নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা :
পাঁচ বছর পর আবারও বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গে। ২৯৪ টি আসনে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় দুই দফায়।
এই বছর প্রথম ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে এস আই আর হওয়ার পর এই প্রথম বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
তারমধ্যে ভবানীপুর এবং নন্দীগ্রামে বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দুইটি কেন্দ্রে ভোটে প্রার্থী হয়েছেন। তার মধ্যে ভবানীপুর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র।
শেষদফা নির্বাচনে ১৪২ টি আসনে হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। সকাল থেকে ভোটারদের লাইন দীর্ঘ। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকারের সেনাবাহিনী, বিজেপি কর্মী ও নির্বাচন কমিশন তিনটি শক্তি মমতার বিরুদ্ধে ময়দানে নামে।
কিন্তু দিনভর গোটা ১৪২ টি আসনে তৃণমূল কংগ্রেস শক্ত লড়াই দিয়েছে। তাতে করে বিজেপি অনেকটাই পেছনে পড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় সূত্রে জানা যায় এই বছর চতুর্থ বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বিষয় দাঁড়িয়েছে ২৯৪ টি আসনের মধ্যে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস আসন পেতে পারে ২২২টি ।
সেই সাথে বিজেপি আসন সংখ্যা পেতে পারে ৬৭ টি । কংগ্রেস পেতে পারে ১ থেকে ৩ । অন্যান্য পেতে পারে দুই। এমনটাই তাদের দলীয় সূত্রে জানা যায়।
চতুর্থ বারের জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী তৃণমূল কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে রাজ্য নেতৃত্ব এবং জেলা ও ব্লক স্তরের নেতৃত্ব ও কর্মীরা।
মহিলাদের ভোট সবথেকে বেশি পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। দলের গোপন সার্ভে রিপোর্টে এই তথ্য বেরিয়ে আসে বলে সূত্রের দাবি।
আগামী ৪ ঠা মে সকালে গণনা কাজ শুরু হবে। তার আগে গোটা পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস ভোট গণনা কেন্দ্রগুলি কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাথে কড়া ভাবে পাহারা দিচ্ছে।
দলীয় নির্দেশ অনুসারে এই বছর প্রথম চারটি ভাগে কর্মীরা বিভক্ত হয়ে পাহারায় যুক্ত হয়েছে বলে জানা যায়। সবার নজর আগামী ৪ঠা মে ।।