নিজস্ব প্রতিনিধি, চুরাইবাড়ি ৮ এপ্রিল :
দাদুর বাড়িতে বেড়াতে এসে নিখোঁজ এক মুখ ও বধির নাবালক যুবক। পরে পাশের বাড়ির পুকুর থেকে উদ্ধার তার মৃতদেহ।
ঘটনায় শোকের ছায়া বিরাজ করছে আসাম-ত্রিপুরা দু'রাজ্যেই। বিবরণে প্রকাশ,গত সোমবার আসামের কাঁঠালতলী জিপির কুর্তি বড় বাড়ি এলাকার বাসিন্দা আলী হোসেনের ছেলে বিলাল হোসেন(১৪) তার মায়ের সঙ্গে ত্রিপুরার চুরাইবাড়ি থানাধীন খেড়েংজুড়ি এলাকার লক্ষীনগর ৬নং ওয়ার্ডে দাদুর বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠানে আসে।
হঠাৎ পরদিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সকাল থেকে সে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। বাড়ির লোকজনরা সমস্ত এলাকা খোঁজাখুঁজি করে এবং আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতেও খোঁজ নিয়ে তার সন্ধান না পাওয়ায় পরে বিকেলে চুরাইবাড়ি থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।
কিন্তু রাত পেরিয়ে বুধবার সকাল হতেই পার্শ্ববর্তী এক পুকুরে তার মৃতদেহ ভেসে উঠতে দেখে চাঞ্চলের সৃষ্টি হয় এলাকা জুড়ে। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় চুরাইবাড়ি থানায় ও প্রেমতলা দমকল বাহিনীকে।
পুলিশ পুকুর থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে কদমতলা প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন এবং ময়না তদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয় নাবালক ছেলেটিকে।
এদিকে, তার পরিবারের লোকজনরা এটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয় বলেও দাবি করছেন।
তাদের ধারণা কোন ব্যক্তি এই নাবালকটিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলে। তবে তারা ঘটনার সম্পূর্ণ সুষ্ঠ তদন্ত করে সঠিক বিচার পাওয়ার দাবি করছেন।