নিজস্ব প্রতিনিধি , সেকেরকোট :
মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর নির্দেশও যেন কলাপাতা সেকেরকোট দারোগাবাড়ি বিদুৎ নিগম অফিসের কর্মচারীদের কাছে।
সোমবার ঘড়ির কাঁটায় সকাল এগারোটার উপরে বাজলেও দেখা নেই দুই সিনিয়র ম্যানেজার যাদব সাহা ও প্রণব মালাকার সহ অফিসের অন্যান্য কর্মচারীদের।
মাসের শেষে যারা সরকারি টাকা ভোগ করছেন তারাই সেই মানুষের স্বার্থে সরকারি কাজে যোগদানে গাফিলতি করছে। গত কিছুদিন আগে রাজ্য সরকারের পক্ষে মন্ত্রিস সুশান্ত চৌধুরী
এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে রাজ্য সরকারের সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের কাজের যোগদান করার সমস্ত নিয়ম জানাতে গিয়ে বলেছিলেন সরকারি কর্মচারীরা পুরনো দিনের মতো সকাল দশটায় নয় তাদের কাজে যোগদান করতে হবে সকাল 9 টায় এবং বিকাল ৫ টার পরিবর্তে ছয়টায় অফিস বন্ধ করার কথা প্রকাশ করেছিলেন,
পাশাপাশি তিনি আরও বলেছিলেন এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে শনিবারও অফিস বন্ধ থাকবে। সরকারি এই নির্দেশিকা জারির পরেও সেই পুরনো অভ্যাস ভুলতে পারেনি একাংশ সরকারি কর্মচারীরা
যার উদাহরণ মিললো সেকেরকোট বিদ্যুৎ নিগম অফিসে। সরকারি নির্দেশকে মান্যতা না দিয়ে সোমবার সকাল ১১ টার উপরে বাজলেও দেখা নেই অফিসের কারোরই।
তারাই নাকি সাধারণ মানুষদের সেবা প্রদান করবেন, অথচ তাদের কর্মকাণ্ড দেখার পর স্পষ্টভাবে বুঝা গেল তারা সাধারণ মানুষদের কতটা সেবা প্রদান করে চলেছেন।
বাগান বিদ্যুৎ গ্রাহকরা চাইছে এই বিষয়টি রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী নজরে পড়ুক এবং এই বিদ্যুৎ নিগম অফিসের কর্মচারীদের কঠোরভাবে সতর্ক করুক।