BREAKING :
(1) ঝাড়খণ্ডে প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনে অশান্তির ঘটনায় এফআইআর! পুলিশের নিশানায় ৩০০ জন ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ (2) অস্পৃশ্যতা-বিতর্কে বাদল অধিবেশনের শেষ দিনে উত্তপ্ত হল রাজ্যসভা। বিজেপির বিরুদ্ধে অস্পৃশ্যতাকে প্রশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ তুললেন স্বয়ং কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে। (3) তারেকের ভারত সফর নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, জানাল ঢাকা! দিল নয়াদিল্লিকে বার্তাও

গণতন্ত্র না কি পেশীশক্তির দাপট? উদয়পুরে ভোট লুঠের অভিযোগ ঘিরে রণক্ষেত্র!

গণতন্ত্র না কি পেশীশক্তির দাপট? উদয়পুরে ভোট লুঠের অভিযোগ ঘিরে রণক্ষেত্র!

​নিজস্ব প্রতিনিধি, উদয়পুর | ১২ এপ্রিল, ২০২৬


​রবিবার সকাল থেকেই এএডিসি (ADC) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোমতী জেলার উদয়পুর মহকুমা।

সকাল ৭টায় ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন বুথ থেকে আসতে থাকে সংঘর্ষ, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং ধস্তাধস্তির খবর। 

পাহাড় থেকে সমতল—দিনভর অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে রাজনৈতিক পারদ ছিল তুঙ্গে।ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই উদয়পুর মহকুমার বিভিন্ন প্রান্তে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

Must Read ১১ দফা দাবিতে উদয়পুর মহকুমা কমিটির উদ্যোগে জেল ভরো আন্দোলন সংঘটিত করা হয় উদয়পুর শহরের বুকে ১১ দফা দাবিতে উদয়পুর মহকুমা কমিটির উদ্যোগে জেল ভরো আন্দোলন সংঘটিত করা হয় উদয়পুর শহরের বুকে

বিশেষ করে গ্রামীণ ও পাহাড়ি এলাকায় বামফ্রন্টের পোলিং এজেন্টদের বসাতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শাসক দল এবং তিপ্রা মথার কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে। 

বেশ কিছু জায়গায় বাম কর্মীদের ওপর শারীরিক হামলার খবরও পাওয়া গেছে।নির্বাচনী পরিস্থিতি নিয়ে আমাদের সংবাদ প্রতিনিধির মুখোমুখি হয়ে ক্ষোভ উগরে দেন সিপিআই(এম) উদয়পুর মহকুমা সম্পাদক দিলীপ দত্ত।

তিনি সরাসরি অভিযোগ করে বলেন: ​"আজ গণতন্ত্রের এক কালো দিন। সকাল থেকেই আমাদের এজেন্টদের বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়েছে।

শাসক দল এবং তিপ্রা মথা তলে তলে হাত মিলিয়ে বামেদের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করছে। অনেক জায়গায় আমাদের কর্মীরা লড়াই করে এজেন্ট বসিয়েছেন, আবার কোথাও প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় আমাদের কর্মীদের মার খেয়ে ফিরতে হয়েছে।

Also Read বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে রমেশ চৌমুহনীতে এক গণধর্না সংগঠিত করে উদয়পুর জেলা কংগ্রেস বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়ে রমেশ চৌমুহনীতে এক গণধর্না সংগঠিত করে উদয়পুর জেলা কংগ্রেস


​দিলীপ বাবু আরও দাবি করেন যে, নির্দিষ্ট কিছু বুথে ভোটারদের ভয় দেখানো হয়েছে এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো হয়নি। তিনি একে "ভোটের নামে প্রহসন" বলে অভিহিত করেছেন।

তৃণমূল স্তরের চিত্র বলছে, অনেক জায়গায় বাম কর্মীরা দলীয়ভাবে সংগঠিত হয়ে বুথ আগলানোর চেষ্টা করেছেন। কোথাও কোথাও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও, মহকুমার অধিকাংশ এলাকাতেই দিনভর চাপা উত্তেজনা বজায় ছিল।

পুলিশ অবশ্য দাবি করেছে যে, বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

দিনশেষে টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হলেও, এই সংঘর্ষের রেশ মহকুমার রাজনীতিতে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Admin Desk

Admin Desk

I am senior editor of this News Portal. Me and my team verify all news with trusted sources and publish here.

Home Shorts

Categories

Facebook YouTube Instagram X (Twitter) WhatsApp Telegram