প্রতিনিধি , উদয়পুর :-ভাতিজি জমাইয়ের দায়ের কোপে খুন হল কাকা শশুর । মৃত ব্যক্তির নাম নারায়ন দাস বয়স ৬৫ বছর । ঘটনা উদয়পুর টেপানিয়া পালপাড়া এলাকায় । ঘটনার বিবরণে জানা যায় , বুধবার রাতে নারায়ন দাসের সাথে তার বসতঘরে ঘুমানোর জন্য আসে যুধিষ্ঠি সরকার নামে ভাতিজির জামাই । কিন্তু রাত তিনটা নাগাদ যুধিষ্ঠি সরকার তার কাকা শশুরকে ২৪ টি দায়ের কোপ দিয়ে মার্ডার করে নেই । কিন্তু ঘটনার কিছু সময়ের পর অভিযুক্ত যুধিষ্ঠির সরকার চিৎকার করতে শুরু করে তার কাকা শ্বশুরকে সে নিজে মেরে ফেলেছে এবং তাকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে। চিৎকার চেঁচামেচি শুনার পর নারায়ন দাসের ভাই থেকে শুরু করে তার বাড়ির অন্যান্য সদস্যরা ঘুম থেকে ওঠে ভোরের অন্ধকারে দেখতে পায় যুধিষ্ঠির সরকার দা নিয়ে উঠানের মধ্যে বসে রয়েছে কাকা শ্বশুরের মৃতদেহের সামনে । জানা যায় , যুধিষ্ঠি সরকারের বাড়ি মেলাঘর থানার অন্তর্গত পশ্চিম নলছর এলাকায় । দীর্ঘদিন ধরে কাকা শ্বশুরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাস করে আসছে । পারিবারিক সূত্রে জানা যায় , যুধিষ্ঠি সরকারকে চিকিৎসার জন্য আগরতলা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল, তার কারণ সে অসুস্থ ছিল দীর্ঘদিন। কিন্তু আজ থেকে গত কয়েক মাস আগেই সে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে আসে। পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায় , নারায়ন দাসের সাথে যুধিষ্ঠি সরকার প্রায়শই রাতে তার নিজ বসতঘরে মদ্যপানের আসর বসিয়ে থাকে। কিন্তু গতকাল হঠাৎ করে এই ধরনের মৃত্যুর ঘটনায় রীতিমত বহু প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আজ থেকে দীর্ঘ অনেক বছর আগেই বিয়ে করেছিল নারায়ণ দাস ।কিন্তু বিয়ের কিছুদিন পর তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে বাপের বাড়ি চলে যায় । শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিল নারায়ণ। এদিন নারায়ণ দাসের খুনের ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে রাধা কিশোরপুর থানার পুলিশ থেকে শুরু করে গোমতী জেলা পুলিশ সুপার নমিত পাঠক ও উদয়পুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক অজয় দেববর্মা ছুটে যায় ঘটনাস্থলে । পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত যুধিষ্ঠি সরকারকে গ্রেফতার করে এবং উদ্ধার করে তার কাছ থেকে একটি দা। পরে পুলিশ মৃতদেহটিকে টেপানিয়া জেলা হাসপাতালে পাঠায় ময়নাতদন্ত করার জন্য । বৃহস্পতিবার ভোরে উদয়পুর টেপানিয়ায় এই খুনের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় ।
অপরাধ
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-নির্বাচনের প্রাক্কালে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশে রীতিমতো চিন্তার ভাঁজ পরেছে প্রশাসনের।পাঁচজন রোহিঙ্গাকে কৈলাসহর পাইতুর বাজার মোটর স্ট্যান্ড এলাকা থেকে গ্রেফতার করে কৈলাহর থানায় নিয়ে আসা হয়।ঘটনার বিবরণে জানা যায় সোমবার সকাল বেলা পাঁচ জন রোহিঙ্গা অবৈধভাবে মাগুরুলী এলাকায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং এই পাঁচ রোহিঙ্গা হায়দ্রাবাদ যাবার উদ্দেশ্যে কৈলাসহর পাইতুরবাজার মোটরস্ট্যান্ডে আসে।গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং তাদেরকে আটক করে কৈলাসহর থানায় নিয়ে আসা হয়।এই পাঁচ জনের মধ্যে দুজন রয়েছে নাবালক,ওরা একই পরিবারের সদস্য বলে জানা যায়।ওদের নাম আলিম উদ্দিন(৪৮) পিতা মৃত আব্দুল হাসান,আব্দুল শুকুর (১৮) পিতার শাহিদ হাসান, এবং সানুয়ারা (৩৮) পিতা শাহিদ হাসান।খবরে জানা যায়,ওরা মায়ানমার রিফুজি ক্যাম্প থেকে এসেছে।
ধর্মনগর প্রতিনিধি, ১৬ এপ্রিল:—–অবশেষে গো-মস্তক কান্ডে ধৃত এক ভিন্ ধর্মী যুবক।হিন্দু বাড়ির রাস্তায় গো-মস্তক রাখা কান্ডে জড়িত মূল অভিযুক্তকে অবশেষে জালে তুললো চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ। ধৃত যুবকের নাম রাজু মিয়া।এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছিল গত রবিবার অর্থাৎ পহেলা বৈশাখের রাতে উত্তর ত্রিপুরা জেলার চুরাইবাড়ি থানা এলাকায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, এদিন রাত আনুমানিক সোয়া আটটার দিকে চুরাইবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের এক নং ওয়ার্ডের কালাচাঁদ পাড়ার বাসিন্দা দেবু দেবের বাড়ির রাস্তায় গো-মস্তক দেখতে পায় তার মেয়ে পঞ্চমী দেব।তখন বিষয়টি বাড়ির অন্যান্যদের জানালে খবর দেওয়া হয় চুরাইবাড়ি থানায়।খবর পেয়ে থানার ওসি সমরেশ দাস দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। ছুটে আসেন ধর্মনগর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাশীষ সাহা।ততক্ষণে লোকজ জড়ে হয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে।কয়েক শতাধিক জনতা জয় শ্রীরাম বলে ধ্বনি দিতে থাকে এবং এই ঘটনাকারীকে চিহ্নিত করে কঠোর আইনী শাস্তির দাবি জানান।কিন্তু উত্তেজিত জনতার সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকে। উত্তেজিত জনতার দাবি দুদিন পূর্বে মুসলিম সম্প্রদায়ের ঈদ উৎসব সম্পন্ন হয়েছে,আর এই উৎসবের জানান দিতে হয়তোবা কেউ এই কান্ড ঘটিয়েছে। তাছাড়াও আসন্ন লোকসভা নির্বাচন একেবারে দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে,এর মধ্যে ধর্মীয় সুরসুরি দিতে সুযোগ সন্ধানীদের রাজনৈতিক ইন্ধনও থাকতে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান। এদিকে এদিন রাতেই বাড়ি মালিক দেবু দেব চুরাইবাড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এদিন রাতেই ঘটনাস্থলে বিশাল টিএসআর ও বিএসএফ বাহিনী মোতায়ন রাখা হয়।অপরদিকে সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন পুলিশ সুপার ভানুপদ চক্রবর্তী সহ ফরেন্সিক টিম ও পশু চিকিৎসক।তারা সরজমিনে গো মস্তক টি পত্যক্ষ করার পর পুলিশ গো মস্তক টি সিজ করে ফরেন্সিক টেস্টের জন্য নিয়ে যায়।সাথে স্হানীয় থানার পুলিশ ২০ নম্বরের ভারতীয় দন্ডবিধির ৪৪৮/১২০ বি/২৯৫এ ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে।এই মামলার তদন্তকারী অফিসার সাব ইন্সপেক্টর প্রদীপ বর্মন তদন্তে নেমে ঘটনার প্রায় সাতাশ ঘন্টার ভিতর এই কান্ডের মূল অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেন। সোমবার রাত পৌনে এগারটা নাগাদ বাঘন স্কুল সংলগ্ন এলাকার জসিম উদ্দিন চৌধুরীর ভাড়া ঘর থেকে রাজু মিয়া(২৮,পিতা রহিম মিয়া)নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ।তার বাড়ি সিপাহীজলা জেলার বিশ্রামগঞ্জ এলাকায়।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,সে দীর্ঘদিন যাবৎ কদমতলা ব্লক এলাকায় ভাঙচুরা লোহার ফেরীর কাজ করতো। এদিকে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এদিন রাত দুটো নাগাদ ধৃত যুবককে ধর্মনগর থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। রাতভর ধৃতকে ধর্মনগর থানার হেফাজতে রেখে জোর জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। মঙ্গলবার পুলিশি রিমান্ড চেয়ে ধর্মনগর জেলা ও দায়রা আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।তবে কি কারন,কি উদ্দেশ্য সে এই কান্ড ঘটিয়েছে তা এখনো স্পষ্টভাবে বলতে চাইছে না পুলিশ। গোটা ঘটনায় এক রহস্যের বাতাবরণ ঘুরপাক খাচ্ছে।
ঝান্ডিমুন্ডার আসরে ওসির থাবা। উদ্ধার জুয়ার বোর্ড সহ ধৃত আট জুয়ারী ও বাইক চোর।
ধর্মনগর প্রতিনিধি, ১৬ এপ্রিল:—–ঝান্ডিমুন্ডার আসরে ওসির থাবা। উদ্ধার জুয়ার বোর্ড সহ ধৃত আট জুয়ারী ও বাইক চোর।
সম্প্রতি উত্তর ত্রিপুরা জেলার বিভিন্ন এলাকায় চড়ক পূজা উপলক্ষে জুয়ারীরা তাদের জন্ডি মুন্ডা খেলার বোর্ড ও ডাইস নিয়ে প্রায় প্রতিটি চড়ক মেলায় জুয়ার আসর বসাচ্ছে।তাতে অবশ্য অনেক পুলিশ বাবুদের গোপন সখ্যতা রয়েছে বলে অভিযোগ।অনুরুপ সোমবার বিকেলে কদমতলা থানাধীন হুরুয়া এলাকায় চড়ক পূজায় জান্ডি মুন্ডা জুয়ার আসর বসায় জুয়ারিরা।সেই খবরটি আসে কদমতলা থানার ওসি জয়ন্ত দেবনাথের নিকট।সেই খবরের উপর ভিত্তি করে ওসি দলবল নিয়ে হুরুয়া এলাকার চড়ক পূজার পাশের একটি স্থান থেকে হাতেনাতে জান্ডি মু্ন্ডা খেলার সরঞ্জাম সহ আট জুয়ারিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসেন।তিনি জানান, সামনেই লোকসভা নির্বাচন,আর সেই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বদ্ধপরিকর।তার সাথে জুয়া বিরোধী অভিযানও জারি রয়েছে।শনিবারও জুয়ার সামগ্রী সহ কয়েকজন জুয়ারীকে আটক করা হয়েছিল।আর সোমবার সন্ধ্যার পরও জুয়া খেলা চলাকালীন সময় পুলিশ অভিযান চালালে এই সাফল্য আসে। তিনি জানান, জান্ডি মুন্ডার বোর্ড, ডাইস সহ নগদ প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।সাথে আটক করা হয় মঞ্জুরুল হক,বিধান ঋষি, প্রসেনজিৎ সিনহা,সিমেন উদ্দিন, বাদশা মিয়া,দুলাল রায় ওরফে ঝুনু, জিতেন্দ্র শুক্লবৈদ্য ও সুজিত কুমার শুক্লবৈদ্যকে।সকলের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহন করা হয়েছে।এদিকে পুলিশের একটি বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা গেছে, কদমতলা থানা এলাকায় জূয়া খেলার মদত দিয়ে যাচ্ছেন থানার সেকেন্ড ওসি।আর ওসিকে বদনাম করে বাড়তি কামাই বানিজ্যে ব্যস্ত সেকেন্ড ওসি। অপরদিকে ধৃত আট জুয়ারীর মাঝে ধর্মনগর রাজবাড়ীর বাসিন্দা সিমেন উদ্দিন(৩০) এবং উত্তর হুরুয়ার মঞ্জুরুল হককে(২৮) বাইক চুরির মামলায় গ্রেফতার করে ধর্মনগর থানার হাতে সমঝে দেওয়া হয়।এদিন রাতেই ধর্মনগর থানার পুলিশ ধৃত দুই বাইক চোরকে ধর্মনগর থানায় নিয়ে যায়।ধর্মনগর থানার পুলিশ থেকে জানা গেছে,ধৃত দুই বাইক চোরকে পুলিশি রিমান্ড চেয়ে মঙ্গলবার সকালে ধর্মনগর জেলা ও দায়রা আদালতে সোপর্দ করা হয়।
একই পরিবারের ভাইদের মধ্যে মারপিটে রক্তাক্ত হয়ে ভর্তি ধর্মনগর হাসপাতালে তিনজন।
ধর্মনগর প্রতিনিধি।
ধর্মনগর থানাধীন দেওয়ান পাশা গ্রাম পঞ্চায়েতের বুঙ্গাটিলা এলাকায় ৫ নং ওয়ার্ডের ভাইদের মধ্যে পরস্পর রক্তারক্তি সংঘর্ষে তিনজন আহত হয়ে ধর্মনগরের উত্তর জেলা হাসপাতালে ভর্তি হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। জানা গেছে পিনাক গোড় কিছুদিন যাবৎ অসুস্থ থাকায় তাদের জ্যাঠতুতো বড় ভাই ধর্মেন রাজ গোড় এলাকাবাসীদের কাছ থেকে বারোশো টাকা চাঁদা তুলে চিকিৎসার জন্য। পিনাকে আরেক ভাই রামেশ্বর গোড় পিনাকে গলা টিপে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। ধর্মেন বড় ভাই হওয়ায় তাদের ভাইদের মধ্যে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়ে। তর্কা তোর্কি চূড়ান্ত ভাবে বাড়তে থাকায় রামেশ্বর এবং রিঙ্কু দুই ভাই মিলে ধর্মেনের ওপর হামলা চালায়। শুধুমাত্র দুই ভাই নয় রিংকুর প্রিয় এই হামলায় জড়িয়ে পড়ে ধর্মকে মারপিট করে। তাদের অপর ভাই শুকলাল কোথা থেকে এসে ধর্মেনের উপর হামলা চালায়। এতে ধর্মেন রক্তাক্ত অবস্থায় ধর্মনগর হাসপাতালে এসে ভর্তি হয়। এই ঘটনার পর ঘটনার স্থল থেকে রামেশ্বর পালিয়ে যায়। ধর্মনগর থানার পুলিশ এলাকায় তদন্ত করে তাদের অপর ভাই শুক্লালকে আটক করে ধর্মনগর থানায় নিয়ে আসে। ধর্মনগর থানায় রিঙ্কু, রিংকুর স্ত্রী এবং ধর্মেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভর্তি রয়েছে।
ডাকাত সর্দার নাজিমকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়ে একের পর এক সাফল্য
- ধর্মনগর
রাজ্য সহ বহির্রাজ্যে ত্রাসসৃষ্টিকারি উত্তর ত্রিপুরার কুখ্যাত ডাকাত সর্দার নাজিমকে গ্রেফতারের পর রিমান্ডে নিয়ে একের পর এক সাফল্য পেয়ে চলছে ত্রিপুরা পুলিশ।এতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল।গত চারদিন ধরে নাজিমকে নিজের হেফাজতে রেখে টানা জিঙ্গাসাবাদ করছেন চুরাইবাড়ি থানার ইন্সপেক্টর ওসি সমরেশ দাস।এতে বেরিয়ে আসছে বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর খবর।ধৃত নাজিম ডাকাতি কান্ডের আগে বিভিন্ন বাড়ির মহিলাদের উপর পাশবিক লালসাও চরিতার্থ করত বলে অকপটে স্বীকার করে।গত কয়দিন আগে সে কদমতলা এলাকার এক ডেরা থেকে অস্ত্রশস্ত্র সহ ধরা পড়ে।বর্তমানে তার স্বীকরোক্তিতে পুলিশি তদন্তে মোটর বাইক উদ্ধার সহ এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী ধরা পড়ে।তার বয়ানের ভিত্তিত্বে গতকাল এক পুলিশি অভিযানে কদমতলা থানার ইচাই লালছড়ার বাসিন্দা বিকাশ দেবনাথের বাড়ি থেকে একটি চুরিকৃত বিলাসী গাড়ি উদ্ধার হয়।এই গাড়িটি সে বেঙ্গালুরু থেকে চুরি করে এনে এখানে বিক্রি করে বলে অভিযোগ।ধৃত নাজিমের বয়ানের সুত্র ধরে আরও ডাকাতি কান্ড সহ চুরি ছিনতাই ও ধর্ষনের মত জঘন্যতম কান্ডের জট খুলবে বলে আশাবাদি উত্তর ত্রিপুরা পুলিশ।
প্রতিনিধি, বিশালগড় , ৯ এপ্রিল।। অবশেষে পুলিশের জালে বিশালগড়ের সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায়ের ওপর প্রাণঘাতী হামলায় অভিযুক্ত পুলক রায়। ঘটনার নয়দিন পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় । গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যায় বিশালগড়ের সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায় দুষ্কৃতকারীদের হাতে আক্রান্ত হয়। বিশালগড় আমবাগান এলাকার বিন্দু রায় এবং তার পুত্র পুলক ড্রাইভার সুজিৎ নম মিলে প্রসেনজিৎ রায় কে নিগৃহীত করে। বিদ্যুৎ রায় সাংবাদিককে হুমকি দেয়। হামলায় আহত হয় সাংবাদিক প্রসেনজিৎ রায়। মাথায় আগাত লেগেছে। বিশালগড় মহকুমা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা হয়। চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন। ঘটনার পর মহকুমার সাংবাদিকরা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে পথ অবরোধ করে। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যে মূল অভিযুক্ত বিন্দু রায়কে গ্রেপ্তার করে বিশালগড় থানার পুলিশ। পরদিন গ্রেপ্তার হয় সুজিৎ নম। দুজনেই বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছে। প্রায় নয়দিন ধরে পলাতক ছিল পুলক রায়। অবশেষে মঙ্গলবার তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করে বিশালগড় থানার পুলিশ।
মোবাইল চুরি করে পালাতে গিয়ে মানুষের হাতে ধরা পড়ে উত্তম মধ্যম দিয়ে থানার পুলিশের হাতে তুলে দিল সাধারন মানুষ।
ধর্মনগর প্রতিনিধি।
চৈত্রের বাজারে ধর্মনগরের কালীবাড়ি রোড সেন্টাল রোড এলাকা জাঁকচমকপূর্ণ। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে মানুষের কোলাহল আর ভিড়। এই ভিড়ের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ধর্মনগর সরকারি মহাবিদ্যালয় ছাত্রী পূজা নাথ বাড়ি কদমতলা তার মোবাইল নিয়ে ফারুক উদ্দিন (38 বছর বয়স) নামে এক যুবক পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে যায, তার বাড়ি পার্শ্ববর্তী রাজ্য আসামের হাইলাকান্দি জেলার রামকৃষ্ণ নগরে। মোবাইল নিয়ে পালাতে গিয়ে ফারুক উদ্দিন ধর্মনগরের জেলা ট্রেজারি অফিসের ভেতরে ঢুকে পড়লে মানুষ তাকে আটক করে। আটক করে তার কাছ থেকে মোবাইল উদ্ধার করা যায়নি এবং উত্তম মাধ্যম দিতে থাকে। সে নাকি মোবাইলটি আরো কাকে দিয়ে দিয়েছে বলে উপস্থিত মানুষদের বক্তব্য। পরিস্থিতি সঙ্গিন হয়ে পড়লে ধর্মনগর থানা থেকে পুলিশ বাহিনী আসে ফারুক উদ্দিন কে ধর্মনগর থানায় নিয়ে আটক করে রাখা হয়। উল্লেখ্য প্রতিবছর চৈত্রের মেলা শুরু হবে একটা অংশের মানুষ ব্যস্ত থাকে ভিড়ের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নগদ টাকা, মোবাইল, সোনা দানা হস্তগত করতে।
কুকিতলে মিনি লরি বোজাই বিপুল পরিমান চেরা সেগুন কাঠ জব্দ পুলিশের হাতে।
ত্রিপুরা থেকে করিমগঞ্জে পাচারের পথে বাজারিছড়ার কুকিতল এলাকায় কর্তব্যরত পুলিশের হাতে ধরা পড়ল মিনি লরি বোজাই বিপুল পরিমান চেরা সেগুন কাঠ।কুকিতল ও কাঁঠালতলি পুলিশের যৌথ প্রচেষ্টায় এই সাফল্য আসে।জানা গেছে রবিবার রাতে MZ 08-0815 নম্বরের একটি ডিআই মিনি ট্রাক ত্রিপুরা থেকে বিকল্প সড়কে করিমগঞ্জ অভিমুখে যাবার পথে গাড়িটি কুকিতল এলাকায় পৌছালে নাকা চেকিংয়ে থাকা পুলিশ কর্মীরা গাড়িটিকে দাঁড় করানোর জন্য সিগন্যাল দেয়।এতে বিপদ আঁচ করে গাড়ি চালক সহ পাচারকারিরা সড়কের পাশে গাড়ি রেখে অন্ধকারে গা ঢাকা দেয়।পনে উক্ত গাড়ি থেকে ছয়ত্রিশ টুকরো চেরা সেগুন কাঠ বাজেয়াপ্ত হয়।যার কালোবাজারী মুল্য লক্ষাধিক টাকার মত হবে।সোমবার আইনি প্রক্রিয়া হেতু জব্দকৃত গাড়িটি কাঁঠালতলি পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ রিন্টু গগৈ সমঝে দেন পাথারকান্দি ফরেস্ট রেঞ্জের চুরাইবাড়ি ফরেস্ট বিট ইনচার্জ সঞ্জয় আহিরের কাছে।বর্তমানে কাঠ বোজাই মিনি লরিটি বন বিভাগের হেফাজতে রয়েছে।এ কান্ডে গাড়ির মালিক ও চালকের নামে বন বিভাগের পক্ষে মামলা দায়ের করা হবে বলে খবর পাওয়া গেছে।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে উক্ত রুট দিয়ে সেগুন কাঠ সহ নেশা সামগ্রী পাচারের ঘটনা নতুন নয়।এতে একাংশ প্রশাসনিক কর্মী ও পাচার মাফিয়াদের যোগসাজ থাকার কথা বার বার প্রমাণিত হলেও সেই ট্র্যাডিশন আজও সমানতালে চলে আসছে।এমনই অভিযোগ এলাকার সচেতন মহলের।
নির্বাচনের প্রাকমুহুর্তে নেশাবিরোধী অভিযানে সাফল্য অর্জন করলো মনপাথর ফাঁড়ী থানার পুলিশ।
শান্তিরবাজার প্রতিনিধি: সততা ও নিষ্ঠার সহিত প্রতিনিয়ত কাজকরেযাচ্ছে মনপাথর ফাঁড়ী থানার ওসি জয়ন্ত দাস। মনপাথর ফাঁড়ী থানার অধীনে অপরাধমূলক কাজদমনে প্রতিনিয়ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে ওসি জয়ন্ত দাস। ওসি জয়ন্তদাস নিজ কর্তব্য পালনের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিকমূলক কর্মসূচীও করেযাচ্ছে। লোকজনের কোনোপ্রকার অসুবিধার কথা জানতে পারলে তিনি নিজ সাধ্যমতো সাহায্যের হাত বারিয়েদেন। রাজ্যসরকার চাইছে নেশামুক্ত ত্রিপুরা গঠনকরতে। রাজ্যসরকারের উদ্দ্যেশ্যকে সাফল্যমন্ডীত করতে প্রতিনিয়ত কাজকরেযাচ্ছে ওসি জয়ন্ত দাস। বর্তমানসময়ে নির্বাচনী বিভিন্ন কাজে দিবারাত্র নিজ দায়িত্ব পালন করেযাচ্ছে ওসি । নির্বাচনের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি গোপন খবরের ভিত্তিতে রাজাপুর বাজারে অভিযান চালায় ওসি । ওসির নেতৃত্বে এই অভিযানে বিভিন্ন প্রকারের ৬০ বোতল বিলেতি মদ সহ একজন নেশাকারবারীকে আটক করাহয়। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে হাতে একটি মামলা নিলো মনপাথর ফাঁড়ী থানার পুলিশ। জানাযায় ওসির এইধরনের অভিযান প্রতিনিয়ত জারীথাকবে। ওসি জয়ন্তদাসের এইধরনের অভিযানের সাধুবাদ জানিয়েছেন শান্তির বাজারের লোকজনেরা।