নিজস্ব প্রতিনিধি , সোনামুড়া :
গ্রামীণ এলাকায় জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে শনিবার মাছের বাজার অনেকটাই মন্দা
এমনটাই মন্তব্য করলেন কাঠালিয়া বাণিজ্যিক এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী নাসির মিয়া ও সঞ্জয় দেবনাথ।
তাদের অভিযোগ , যে প্রত্যাশা নিয়ে বিভিন্নভাবে ইলিশ মাছ থেকে শুরু করে অন্যান্য প্রজাতির মাছ দূরান্ত থেকে বিক্রি করার জন্য রাস্তার পাশে বসেছি কিন্তু ক্রেতা সাধারনের সংখ্যা অনেকটাই কম!
হিন্দু বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ একপ্রকার রেগেই আছে। এই ১৩ পার্বণের একটা হলো জামাই ষষ্ঠী। ২০শে জুন শনিবার জামাই ষষ্ঠী। কাজেই জামাই বাবাজিকে সন্তুষ্ট করতে একাংশ বিশেষ করে শাশুড়ি মা ও শ্বশুর ব্যতিব্যস্ত এখন বাড়ি করে। এ বছর আষাঢ় মাসে জামাইষষ্ঠী পাড়ায় একটা দ্বিধা দ্বন্দ্ব ছিল জামাই বাবাজিকে মাথায় জল দেওয়া যাবে কিনা?
তবে, পণ্ডিতদের বাইক্য অনুযায়ী পুরানো জামাইদের আর্শিবাদ করতে পারবেন শাশুড়ি মায়েরা তাতে কোন ধরনের সমস্যা নেই। তবে নতুন জামাইদের আশীর্বাদ না করাই ভালো!
পণ্ডিতের বিধান অনুযায়ী যেহেতু পুরানো জামাইদের ষষ্ঠী দেওয়া যাবে তাই ষষ্ঠীর সামগ্রী নিয়ে বাজারে বসেছেন বিক্রেতারা। আবার বিশেষ করে মৎস্য ব্যবসায়ী যারা প্রত্যাশা নিয়ে ফুটপাতে মাছ বিক্রি করার জন্য বসে আছেন তাদের অভিযোগ ক্রেতা সংখ্যা অনেকটাই কম।
যাও ক্রেতা সাধারণ দোকানের সামনে আসছেন, দাম শুনে অনেকটাই মাছ না ক্রয় করে ফিরে চলে যাচ্ছেন।
ছোট্ট একটা অংশ দরদাম যাই হোক না কেন নিয়ম রক্ষার তাগিদে বাঁ জামাইবাবুকে সন্তুষ্ট করার জন্য ইলিশ মাছ ক্রয় করার ইচ্ছাটাই বেশি বুঝা যাচ্ছে।
এমনটাই দৃশ্য দেখা গেল সোনামুড়া মহকুমার দক্ষিণাংশের বাণিজ্যিক এলাকার সোনামুড়া টু বিলোনিয়া বাইপাস সড়কের পাশে মৎস্য ব্যবসায়ীরা বিক্রি করছেন।
তবে অন্যান্য বছর যেভাবে জামাইষষ্ঠী উপলক্ষে গ্রামীণ এলাকায় ষষ্ঠী উপলক্ষে এক দুদিন আগে থেকেই শুরু হতো প্রস্তুতি, কিন্তু তেমন ধুমধাম নেই গ্রামীণ এলাকায় জামাইষষ্ঠীর উপলক্ষে।
কেউ কেউ এমনটাও মন্তব্য করছেন রাজ্যে ক্রমান্বয়ে আর্থিক পরিস্থিতি যে জায়গায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে তাতে গ্রামীণ এলাকার একাংশ পরিবার খেয়ে পড়ে বেঁচে থাকা বড়ই কষ্টকর।
কি করে ষষ্ঠীর পূজা করব! নিয়ম রক্ষার তাগিদে যতটুকু প্রয়োজন তাই করতে হচ্ছে।