কৈলাসহর প্রতিনিধি , শুভঙ্কর দাস :
কৈলাসহর শ্রীনাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নং ওয়ার্ডে চরম উত্তেজনা। একদিকে জমিতে লাগানো মূল্যবান আগর গাছ ও কলা গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ, অন্যদিকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ এক বৃদ্ধ।
কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরুতে থাকা সুনাই উরাং নামে এক যুবক বাড়ি ফেরার পরই যেন একের পর এক বিপর্যয় নেমে এসেছে পরিবারটিতে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ইরানি থানায় লিখিত অভিযোগ এবং মিসিং ডায়েরি করা হয়েছে।
ঘটনা কৈলাসহর শ্রীনাথপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩ নং ওয়ার্ডের। স্থানীয় বাসিন্দা সুনাই উরাং কর্মসূত্রে বেঙ্গালুরুতে থাকতেন।
তিনি বাড়ি আসার ঠিক ৪-৫ দিন আগেই তাঁর জায়গার মধ্যে প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি মূল্যবান আগরের চারা এবং বেশ কিছু কলা গাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল।
কিন্তু কে বা কাহারা রাতের অন্ধকারে সেই সমস্ত চারা গাছ কেটে নষ্ট করে দেয়। ঘটনার এখানেই শেষ নয়, সুনাই উরাং বাড়ি ফেরার ঠিক একদিন আগে, অর্থাৎ চলতি মাসের ৮ তারিখ সন্ধ্যা সাতটা নাগাদ তাঁর পিতা লাহারু উরাং ঘর থেকে কাউকে কিছু না বলে বের হয়ে যান।
এরপর সম্ভাব্য সমস্ত জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো হদিশ মেলেনি। নিখোঁজ বৃদ্ধের ছেলে সুনাই উরাং জানান, তাঁদের এক নিকট আত্মীয় রিংকি উরাং-এর সাথে দীর্ঘ দিন ধরে জায়গা-সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা ও মামলা-মোকদ্দমা চলছে।
তবে গাছ কেটে ফেলা এবং পিতার নিখোঁজ হওয়ার পেছনে কার হাত রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ইতিমধ্যেই ইরানি থানায় চারা গাছ কাটার বিষয়ে লিখিত অভিযোগের পাশাপাশি বৃদ্ধ লাহারু উরাং-এর নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে।
এখন দেখার, পুলিশ প্রশাসন এই রহস্যের জট কাটতে এবং দোষীদের শাস্তির মুখোমুখি করতে কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
আপাতত, বৃদ্ধ পিতাকে ফিরে পেতে পুলিশ ও প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন অসহায় যুবক।
পাশাপাশি, যাঁরা তাঁর মূল্যবান আগর ও কলা গাছ কেটে ক্ষতিসাধন করেছে, তাদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি তুলেছেন তিনি। সমগ্র ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ইরানি থানার পুলিশ।