নিজস্ব প্রতিনিধি,আগরতলা , ত্রিপুরা | ৫ জুন, ২০২৬
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে স্বর্ণকমল জুয়েলার্স তাদের বার্ষিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি “স্বর্ণ তরঙ্গ ২০২৬”-এর শুভ সূচনা করেছে।
পরিবেশ সংরক্ষণ ও একটি সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
গত বছর এই কর্মসূচির মাধ্যমে ত্রিপুরার বিভিন্ন অঞ্চলে ১,০০০-এরও বেশি গাছ রোপণ করা হয়েছিল।
সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এ বছর সংস্থাটি ২,০০০-এরও বেশি গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
পরিবেশ রক্ষা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতি স্বর্ণকমল জুয়েলার্সের দীর্ঘদিনের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন এই উদ্যোগ। “স্বর্ণ তরঙ্গ ২০২৬”-এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা,
বায়ুদূষণ হ্রাস এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সাধারণ মানুষকে আরও বেশি করে সচেতন ও অংশগ্রহণমূলক করে তোলাই সংস্থার উদ্দেশ্য।
এই প্রসঙ্গে স্বর্ণকমল জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান গোপাল চন্দ্র নাগ বলেন,
“প্রকৃতি আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ। সমাজের একজন দায়িত্বশীল সদস্য হিসেবে পরিবেশ রক্ষা ও সংরক্ষণে অবদান রাখা আমাদের কর্তব্য।
‘স্বর্ণ তরঙ্গ’-এর মাধ্যমে আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করতে চাই এবং আরও বেশি মানুষকে এই সবুজ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানাই।”
এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বন দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন, স্বর্ণকমল জুয়েলার্সের কর্মী, গ্রাহক এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হবে।
সংস্থার বিশ্বাস, আজ রোপিত প্রতিটি গাছ আগামী দিনের একটি সুস্থ, সবুজ ও টেকসই পৃথিবী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে স্বর্ণকমল জুয়েলার্স শুধু গহনা শিল্পেই নয়, সমাজসেবা ও পরিবেশ সংরক্ষণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের এই বিশেষ দিনে স্বর্ণকমল জুয়েলার্স সকল নাগরিক, প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকে পরিবেশ রক্ষার এই উদ্যোগে সামিল হওয়ার জন্য আন্তরিক আহ্বান জানাচ্ছে।
স্বর্ণকমল জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান গোপাল চন্দ্র নাগ ১৯৬০-এর দশকের শেষভাগে একজন স্বর্ণকার হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন।
তাঁর দক্ষতা, সততা ও দূরদর্শিতার ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আজ স্বর্ণকমল জুয়েলার্স এই অঞ্চলের অন্যতম বিশ্বস্ত গহনার ব্র্যান্ডে পরিণত হয়েছে।
ঐতিহ্য, বিশ্বাস, আধুনিকতা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে প্রতিষ্ঠানটি আজও সমাজের কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে।