নিজস্ব প্রতিনিধি , কাঠালিয়া :
কাল বৈশাখীর তাণ্ডবে সোনামুড়া মহকুমার অন্তর্গত, কাঠালিয়া ব্লক এলাকার একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় লন্ডভন্ড করে দিয়েছে।
এতে করে ব্যাপক মানুষের ক্ষতিগ্রস্ত, বিদ্যুৎ পরিষেবা বন্ধ। চলছে জনদুর্ভোগ, তেমন কোন তৎপরতা নেই প্রশাসনের।
রবিবার সন্ধ্যায় প্রায় সাড়ে ছটা থেকে শুরু করে দফায় দফায় ঝড়ো হাওয়া এবং বজ্রবিদ্যুৎ সহ শিলাবৃষ্টি।
দীর্ঘ প্রায় ৪০ মিনিটের উপর চলে দমকা হাওয়া সহ প্রবল বৃষ্টি। আচমকা আছড়ে পড়া ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে বাড়িঘর, ভেঙে যায়।
কোথাও বাড়িঘরের উপর বিশাল কাজ করে ব্যাপক হয় ক্ষতি করে। আবার কোথাও রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের উপর গাছ পোড়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে খবর লেখা অব্দি বদ্ধ।
এই নিয়ে চিন্তা গ্রস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলি। যেমন, কাঠালিয়া ব্লক এলাকার দক্ষিণ মহেশপুর প্রশান্ত দেবের দোকান ঘরের উপর পরে বিশাল গাছ ভেঙে। এতে করে ব্যাপক ক্ষতি হয় দোকান মালিকের।
অপরদিকে একই পঞ্চায়েতের রত্নাদের বাড়িতে ভেঙে পড়ে কাঠালিয়া বনদপ্তরের রেঞ্জ অফিসের একটি বহু পুরানো গাছ।
যদিও বনদপ্তরের কর্মীরা খবর পেয়ে সকালবেলায় সোনামুড়া থেকে বনদপ্তরের মহকুমা আধিকারিক ও অন্যান্য কর্মীরা সহ সংঘবদ্ধ হয়ে স্থানীয় লোকজন মিলে গাছটি কেটে সরানোর চেষ্টা করে রত্নাদের বাড়ি থেকে।
অনুরূপ কাঠালিয়া পঞ্চায়েত এলাকার সাধন দাসের একটি ঘর ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে যায় বহু দূরে।
অপরদিকে উত্তর পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতের আম্মা মুরা গ্রামের হত দরিদ্র বাসন্তী ত্রিপুরার বসতঘরের টিনের চালা একেবারে উড়িয়ে নেয় ঝড়ে।
এখন রান্নাবান্না করার মত সুযোগ নেই তার। আরো ব্যাপক অংশের খবর এখনো উঠে আসেনি। ধারণা করা হচ্ছে ক্ষয়ক্ষতি আরো বহু পরিবারের হয়েছে।
অপরদিকে বিদ্যুৎ পরিষেবা রবিবার বিকেল থেকেই বন্ধ, বিদ্যুৎ পরিষেবা বাধ্য থাকার কারণে বিশেষ করে পানীয় জলের যথেষ্ট সংকট তৈরি হয়েছে।
এই নিয়ে বিদ্যুৎ কর্মীদের মধ্যে তেমন কোন উদ্যোগ গ্রহণ করার দৃশ্য দেখা যাচ্ছে না।