প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া :- দীর্ঘ কয়েকবছর লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে বীরগঞ্জ থানার পুলিশের হাতে ধরা পরলো এক হত্যা মামলার মূল আসামী। ধৃতের নাম বিজয় রিয়াং (৪৫)। তার বাড়ি অমরপুর মহকুমার বীরগঞ্জ থানাধীন সরবং পূর্বধনপাড়ার বাসিন্দা। গোপন খবরের ভিত্তিতে শুক্রবার গভীর রাতে বীরগঞ্জ থানার পুলিশ তার নিজ গ্ৰাম থেকে তাকে আটক করে। ঘটনার বিবরণে পুলিশ জানিয়েছে ২০১২ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি সরবং ভিলেজের পূর্বধন পাড়ার বাসিন্দা রুবন জয় রিয়াং এর পুত্র তপাজয় রিয়াং (২০) কে পূর্ব শত্রুতার জেরে এলাকার বিজয় রিয়াং দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এই ঘটনার পর মৃতের ভাই বীরগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। পুলিশ লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা গ্ৰহন করে। যার নম্বর ১৮/২০১২। ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০২ আইপিসি ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত করে তদন্তে নামে পুলিশ। এদিকে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত বিজয় রিয়াং গ্ৰাম ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে যায়। যার জন্য এতদিন পুলিশও তাকে আটক করতে পারেনি। তবে শুক্রবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে অভিযুক্ত বিজয় রিয়াং তার নিজ বাড়িতে আসতে পারে। এই খবর পেয়ে বীরগঞ্জ থানার ওসি জয়ন্ত দাস দলবল নিয়ে পূর্বধন পাড়ায় উৎপেতে বসে থেকে পরে গভীর রাতে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়। শনিবার হাসপাতালে শারীরিক পরিক্ষা নিরিক্ষার পর ধৃত ব্যক্তিকে অমরপুর মহকুমা আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ।
অপরাধ
প্রতিনিধি , উদয়পুর :-বাইক ড্রাইভ করার নামে চুরি হয়ে গেল লক্ষ টাকা দামের একটি বাইক । ঘটনা উদয়পুর মহারানী হীরাপুর এলাকায় । ঘটনার বিবরণে জানা যায় , মঙ্গলবার দুপুর ১:৩০ মিনিট নাগাদ মুকেশ মিঞা পোদ্দার নামে এক যুবক তার ব্যক্তিগত বাইক বিক্রি করার জন্য অনলাইনে ওএলএক্স এ বিজ্ঞাপন দিয়ে দেয় । সেই বিজ্ঞাপন দেখে এক উপজাতি যুবক মুকেশকে ফোন করে সে বাইকটি কেনার জন্য । তখন যথারীতি মুকেশ মহারানী এলাকায় তার বোনের বাড়িতে যখন বেড়াতে যায় তখন সে বোনের বাড়ির সামনেই সরোজ কুমার জমাতিয়া নামে এক উপজাতি যুবক সে বাইকটি দেখে এবং মুকেশ এর কাছে আবদার করে সে বাইকটি টেস্ট ড্রাইভিং করবে । এই কথা বলে তার কাছ থেকে বাইকটি নিয়ে যায়। কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা পার হয়ে গেলেও টেস্ট ড্রাইভিং থেকে ফিরে না আসায় মুখেশ মিঞা পোদ্দারের সন্দেহ দানা বাঁধে । পরে মহারানী ফাঁড়ি থানায় গিয়ে এই অভিযোগ সরাসরি জানানো হয় । মুকেশ আমাদের সংবাদ প্রতিনিধিকে জানিয়েছে ছেলেটির সম্ভবত বাড়ি কিল্লা এলাকায়। তার কারণ কথাবার্তার মধ্য দিয়ে সে ছেলেটি টেস্ট ড্রাইভিং করার আগে এমনটাই জানিয়ে ছিল মুকেশ কে । ৪১ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও এখনো পর্যন্ত পুলিশ বাইকটি উদ্ধার করতে পারেনি। টিআর ০৩ এইচ ৯৬৯০ নাম্বারের এই বাইকটি এখনো বাইকের মালিক মুকেশ মিঞা পোদ্দার খুঁজে চলেছে। এখন দেখার পুলিশ বাইকটি উদ্ধার করতে কতটুকু সক্ষম হয় সে দিকে তাকিয়ে রয়েছে উদয়পুর সোনামুড়া চৌমুহনি এলাকার বাসিন্দা মুকেশ মিঞা পোদ্দার।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-চৈত্র মাসে বাইক চুরির ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে উদয়পুর শহর এলাকায় । ঘটনার বিবরণে জানা যায় , গত রবিবার বিকেলে রাধাকিশোরপুর থানার অন্তর্গত জগন্নাথ দিঘির পাড় থেকে টি আর ০৩ ডি ৯৮৮৮ নাম্বারের একটি বাইক চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা । এই ঘটনার কিছুক্ষণ পরে বাইকের মালিক দিলীপ সাহা তার নিজের বাইক খোঁজে না পেয়ে থানার দারস্থ হয় । পরে পুলিশ বাইক মালিক দিলীপ সাহার কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামে । প্রায় ৩৮ ঘন্টা পর পুলিশ গোপন খবরের ভিত্তিতে উদয়পুর ছনবন স্থিত এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বাইকটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয় । সাথে বাইক চুরির ঘটনার সঙ্গে যুক্ত মানিক সরকারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে । যেভাবে চুরির হিরিক বাড়ছে উদয়পুরে তাতে করে উৎকণ্ঠায় দিন যাপন করছে উদয়পুর শহর এলাকার নাগরিকরা। পুলিশ আরো শক্ত হাতে এই ধরনের চুরির ঘটনা যাতে মোকাবেলা করে সে আশা প্রকাশ করেন শুভবুদ্ধি সম্পন্ন নাগরিকরা ।

প্রতিনিধি, তেলিয়ামুড়া।২৩মার্চ।লোকসভা নির্বাচনের প্রাক aমুহূর্তে কল্যাণপুর থানার অন্তর্গত প্রত্যন্ত অধুনিয়া এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণে অবৈধভাবে মজুত রাখা বিলিতি উদ্ধার। আটককৃত মদের আনুমানিক বাজার মূল্য ৬০০০০ টাকার অধিক বলে কল্যাণপুর পুলিশের দাবি।
গোটা বিষয় নিয়ে কল্যানপুর থানার ওসি ইন্সপেক্টর তাপস মালাকার দাবি করেছেন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা এলাকার অধুনিয়ার জনৈক স্বপন দেববর্মার বাড়িতে পুলিশ অভিযান সংঘটিত করে। এই অভিযানের মধ্য দিয়ে অবৈধভাবে সংশ্লিষ্ট বাড়িতে মজুদ করে রাখা, প্রায় ৬০ হাজার টাকার উপরের বিলিতি মদ উদ্ধার করা হয় বলে ওসি শ্রী মালাকার দাবি করেছেন। যদিও সংশ্লিষ্ট বিপুল পরিমাণে বিপুল পরিমাণ মদ উদ্ধারের পরিপ্রেক্ষিতে কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি, তবে এই বিষয়ে পুলিশ তীক্ষ্ণ নজর রাখছে বলে দাবি পুলিশের। পাশাপাশি এদিন পুলিশের তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে যদি কোন জায়গায় এরকম ভাবে অবৈধ মজুত সহ অনাকাঙ্ক্ষিত কোন বিষয় সাধারণ মানুষের নজরে থাকে, তা যেন পুলিশকে জানানো হয়। আজকের এই অভিযানে ওসি ইন্সপেক্টর তাপস মালাকার ছাড়াও প্রেমজিত রায়, অঞ্জন দেববর্মা , হিমানী দেববর্মা, প্রমূখ পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
মিজোরাম থেকে ত্রিপুরায় প্রবেশের মূখে ছয় কোটি টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট সহ দুই নেশা ব্যবসায়ী পুলিশের জালে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় বৃহস্পতিবার ভোর বেলা ত্রিপুরা-মিজোরাম সীমান্তের দশরথ সেতু হয়ে TR01b-0314 নম্বরে একটি বলেরু গাড়িতে করে অভিনব কায়দায় ৬টি বান্ডিলে ৬০ হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে ত্রিপুরায় প্রবেশের পথে দামছড়া থানার ওসি সঞ্জয় মজুমদারের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ ও টিএসআর বাহিনী মিলে গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে এই ছয় কোটি টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করে । সঙ্গে গাড়িতে থাকা দুজন নেশা ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম মামন হোসেন(৩৪) বাড়ি বিশালগর এলাকায় অপর নেশায় ব্যবসায়ী কৃষ্ণ চন্দ্র সিংহ(৩৫) বাড়ি রানিরবাজার এলাকায়। পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করে একটি মামলা হাতে নিয়ে বৃহস্পতিবার ধর্মনগর জেলা আদালতে প্রেরণ করেছে।এই ঘটনার খবর পেয়ে এলাকাতে পৌঁছান উত্তর জেলার পুলিশ সুপার ভানুপদ চক্রবর্তী সহ অন্যান্য আধিকারিকরা। এবিষয়ে দামছড়া থানার অসি সঞ্জয় মজুমদার জানিয়েছেন আগামী দিনে দামছড়া সহ পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো দিয়ে এ ধরনের নেশা বিরোধী অভিযান জারি থাকবে।

প্রতিনিধি, উদয়পুর :-
নেশার সাম্রাজ্য গত ৮ মাস ধরে গড়ে উঠেছিলো মাতাবাড়ি মধ্যপাড়া এলাকায় । বৃহস্পতিবার বিকেল চারটা নাগাদ গোপন খবরের ভিত্তিতে , রাধাকিশোরপুর থানার পুলিশ ড্রাগস বিক্রেতা সুব্রত দে-র বাড়িতে হানা দেয় । তার ঘরে তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ তার ঘর থেকে আটগ্রাম ড্রাগস থেকে শুরু করে খালি কৌটা এবং একটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করে । এই ঘটনায় রাধাকিশোরপুর থানার ওসি বাবুল দাস জানান , দীর্ঘদিন ধরেই সুব্রত এই ধরনের ঘটনার সাথে যুক্ত রয়েছে। পুলিশের কাছে খবর থাকলেও তাকে ধরার জন্য জাল ফেলা হয়েছিলো । কিন্তু সে জালে কখনো সুব্রত ধরা না দেওয়ার ফলে পুলিশ গোপন খবর লাগিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে । আজকের দিনে দাঁড়িয়ে ড্রাগসের বাজার মূল্য ৫০ হাজার টাকা । তার বিরুদ্ধে এনডিপি এস ধারায় মামলা গ্রহণ করবে পুলিশ । শুক্রবার দুপুরে তাকে উদয়পুর জেলা দায়রা আদালতে পুলিশ সোপার্দ করবে বলে জানা যায় ।
বারো লক্ষাধিক টাকার ফেন্সিডিল বোজাই কন্টেনার গাড়ি জব্দ বাজারিছড়ার চুরাইবাড়িতে।ধৃত এক।

ধর্মনগর প্রতিনিধি**
এবার ফের ত্রিপুরায় পাচারের পথে ওনলাইনের মেট সামগ্রী বোজাই বেসরকারি সেফ এক্সপ্রেস ট্রান্সপোর্ট সংস্থার একটি কন্টেনার গাড়ি থেকে বিপুল পরিমান নেশা জাতিয় ফেন্সিডিল কফ সিরাফ জব্দ হল বাজারিছড়ার চুরাইবাড়িতে।এ কান্ডে জড়িত থাকার দায়ে আটক করা হয়েছে লরি চালককে।জানা গেছে বুধবার সকালে এএস(জিরো ওয়ান)আরসি(ওয়ান ওয়ান নাইন এইট)নম্বরের একটি কন্টেনার গাড়ি গুয়াহাটি থেকে আট নং জাতিয় সড়ক ধরে ত্রিপুরায় পৌছার উদ্দেশ্যে অসমের শেষ প্রান্তের চুরাইবাড়ি পুলিশ ওয়াচ পোস্টে পৌছালে গাড়িটিতে দলবল নিয়ে যথারীতি তল্লাশি চালান গেট ইনচার্জ প্রণব মিলি।এতে বিভিন্ন সামগ্রীর প্যাকেটের আড়াল থেকে(বারো)কার্টুনে(বারো`শ)বোতল নেশা জাতিয় ফেন্সিডিল কফ সিরাফ বাজেয়াপ্ত হয়।যার কালোবাজারী মুল্য প্রায় বারো লক্ষাধিক টাকার মত হবে।এ কান্ডে উক্ত লরির চালককে পাকড়াও করেছে পুলিশ।তার নাম অমরেন্দ্রলাল দেববর্মা।বাড়ি ত্রিপুরায়।ধৃতের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।ধৃতকে বৃহস্পতিবার জেলা সিজেএম আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আধুনিক চোরের থাবায় জর্জরিত ধর্মনগর বাসী, অসহায় ধর্মনগর থানার পুলিশ প্রশাসন।

ধর্মনগর প্রতিনিধি।
চোরেদের দৌরাত্ম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। পুলিশ আধুনিকতার আশ্রয় যতটুকু নিয়েছে তার থেকে আরও বেশি অত্যাধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করছে চোরের দল। চোরের দলের কারণে ধর্মনগর বাসীদের উষ্ঠাগত প্রাণ। এবার চুরির ঘটনা ঘটল ধর্মনগরের রাজবাড়ী এলাকার এম বি ইউনিট রোডে। জানা গেছে বাড়ির মালিক সঞ্জয় কুমার দে শনিবার দুপুর দুইটায় চিকিৎসার কারণে শিলচর যায়। সোমবার সকাল সাড়ে দশটায় সঞ্জয় কুমার দে বাড়িতে ঘুরে এসে দেখে বাড়ির মূল ফটকটি বন্ধ থাকলেও পাশের ছোট গ্রিলের দরজাটি ভাঙ্গা। ভাঙ্গা দরজা দিয়ে এগিয়ে আসতে দেখতে পায় এই দরজা দিয়ে কেউ প্রবেশ করে ভেন্টিলেটর খুলে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে সঞ্জয় কুমার দে এবং তার স্ত্রীর লকার দুটোই লুটে নিয়ে গেছে। মালিক সঞ্জয় জানায় তাদের কাছে নগদ ঘরে ২০ থেকে ২২ হাজার টাকা আর তার স্ত্রী আগে শিলচর যাওয়ায় সনাতনা একটা প্যাকেট করে সঞ্জয় কে দিয়েছিল যা সঞ্জয় নিজের লকারে নিরাপত্তা সহকারে রেখেছিল। এগুলি কিছুই নেই। ঘরে সিসিটিভি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করায় দেখা যায় যে ভোর চারটা এগারো মিনিট থেকে চারটা ২৩ মিনিট পর্যন্ত সিসিটিভি ক্যামেরার ছবিগুলো সব ডিলিট করা। অর্থাৎ সিসিটিভি ক্যামেরা ছবি ডিলিট করতে হলে যে পাসওয়ার্ড দরকার চোরের দল পাসওয়ার্ড পর্যন্ত ব্যবহার করতে পিছপা হয়নি। তাই সিসিটিভি ক্যামেরা লাগিয়ে ও নিরাপত্তা নেই বলে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। এখন যেভাবে সিসিটিভি ক্যামেরার পাসওয়ার্ড পর্যন্ত চোরের দল নিজেদের সুবিধা মত ব্যবহার করতে শুরু করেছে তাতে রাজ্যের পুলিশ বাহিনীকে আরো উন্নত হওয়ার দরকার অনুভব করার দিন এসে পড়েছে।
চোরাই বাড়ি থানার পুলিশের কর্তব্যে অবহেলার কারণে পুলিশ সাধারণ মানুষের মধ্যে খন্ড যুদ্ধ ,লাঠিচার্জ, হতাহত বেশ কয়েকজন।

ধর্মনগর প্রতিনিধি।
দিন কয়েক আগে লক্ষ্মীনগর গ্রামে একটি ডাকাতির ঘটনায় এক যুবককে চিহ্নিত করা হয় । রবিবার রাত অনুমানিক একটা নাগাদ সেই সন্দেহভাজন যুবককে চিহ্নিত করার পর চুরাইবাড়ি থানার পুলিশকে এই খবর জানানো হয়। ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে যায় পুলিশ। অভিযোগ সেখান থেকে ওই অভিযুক্ত ডাকাতকে পুলিশ থানায় নিয়ে আসতে চাইলে তাদের বাঁধা দেয় ওই গ্রামের কিছু উশৃংখল যুবক। তাদের দাবি ওই ওই অভিযুক্ত ডাকাতকে তাদের হাতে ছেড়ে দিতে হবে। এরপরই পুলিশ কোন মতে অভিযুক্তকে নিয়ে থানার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। অভিযোগ এরপর গ্রামের কিছু যুবক দা,লাঠি, রড ভোসালি নিয়ে প্রথমে পুলিশের গাড়ি আটকানোর চেষ্টা করো পরবর্তীতে পুলিশের গাড়ির পেছেন পেছন দাওয়া করে থানার সামনে পর্যন্ত আসে অভিযুক্তকে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করে। তাদের দাবি কিছু সময়ের জন্য পুলিশের হাতে আটক হওয়া ওই ডাকাতকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। আর এই ডাকাতকে ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে পুলিশের গাড়ি সহ পুলিশের উপর দা ভুছালি লাটি লোহার রড ইত্যাদি নিয়ে হামলা চালায় একদল যুবক বলে জানা চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায় । এই আক্রমণে থানার ওসি সহ পুলিশ অফিসার ও বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয় এবং TR01BH/0649 নম্বরের বলেরো একটি গাড়ির পিছনের আয়না ভাংচুর করা হয়। এই ঘটনার খবর জানতে পেরে থানা সহ সামনে ডিউটিরত নাকাপয়েন্টে থাকা পুলিশ ও টিএসআর নিয়ে মাঠে নামানে ওসি সমরেশ দাস গ্রামের যুবকদের থেকে পুলিশ ও অভিযুক্তকে বাঁচাতে তিনি দলবল নিয়ে মাঠে নামেন থানার সামনে । আর তখনই পুলিশের উপর আক্রমণ সংঘটিত করে গ্রামের ওই উশৃংখল যুবক দল। থানার ভেতরে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে প্রবেশ করে । এরপরই তাদের মধ্যে থেকে বেশ কয়েকজন বাইক নিয়ে পালিয়ে গেলেও ছয়জনকে আটক করে পুলিশ। এই ঘটনায় চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশ আজ 148/149/448/353/333/506/427 OF IPC & 3/4 the prevention of Damage to public property Act 1984 ধারায় একটি মামলা গ্রহণ করেছে যার নম্বর 17/2024 চুড়াইবাড়ি থানা। ইতিমধ্যে গতকাল রাত ছয় জনকে আটক করতে সক্ষম হয় যারা পুলিশের পিছু দাওয়া করে থানায় এসেছিল। তারা হলো যথাক্রমে অনুপ নাথ (৩০) পিতা উপেন্দ্র নাথ বাড়ি লক্ষীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১ নং ওয়ার্ড এলাকার, অপরজন অজয় দেবনাথ(২৭) পিতা রসময় দেবনাথ বাড়ি লক্ষীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ৩নং ওয়ার্ড এলাকায়, ওপর চারজন পবিত্র নাথ (৩৫) পিতা সুবোধ নাথ, দীপক গোস্বামী (২৯) পিতা কানাইলাল গোস্বামী, অনিমেষ নাথ (৩৭) পিতা অরুণ চন্দ্রনাথ, বিজিত নাথ (৩৪)পিতা বিজয় কুমার নাথ বাড়ি তাদের বাড়ি বাড়ি লক্ষীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২ নং ওয়ার্ড এলাকায়। তাদের কাছ থেকে দা,লাঠি,রড,ভোজালি, ছুরি উদ্ধার করে পুলিশ । ঘটনার খবর পেয়ে চুরাইবাড়ি থানায় ছুটে আসেন ধর্মনগর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাশীষ সাহা। আনা হয় ধর্মনগর, কদমতলা,বাগবাসা থানার পুলিশ । সন্দেহভাজন যে আটক করা হয়ছে তার নাম জসীম উদ্দিন (১৯)পিতা আলা উদ্দিন বর্তমানে অক্ষত অবস্থায় চুড়াইবাড়ি থানার পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাশীষ সাহাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান,ঘটনাটি পুলিশের উপর মহলকে অবগত করা হয়েছে । গোটা ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষ তাই তিনি কোন প্রতিক্রিয়া দেননি। গোটা ঘটনায় চুরাইবাড়ি থানা এলাকা জুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সাধারণ মানুষের মতে সঠিক সময়ে চুড়াইবাড়ি থানা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে এরূপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না এবং আধিকারিকরা সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই ধরনের যোজনা এবং আহতদের খবর হতো না। পুলিশ সাধারণ মানুষের বন্ধু না হয়ে এখানে শত্রুর তালিকায় পর্যবেষিত হতে চলেছে। তার জন্য প্রকৃত দোষীকে শনাক্ত করে সঠিক শাস্তির ব্যবস্থা করলে তবেই স্বস্তি ফিরে আসবে।

প্রতিনিধি মোহনপুর:-বড় ভাইয়ের মারে রক্তাক্ত হয়েছে ছোট ভাই। এই বিষয়ে অভিযোগ করা হয়েছে পুলিশের। ঘটনা এয়ারপোর্ট থানা ধিন বামুটিয়ার তেবাড়িয়া এলাকায়। অভিযুক্ত বড় ভাইয়ের নাম সন্তোষ সরকার।
রবিবার বামুটিয়ার ব্লক সংলগ্ন তেবারিয়া এলাকায় পূরণ সরকার এবং সন্তোষ সরকার নামে দুই ভাইয়ের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূরন সরকার অভিযোগ করে তাঁদের বাড়িতে থাকার শৌচালয়ে সামনে আগাছা তৈরি হওয়াকে কেন্দ্র করে বড় ভাইয়ের সাথে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় ভাই সন্তোষ সরকার তাঁর ওপর আক্রমণ করে বলে অভিযোগ। এই আক্রমণে তাঁর নাক এবং কপাল ফেঁটে গেছে। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে চিকিৎসা পরিষেবা গ্রহণের পর সোমবারএয়ারপোর্ট থানাতে বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে আহত ছোট ভাই। সোমবার দুপুরে আহত ছোট ভাই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয় বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ করার পাশাপাশি উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন।