পূর্ব ত্রিপুরা আসনে বিজেপি দলের মনোনীত প্রার্থী কৃতি দেব বর্মনের সমর্থনেখোয়াই এর একাধিক জায়গায় প্রচার অভিযানে অংশগ্রহণ করেন মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী মিমি মজুমদার। এদিন তিনি প্রথমে রামচন্দ্র ঘাট বিধানসভাকেন্দ্রের রসরাজ নগর কমিউনিটি হলে এক নির্বাচনী সভায় মিলিত হন। উক্ত সভায় মজুমদার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ডল সভাপতি সঞ্জীব দেববর্মা সহ মন্ডলের অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা। দ্বিতীয় নির্বাচনের সভাটি সংগঠিত হয় খোয়াই বিধানসভা কেন্দ্রের চেরমা এলাকায়। এই দিনে দুইটি সমাবেশে মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী মিমি মজুমদার বলেন মহিলাদের আত্মনির্ভর করে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে মোদীজির নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাজ্য সরকার বিভিন্ন প্রকল্প তৈরি করেছে। মহিলারা আত্মনির্ভরশীল হলে পরিবার এবং সমাজ শক্তিশালী হবে। বিগত দিনে রাজ্যের মহিলারা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত এবং নিপীড়িত হত। সন্ধ্যার পর আমাদের মা বোনরা ঘর থেকে বেরহতে পারত না। আতঙ্ক তাদের গ্রাস করে নিত। এখন রাজ্যে মহিলাদের জন্য কঠোর নিরাপত্তা বিধান রয়েছে। তাই মহিলাদের সুরক্ষা এবং রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিজেপি প্রার্থীকে রেকর্ড সংখ্যকভোটে জয়ী করা আহ্বান জানান তিনি। এ দিনের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন মন্ডল সভাপতি সুব্রত মজুমদার, মন্ডল সম্পাদক তাপস কান্তি দাস, জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সমীর কুমার দাস সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা।
রাজনীতি
লোকসভা নির্বাচনের একেবারে প্রাক মুহূর্তে বাগ বাসা বিধানসভায় এলাকায় বিরোধী দলে ভাঙ্গন।
ধর্মনগর প্রতিনিধি।
লোকসভা নির্বাচন রাত পোহালে ই। এখনো বিরোধী দলে ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। পূর্ব ত্রিপুরা সংরক্ষিত উপজাতি কেন্দ্রে আগামী ২৬ শে এপ্রিল লোকসভা নির্বাচনের ভোট গ্রহণ পর্ব হতে চলেছে। আগামীকাল অর্থাৎ ১৯ এপ্রিল পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন হচ্ছে। এমন অবস্থায় মানুষ শেষ পর্যন্ত বিরোধীদল গুলির প্রতি আস্থা রাখতে না পেরে কেন্দ্রীয় সরকার তথা রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত ডাবল ইঞ্জিন সরকারের প্রতি আস্থা জ্ঞাপন করে দলে দলে যোগদান করছে। 18 এপ্রিল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বাগবাসা বিধানসভার লক্ষীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন খেরেংজুড়ি ৩০ বুথ এলাকায় এক যোগদান সভা অনুষ্ঠিত বিজেপি দলের। এই যোগদান সভায় ৮ পরিবারের ৩৫ জন ভোটার সিপিআইএম দল ছেড়ে বিজেপি দলে যোগদান করেন। উপস্থিত ছিলেন বিজেপি দলের জেলা সভাপতি কাজল দাস, বিধায়ক যাদব লাল দেবনাথ, মহিলা মোর্চার জেলা সভানেত্রী রুপালী অধিকারী সহ অনান্য নেতৃত্বরা।
প্রতিনিধি , উদয়পুর :-
লোকসভা নির্বাচনের দিন তারিখ যত সামনের দিকে এগিয়ে এসেছে ততই যেন বেড়ে চলেছে রাজনীতির উত্তাপ। প্রতিদিন শাসক দল সমতল থেকে পাহাড় সর্বোত্ত দলীয় প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেবের সমর্থনে প্রচার করে চলেছেন । বাগমা বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত আঠারোভোলা এলাকায় এক যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয় । এই যোগদান সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া । সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে রামপদ জমাতিয়া বলেন ,বাগমা আঠারোভোলা এলাকায় বিগত দিনে তৎকালীন বাম মন্ত্রী নরেশ জমাতিয়া কোন উন্নয়ন করেনি । এর ফলে দিনের পর দিন জাতি , উপজাতি সফল অংশের মানুষ একের পর এক উন্নয়নের কাছ থেকে পিছিয়ে পড়ে। ২০১৮ সালে রাজ্যে পালা বদলের পর রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের যৌথ উদ্যোগে এই রাজ্যকে বিভিন্ন উন্নয়নের মধ্য দিয়ে এগিয়ে নেওয়া যাওয়ার জন্য কাজ করেছে। কৃষক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য ক্ষেত্র ও শিল্প থেকে শুরু করে অর্থনীতির উন্নয়নে নিয়ে এসেছে জুয়ার । বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন কেন বিগত দিনে তৎকালীন সময় বামেরা রাজ্যের উন্নয়ন করার জন্য কোন ভূমিকা গ্রহণ করেনি ? সরাসরি আক্রমণ করেন ততকালীন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার কে । এই যোগদান সভায় বিধায়ক সমস্ত মানুষের কাছে আহ্বান রাখেন আগামী ১৯ এপ্রিল বিপ্লব কুমার দেব কে বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করার জন্য । পরে আঠারোভোলা এলাকার ১০ নং বুথের তিন পরিবারের সাতজন ভোটার সিপিআইএম দল ত্যাগ করে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেয়। তাদেরকে দলে বরণ করে নেন দলীয় পতাকা দিয়ে বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-রাধাকিশোরপুর মন্ডলের ২৫ নং বুথ কমিটির উদ্যোগে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিম ত্রিপুরা আসনে বিজেপি প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব এর সমর্থনে এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয় সোমবার সন্ধ্যায় উদয়পুর সেন্ট্রাল রোডে । এই নির্বাচনী সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায় । এছাড়া ছিলেন , জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুকান্ত সাহা , বুথ সভাপতি অনুপ সাহা , ও প্রবেশ কিষানণ মোর্চার অন্যতম সহ-সভাপতি পান্নালাল সাহা সহ প্রমূখ । নির্বাচনী সভায় ভাষণ রাখতে গিয়ে বিধায়ক শ্রী দেবরায় বলেন , লোকসভা নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে বিরোধী দলের মধ্যে তত ভাঙ্গন পরিলক্ষিত হচ্ছে । মানুষ দলে দলে কংগ্রেস এবং বামফ্রন্টের জোটের ওপর আস্থা হারিয়ে বিজেপি জোটের উপর আস্থা রেখে চলেছে । তিনি বলেন , গত ২৫ বছর বাম রাজত্বে গোমতী জেলা সহ সারা রাজ্যে কয়েক শত কংগ্রেস কর্মী খুন হয়েছেন । বিরোধী দল করার অপরাধে বহু কর্মীর বাড়িঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল । ব্যতিক্রম ছিল না রাধা কিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রও। প্রতিটি নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর রাধা কিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রে বেঁছে বেঁছে সেই সময় কংগ্রেস কর্মীদের বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হতো। আজ সেই সব কথা ভুলে গিয়ে কংগ্রেস নেতা সিপিএমের সাথে মিশে গিয়েছেন । তারা একসাথে মিলে ভোটে প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন । এই অশুভ জোটকে প্রত্যাখ্যান করে আগামী দিনে রাধা কিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্র সহ সারা রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের প্রবাহ ধরে রাখতে ভারতীয় জনতা পার্টি মনোনীত প্রার্থীকে জয় নিশ্চিত করতে হবে । তাই সকাল সকাল ভোটাররা নিজের ভোট নিজে দিয়ে বিজেপি প্রার্থীকে জয়ী করুন। ভাষণের মধ্য দিয়ে ভোটারদের কাছে এই আবেদন রাখেন বিধায়ক । এদের নির্বাচনী সভাকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে সমর্থক এবং বাজারে আশা ক্রেতা বিক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় লক্ষ্য করা যায় ।
তেলিয়ামুড়া প্রতিনিধি –
বিধায়িকা কল্যানী সাহা রায় এর ঝরো প্রচারে বিরোধী শিবির ভেংগে চুরচুর হয়ে পরছে তেলিয়ামুড়া বিধানসভা এলাকায়। প্রত্যেকটি বুথের সভায় বিজেপি দলে যোগদান অব্যাহত। শুক্রবারও এর ব্যাতিক্রম হয়নি। শুক্রবার তিনটি বুথ সভায় সি পি আই এম, কংগ্রেস দল ত্যাগ করে বিজেপি দলে সামিল হয়। তেলিয়ামুড়া বিধানসভার অন্তর্গত মোহরছড়া ১০নং বুথে সিপিআইএম পার্টি ত্যাগ করে ২৯পরিবারের ১১১জন ভোটার বিজেপি দলে যোগদান করে। অন্যদিকে পৌর পরিষদ ১২ নং ওয়ার্ড এলাকায় ৪৮ নংং বুথে ২৭ পরিবারের ৬২ জন ভোটার বিজেপি দলে যোগদান করে।
নির্বাচন ঘোষণা হবার পর থেকে ভারতীয় জনতা দলে বিভিন্ন বিরোধী দল ত্যাগ করে যোগদান অব্যাহত রয়েছে তেলিয়ামুড়া বিধানসভা এলাকায়। প্রতিদিন ই বুথ সভা ও উঠান সভাতে সি পি আই এম এবং অন্যান্য দল ত্যাগ করে বিজেপি দলে সামিল হচ্ছে।
দুইটি সভায় উপস্থিত ছিলেন বিধায়িকা কল্যানী সাহা রায় সহ বিজেপি তেলিয়ামুড়া মন্ডল এবং বুথ এলাকার নেতৃত্বরা। বিরোধী দল ছেড়ে বিজেপি দলে যোগদান কারিদের হাতে বিজেপি দলের পতাকা ও টুপি পরিয়ে স্বাগত জানান বিধায়িকা সহ অন্যান্য নেতৃত্বরা। বিরোধী শিবির ছেড়ে ভারতীয় জনতা দলে যোগদান সম্পর্কে নিজের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বিধায়িকা কল্যানী সাহা রায় বলেন, ভাররবর্ষের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজীর জনমুখী কাজ, সব কা সাথ সবকা বিকাশ, এবং সমাজের অন্তিম ব্যাক্তি পর্যন্ত উন্নয়নের সুবিধা পৌছে দেওয়া ইত্যাদি দেখে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন মানুষ। বিকশিত ভারতের সংকল্পে মানুষ সামিল হচ্ছে প্রতিদিন। তিনি আরও বলেন, সবাই একসাথে হাতে হাত রেখে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডঃ মানিক সাহার উন্নত ত্রিপুরা, এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা গরার সপ্নকে সফল করার লক্ষে সকলে একসাথে কাজ করব ।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-আগামী সাত দিনের মাথায় ঊনিশে এপ্রিল পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে । তার আগে শাসক দল নিজেদের শক্তি বাড়িয়ে নিচ্ছে প্রতিটি এলাকায় ভিত্তিক। মাতাবাড়ি বিধানসভার ৪২ নং বুথের অন্তর্গত পূর্ব জুলাই বাড়ি স্কুল মাঠে এক যোগদান সভা অনুষ্ঠিত হয় । এই যোগদান সভায় প্রধান বক্তা হিসাবে ছিলেন মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অভিষেক দেবরায় । যোগদান সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক বলেন , বিগত ৩৫ বছরে রাজ্যে গণতন্ত্রকে খুন করা হয়েছে । কমিউনিস্টদের শাসনে মানুষ সর্বদিক দিয়ে বঞ্চিত হয়েছে । এর পাশাপাশি কংগ্রেসের জোটের পাঁচ বছরের শাসনে বিভিন্ন দিক দিয়ে পিছিয়ে গিয়েছে তৎকালীন সময়ে রাজ্য বাসী । রাজ্য প্রশাসনের জন্য সিপিএম এবং কংগ্রেসের ভূমিকা একেবারে নিন্দনীয় । আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের লড়াই করার জন্য তাদের কাছে কোন উল্লেখযোগ্য ইস্যু নেই । তাই বিরোধীরা বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে রাজ্যে একেবারেই দিশেহারা । এদিন এই যোগদান সভায় একের পর এক আক্রমণ শানান বিধায়ক অভিষেক দেবরায় । করে ১২ পরিবারের ৫০ জন ভোটার সিপিআইএম দল ত্যাগ করে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেয়। তাদেরকে দলীয় পতাকা দিয়ে দলে বরণ করে নেন বিধায়ক ।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-করবুক বিধানসভার জনজাতি এলাকায় ভারতীয় জনতা পার্টির পূর্ব ত্রিপুরা লোকসভা আসনের বিজেপি মনোনীত প্রার্থী কৃতি সিং দেববর্মাকে জয়ী করার লক্ষ্যে ভারতীয় জনতা যুব মোর্চা প্রদেশ সভাপতি সুশান্ত দেবের উপস্থিতিতে এক বাইক র্যালি অনুষ্ঠিত হয় । এই বাইক র্যালিতে ছিলেন গোমতী জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুকান্ত সাহা , ত্রিপুরা বিধানসভার সদস্য শম্ভূ লাল চাকমা সহ তিপ্রা মথার বিভিন্ন নেতৃত্বরা । এই বাইক মিছিল শেষে ভাষণ রাখতে গিয়ে যুব মোর্চার প্রদেশ সভাপতি সুশান্ত দেব তীব্র আক্রমণ শানান বাম ও কংগ্রেসকে। তিনি বলেন বিগত দিনে এই রাজ্যে যত অশান্তির মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল বামেরা । কখনো এগ রাজ্যের ভালো উন্নয়নের কথা চিন্তা করেনি । একটা সময় সিপিআইএম ও কংগ্রেস ছিল একে অপরের বিরোধী । কিন্তু বর্তমানে জোটবদ্ধ হয়ে লড়াই করছে রাজ্যে। যা এই রাজ্যের মানুষ কখনো মেনে নেবে না । অপরদিকে গোমতী জেলা যুব মোর্চার সভাপতি সুকান্ত সাহা বলেন , বিজেপির নির্বাচনী জনসভায় সাধারণ মানুষের ভিড় বলে দিচ্ছে বিজেপি প্রার্থীদের জয় নিশ্চিত । বামেরা টানা ২৫ বছর রাজ্যে শাসন ক্ষমতায় থাকলেও রাজ্যের সাধারণ মানুষের কল্যাণে কোন কাজ করেনি । তারা গরিবের সরকার বললেও তাদের নেতা কর্মী এবং পরিবারের সদস্যরাই সব সুবিধা ভোগ করেছে । চিটফান্ডের নাম করে তারা গরিবের কষ্টের টাকা লুটে নিয়েছে । বিজিবি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর রাজ্যের গরিব এবং পিছিয়ে পড়া অংশের মানুষের কল্যাণে একের পর এক কাজ করে দেওয়া হচ্ছে । তাই রাজ্যের উন্নয়ন দেখে বিরোধীদলের বর্তমানে দিশেহারা। আগামী দিনে পূর্ব ত্রিপুরা আসনে বিপুল ভোটে জয়ী হবে বিজেপি ও তিপ্রা মথার যৌথ সমর্থনে প্রার্থী কৃতি সিং দেববর্মা ।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-হাতেগোনা কয়েকদিন তারপরেই রাজ্যে অনুষ্ঠিত হবে লোকসভা নির্বাচন। আর এই লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিজেপি তাদের শক্তি বৃদ্ধি জন্য করে যাচ্ছেন প্রতিনিয়ত । শুক্রবার বিকাল চারটা নাগাদ ভারতীয় জনতা পার্টি ৩১ রাধাকিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেবের সমর্থনে উদয়পুর কয়লার মাঠ এলাকায় আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচার সভা ও যোগদান সভা আয়োজন করা হয় । এদিন এই সভাতে উপস্থিত ছিলেন অর্থ পরিকল্পনা দপ্তরের মন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়, উদয়পুর পৌর পরিষদের পৌরপিতা শীতলচন্দ্র মজুমদার, রাধাকিশোরপুর মন্ডল সভাপতি প্রবীর দাস সহ আরো অনেকে । এদিন যোগদান সভায় অর্থমন্ত্রীর হাত ধরে ২১ পরিবার ৫৭ জন ভোটার ভারতীয় জনতা পার্টি দলে যোগদান করেন। নবাগতদের দলীয় উত্তরীয় ও পতাকা দিয়ে বরণ করে নেন অর্থমন্ত্রী । নবাগতদের দলীয় পতাকা দিয়ে বরণ করার শেষে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী ভাষণ রাখতে গিয়ে বলেন , রাজ্যে দুটি লোকসভা আসনে ভারতীয় জনতা পার্টি দলের মনোনীত প্রার্থীরা বিপুল ভোটের জয়যুক্ত হবেন তা শুধু সময়ের অপেক্ষা। মানুষ উন্নয়নের পাশে ছিলেন উন্নয়নের পাশে থাকবেন । এই বার্তা রাজ্যের প্রত্যেকটা জায়গা থেকেই পাওয়া যাচ্ছে। এদিন যোগদান সভাকে কেন্দ্র করে দলীয় কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল সাড়া জাগানো।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-পূর্ব ত্রিপুরা সংরক্ষিত আসনের ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী কৃতি দেবী দেববর্মণের সমর্থনে আগামী ১৫ই এপ্রিল দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহজী কুমারঘাটে নির্বাচনী জনসভায় অংশগ্রহণ করবেন।কুমারঘাট পিডব্লুডি মাঠে অনুষ্ঠিত হবে এই জনসভা।এই কর্মসূচিকে সামনে রেখে আজ পাবিয়াছড়া মন্ডলের উদ্যোগে বাইক রেলী অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজিত এই বাইক র্যালিতে অংশগ্রহণ করেন প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক তথা বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস, জেলা সভাপতি পবিত্র দেবনাথ,মন্ডল সভাপতি কার্তিক দাস সহ বিভিন্ন মোর্চার পদাধিকারীরা। বিজেপি এবং ত্রিপ্রা মথার যৌথ ব্যাবস্থাপনায় এই বাইক রেলী অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমারঘাট শহরের বিভিন্ন এলাকায়।যুব মোর্চার উদ্যোগে আয়োজিত এই বাইক রেলীতে প্রচুর সংখ্যক যুব কর্মীরা অংশগ্রহণ করেছেন।
প্রতিনিধি, বিশালগড়, ১১ এপ্রিল।। শুধু বড় সভা মিছিল এ সীমাবদ্ধ না থেকে তৃণমূল পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে বিজেপির পশ্চিম ত্রিপুরা আসনের প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব। মূলত ৩ থেকে ৫ টি বুথ নিয়ে বিজেপির সাংগঠনিক স্তর শক্তিকেন্দ্র রয়েছে। এই শক্তি কেন্দ্র পর্যন্ত প্রচার পর্ব চালিয়ে যাচ্ছে বিপ্লব কুমার দেব। অতীতে এমন গ্রাস রুটে কোন লোকসভা প্রার্থীকে প্রচারে দেখা যায়নি। এবারেই ব্যতিক্রম চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিরোধী দল যেখানে বিধানসভা ভিত্তিক প্রচার করতেই হিমশিম খাচ্ছে। সেখানে বিজেপির খোদ প্রার্থী পৌঁছে যাচ্ছে শক্তি কেন্দ্রে। এছাড়া দলের সকল বিধায়ক থেকে শুরু করে প্রদেশ জেলা মন্ডল বুথের নেতৃবৃন্দ পৌঁছে যাচ্ছে ঘরে ঘরে। বৃহস্পতিবার চড়িলাম এবং কমলাসাগরে পাঁচটি শক্তি কেন্দ্রের কার্যকর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন বিপ্লব কুমার দেব। এদিন দক্ষিণ চড়িলামে অরুণ জেটলি এবং মনোহর পারিকর শক্তি কেন্দ্র ভিত্তিক বৈঠকে অংশ নেন প্রার্থী বিপ্লব দেব। উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী যীষ্ণু দেববর্মন, প্রাক্তন বিধায়ক বীরেন্দ্র কিশোর দেববর্মা, বিজেপির প্রদেশ সম্পাদিকা মৌসুমি দাস, মন্ডল সভাপতি রাজকুমার দেবনাথ প্রমুখ। দু’টি শক্তি কেন্দ্রের সবগুলো বুথের কার্যকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব কার্যকর্তাদের বলেন নরেন্দ্র মোদিকে তৃতীয় বার প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসাতে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ করার জন্য। এছাড়া এদিন কমলাসাগরের সেকেরকোট নাটমন্দিরে শহিদ ক্ষুদিরাম এবং ভগৎ সিং শক্তি কেন্দ্র ভিত্তিক বৈঠকে অংশ নেন বিপ্লব কুমার দেব। উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক অন্তরা দেব সরকার। সর্বশেষ বৈঠক করেন চাম্পামুড়ায়। সেখানে ছত্রপতি শিবাজি শক্তি কেন্দ্র ভিত্তিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থী বিপ্লব কুমার দেব ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিজেপির জেলা সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিক, সিপাহীজলা জেলা সভাধিপতি সুপ্রিয়া দাস দত্ত। বিপ্লব কুমার দেব বলেন ২০১৮ সালে সিপিএমের অত্যাচার থেকে রাজ্যবাসীকে মুক্তি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ত্রিপুরায় শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়েছে। গরিব মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পৌঁছে যাচ্ছে। দলবাজি চাঁদাবাজি দুর্নীতি বন্ধ হয়েছে। তাই ত্রিপুরার অগ্রগতি তরান্বিত করতে আবার নরেন্দ্র মোদির হাতে দেশের দায়িত্ব তুলে দিতে হবে। সেই লক্ষ্যে সকল কার্যকতাদের মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রীর জন্য ভোট চাইতে হবে। এছাড়া এদিন বিশালগড়ে যুব বাইসাইকেল যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন বিধায়ক সুশান্ত দেব, যুব মোর্চার মন্ডল সভাপতি অনুরাগ চক্রবর্তী প্রমুখ। বিধায়ক সুশান্ত দেব বলেন বর্তমান যুব সমাজ বাইসাইকেল থেকে মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে। সেই পুরনো স্মৃতি আবার ফিরিয়ে আনতে চাইছি। বাইসাইকেল চালানোর ফলে শরীর সুস্থ থাকে। বাইসাইকেল পরিবেশ বান্ধব। অন্যদিকে গোলাঘাটি বিধানসভার যুগল কিশোর নগর, ধারিয়াছড়া, জয়ন্ত পাড়া, গয়াচরণ পাড়ায় জনজাতি পরিবারের সঙ্গে জনসম্পর্ক অভিযানে অংশ নেন মহিলা মোর্চার প্রদেশ সভানেত্রী মিমি মজুমদার, বিধায়ক মানব দেববর্মা, প্রাক্তন বিধায়ক বীরেন্দ্র কিশোর দেববর্মা, বিজেপির প্রদেশ সম্পাদিকা মৌসুমি দাস সহ স্থানীয় কার্যকর্তারা।