নিজস্ব প্রতিনিধি , কাঁকড়াবন | ২ অক্টোবর :
গ্রামীন এলাকার রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বাজারহাট ও স্থানীয় সমস্যা সমাধান করার জন্য এলাকার বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার তার বিধানসভা কেন্দ্রে
কতটুকু কাজ করেছেন তার খোঁজ নেওয়ার জন্য আমাদের প্রতিনিধি গোটা বিধানসভা ঘুরে দেখেছেন ।
আমাদের প্রতিনিধির ক্যামেরায় ধরা পড়েছে নতুনভাবে মির্জা বাজারে একটি সব্জি বাজার , মৎস্য বাজার নতুনভাবে নির্মাণ করার জন্য ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।
অন্যদিকে , ২০২৪ সালের বন্যায় ভেঙে যাওয়া ছড়ার জলে বাজার লাগুয়া একটি গভীরখাদ কে বর্তমানে বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে ভূমিধ্বসের হাত থেকে মির্জা বাজারকে রক্ষা করার জন্য ।
একই সাথে বছরের পর বছর রাস্তার সমস্যার কারণে গ্রামবাসীদের দুর্ভোগ বেড়েছিল কেরানি খামার এলাকায় ।
তার ফলে যাতায়াতে সমস্যা বাড়ে গ্রামের সাধারণ মানুষের। বর্তমানে ৮০০ মিটার লম্বা কাঁচা রাস্তাটিকে নতুনভাবে পেপার ব্লক দিয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে কাকড়াবন বিধানসভা কেন্দ্রে ব্যাপক কাজ শুরু হয়েছে। কাঁকড়াবন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার জানান, গোটা বিধানসভা কেন্দ্রে
কমপক্ষে প্রায় ৬০০ কোটির কাজ করানো হচ্ছে যার মধ্যে বর্তমানে বহু কাজ এখনো চালু রয়েছে। আগামী বিধানসভার আগেই সমস্ত কাজ সমাপ্ত হবে বলে তিনি জানান।
কৃষি দপ্তর থেকে শুরু করে পূর্ত দপ্তর থেকে বিভিন্ন কাজ ইতিমধ্যেই করানো হয়েছে গোটা বিধানসভায়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ড: মানিক সাহাকে কাকড়াবন বিধানসভা
কেন্দ্রের বিভিন্ন সমস্যার কথা জানানোর পর মুখ্যমন্ত্রী নিজে এলাকার উন্নয়ন করার জন্য পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সমস্ত মন্ত্রীদের দপ্তর থেকে
যে সকল কাজ করানো যায় এইসব এলাকাগুলিতে সমস্ত কাজ করানো হয়েছে ইতিমধ্যেই। রাজনৈতিক দলের একটি অংশ বিধায়কের যে ছবিটি তৈরি করে রেখেছিল
যে কোন কাজ এই বিধানসভা কেন্দ্রে হচ্ছে না। এই ধরনের একটি সুর গোটা সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে বিধায়ককে প্রায় পেছনের সাড়িতে নেওয়ার যে অপচেষ্টা চালিয়ে রেখেছিলো।
সম্পূর্ণ প্রকারে ভুল ছবি রাজনৈতিক মহলে ছিটিয়ে রাখা হয় বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে গোটা বিধানসভায় রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও এলাকার
বিভিন্ন উন্নয়ন যে দ্রুতগতিতে চলছে তাতেই সম্পূর্ণভাবে বোঝাই যাচ্ছে রাজ্য সরকার পিছিয়ে পড়া এলাকা গুলিকে কিভাবে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় ।
এই ভাবনা বিধায়কের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে। আগামীর কাকরাবন গড়ে উঠেছে এক উন্নয়নের মূল শিকর এমনটাই মনে করছে গ্রামীণ মহল।