধরনের বিবৃতি নেই জেলা পুলিশ সুপারের। শুধুমাত্র সন্ধ্যা হলেই উদয়পুর শহরে নিজেদের নাম কামানোর
ধান্দায় বসে রয়েছে প্রতিদিন জরিমানা আদায় করার জন্য। এতটুকু পর্যন্ত সীমিত থাকতে ট্রাফিক বাবুরা। আর মৃত্যুর মিছিল থামছে না উদয়পুর শহরে।