নিজস্ব প্রতিনিধি , উদয়পুর :
ত্রিপুরা রাজ্যে জুড়ে নেশা বাণিজ্য রমরমা ব্যবসা প্রতিদিন জাঁকিয়ে বসেছে । পুলিশ প্রতিনিয়ত নেশা বিরোধী অভিযান জারি রেখেছে রাজ্যেজুড়ে।
তার মাঝেও বহু নেশা ব্যবসায়ী তাদের নেশা বাণিজ্যর রমরমা চালিয়ে যাচ্ছে। আইনের প্রতি নেই তাদের কোন ধরনের ভয় !
কিভাবে বাঁকা পথে বেশি টাকা মুনাফা অর্জন করা যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে দিন ও রাত প্রতিদিন এই নেশা বাণিজ্য চালিয়ে যাচ্ছে একের পর এক বিভিন্ন মহকুমা জুড়ে।
বৃহস্পতিবার রাতে গোপন খবরের ভিত্তিতে কাঁকড়াবন থানার পুলিশ সমতল হদ্রা এলাকার বাসিন্দা ৫০ বছর বয়সি আলী অর্জুন ও
পালাটানা এলাকার বাসিন্দা আলমগীর হোসেনকে রাস্তার মাঝেই আটক করে পুলিশ। তাদের ব্যাটারি চালিত অটো ও বাইক তল্লাশি করার কিছু সময়ের মধ্যে
উদ্ধার হয় তাদের কাছ থেকে ড্রাগস যার ওজন ৯.৪ গ্রাম । গোটা ঘটনায় TR 03 D3656 নাম্বারের ব্যাটারি চালিত অটো ও
TR 03 N 6986 নাম্বারের বাইক আটক করে থানায় এই নিয়ে আসে পুলিশ। দুই ব্যক্তির গ্রেপ্তার হওয়া এবং তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া
ড্রাগস বাজেয়াপ্তের ঘটনার খবর দেওয়া হয় উদয়পুর মহকুমা পুলিশ অধিকারীক দেবাঞ্জলি রায়কে ।
ঘটনার খবর পেয়ে কাকরাবন থানায় ছুটে যান মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাঞ্জলি রায় । সমগ্র বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নেন এবং BNS আইনে মামলা নেয় পুলিশ ।
অপরদিকে ব্যাটারি চালিত অটো গাড়ির চালক আলি অর্জুনের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন পুলিশ কোন কিছু বলার আগেই আলীকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে রাস্তা থেকে।
এই ধরনের গ্রেপ্তারের বিষয় নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবারের সদস্যরা। সূত্রের খবর , কাকড়াবন থানার অধীন বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের
নেশা বাণিজ্য দিনের পর দিন রমরমা ভাবে চালিয়ে আসছে নেশা মাফিয়ারা। তাদের বড় মাথা এখনো পর্যন্ত পুলিশের ধরা ছোঁয়ার বাইরে থাকার কারণে
এই ধরনের নেশার ব্যবসা চালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছে নেশা মাফিয়ারা। গ্রামের সচেতন মানুষ নেশার বিরুদ্ধে এগিয়ে আসে তাহলে আরও নেশা ব্যবসা
কারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ আরো তাড়াতাড়ি তাদেরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে বলে মনে করছে সচেতন নাগরিকরা।
জানা যায় , নেশা সামগ্রী সহ গ্রেপ্তার হওয়া দুই ব্যক্তিকে শুক্রবার দুপুরে উদয়পুর জেলা দায়রা আদালতে সোপার্দ করা হবে।