নিজস্ব প্রতিনিধি , উদয়পুর :
উদয়পুর শহরে রাধাকিশোরপুর ট্রাফিক দপ্তর থেকে প্রতিদিন থানা কর্নারে হেমলেট অভিযানে নামছেন।
সন্ধ্যা হওয়ার সাথে সাথে ডিএসপি তরুণ দাস ময়দানে নামছেন । কিন্তু গত কয়েকদিনে দেখা গিয়েছে অভিযান চলাকালীন সময় বেশ কিছু বৈষম্যমূলক আচরণ লক্ষ্য করা যায়।
যা আমাদের সংবাদ প্রতিনিধির ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। যদি কোন পুরুষ বিনা হ্যামলেটে বাইক চালিয়ে শহরে আসেন।
তাহলে সাথে সাথে ধরপাকড় করে তাকে আটক করা হয়। একটা সময় মনে হয় উদয়পুর শহরে যেন উগ্রবাদী প্রবেশ করেছে।
অন্যদিকে যদি কোন মহিলা স্কুটি চালিয়ে সকল ট্রাফিকের মাঝ দিয়ে দিব্যি চলে যায়। মাথায় যদি কোন ধরনের হ্যামলেট না থাকে তাহলে কোন সমস্যা থাকে না ডিএসপি তরুণ দাসের ।
দুই ধরনের নীতি অবলম্বন করা হচ্ছে প্রতিদিন। উদয়পুর শহরকে করা হচ্ছে শুনশান। যেখানে গোমতী জেলা পুলিশ সুপার অনির্বাণ দাস
পরিষ্কার নির্দেশ দিয়েছেন যে সকল বাইক ও স্কুটি চালকদের মাথায় থাকবে না কোন ধরনের হ্যামলেট তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া হবে জরিমানা।
তাহলে কেন রাধাকিশোরপুর ট্রাফিক ডিএসপি তরুণ দাস এই বৈষম্যমূলক আচরণ করছে প্রতিদিন শহরের বুকে।
শহরের মুখ চেনা মুখের ডাল হয়ে উঠেছে তরুণের কাছে। ডিএসপি থেকে শুরু করে ওসি সকলের সামনে দিয়ে চলে যাচ্ছে বিনা হ্যামলেটে এক মহিলা স্কুটি চালিকা , নেই কোন ধরনের বাঁশির সিগন্যাল পর্যন্ত।
যেভাবে গোটা শহরকে তটস্থ রেখে চলেছে উদয়পুর ট্রাফিক ইউনিট। সে জায়গায় শহরের বহু মানুষ এখন বাজার মুখি হচ্ছে না শহরের বুকে।
মাতার বাড়িতে প্রতিদিন সন্ধ্যায় সব্জি বাজারে ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। তার কারণ উদয়পুর শহরে নেই সঠিক কোন পার্কিং ব্যবস্থা।
সঠিক পার্কিং ব্যবস্থা না করে শুধুমাত্র জরিমানা আদায় করে নিজেদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য থেকে খালাস হচ্ছে ট্রাফিক ইউনিট।
সূত্রের খবর শাসকের বিভিন্ন নেতা যখন ট্রাফিকের কাছে ধরা পড়ছে সেই সব নেতাদের ছেড়ে দিচ্ছে ট্রাফিক দপ্তরের তরুণ।
বিভিন্ন মহল বলছে যেভাবে এই ধরনের মুখ চেনা মুখের ডাল হয়ে ধরা হচ্ছে সাধারণ মানুষকে । এই সমস্যার ক্ষোভ ভোটের বাক্সে শাসকের অনেকটা ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
তার সর্বনাশের মূল চিত্রনাট্য তৈরি করে ফেলেছে উদয়পুর ট্রাফিক ইউনিটের ডিএসপি তরুণ দাস। এমনটাই বিভিন্ন মহল সূত্রে খবর।