প্রতিনিধি কৈলাসহর:-গোপন খবরের ভিত্তিতে শনিবার রাত্রিবেলা কৈলাসহর থানার পুলিশ ছনতৈল এলাকা থেকে একটি গরু বোঝাই গাড়ি আটক করে।ঘটনার বিবরণে জানা যায়,শনিবার রাত্রিতে কৈলাসহর থানার পুলিশের কাছে গোপন সূত্রে খবর আসে যে ফটিকরায়ের দিক থেকে TR02J1769 নম্বরের একটি গাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে গরু নিয়ে কৈলাসহরের দিকে প্রবেশ করছে।পরবর্তী সময় কৈলাসহর থানার এস আই দেবব্রত শীল অন্যান্য পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে কৈলাসহর ছনতৈল এলাকায় গিয়ে উৎ পেতে বসে থাকে এবং পরবর্তী সময় সেই গাড়িটিকে আটক করতে সক্ষম হয়।পুলিশ দেখে গাড়ির চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে তাকেও এসআই দেবব্রত আটক করে।এরপর সেই গরু বোঝাই গাড়ি সমেত এবং গাড়ির চালককে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করে কৈলাসহর থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।সেই গাড়ির চালক হারুন আলী পিতা ইউনুস আলী ফটিকরায় বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে রাধানগর ৪ নং ওয়ার্ড এলাকায় বসবাসকারী।কৈলাসহর থানার পুলিশ রবিবার হারুন আলীর বিরুদ্ধে একটি মামলা গ্রহণ করেন যার নম্বর হল 18/2024 আন্ডার সেকশন 382/F IPC এবং আন্ডার সেকশন 11 (1) (O) (H) of the prevention cruelty two animal act 1960 ধারায় মামলাটি নথীভুক্ত হয়।পাশাপাশি হারুন আলি গাড়ি কিংবা তার কোন বৈধ কাগজ পুলিশকে দেখাতে পারেনি বলে জানা গেছে।হারুন আলিকে কৈলাসহর থানার পুলিশ রবিবার দুপুর বেলা তিন দিনের রিমান্ড চেয়ে কৈলাসহর দায়রা আদালতে প্রেরণ করে।তবে সেই গরুগুলি অবৈধভাবে পাচার করার উদ্দেশ্যে নাকি চুরি করে সেই গরুগুলি এনেছিল তা এখনও জানা যায়নি। পাশাপাশি তার সাথে আরও কেউ জড়িত রয়েছে বলে পুলিশের ধারণা।এই বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কৈলাসহর থানার পুলিশ।
অপরাধ
কন্টেনার গাড়ি থেকে পনেরো লক্ষাধিক টাকার নেশা জাতিয় কফ সিরাফ বাজেয়াপ্ত বাজারিছড়ার চুরাইবাড়িতে।ধৃত এক।
ধর্মনগর প্রতিনিধি।
কয়দিন বিরতির পর ফের নেশা বিরোধী অভিযানে সাফল্য পেল বাজারিছড়ার চুরাইবাড়ি ওয়াচ পোস্টের পুলিশ।জানা গেছে বৃহস্পতিবার সকালে এএস(জিরো ওয়ান)কিউসি(ওয়ান জিরো সেভেন সিক্স)নম্বরের একটি ওনলাইন সামগ্রী বোজাই কন্টেনার গাড়ি গুয়াহাটি থেকে ত্রিপুরার যাবার উদ্দেশ্যে চুরাইবাড়িতে পৌছালে গাড়িটিতে দলবল নিয়ে যথারীতি তল্লাশি চালান গেট ইনচার্জ প্রণব মিলি।এতে বিভিন্ন প্যাকেটজাত সামগ্রীর আড়াল থেকে দশ কার্টুনে ষোল`শ বোতল নেশা জাতিয় এস্কাফ কফ সিরাফ উদ্ধার হয়।যার কালোবাজারী মুল্য অনুমানিক পনেরো লক্ষাধিক টাকার মত হবে।এ কান্ডে জড়িত থাকার দায়ে গাড়ি চালককে আটক করেছে পুলিশ।ধৃতের নাম রাজেশ কুমার।বাড়ি বিহারে।পুলিশ ধৃতের বিরুদ্ধে এনডিপিএস ধারায় মামলা হাতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।তাকে রাতভর থানায় আটকে রেখে টানা জিঙ্গাসাবাদের পর ধৃতকে শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এ রুট ধরে গত দীর্ঘদিন ধরে ব্যাপক পরিমান নেশা সামগ্রী ত্রিপুরা হয়ে বাংলাদেশে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।এতে সময়ে সময়ে পুলিশি অভিযানে নেশা সামগ্রী সহ পাচারকারি ধরা পড়লেও ব্যাপক পাচার বাণিজ্যে লাগাম টানা সম্ভবপর হয়ে উঠছে না।কেননা পুলিশের পক্ষে প্রতিটি গাড়িতে চিরুনি তল্লাশি সম্ভব নয়।ফলে এ রুটকে অনেকটা সেফ জোন হিসাবেও ব্যবহার করছে বিশেষ পাচার চক্র।এতে একটি গাড়ি ধরা পড়লে অন্যটি পার পাচ্ছে বলে স্পষ্ট ধারনা করা হচ্ছে।উক্ত গেট দিয়ে নেশা সামগ্রী পাচার বন্ধ করতে এখানে অত্যাধুনিক স্ক্যানিং মেশিন স্থাপনের জোরালো দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।এতে অনেকটা ঝুট ঝামেলা থেকে রেহাই পাবেন বিভিন্ন দুরপাল্লার চালকরা,পাশাপাশি ভিড় কমবে আন্ত:রাজ্য সীমান্ত চেক গেটে।
প্রতিনিধি মোহনপুর:- গোপন খবরের ভিত্তিতে অবৈধ গাঁজা বিরোধী অভিযান চালিয়ে দারুন সাফল্য পেয়েছে সিধাই থানার পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে মোহনপুরের এসডিপিও ডঃ কমল বিকাশ মজুমদারের নেতৃত্বে চলে এই অভিযান। অভিযানে ১১৭ কিলো অবৈধ গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এই দিন গাঁজার পাশাপাশি এই অবৈধ গাঁজা মজুদের সাথে জড়িত থাকার দায়ে রণবীর দেববর্মা নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার গভীর রাতে সুরেন্দ্রনগরের তুইসাপুকুর এলাকায় চলে এই অভিযান। জানা গেছে দীর্ঘদিন যাবত গাঁজা চাষের সাথে জড়িত অভিযুক্ত এবং তার পরিবার। সুযোগ বুঝে উৎপাদন করা এই গাঁজা বিক্রির উদ্দেশ্যে মজুদ করে রেখেছিল বিকাশ মজুমদার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এনডিপিএস ধারায় মামলা গ্রহণ করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই গাঁজা বিরোধী অভিযানে পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীও অংশ নিয়েছিল।
প্রতিনিধি, বিশালগড়, ।। বিশালগড়ের সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায়ের ওপর প্রাণঘাতী হামলার মূল অভিযুক্ত বিন্দু রায়কে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত । মঙ্গলবার বিকালে আরও এক সমাজবিরোধীকে গ্রেপ্তার করেছে বিশালগড় থানার পুলিশ। বুধবার ধৃত সুজিৎ নম: কে আদালতে সোপর্দ করা হবে। ঘটনাটি ঘটে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বিশালগড় মোটরস্ট্যন্ড এলাকায়। সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায়ের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালায় বিশালগড় আমবাগান এলাকার কুখ্যাত সমাজবিরোধী বিন্দু রায়, উনার ছেলে পুলক রায়, সুজিৎ নম:, বিদ্যুৎ রায়। লোহার রড নিয়ে আঘাত করে। সাংবাদিক মাথা নুইয়ে নেয়ায় প্রাণে বেঁচে যায়। বিন্দু রায়ের ভাই বিদ্যুৎ রায় সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। উপস্থিত সাংবাদিকদের সহযোগিতায় আক্রান্ত সাংবাদিককে বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে নেয়া হয়। আক্রমনকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে মহকুমার সাংবাদিকরা। একসময় রাস্তা অবরোধ শুরু করে। পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের আশ্বাস পেয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় সাংবাদিকরা। এসডিপিও পান্নালাল সেন এবং ওসি রানা চ্যাটার্জির তৎপরতায় কিছুক্ষণের মধ্যে মূল অভিযুক্ত বিন্দু রায়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মঙ্গলবার তাকে আদালতে সোপর্দ করে তদন্তকারী অফিসার। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩৪১/৩২৬/৩০৭/৫০৬/৩৪ ধারায় মামলা গ্রহণ করেছে পুলিশ। আসামী পক্ষের আইনজীবীর জামিনের আবেদন খারিজ করে অভিযুক্ত বিন্দু রায় কে আগামী ১০ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এ পর্যন্ত দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মঙ্গলবার রাজ্যের ডিজিপি’র নিকট ডেপুটেশন দিয়েছে ত্রিপুরা ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস এসোসিয়েশন। এসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির সভাপতি বিজয় পাল সম্পাদক সুনীল দেবনাথের নেতৃত্বে পুলিশ মহানির্দেশকের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। অন্যদিকে এদিন সাংবাদিকদের এক প্রতিনিধি দল দ্বিতীয় দফায় ওসি রানা চ্যাটার্জির সঙ্গে কথা বলে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। প্রতিনিধি দলে ছিলেন আগরতলা প্রেস ক্লাবের প্রাক্তন সম্পাদক প্রণব সরকার সহ বিশালগড়ের সাংবাদিকরা। জানা গিয়েছে মূল অভিযুক্ত বিন্দু দেবনাথ হাউজিং বোর্ডে কর্মরত সরকারি কর্মচারী। অফিস কামাই করে বেআইনি ব্যবসা বাণিজ্য নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। তার স্থাবর সম্পদের পরিমাণ প্রায় পঞ্চাশ কোটি। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পদের মালিক সে। এ কারণে যা ইচ্ছে তা করে যাচ্ছে বিন্দু এবং তার পুত্র পুলক রায় সহ সাঙ্গপাঙ্গরা ।
প্রতিনিধি মোহনপুর:-মোহনপুর বাজার সংলগ্ন ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতার ডিঙ্গিয়ে ভারতের প্রবেশ করল তিনজন বাংলাদেশী নাগরিক। জানা গেছে মঙ্গলবার সকালে ভারতে প্রবেশ করেছে তাঁরা। স্থানীয়রা তাঁদের আটক করে পরবর্তী সময়ে তুলে দেয় সিধাই থানার পুলিশের হাতে। স্থানীয়দের অভিযোগ এলাকাতে বিভিন্ন সময় চুরি কান্ড সংগঠিত এবং অসামাজিক কাজের সাথে জড়িত থাকতে পারে এই অবৈধ অনুপ্রবেশ কারীরা। যদিও অভিযুক্তরা জানিয়েছে তাঁরা ভারতের প্রবেশ করেছে ভিক্ষাবৃত্তি করার জন্য। তবে এলাকাতে যে ধরনের চুরির ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে তাঁকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের অভিযোগ একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তাঁদের বিরুদ্ধে পুলিশ আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
আজ ভোর বেলা
মানব পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযুগে গ্রেপ্তার হয়েছে এক মহিলা জি আর পি থানায়। তাকে গ্রেফতার করার জন্য আজ ভোর রাত থেকেই এমবুসে বসেছিল জিআরপি থানা, আমতলী থানা পুলিশ এবং শ্রীমন্তপুর বিওপির বিএসএফ। অনেকদিন ধরে সে পালাতক ছিল। এ নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসা বাদ চলছে, আজ উনাকে মহামান্য আদালতে পাঠানো হবে। উনার নাম পারুল বেগম (৪২) স্বামীর নাম -রঙ্গ মিয়া, বাড়ি- মতিনগর, ইন্দু -বাংলা ফেনসিনের সঙ্গে, আমতলী থানার অন্তর্গত। তিনি অনেকদিন যাবত বাংলাদেশের এপার ওপার থেকে বাংলাদেশী এবং রোহিঙ্গাদের অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে সহায়তা করত।
ধর্মনগর প্রতিনিধি।
উত্তর জেলা, ঊনকোটি জেলা সহ সোনামুড়া বক্সনগর এলাকা জুড়ে রাজ্যে যে গরু পাচারকারী চক্র সক্রিয় রয়েছে তার একটি একটি করে পান্ডা ধর্মনগর থানার পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে। সর্বশেষ গ্রেপ্তার করেছে কৈলা শহরের ফুলবাড়ি কান্দি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সুন্দর মিয়াকে (৪০ বছর)। প্রথমে লিটন দাস ওরফে নান্টু তাকে পানিসাগর মহাকুমার রামনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের নিজের বাড়ি থেকে ২৬ মার্চ অর্থাৎ রং খেলার দিন গ্রেপ্তার করাতে হয়েছিল। তাকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত জেল হেফাজতে রাখার নির্দেশ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০ বি ৩৮২এফ ৩৫৩ ৩৪ আইপিসি এবং ইলেভেন ডি অফ এনিমেল প্রটেকশন অ্যাক্ট তা ছাড়া সেক্টর এন্ড ড্যামেজ অফ পাবলিক প্রপার্টির ধারা প্রণয়ন করা হয়েছে। উল্লেখ্য চব্বিশ মার্চ ধর্মনগরের আনন্দবাজার এসপিও ক্যাম্প সংলগ্ন এলাকা থেকে যখন দুটি পিকআপ গাড়িতে মোট নয়টি মহিষ ধরা পড়েছিল সেই ঘটনাকে সাঙ্গ করে প্রথমে লিটন দাস তারপর তাদের মাস্টারমাইন্ড সুন্দর মিয়াকে পুলিশের জালে তুলে আনলো উত্তর জেলার পুলিশ। এইসব গরু মহিষ কারবারীদের কারণে উত্তর তথা সারা রাজ্য নাজেহাল এখন লিটন দাস, সুন্দর মিয়া ধরা পড়েছে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো কোন কোন মহারথী? এ পাচার বাণিজ্যের সাথে যুক্ত এক এক করে পুলিশের জালে চলে আসবে বলে উত্তর জেলা পুলিশ প্রশাসনের ধারণা।
ধর্মনগর থেকে করিমগঞ্জ যাওয়া দুটি মিনি বাস থেকে গাঁজা সহ ৫ পাচারকারীকে আটক করলো চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ।
ধর্মনগর প্রতিনিধি।
চুরাইবাড়ি থানার রুটিন তল্লাশিতে সোমবার বেলা বারোটা নাগাদ ধর্মনগর থেকে করিমগঞ্জ যাওয়া দুটি মিনি বাস থেকে গাঁজা সহ ৫ পাচারকারীকে আটক করলো চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ। তাদের শরীর ও সাথে থাকা দুটি ব্যাগ থেকে গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। এই বিষয়ে থানার ওসি সমরেশ দাস জানিয়েছেন, চুরাইবাড়ি থানার রুটিন তল্লাশিতে AS 01 FC 2535 এবং AS 24C 6171 নম্বরের দুটি বাস থেকে মোট ৫ জন সন্দেহভাজন লোককে আটক করে পুলিশ। তাদের তল্লাশি চালিয়ে প্রথম বাস থেকে দুইজন ও দ্বিতীয় বাস থেকে তিনজনের কাছ থেকে মোট ১৯ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। দ্বিতীয় বাসের তিন জনের শরীরে বাঁধা অবস্থায় ছিল গাঁজা। ধৃতরা হলো সুভাষ কুমার (২৭), রাঘব কুমার (১৮), গোলু কুমার (১৯), শিব কুমার (২৫) ও জিতেন কুমার তাদের প্রত্যেকের বাড়ি বিহারে। উদ্ধারকৃত গাঁজার আনুমানিক কালো বাজার মূল্য ৪ লক্ষ টাকা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। ধৃতদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস আইনে একটি মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ধৃতদের মঙ্গলবার জেলা আদালতে প্রেরণ করবে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।
আড়াই লক্ষ টাকার ড্রাগস সহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করলো আর কে পুর থানার পুলিশ
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-মাতারবাড়ি এলাকা থেকে প্রতিনিয়ত নেশা বিরোধী অভিযানে সাফল্য পাচ্ছে রাধা কিশোরপুর থানার পুলিশ । দিনের পর দিন এই মাতারবাড়ি এলাকায় গড়ে উঠছে নেশা সাম্রাজ্য। এবার গোপন খবরের ভিত্তিতে রাধা কিশোরপুর থানার পুলিশ মাতাবাড়ি কামারবাগ এলাকায় ড্রাগস বিরোধী অভিযান চালিয়ে উত্তম নম : দাস ও রূপক সরকার নামে দুই যুবকের কাছ থেকে দুই প্যাকেট হিরোইন ও ১৫৬ কৌটা সহ সাথে তিনটি মোবাইল ফোন ও নম্বরবিহীন একটি গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জানান, এই ড্রাগস বিরোধী অভিযানে এদিন বাজার মূল্য প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা ড্রাগস বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে । সোমবার দুপুরে দুই ড্রাগস বিক্রেতাকে উদয়পুর জেলা দায়রা আদালতে সোপর্দ করা হবে । রাধা কিশোরপুর থানার পুলিশ একের পর এক এই ধরনের ড্রাগস বিরোধী অভিযান চালানোর ফলে মাতাবাড়ি এলাকার শুভবুদ্ধি সম্পন্ন জনগণের মধ্যে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেমে আসে ।
প্রতিনিধি, বিশালগড়, ।। বিশালগড়ের সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায়ের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে একদল দুষ্কৃতি । ঘটনার এক ঘন্টার মধ্যে মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে বিশালগড় থানার পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় বিশালগড় মোটরস্ট্যন্ড এলাকায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, এদিন দুপুরে বাইপাসের একটি গ্যারেজে গাড়ি ধুয়াতে যায়। সেখানে গ্যারেজের মালিককে মারধোর করে অভিযুক্ত আমবাগান এলাকার বিন্দু রায়। খবর পেয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে ঘটনাস্থলে যায় সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায় । গাড়ি গ্যারেজ মালিকের অভিযোগের স্পষ্টীকরণ জানতে বিন্দু রায়ের দোকানে গেলে সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায় কে নিগৃহীত করে বিন্দু রায় । এরপর আক্রান্ত প্রসেনজিৎ রায় বিষয়টি মৌখিকভাবে প্রেস ক্লাবে জানান। বিশালগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সম্পাদক কোষাধ্যক্ষ ঘটনার সুস্পষ্ট তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে যায়। তখন অভিযুক্ত বিন্দু রায় ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে বিষয়টি মিটমাটের প্রস্তাব দেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী এবং প্রেস ক্লাবের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ঘটনার মিমাংসার উদ্যোগ নেয়া হয়। তখন সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায় কে সেখানে যাওয়ার জন্য বলা হলে তিনি সেখানে যান। সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায় ঘটনাস্থলে পৌঁছা মাত্রই বিন্দু রায়, উনার ছেলে পুলক রায়, সুজিৎ নম: সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায়ের ওপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়। লোহার রড নিয়ে আঘাত করে। সাংবাদিক মাথা নুইয়ে নেয়ায় প্রাণে বেঁচে যায়। বিন্দু রায়ের ভাই বিদ্যুৎ রায় সাংবাদিককে প্রাণে মারার হুমকি দেয়। উপস্থিত সাংবাদিকদের সহযোগিতায় আক্রান্ত সাংবাদিককে বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে নেয়া হয়। আক্রমনকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করে মহকুমার সাংবাদিকরা। একসময় রাস্তা অবরোধ শুরু করে। পুলিশের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তারের আশ্বাস পেয়ে অবরোধ প্রত্যাহার করে নেয় সাংবাদিকরা। এসডিপিও পান্নালাল সেন এবং ওসি রানা চ্যাটার্জির তৎপরতায় কিছুক্ষণের মধ্যে মূল অভিযুক্ত বিন্দু রায়কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বাকিদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান জারি রয়েছে। বিশালগড়ের বিধায়ক সুশান্ত দেব সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার নিন্দা জানান। জেলা পুলিশ সুপার বি জে রেড্ডি টেলিফোনে প্রেস ক্লাবের সম্পাদকের কাছ থেকে বিষয়টি জেনে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন ।