প্রতিনিধি কৈলাসহর:-পাবিয়াছড়া বিধানসভার অন্তর্গত প্রতিটি বুথকে স্ব-শক্তিকরনের লক্ষ্যে নিরন্তর কাজ চলেছেন বিধায়ক ভগবান দাস। কর্মীদের সংগঠনমুখী করতে প্রতিনিয়ত সাংগঠনিক পর্ব জারী রয়েছে।ভারতীয় জনতা পার্টির পাবিয়াছড়া মন্ডলের অন্তর্গত মাছমারা সেক্টরের কার্যকর্তাদের নিয়ে আজ এক দিবসীয় কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় মাছমারা টাউনহলে।এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন পাবিয়াছড়া বিধানসভার বিধায়ক তথা প্রদেশ বিজেপির সাধারণ সম্পাদক ভগবান চন্দ্র দাস, জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি তথা মন্ডল সভাপতি সন্তোষ ধর, সমাজসেবী রবীন্দ্র সিনহা, ও কার্তিক দাস এবং এম.ডি.সি স্বপ্না দাস সহ অন্যান্যরা।
রাজনীতি
প্রতিনিধি মোহনপুর :- বলাই গোস্বামীকে অন্তিম বিদায় দিলো বামুটিয়া বাসি। শুক্রবার দুপুরে বামুটিয়া ব্লক প্রাঙ্গনে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতিতে অন্তিম শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে শ্রী গোস্বামীকে। উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ, পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দীপক সিংহ, বামুটিয়ার বিধায়ক নয়ন সরকার, প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণ ধন দাস সহ অন্যান্যরা। দীর্ঘদিন বামুটিয়ার মাটি থেকেই রাজনীতির সাথে ওতপ্রুত ভাবে জড়িত ছিলেন বলাই গোস্বামী।
ছাত্র রাজনীতি দিয়ে রাজনীতির হাতে খড়ি হয়েছিল বলাই গোস্বামী। দীর্ঘ কয়েক দশক কংগ্রেস ঘরানার রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন তিনি। সর্বশেষ বেশ কয়েক বছর বিজেপি রাজনীতির সাথে যুক্ত হয়েছেন। বিশেষ করে নির্বাচনের প্রশাসনিক কাজে অত্যন্ত দক্ষ হিসেবে সুনাম ছিল উনার। সর্বশেষ ত্রিস্তরীয় গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই প্রথম নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। দায়িত্ব পালন করছিলেন জেলা সভাধিপতির। এরই মধ্যে উনার মৃত্যুর খবর শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা রাজ্যজুড়ে। শুক্রবার দুপুরে এমবিবি বিমানবন্দর থেকে উনার মরদেহ আনা হয়েছে বামুটিয়া ব্লক প্রাঙ্গনে। বাম বিধায়ক নয়ন সরকার উনাকে অন্তিম শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। পাশাপাশি দাবি করেছেন উনার মৃত্যুতে বামুটিয়ার ক্ষতি হয়েছে। অন্যদিকে বামুটিয়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দীপক সিংহ, পশ্চিম ত্রিপুরার জেলাশাসক ডঃ বিশাল কুমার, বামুটিয়ার বিডিও অমিতাভ ভট্টাচার্য সহ অন্যান্য আধিকারিক ও জনপ্রতিনিধিরা এদিন অন্তিম শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন। বামুটিয়া এলাকার কয়েক হাজার মানুষ এদিন এলাকার অত্যন্ত প্রাচীন নেতাকে অন্তিম বিদায় জানাতে হাজির হয়েছিলেন। এদিকে মন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন নির্বাচনী কাজ পরিচালনার জন্য গোটা রাজ্যের মধ্যে জনা দশেক দক্ষ ব্যক্তিত্বের মধ্যে একজন বলাই গোস্বামী। উনার মৃত্যু স্বাভাবিকভাবেই দলের একটি বিশাল ক্ষতি হয়েছে। তিনি যেভাবে জেলা পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ শুরু করেছিলেন সেগুলিও অসম্পূর্ণ রয়ে গেল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। অন্যদিকে জেলাশাসক ডঃ বিশাল কুমার বলেন শ্রী গোস্বামী একজন ভালো মানুষ এবং দক্ষ প্রশাসক ছিলেন। তিনি যে সমস্ত উন্নয়নমূলক কাজ হাতে নিয়েছিলেন সেগুলো বর্তমানে সম্পূর্ণ করা প্রত্যেকের দায়িত্ব। সে কাজগুলো পূরণ করার আশ্বাস দিয়েছেন জেলা শাসক।
রাষ্ট্রপতিকে কুরুচিকর মন্তব্য, রাহুল গান্ধী কে ক্ষমা চাওয়া উচিত দেশবাসীর কাছে : অর্থমন্ত্রী
প্রতিনিধি, উদয়পুর :- বিকশিত ভারতের ,বিকশিত বাজেট পেশ করার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে মঙ্গলবার দুপুর তিনটায় গোমতী জেলা বিজেপি এক ধন্যবাদ সূচক রেলি ও সভা করে উদয়পুর মেলার মাঠে । এদিন সভা শুরু হওয়ার আগে গোমতী জেলা বিজেপির দলীয় অফিসের সামনে থেকে এক মিছিল বের হয়। অপরদিকে জামতলার টাউনহলের সামনে থেকে আরও একটি মিছিল সমাবেশস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা হয় । দুইটি মিছিলের দুই প্রান্তে ছিলেন একদিকে রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অন্যদিকে মাতারবাড়ি কেন্দ্রে বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, জিতেন্দ্র মজুমদার সহ প্রমূখ। পরে রবীন্দ্র, নজরুল ও সুকান্তের মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয় দলীয় সভা। সে সভায় ছিলেন জেলা বিজেপি সভানেত্রী সবিতা নাগ , জিলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায় ও পৌর চেয়ারম্যান এবং রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা সহ প্রমূখ । দলীয় সভায় স্বাগত ভাষণ রাখেন জেলা সভানেত্রী সবিতা নাগ । পরে রাজ্য সম্পাদক বিপিন দেববর্মা ভাষণ রাখতে গিয়ে তীব্র আক্রমণ করেন রাজ্যের বিরোধী দল বামেদেরকে । পরে অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় ভাষণ রাখতে গিয়ে বলেন, ২০২৫ সালে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকারের অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন যে বাজেট পেশ করেছে তা জনকল্যাণমুখী বাজেট । এদিন অর্থমন্ত্রী বলেন , দেশের রাষ্ট্রপতি কে নিয়ে যে ভাষায় কথা বলেছেন রাহুল গান্ধী। তাকে অবিলম্বে রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং দেশবাসীর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করে নেওয়া খুবই জরুরি। তার কারণ না হলে আগামী দিনে দেশের মানুষ তাদেরকে আরো উচিত শিক্ষা দেবে বলে তিনি তার ভাষনে আখ্যায়িত করেন । পাশাপাশি অর্থমন্ত্রী বলেন , রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী যেভাবে কেন্দ্রীয় বাজেটকে নিয়ে সমালোচনা করে চলেছে তা কখনোই কাম্য নয়। বিগত ২৫ বছরের এই রাজ্যের শাসন মানুষ দেখেছে যা প্রতিনিয়ত মানুষকে লাঞ্ছিত এবং বঞ্চিত করে রেখেছিল বামেরা। বর্তমান সরকার রাজ্যের উন্নয়নে প্রতিটি বিধানসভা এবং গোমতী জেলা জুড়ে কাজ করে চলেছে যা কখনো বাম গ্রেসদের সহ্য হচ্ছে না । এদিন অর্থমন্ত্রীর একের পর এক আক্রমণের নিশানায় ছিল সবথেকে বেশি কংগ্রেসের দিকে। অন্যদিকে বাম কংগ্রেসকে একই সমান্তরাল ভাবে তিনি আক্রমণ করতেও ছাড়েননি, রবীন্দ্র ,নজরুল ও সুকান্তের মঞ্চ থেকে । এই দিন সভাকে কেন্দ্র করে বড় মাত্রায় দলীয় কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
প্রতিনিধি মোহনপুর:- কেন্দ্রয় অর্থমন্ত্রীর আনা বাজেট গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চলের জন্য দারুন সুযোগ আনতে চলেছে। গত অর্থ বর্ষ থেকে উত্তর পূর্বাঞ্চলের জন্য প্রায় ৪৭ শতাংশ অর্থ বৃদ্ধি করা হয়েছে এই বাজেটে। অথচ বিরোধীরা শুধুমাত্র বাজার ধরে রাখার জন্য লোক দেখানো সমালোচনা করছে ত্রিপুরা রাজ্যে। রবিবার সদর গ্রামীণ জেলা কমিটির উদ্যোগে বাজেটকে কেন্দ্র করে এক ধন্যবাদ সভায় এই মন্তব্য করলেন মন্ত্রিস সুশান্ত চৌধুরী।
সম্প্রতি কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রী নির্মলা সীতারামন গোটা দেশের বাজেট পেশ করেছেন সংসদে। এই বাজেটকে কেন্দ্র করে ত্রিপুরা রাজ্যের পাশাপাশি উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়নে নতুন গতি আসছে। ফলে কেন্দ্রীয় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিজেপি সদর গ্রামীন জেলা কমিটির উদ্যোগে এক প্রকাশ্য সভা করা হয়েছে রবিবার। এদিনের সভাতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন কেন্দ্রীয় সরকার গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চলকে অষ্ট লক্ষী আখ্যায়িত করে তার জন্য অর্থ বরাদ্দ করেছে। আগামী দিনে এই বাজেটের ফলে গোটা উত্তর পূর্বাঞ্চলের পাশাপাশি ত্রিপুরা রাজ্যে কৃষি ক্ষেত্র, স্বাস্থ্য ক্ষেত্র, বাণিজ্য ক্ষেত্র সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দারুন উন্নয়নমূলক কাজ হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন। মন্ত্রী আরো বলেন গত অর্থবছরের যে বাজেট ছিল তার চাইতেও প্রায় ৩.৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বাজেট এই বছর হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রী বিরোধীদের কটাক্ষ করে বলেন যখন রাজ্যের কংগ্রেস এবং সিপিআইএম জনগণকে ধরে রাখতে পারছে না তখনই এই বাজেট নিয়ে মিথ্যা এবং কুৎসা প্রচারে তারা সরব হয়েছে। এক্ষেত্রে বিজেপি দলের কর্মী এবং নেতৃত্বদের সজাগ দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী। এদিনের সভাতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর গ্রামীণ জেলা কমিটির সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিক, প্রাক্তন সভাপতি অসিত রায়, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার পরিষদের সভাধিপতি বলাই গোস্বামী, প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণ ধনদাস, বামুটিয়া মন্ডল সভাপতি শিবেন্দ্র দাস সহ অন্যান্যরা।
হীরাপুরে ২৪ লক্ষ টাকা ব্যায় পাকা রাস্তা তৈরি হচ্ছে । ভূমি পূজন করলেন বিধায়ক
- প্রতিনিধি, উদয়পুর :- মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন রাস্তাঘাট ভগ্নাশয় পরিণত । ১৯৮৮ সালে জোট সরকার থেকে শুরু করে ২৫ বছরের বাম শাসন মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে শাসন করে গিয়েছে । তৎকালীন বাম কতটুকু উন্নয়ন করেছে ২০১৮ সালে মানুষ ভোট বাক্সে তাদের রায় দিয়ে বামেদের পরাজিত করে জোটের বিধায়ক নির্বাচিত করে মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে । পাঁচ বছরের তৎকালীন বিধায়ক বিপ্লব কুমার ঘোষ কাজ করার যতটুকু সুযোগ পেয়েছে ততটুকু পর্যন্ত উন্নয়ন করা সম্ভব হয়েছে। ২০২৩ সালে পুনরায় দ্বিতীয়বারের জন্য বিধানসভা নির্বাচনে বাম- কংগ্রেস জোটের প্রার্থীকে ভোটের রাজনীতিতে হারিয়ে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেয় আইপিএফটি -বিজেপি জোটের প্রার্থী অভিষেক দেবরায় । রাজনৈতিক ভাবে যখন বিভিন্ন গ্রামীন এলাকা গুলিতে প্রচার অভিযান শুরু হয়েছিল তখন বিভিন্ন জায়গায় গণদেবতাদের কথা দিয়েছিলেন জয়ী হবার পর এলাকার বিভিন্ন সমস্যা গুলি সমাধান করা হবে । সেই মতো এবার শুরু হয়েছে মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে অসমাপ্ত কাজগুলিকে সমাপ্ত করার জন্য জোর কদমে কাজ । মাতাবাড়ি হীরাপুর সাব সেন্টার থেকে হীরাপুর বড় দিঘির পাড় পর্যন্ত ভগ্ন দশা সম্পন্ন রাস্তাটিকে সংস্কার করে পাকা রাস্তায় রূপান্তরিত করার জন্য দীর্ঘদিনের একটি দাবি ছিল গ্রামবাসীদের। এই দাবীকে মান্যতা দিয়ে প্রায় ২৪ লক্ষ টাকা ব্যয় পাকা রাস্তা ( ব্ল্যাক টপ ) তৈরি করা হবে । সংশ্লিষ্ট রাস্তাটির কাজ শুরু হওয়ার পূর্বে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় শুক্রবার দুপুরে ভূমি পূজন অনুষ্ঠানে সামিল হয়েছেন গ্রামের প্রধান ,উপপ্রধান থেকে শুরু করে গ্রামীন এলাকার জনপ্রতিনিধি ও ব্লকের আধিকারিকদের সাথে নিয়ে । গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণ হতে দেখে খুশি গ্রামবাসীরা ।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ১৭ জানুয়ারি:- সংবিধান গৌরব অভিযান উপলক্ষে শুক্রবার বিজেপি ধলাই জেলা কমিটির উদ্যোগে পদযাত্রা ও সভা অনুষ্ঠিত হয়। এদিন বিজেপি জেলা কার্যালয় থেকে একটি বিশাল মিছিল আমবাসা শহর এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা শেষে আমবাসা মধ্য বাজারে অনুষ্ঠিত হয় গৌরব দিবসের জেলা ভিত্তিক সভা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি ত্রিপুরা প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক তথা বিধায়ক ভগবান দাস, ধলাই জেলা সভাপতি পতিরাম ত্রিপুরা, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব, জেলার সহ-সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকগন, জেলার ছয়টি মন্ডলের মন্ডল সভাপতিগন, মন্ডলের অফিস বেয়ারার, মন্ডল মোর্চা সভাপতিগন, এবং শক্তি কেন্দ্রের কনভেনার’গন। সভায় গৌরব দিবসের তাৎপর্য নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেন প্রদেশ কমিটির সাধারণ সম্পাদক ভগবান চন্দ্র দাস। তিনি সংবিধান প্রণেতা ভীমরাও আম্বেদকর সম্পর্কে আলোচনা সহ দেশকে শ্রদ্ধার্ঘ্য প্রদান এবং দেশপ্রণেতা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির নানা বিষয় নিয়েও বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেন। এদিনের সংবিধান গৌরব অভিযানকে ঘিরে দলীয় কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়ে।
শান্তিরবাজার প্রতিনিধি :তিপ্রা ল্যান্ডের দাবিকে আরো জোরদার করতে আইপিএফটি জোলাই বাড়ি ডিভিশনাল কমিটির উদ্যোগে কোয়াই ফাং বাজারে প্রচার মিছিল এবং যোগদান সভা সংগঠিত করেন । এই প্রচার মিছিল কোয়াই ফাং আইপিএফটি কার্যালয় সামনে থেকে শুরু হয়ে বাজারের বিভিন্ন জনপদ পরিক্রমণ করে অবশেষে কোয়াই ফাং বাজারে এক যোগদান সভায় মিলিত হয়। এই যোগদান সভায় বীরেন্দ্রনগর এডিসি ভিলেজ থেকে সি .পি.এম, কংগ্রেস এবং তিপ্রা মথা্ দল ত্যাগ করে জোলাই বাড়ি আইপিএফটি ডিভিশনাল কমিটিতে ৪৯ পরিবারের ১৩৮ ভোটার যোগ দেন।আইপিএফটির আজকের এই প্রচার মিছিল এবং যোগদান সভার উপস্থিত ছিলেন আইপিএফটি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি রাজেন্দ্র রিয়াং, আইপিএফটি সেন্ট্রাল কমিটির এ.জি.এস জিতিরাম ত্রিপুরা, আইপিএফটি সেন্ট্রাল কমিটির মেম্বার হরিনাথ ত্রিপুর, আইপিএফটি জোলাই বাড়ি ডিভিশনাল কমিটির সভাপতি রাধা মোহন ত্রিপুরা , আইপিএফটি জোলাই বাড়ি ডিভিশন কমিটির সেক্রেটারি শম্ভু রাম ত্রিপুরা সহ অন্যান্যরা । বক্তারা আলোচনা করতে গিয়ে বলেন চক্রান্ত করে বিভ্রান্ত করে আর আইপিএফটিকে রোখা যাবেনা। বিভ্রান্ত হয়ে যারা আইপিপি ছেড়ে চলে গেছেন তারা আজ ফিরছেন আবার নিজের দলে। আস্থা রয়েছে সকলের আইপিএফটি দলের উপরে। বক্তারা আরো বলেন আলোচনা করতে গিয়ে মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া জনজাতিদের আরো বেশি মান উন্নয়নে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।
প্রতিনিধি শান্তিরবাজার :শ্রমিকদের স্বার্থে প্রতিনিয়ত কাজকরেযাচ্ছে ভারতীয় জনতা মজদুর সংঘ। এরইমধ্যে দক্ষিন জেলায় নবনিযুক্ত বিজেপির মন্ডল সভাপতিদের সংবর্ধনা প্রদানে কলসীরমুখ এলাকায় ভারতীয় জনতা মজদুর সংঘের উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠীত করাহয় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। আজকের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিতছিলেন ৩৮ জোলাইবাড়ী বিজেপির মন্ডল সভাপতি সুজিত দত্ত, ৩৬ শান্তির বাজার বিজেপির মন্ডল সভাপতি দেবাশিষ ভৌমিক,রাবার বোর্ড অফ ডিরেক্টর এবং মেম্বার সুনীল নমঃ, বিকাশ সেন, ভারতীয় জনতা মজদুর সংঘ প্রদেশ সভাপতি বাপন দত্ত, ত্রিপুরা রাবার মজদুর সংঘ প্রদেশ সভাপতি মুকুল নন্দী,রাজ্য প্রদেশ জনজাতি মোর্চার আই টি ইনচার্জ রবীন্দ্র রিয়াং সহ অন্যান্যরা। আজকের অনুষ্ঠানে বক্তব্যরাখতেগিয়ে বক্তারা রাবার শ্রমিকের বেতন বৃদ্ধীকরার জন্য রাজ্যসরকারকে ধন্যবাদ জানান। তারপাশি আগামীদিনে নবনিযুক্ত মন্ডলসভাপতিদের সঙ্গেথেকে শ্রমিকদের স্বার্থে প্রতিনিয়ত কাজকরেযেতেপারবেন বলে আশাব্যক্তকরেন। বক্তব্যের মাধ্যমে বক্তারা জানান রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে ও লোকজনের স্বার্থে রাজ্যসরকারের পাশে থাকবেবলে জানান। অনুষ্ঠানে বক্তাদের বক্তব্যশেষে আমন্ত্রীত অতিথি ও নবনিযুক্ত মন্ডল সভাপতিদের সংবর্ধনা প্রদানকরাহয়। আজকের আয়োজিত কর্মসূচী সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের সামনে জানালেন ভারতীয় জনতা মজদুর সংঘের প্রদেশ সভাপতি বাপন দত্ত।
নিজস্ব প্রতিনিধি।। উদয়পুর, ১১ জানুয়ারি-
কর্মসংস্থানের দাবিতে, আইনের শাসন ফিরিয়ে আনতে এবং নেশার বিরুদ্ধে যুব পদযাত্রা ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করলো গোটা বাগমা এলাকায়। যুবদের হার না মানা লড়াই। ছয় কিলোমিটার পথ জুড়ে পদযাত্রায় অসংখ্য সাধারন মানুষের তরফে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা। তিন ইস্যুতে ডিওয়াইএফআই রাজপথে থেকেই আগামীর লড়াইকে তীব্র ও চেতনাদৃপ্ত করার দৃপ্ত ঘোষনা। স্বৈরাচারী, যুব বিরোধী, জনগণের বিরোধী নীতি গ্রহণকারী বিজেপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ে সামিল হওয়ার আহ্বান জানালো ডিওয়াইএফআই।শনিবার বাগমা থেকে খুপিলং পর্যন্ত বিস্তির্ন এলাকার জনগণ দেখলো যুবকদের দৃপ্ত পদচারনা। ভয়, ভীতি, হুমকিকে মাড়িয়ে দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগিয়ে গেছে পদযাত্রা। সাদা, লাল পতাকা হাতে যুবকরা ঘোষনা করলো রাজপথে লড়াই করেই হকের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়ার। পদযাত্রা যত এগিয়ে গেছে, বেড়েছে মিছিলের লাইন। রাস্তায় রাস্তায় উদ্বীপ্ত যুব পদযাত্রা দেখে অনেকেই এতে অংশ নিয়েছেন। বাগমা ব্যাঙ্ক চৌমুহনী থেকে শুরু হওয়া পদযাত্রা বাগমা বাজার, বারভাইয়া, নলঢেপা হয়ে খুপিলং বাজারে গিয়ে শেষ হয়। দীর্ঘ ছয় কিলোমিটারের পদযাত্রায় কখনো মূল সড়ক, কখনো সব্জি ক্ষেতের আল বেয়ে ঘন জনবসতিপূর্ন এলাকা ধরে এগিয়ে গেছে। আর পদযাত্রাকে দেখতে ও উষ্ণ অভিবাদন জানাতে রাস্তায় রাস্তায় সাধারন মহিলা-পুরুষদের উপস্থিতি ছিল নজরকাড়া।
ডিওয়াইএফআই বাগমা অঞ্চল কমিটির উদ্যোগে এদিনের পদযাত্রা যখন খুপিলং বাজারে গিয়ে পৌঁছে তখন হাট বাজারে সাধারন মানুষের থিক থিক ভিড়। এই পদযাত্রা সমাপ্তি হয় খুপিলং বাজারে সভার মধ্য দিয়ে। এখানে যুবনেতা বিক্রম ঘোষের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সম্পাদক নবারুন দেব, উদয়পুর বিভাগীয় সম্পাদক শুভ চক্রবর্ত্তী। দীর্ঘ পদযাত্রায় এই নেতৃত্বরা ছাড়াও অংশ নিয়েছেন প্রাক্তন যুবনেতা দিলীপ দত্ত, নিখিল দাস, প্রদীপ সাহা, আশিষ ঘোষ, যুবনেতা ফারুক আহমেদ, পূর্নিমা সরকার, মির হোসেন চৌধুরী, নকুল মজুমদার, সোমরাজ চৌধুরী বাদল মালাকার, প্রীতম শীল, সুরজিৎ মজুমদার প্রমুখরা।
এখানে আলোচনা করতে গিয়ে নবারুন দেব বলেন, জরুরী যুবজীবন ও জনগণের তিন দফা দাবিতে রাজ্যের ধর্মনগর থেকে সাব্রুমের রাজপথ থেকে গলিপথের লড়াইয়ে সামিল যুবক-সহ সাধারন মানুষ। রাজ্যের জনগণ গত সাত বছরের অভিজ্ঞতায় বুঝতে পারছেন প্রতারক ও লুটেরা সরকার চলছে রাজ্যে। বিজেপি ত্রিপুরাকে ধ্বসের কিনারায় নিয়ে দাঁড় করিয়েছে। যুবকের কাজ নেই, সরকারী দপ্তরে হাজার হাজার শূন্যপদ কিন্তু নিয়োগ নেই। পুলিশ থেকে চিকিৎসক, সাধারন জনগণ থেকে শিক্ষক কারোর জীবনের নিরাপত্তা নেই স্বৈরাচারদের শাসনে। ছাত্রী, যুবতী থেকে নারী সুরক্ষিত নেই কেউ। গোটা রাজ্যকে বানানো হয়েছে নেশার ডিপো। রাজ্য প্রশাসনকে না জানিয়ে ইডি এখন রেড মারছে, যাদের বাড়িতে করা হচ্ছে শাসকের তল্পিবাহক মাতব্বর তারা। এরকম রাজ্য হোক ত্রিপুরা- এটাই কি চেয়েছিলেন?
তিনি বলেন, ডিওয়াইএফআই-টিওয়াইএফ যে দাবি নিয়ে রাজপথে এতে যারা বিজেপি করেন তাদের ঘরের সন্তানদের কর্মসংস্থানের কথাও রয়েছে। বিরোধী যারা করছে তাদের বাড়ি ভাঙ্গা, দৈহিক আক্রমন, দোকান ভাঙ্গার কাজ করছেন তাদের ঘরে কি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে? হয় নি। আপনাদের ব্যবহার করে লুট বানিজ্য চালাচ্ছে মুষ্টিমেয় বিজেপি নেতারা। রেগায় কাজ নেই, সরকারী চাকরি নেই, জীবনের নিরাপত্তা নেই, পুলিশকে খুন করা ঘাতকদের গ্রেপ্তার নেই, ধর্ষনকারীর বিচার নেই- চূড়ান্ত অরাজকতা রাজ্য জুড়ে। এভাবে চলতে দেবেন কি? বিজেপির শাসনে আপনার সন্তান নেশাগ্রস্থ হচ্ছে, এলাকা এলাকা নেশার ডিপো তৈরী হচ্ছে- চুপ করে বসে থাকবেন? লড়াই নামুন। রাজপথ দখল করুন। যুবদের লড়াইকে সাহস জোগান। স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরীর ক্ষেত্রে ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান রাখেন নবারুন দেব।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-পাবিয়াছড়া বিধানসভার বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাসের উদ্যোগে কুমারঘাটে শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী পৌষ মেলা।১১ই জানুয়ারি সন্ধ্যায় এই পৌষ মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পশ্চিম ত্রিপুরা লোকসভা আসনের সাংসদ তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাধিপতি অমলেন্দু দাস, জেলাশাসক ও সমাহর্তা দিলীপ কুমার চাকমা, কুমারঘাটের মহাকুমা শাসক এন এস চাকমা এবং সমাজকর্মী পবিত্র দেবনাথ। বাঙালি পরম্পরার চিরন্তন ঐতিহ্য পৌষ মেলার এই আনন্দধারার সন্ধ্যায় অসংখ্য শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং হাজারো মানুষের উজ্জ্বল উপস্থিতি এই পৌষ মেলা কে সুন্দর থেকে সুন্দরতর করেছে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়েছে।স্বাগত বক্তব্য রাখেন এই মেলার প্রধান হোতা বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস। মূলত মনু এবং দেওনদীর মিলনস্থলকে কেন্দ্র করে নদী বিধৌত অঞ্চল পি ডব্লিউ ডি ময়দানে তিন দিনব্যাপী পৌষ মেলা শুরু হয়েছে।যেখানে প্রায় ৪৫টিরও বেশি স্ব-সহায়ক দলের স্টল এবং সরকারি স্টল রয়েছে। যেখানে স্ব-সহায়ক দলের দিদিদের উৎপাদিত পন্য সামগ্রী এবং পিঠে পুলি সহ সুস্বাদু খাবারের বিভিন্ন স্টল এই মাঠে রয়েছে।স্বাগত বক্তব্যে বিধায়ক শ্রী দাস বলেন,তিন দিনব্যাপী এই পৌষ মেলার আয়োজনে প্রতি সন্ধ্যায় থাকবে স্থানীয় এবং রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের শিল্পীদের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।গ্রাম বাংলার চিরায়ত এই ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রাখতে এবং প্রবাহমান ধারায় এই পিঠে পুলি উৎসবের পরম্পরাগত আয়োজন সবাইকে উপহার দেওয়া হচ্ছে।এই সময়ে মানুষের জীবন ব্যস্ততায় পিঠে পুলি উৎসবের যে উৎকর্ষতা ছিল সেটা অনেকটাই ম্রিয়মাণ হয়ে যাচ্ছে।তার দিকে লক্ষ্য রেখেই এই চিরন্তন ঐতিহ্যকে স্বার্থক এবং সাফল্যমন্ডিত করার লক্ষ্যে তিন দিনব্যাপী পৌষ মেলার আয়োজন। বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যসভার সাংসদ তথা অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি রাজিব ভট্টাচার্য বলেন, ২০১৮ সালে বাম সরকারের পতন ঘটিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর মানুষের মধ্যে আধ্যাত্মিক ভাবনা এবং নাস্তিকতা থেকে বেরিয়ে আস্তিক মানসিকতায় সমৃদ্ধ হচ্ছেন।তিনি তার বক্তব্য উল্লেখ করেন অন্নদাতা কৃষকরাই হচ্ছেন এই সমাজ গঠনের মূল কারিগর।যারা কৃষি কাজের মধ্য দিয়ে আমাদের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছেন।কৃষকদের উৎপাদিত সোনালী ধান যখন ঘরে আসে তখনই নবান্নের সুর বেজে ওঠে এবং মকর সংক্রান্তির পরব শুরু হয়। এই কৃষকদের সহযোগিতার জন্যই ত্রিপুরা সরকার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যেখানে সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় করার মধ্য দিয়ে কৃষকদেরকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করার চেষ্টা রেখে কাজ করে চলেছে সরকার। বক্তব্য রাখতে গিয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধক সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব বলেন, প্রতিটা দেশের মতো ভারতবর্ষেরও একটি পরিচয় রয়েছে।সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য এবং পরম্পরাগত ঐতিহ্যের সমন্বয়ে এই দেশ বিশ্বের বুকে অদ্বিতীয় হয়ে আছে।তিনি বলেন ২০১৮ সালের সরকার পরিবর্তনের পর থেকে এই রাজ্যের সত্যিকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে।সরকার পরিবর্তনের পর যোগাযোগের মানচিত্রে রাস্তার প্রভুতা উন্নয়ন পর্যটকদের আকর্ষিত করেছে।এখন দু থেকে আড়াই ঘণ্টা সময়ের মধ্যেই কৈলাসহর কিংবা কুমারঘাট থেকে আগরতলা পৌঁছা যায় যা শুধুমাত্র বিজেপি সরকারের হাত ধরেই এই উন্নয়নের অগ্রগতি হয়েছে। তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে কমিউনিস্ট দলকে খোঁচা দিয়ে বলেন একটা সময় মানুষের সন্তান হওয়ার পর তার নাম রাখা হতো পার্টি অফিসে।অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন যে সমস্ত কিছুই রাজনীতির নিয়ন্ত্রণে রাখত সিপিএম দল।আজ মানুষ তার মৌলিক অধিকার ফিরে পেয়েছে এবং সহজ-সরল জীবন যাপন করতে পারছে এই সরকারের সময়ে। কর্মসংস্থানের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন করোনার সময় বাদ দিলে এখন অব্দি মানুষের গড় আয় প্রায় দেড় লক্ষ টাকা বেড়েছে,যা পশ্চিমবঙ্গ থেকেও ত্রিপুরার মানুষের আয় বৃদ্ধি পেয়েছে। যশস্বী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড মানিক সাহার নেতৃত্বে সরকার সবকা সাথ সবকা বিকাশের ভাবনায় কাজ করে চলেছে।মানুষের আর্থিক সমৃদ্ধি এবং পরিকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ক্রমোন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে কাজ করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর দুটো স্টল ফিতে কাটার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক পৌষ মেলার সূচনা করেন এবং অতিথিরা মেলার স্টল গুলো পরিদর্শন করেন।