প্রতিনিধি, আগরতলা :- গত ১২ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে মাতার বাড়ি ধন্য মানিক্যমুক্ত মঞ্চে ধান ক্রয় কর্মসূচি। প্রথম দিকে গত কয়েকদিন সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও শনিবার থেকে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে ব্যাপারিদের ধান বিক্রির ধুম। যে জায়গায় রাজ্য সরকার চাইছে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার জন্য। আর সেদিকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ১০ জন যদি থাকে প্রকৃত কৃষক আর বাকি ৯০ জন থাকছে ধানের ব্যাপারী । তারা প্রতিটা সময় ধান বিক্রি করে চলেছে খাদ্য দপ্তরের কিছু কর্মচারীকে হাতে নিয়ে। এরমধ্যে একাংশ ভালো কর্মচারী সূত্রে জানা যায় , অধিকাংশ ধানের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ রয়েছে চিট আকারের । যা ধানের গুণগতমান একেবারে ভালো নয়। অন্যদিকে খাদ্য দপ্তরের এক সোমা নামে সরকারি কর্মী প্রতিনিয়ত ধানের গোটা বিষয় নিয়ে দেখাশুনার দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে একেবারে দায়সারা ভাবে কাজ করে চলেছে । অন্যদিকে আরো একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় , সুবোধ দাস নামে এক সরকারি কর্মী গত ডিসেম্বর মাসেই অবসর নিয়েছে চাকরি থেকে। কিন্তু বর্তমানে তাকে আবারো খাদ্য দপ্তরে চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে উদয়পুরে। কিভাবে আবারো চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হলো এই নিয়ে দপ্তরের মধ্যেই চলছে কানাঘুষা । কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে রাজ্য সরকার যখন চাইছে স্বচ্ছতা ভাবে সমস্ত কাজকর্ম করার জন্য। আর সেই দিকে অস্বচ্ছতার এক ছাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে মাতারবাড়ির ধান বিক্রয় কেন্দ্রে। ছুটির দিন রবিবারে ধান বিক্রির কেন্দ্র এক অস্বচ্ছতার ছাপ লক্ষ্য করা যায়। শ্রমিকদের জন্য নেই পানীয় জলের কোন ব্যবস্থা। অন্যদিকে মাতাবাড়ি কৃষি মহকুমা কোন আধিকারিক কে দেখা যায়নি ধান বিক্রয় কেন্দ্রের সামনে। দপ্তরের বিশ্বস্ত সূত্রের খবর গত ৬ দিনে ১০৬০ মেট্রিক টন ধান এখনো পর্যন্ত কেনা হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে গুণগত মান কতটুকু সঠিক রয়েছে তার বিচার করার কোন ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না মাতার বাড়ি ধান বিক্রয় কেন্দ্র। আগামী দিন কতটুকু স্বচ্ছতা বজায় রাখবে কৃষি দপ্তর থেকে শুরু করে খাদ্য ও জনসংভরণ দপ্তর । এই নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন ?
43