শান্তির বাজার প্রতিনিধি:
দক্ষিণ ত্রিপুরার জেলা অন্তর্গত জোলাইবাড়ী অন্তর্গত উত্তর জোলাইবাড়ি এলাকায় (২৮ এপ্রিল ২০২৬) সকালে কালবৈশাখী ঝড়ের এবং শিলা বৃষ্টির তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা সামনে এসেছে
এবং কয়েকটি পরিবারে শিলা বৃষ্টি পরে গড়ের তিনগুলি ছিদ্র হয়ে যায় এমনটা দেখা গেল মিঠুন বণিকের পরিবারে।
হঠাৎ করে আছড়ে পড়া ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে বাড়িঘর, রাস্তা এবং যানবাহনের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোথাও বাড়ির উপর গাছ ভেঙে পড়েছে, আবার কোথাও রাস্তাঘাট সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
ঝড়ের দাপটে বহু জায়গায় বিদ্যুতের খুঁটি ও তারের উপর গাছ পড়ায় বিদ্যুৎ পরিষেবা সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম পিলাক কলনি বাজার এলাকায় পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে আচমকাই একটি বড় গাছ ভেঙে পড়ে। এতে একটি গড় ভেঙ্গে যায় এবং সম্পূর্ণভাবে দুমড়ে-মুচড়ে যায় গড় ।
সৌভাগ্যবশত বড় ধরনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি, তবে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার মিঠুন বণিক জানান দুর্ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও শান্তিরবাজার মহকুমা শাসকের দপ্তর থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয় এবং ঘটনাস্থলে এখনও পৌঁছেনি ।
পরে জোলাইবাড়ী এলাকার লোকজন ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পাশাপাশি খবর পেয়ে জোলাইবাড়ী বিদ্যুৎ দপ্তর দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
একটি পরিবার মিঠুন বণিক দাবি করেন যে উনার বাড়ি শিলা বৃষ্টি পরে গড়ের তিন গুলি ছিদ্র হয়ে যায় তাই কিছু আর্থিক সাহায্য করার জন্য জোলাইবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতি ও শান্তির বাজার মহকুমার শাসক কাছে দাবি করেন।
যদিও তিনি আরোও জানান মিঠুন বণিক প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট টিমকে খবর দেওয়া হয়েছিল, তবে তারা নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বর্তমানে এলাকায় স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে জোরকদমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ দপ্তর ও এলাকার জনগণ এবং পুলিশ প্রশাসন।
কিন্তু দেখার বিষয় দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার শাসক কতটুকু দেখবেন এই বিষয় জোলাইবাড়ি উওর গ্ৰাম বাসিন্দা তা দেখার বিষয়।