প্রতিনিধি , উদয়পুর :- গত বুধবার সন্ধ্যা রাতে দক্ষিণ মাতারবাড়ি এলাকার বাসিন্দা কাজল পালের মোটর বাইক চুরি হয়ে যায় নিজ বাড়ির উঠোন থেকে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় , বুধবার দুপুরে নিজের কর্মস্থল থেকে কাজল পাল নিজ বাড়িতে দুপুরের খাওয়া দাওয়া করার জন্য বাইক নিয়ে বাড়িতে আসে। পরবর্তী সময় নিজ অফিসের কর্মচারীদের সাথে অটো করে বাড়িতে বাইক রেখে পুনরায় কর্মস্থলে যোগ দেয়। পরবর্তী সময় সন্ধ্যা ঘনিয়ে বাড়িতে আসার সাথে সাথেই সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ দেখতে পাই বাড়ির উঠোন থেকে টিআর ০৩ এল ৮৪৭৮ নাম্বারের মোটর বাইকটি চুরি হয়ে যায়। সাথে সাথে মোটরবাইকটিকে খুঁজে বের করার জন্য কাজল ও তার গোটা পরিবার বের হয় এলাকায়। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে বাইকটি সম্পূর্ণভাবে উধাও করে নিয়ে যায় চোরের দল। কাজল সাংবাদিকদের জানান , রাত আটটা নাগাদ রাধাকিশোরপুর থানায় বাইকের নাম্বার এবং রেজিস্ট্রেশন দিয়ে একটি চুরির মামলা দায়ের করা হয়। গত তিনদিন পার হয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত বাইকটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি পুলিশ । পুলিশ মামলা হাতে পেয়ে চুরির ঘটনা তদন্ত করতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে দক্ষিণ মাতার বাড়ি জুড়ে।
অপরাধ
প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া। ১৪ই মার্চ। রাজ্য সরকারের অন্যতম লক্ষ্য হলো,রাজ্য কে নেশা মুক্ত করা। রাজ্য সরকারের এই উদ্দেশ্যকে বাস্তব রূপ দিতে রাজ্য পুলিশ প্রতিনিয়ত নেশার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সফল হচ্ছে রাজ্য পুলিশ। নেশার বিরুদ্ধে এই অভিযানে আজ আবারো বড় ধরনের সফলতা পেল পুলিশ।আজ তেলিয়ামুড়ায় বিপুল পরিমাণে অবৈধ ড্রাগস বা নেশা সামগ্রী সহ সুমন দেবনাথ নামে এক যুবককে আটক করতে সক্ষম হয়েছে তেলিয়ামুড়া থানার পুলিশ, সেই সাথে সাথে ধৃত সুমনের সাথে থাকা নম্বরবিহীন স্কুটি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে।
গোটা বিষয় নিয়ে তেলিয়ামুড়া থানার ওসি রাজিব দেবনাথ জানান বিশ্বস্ত সূত্র মারফত খবরের ভিত্তিতে তেলিয়ামুড়া থানার অন্তর্গত মহারানীপুর এলাকায় বিশেষ নজরদারি অভিযানের মধ্য দিয়ে এই সফলতা আসে। পুলিশ জানিয়েছে সুমন যখন তার নম্বর বিহীন স্কুটি নিয়ে আসছিল তখন তার স্কুটিকে আটক করে তল্লাশি চালালে স্কুটির ভেতরে রাখা দুই শতাধিক ভায়েলের মধ্যে অবৈধ নেশা সামগ্রী পাওয়া যায়। ওসি শ্রী দেবনাথ আরো জানান ধৃত সুমনকে খোয়াই আদালতে প্রেরণ করার পর পুলিশ রিমান্ডে এনে পরবর্তী তদন্ত কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।
এদিকে যেভাবে গোটা তেলিয়ামুড়া শহর সহ সন্নিহিত এলাকায় এই সময়ের মধ্যে অবৈধ নেশার রমরমা বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে তার পরিপ্রেক্ষিতে এই আটক নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।
ধর্মনগর প্রতিনিধি,,আনুমানিক বিকেল তিনটা নাগাদ যুবরাজনগর বিধানসভার বিধায়ক শৈলেন চন্দ্রনাথের আগর বাগানে দুষ্কৃতিদের দ্বারা আগুন লাগানোর অভিযোগ তুলেন বিধায়ক শৈলেন্দ্রনাথ। তিনি জানান যুবরাজনগর বিধানসভার তিলথই নোয়াপাশা এলাকায় উনার আগর বাগানে পরিকল্পিতভাবে দুষ্কৃতীরা আগুন লাগিয়ে দেয়। এতে প্রায় পাঁচশত আগর গাছ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। যাতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা উনার ক্ষতি হয়েছে। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তিনি পানিসাগর পুলিশকে অবগত করলে পানিসাগর থেকে পুলিশ এসে এলাকা পরিদর্শন করে যায়। উনার অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির জন্য বারবার বাগান গুলিতে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে।
উনি সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন এধরনের ধিক্কারজনক ঘটনা থেকে উনাকে যাতে রক্ষা করা হয় এবং এই ধরনের দুষ্ট চক্রকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা অবলম্বন করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর থেকে কঠুরতম শাস্তি প্রদান করে।তার জন্য আবেদন করলেন বিধায়ক।
প্রতিনিধি মোহনপুর :- এয়ারপোর্ট থানার অন্তর্গত পশ্চিম নারায়ণপুর থেকে বিপুল পরিমাণ নেশা সামগ্রী উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার গোপন খবরের ভিত্তিতে এই এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩২ লক্ষ টাকার নেশা সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এই নেশা সামগ্রীতে রয়েছে অবৈধ কফ সিরাপ এবং গাঁজা।
শনিবার এয়ারপোর্ট থানার পুলিশ পশ্চিম নারায়নপুর এলাকায় নেশা বিরোধী অভিযান চালায়। পুলিশের কাছে পূর্বেই খবর ছিল এলাকার কতিপয় নেশা ব্যবসায়ীর বাড়িতে বিপুল পরিমাণ অবৈধ নেশা সামগ্রী মজুদ করা রয়েছে। সেই খবরের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টিম এলাকায় অভিযান চালায়। বাড়ির ভেতরে কোন নেশা সামগ্রী না পাওয়া গেলেও বাড়ির পেছনে মাটির গর্তে পাওয়া গেছে অবৈধ নেশা সামগ্রী গুলো। এদিন আইপিএস প্রভেশনাল সুধীর কুমার, এসডিপিও সুব্রত বর্মন এবং এয়ারপোর্ট থানার ওসি অভিজিৎ মন্ডলের নেতৃত্বে চলে এই অভিযান। এই অভিযানে ৯৭৫ বোতল অবৈধ কফ সিরাপ এবং ৭৮ কিলো গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনা সাথে জড়িত কোন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। কিন্তু মামলা গ্রহণ করার পর জমির মালিককে খুঁজে বার করার পাশাপাশি তাকে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
আর্থিক কেলেঙ্কারি কান্ডে গ্রেপ্তার সিপাহীজলা জেলা পুলিশ সুপার অফিসের কর্মচারী সহ পাঁচ
প্রতিনিধি, বিশালগড় , ১ মার্চ।। সরকারের লক্ষ্য দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন। যেখানেই অনিয়ম হবে সেখানেই নেয়া হবে কঠোর পদক্ষেপ। এরই প্রতিফলন ঘটলো সিপাহীজলা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে। সিপাহীজলা জেলা পুলিশ সুপার অফিসের আর্থিক ঘোটালার নায়ক অফিসের ক্লার্ক জন জমাতিয়া সহ তিন পুলিশ কর্মী এবং একজন সবজি ব্যবসায়ীকে আটক করে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ। দুর্নীতির মূল নায়ক জন জমাতিয়া কে কিল্লা থানার অধীন রাইয়া বাড়ি থেকে আটক করা হয়। পুলিশ সুপার অফিস থেকে অপর ক্লার্ক সুচিত্র সিনহা কে এবং খোকন দে কে আটক কর হয় । পুলিশ সুপার অফিসের কনস্টেবল হরিনাথ দেববর্মাকে ও আটক করা হয় । বিশ্রামগঞ্জ বাঁশতলী ভিলেজের বয়রা মুড়া এলাকার সবজি ব্যবসায়ী ফণীলাল দেববর্মা কে ও তার বাড়ি থেকে শুক্রবার রাতে আটক করে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ । অভিযুক্তরা সরকারি অর্থ নয়ছয় করেছে । এই দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড অফিসের ক্লার্ক জম জমাতিয়া আটককৃত বাকি চারজনের অ্যাকাউন্টে অর্থ স্থানান্তর করেছে । হরিনাথ দেববর্মার একাউন্টে টাকা ঢুকিয়েছে তিন লক্ষ। তাকে আগেই বরখাস্ত করা হয়েছিল। সুচিত্র সিনহার একাউন্টে টাকা ঢোকানো হয়েছিল ৯৬০০০ । যদিও সুচিত্র সিনহা সেই টাকা চালান কেটে সরকারের কোষাগারে জমা দিয়েছে । ক্লার্ক খোকন দে র একাউন্টে টাকা ঢুকিয়েছে ৭৫ হাজার। সেই টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কোন নির্দেশ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন খোকন। তাকে শুক্রবার চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে । সবজি ব্যবসায়ী সহজ সরল ফনীলাল দেববর্মা জানেন না তার অ্যাকাউন্টে জন দেববর্মা আর্থিক কেলেঙ্কারির কত টাকা ঢুকিয়েছে। কারণ তার এটিএম কার্ড রয়েছে জন দেববর্মার নিকট। তাই তিনি জানেন না তার একাউন্টে কত টাকা ঢুকেছে এবং কত টাকা তুলে নিয়েছে কেলেঙ্কারির মূল নায়ক জন জমাতিয়া। সিপাহীজলা পুলিশ সুপার অফিসে দীর্ঘদিন ধরেই ক্লার্ক জন জমাতিয়ার নেতৃত্বে চলছিল আর্থিক ঘোটালা। বিশেষ অডিটে উঠে আসে দুর্নীতির চিত্র। এরপর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। মামলা গড়ায় থানায়। শুক্রবার রাতে অভিযুক্ত পাঁচজনকে গারদে পুড়েছে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ। রবিবার তাদের বিশালগড় মহকুমা আদালতে সোপর্দ করা হয়।
শান্তিরবাজার প্রতিনিধি :মনপাথর ফাঁড়ী থানার ওসি জয়ন্ত দাস প্রতিনিয়ত নিষ্ঠার সহিত কাজ করে যাচ্ছেন। কোনো প্রকার অন্যায়কে প্রশ্রয় দেননা ওসি জয়ন্ত দাস। তিনি আইনের রক্ষক হয়ে কাজ করার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত সমাজসেবা মুলকো কাজকরে থাকেন। জয়ন্ত দাসের এই ধরনের কাজের জন্য তিনি সকলের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছেন মন পাথর এলাকায়। ওসি জয়ন্ত দাস মনপাথর ফাঁড়ী থানায় আসার পর থেকে মন পাথর এলাকায় অপরাধের সংখ্যা অনেকটা কমেছে। এরইমধ্যে দেখাযাচ্ছে যুবসমাজকে ধ্বংস করার লক্ষ্যে কিছু নেশা কারবারি নেশার রমরমা ব্যাবসা করছে। রাজ্য সরকার চাইছে নেশামুক্ত ত্রিপুরা গঠন করতে। রাজ্যসরকারের উদ্দ্যেশ্যকে সাফল্য মন্ডিত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে ওসি জয়ন্ত দাস।তাই
প্রত্যেকদিনের মতন আজও শান্তির বাজার মহকুমা অন্তর্গত মনু মন পাথর এলাকায় ওসির জয়ন্ত দাস নেশা বিরোধী অভিযানে নামেন । এই অভিযানকে কেন্দ্র করে মন পাথর বাজার এলাকা থেকে আটক করেন নেশা সামগ্রী সহ এক নেশা নেশা কারবারিকে । যুবকের নাম দেবাশীষ মগ। জয়ন্ত দাসের এই ধরনের অভিযানে খুবই খুশি স্থানীয় লোকজনের। অপরদিকে এই মন পাথর ফাঁড়ীটির অবস্থা বেহাল। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন আরক্ষা কর্মীরা। নেই সংস্কার । যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে ফাঁড়ী থানার সিলিং, দরজা-জানালা,অফিস বিল্ডিং। । সংস্কার না হলে যেকোনো সময় ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনা হতে পারে বলে আশঙ্কা করা যাচ্ছে । নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা পুলিশ আধিকারিকেরা এখন নিজেরাই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এলাকার লোকজন চাইছেন দ্রুত সংস্কার করা হোক এই ফাঁড়ী থানাটি। পাশাপাশি জানাযায় ওসির এইধরনের অভিযান আগামীদিনেও জারী থাকবে।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-শুল্ক এবং রাজস্ব গোয়েন্দা অধি দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে সফল মাদকবিরোধী অপারেশন ছাড়াও টানা দুই দিনে ত্রিপুরায় ২৪ কোটি মূল্যের ২,৪০,০০০ ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে।চলতি বছরের ২রা ফেব্রুয়ারি নির্দিষ্ট বুদ্ধিমত্তার ভিত্তিতে ত্রিপুরার রাষ্ট্রদূত এ আসাম রাইফেলস এবং শুল্কের একটি যৌথ দল ট্রেন নং 12098 (শতাব্দী এক্সপ্রেস) এর উপরে দাবী বিহীন ব্যাগেজকে বাধা দেয়।
পুরোপুরি অনুসন্ধানের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ১৫ কোটি মূল্য মানের ১,৫০,০০০ ইয়াবা ট্যাবলেট পুনরুদ্ধার হয়েছে।যদিও জব্দকৃত নিষেধাজ্ঞাকে আরও আইনী কার্যক্রমে শুল্কের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডিআরআইয়ের সাথে আরেকটি সমন্বিত অভিযানে একটি যৌথ দল ত্রিপুরার তেলিমুড়ায় শিলং থেকে আসা সিমেন্ট ব্যাগ দিয়ে বোঝাই একটি পণ্য ট্রাকে এই মাল আসছিল।পরিদর্শন করার পর ৯০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট,যার কালোবাজারি মূল্য আনুমানিক ৯কোটি টাকা।যা উদ্ধার করা হয়েছে।
অধিকন্তু,দক্ষিণ ত্রিপুরার বিলোনিয়ার বাসিন্দা একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।উদ্ধারকৃত নিষেধাজ্ঞা এবং গ্রেপ্তার ব্যক্তি আরও আইনী পদক্ষেপের জন্য ডিআর আইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
শান্তির বাজার প্রতিনিধি: গতকাল রাতে শান্তির বাজার মহকুমায় অন্তর্গত বাইখোড়া বাজারে পাঁচটি দোকানে দুঃসাহি চুরি । একই রাতে প্রায় পাঁচটি দোকানে হানা দেয় চোরের দল। প্রতিমা হোমিও হল, শর্মা ডেকোরেটর, রায় ব্রাদার, অনুরাগ রেস্টুরেন্ট। তাছাড়া বাইখোরা থানার সামনে ইসকন মন্দিরের প্রানামি বক্স ও চুরি হয় গত রাতে। খবর পেয়ে ছুটে আসেন বাইখোড়া থানার পুলিশ। জানা যায় চুরির ঘটনা ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলছে বাইখোড়া, শান্তির বাজার, কলসি বীরচন্দ্র মনু সহ বিভিন্ন এলাকা। জানা যায় কিছুদিন আগেও চরকবাই বাজারে একটি রেশন দোকান, একটি মুদি দোকানে চুরি হয়। তদন্তের নামে চোর পুলিশের খেলা চলছে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ ।বাইখোড়া থানার নাকে ঢুকায় চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে নানা প্রশ্ন ।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ১৫ ফেব্রুয়ারি:- গন্ডাছড়া মহকুমা এলাকা বর্তমানে এক গভীর সমস্যায় পড়ে গেছে, যেখানে চুরি এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দিন দিন বেড়ে চলছে। শুক্রবার, গন্ডাছড়া মহকুমা হাসপাতালের কেন্টিনে চুরির ঘটনা নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। দোকান মালিক রতন রায় জানিয়েছেন, তিনি প্রতিদিনের মতো দোকান বন্ধ করে বাড়ি চলে যান। পরদিন সকালে দোকান খুলতে এসে দেখেন তার ঘরের দরজার তালা ভাঙ্গা। ঘরে ঢুকে তিনি দেখতে পান, চোরেরা কেস বাক্স ভেঙে নগদ আট হাজার টাকা সহ অন্যান্য মূল্যবান মালপত্র নিয়ে গেছে। এই ঘটনার পর গন্ডাছড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করলেও, এখনও পর্যন্ত কোন উপযুক্ত ফলাফল পেতে পারেনি।
এটি একেবারে নতুন ঘটনা নয়, গন্ডাছড়া মহকুমা এবং তার আশপাশের বাজারগুলোতে প্রায় প্রতিদিনই এমন চুরির ঘটনা ঘটছে। মানুষের বাড়িতে ঘুরে ঘুরে চুরি করা হচ্ছে এবং এই চক্রটি কার্যত এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি গন্ডাছড়া-আমবাসা রোডে যানবাহন থামিয়ে লুটপাটের ঘটনাও ঘটছে। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ নিঃসন্দেহে দিশেহারা হয়ে পড়েছে।
কিছু মহল থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, নেশাখোররা এই সমস্ত অপরাধ করছে, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে যে, চুরির ঘটনা কেবলমাত্র একটি পরিকল্পিত অপরাধী চক্রের কাজ। এই চক্রটি গন্ডাছড়াকে অস্থির করে তুলতে একের পর এক অপরাধ সংঘটিত করছে।
এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক এবং উদ্বেগ বেড়েছে। শহরবাসী দাবি তুলেছেন যে, পুলিশকে দিন-রাত টহল দিতে হবে এবং চুরির চক্রটি রোধ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। গন্ডাছড়া মহকুমায় অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, জনগণ আর কোনোভাবেই নিরাপদ বোধ করছে না। তাই পুলিশের সঙ্গে প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।
সবশেষে, গন্ডাছড়ার বর্তমান পরিস্থিতি জনগণের জন্য এক বিশাল সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রশাসন এবং পুলিশ যদি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে এই অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পুরো এলাকাটি আরও বিপদজনক পরিস্থিতির মধ্যে পড়বে।
- প্রতিনিধি, বিশালগড়, ৭ ফেব্রুয়ারি।। বিশালগড় নেহাল চন্দ্রনগরের রাজেশ দাস কে নাবালিকা ধর্ষণ কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত করেন বিশালগড় মহকুমা আদালতের বিচারপতি দেবাশীষ কর । শুক্রবার চুড়ান্ত রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি। নরাধম রাজেশকে ১০ বৎসরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দিলেন আদালত। ঘটনার বিবরণে জানা যায় , রাজেশ দাস নেহাল চন্দ্রনগর এলাকারই এক নাবালিকা কন্যার বাড়িতে গিয়ে তার একাকিত্বের সুযোগে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি ঘটে ২০১৯ সালের জুলাই মাসে। নাবালিকা কন্যাটি ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় । নাবালিকার মা বিশালগড় মহিলা থানায় একটি মামলা দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে চার্জসিট জমা দেন আদালতে। মোট ২২ জনের সাক্ষ্য বাক্য গ্রহণ করে মাননীয় আদালত শুক্রবার এই মামলার রায় ঘোষণা করেন। পকসো এক্টে ৬ নং ধারায় আসামীকে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করে। জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বৎসর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে পুলিশের ভূমিকায় অসন্তোষ ব্যাক্ত করেছে আদালত।