প্রতিনিধি, বিশালগড়, ৫ জানুয়ারি।। বিশালগড় আনন্দমার্গ স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। রবিবার বিশালগড় কড়ুইমুরা স্কুল মাঠে আয়োজিত ক্রীড়ানুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন সিপাহীজলা জেলা পুলিশ সুপার বি জে রেড্ডি। তাছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটির চেয়ারম্যান ননীগোপাল দেবনাথ, বিশালগড় প্রেসক্লাবের সভাপতি ভবতোষ ঘোষ, সম্পাদক তাজুল ইসলাম, সাংবাদিক গৌতম ঘোষ, প্রসেনজিৎ রায়, রিটায়ার্ড অফিসার সাধন দেবনাথ, বিদ্যালয়ের পরিচালন কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান শিব সজল ভৌমিক,বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল প্রাণ গোপাল গোস্বামী সহ অন্যান্যরা। অতিথিরা শ্রী শ্রী আনন্দমূর্তি জির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে এদিনের অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন। স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা সংগীত নৃত্য পরিবেশন করেন। বিদ্যালয়ের নার্সারি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত প্রত্যেকটি ক্লাসের বিভিন্ন ইভেন্টের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয় একে একে । এইদিনের প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার তুলে দেন উপস্থিত অতিথিরা এবং বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকারা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা পুলিশ সুপার বি জে রেড্ডি বলেন পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রীড়া ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত আবশ্যক। কারণ খেলাধুলার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের দৈহিক এবং মানসিক বিকাশ ঘটে থাকে যা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে পড়াশোনার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করে ।
খেলাধুলা
উদয়পুরে উদ্বোধন হলো জেলা কোর্স কমপ্লেক্সে ২২ তম উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় দাবা প্রতিযোগিতা
উদয়পুর প্রতিনিধি : ১৭ ডিসেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় উদয়পুরে উদ্বোধন হলো জেলা কোর্স কমপ্লেক্সে ২২ তম উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় দাবা প্রতিযোগিতা। পতাকা উত্তোলন এবং প্রদীপ প্রজ্জলন করে তার শুভ উদ্বোধন করেন রাজ্য সরকারের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। এছাড়া ছিলেন , জিলা সভাধিপতি দেবল দেবরায়, পৌর চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার সহ প্রমুখ। কিন্তু এদিন উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় দাবা প্রতিযোগিতায় যেভাবে শুরু হয়েছে তা ছিল একেবারে সাদামাটা । কোন ধরনের প্রচার অভিযান করা হয়নি গোমতী জেলা জুড়ে। এই জেলার ৭টি বিধানসভা কেন্দ্রে কত হাজার মানুষ এই খেলা সম্পর্কে জানতে পেরেছেন তা বলা খুবই মুশকিল। ভগিনী নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ের ময়দানে দাবা প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খেলোয়াড়দের অভিভাবক ও শাসক দলের কিছু চুনোপুটি নেতা ছাড়া কোথাও ক্রীড়া প্রেমী সাধারণ মানুষের ভিড় দেখা যায়নি। শহরের কোথাও বড় ধরনের প্রচার অভিযান চোখে পড়েনি? এই খেলা কে কেন্দ্র করে । রাজ্য সরকার নিজেদের মতো করে প্রচেষ্টা করছে কিভাবে প্রচার অভিযান করা যায় পাহাড়ি রাজ্যে । কিন্তু সমতলেই দেখা যাচ্ছে খেলার জগতে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়ার একটা চেষ্টা চলছে যেটা উদয়পুরে সব থেকে বেশি দেখতে পাওয়া গিয়েছে এদিন সকালে । এদিন সাংবাদিকদের জন্য কোন ধরনের বসার জায়গা পর্যন্ত ছিল না গার্লস স্কুল ময়দানে। কিন্তু দেখতে পাওয়া গিয়েছে শাসকদলের কিছু চুনোপুটি নেতা উদয়পুরের সাংবাদিকদের বসার জায়গায় রাজনীতির আলাপচারিতায় ব্যস্ত রয়েছিল। কিন্তু আসাম নাগাল্যান্ড, মিজোরাম , সিকিমসহ একাধিক রাজ্যের খেলোয়ারদের কোচ থেকে শুরু করে অভিভাবকদের বসার কোন ধরনের জায়গায় এইদিন ছিল না। এক ধরনের অব্যবস্থার মধ্য দিয়ে এই দিন উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে উদয়পুরের ভগিনী নিবেদিতা বালিকা বিদ্যালয়ের ময়দানে।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ১৪ ডিসেম্বর:-
আমবাসা বিদ্যালয় পরিদর্শকের উদ্যোগে শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয় আমবাসা মহকুমা ভিত্তিক কুকিং কম্পিটিশন। আমবাসা চন্দ্রাই পাড়া বিআরসি হলে আয়োজিত এই কম্পিটিশনে মহকুমার ৯’টি সিআরসি থেকে মোট ২৭’টি স্কুলের কুক কাম হেল্পার’রা অংশ গ্রহণ করে। এদিন মহকুমা ভিত্তিক এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন আমবাসা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন হেমালি দেববর্মা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধলাই জেলা শিক্ষা আধিকারিক যতন দেববর্মা, ডিসিএম সমীরণ রায়, বিআরসি কোঅর্ডিনেটর তথা চন্দ্রায় পাড়া দ্বাদশ স্কুলের প্রধান শিক্ষক মালসম থাঙত রুখুম প্রমুখরা। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ রাখেন আমবাসা বিদ্যালয় পরিদর্শক বিষ্ণু দত্ত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আলোচনা তুলে ধরেন জেলা শিক্ষা অধিকর্তা যতন দেববর্মা। তিনি রাঁধুনি মায়েদের উদ্দেশ্যে বলেন স্কুলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে থাকেন আমাদের মিড ডে মিলের কুক কাম হেল্পাররা । তারা প্রত্যেকটি শিশুর বিকাশে পুষ্টিকর খাবার তৈরি করেন। সরকার স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরি করার জন্য প্রত্যেকটি খাবারের নির্দিষ্ট পরিমাণ ধার্য করে দিয়েছে। সেই ধার্য করা খাবার পরিমাণ মতো শিশুরা পাচ্ছে কিনা রাঁধুনি মায়েদের সেদিকে নজর রাখার পরামর্শ দেন তিনি। পাশাপাশি রান্নার কাজে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার দিকেও গুরুত্ব দিতে কুকার’দের নির্দেশ দেন তিনি। অনুষ্ঠানে ডিসিএম সমীরণ রায় বলেন মিড ডে মিল খাবারে শিক্ষকদের যেমন দায়িত্ব রয়েছে ,তার চেয়ে অনেক বেশি দায়িত্ব নিতে হবে কুকারদের। শিশুরা স্বাস্থ্যকর খাবার যদি পরিমাণ মতো না পায় তবে তাদের বিকাশ ও বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটে, তাই সেদিকে নজর রাখতে হবে। অনুষ্ঠানের উদ্বোধক হেমালি দেববর্মা ওনার ভাষণে কুক কাম হেল্পারদের উদ্দেশ্যে বলেন তারা যেন শিশুদের খাদ্যের গুণমান নিয়ে ওয়াকিবহাল থাকেন। কোথাও কোন ঘাটতি থাকলে যেন দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক’কে অবগত করেন। পিএম পোষণ প্রকল্পের অধীনে আয়োজিত মহকুমা ভিত্তিক কুকিং কম্পিটিশনে প্রথম স্থান দখল করেছে গোপাল সর্দার পাড়া সিআরসি’র অন্তর্ভুক্ত বিবেকানন্দ নগর এসবি স্কুল, দ্বিতীয় সত্যারাম চৌধুরী পাড়া সিআরসি’র অন্তর্ভুক্ত ভৌরী চাররা এসবি স্কুল এবং তৃতীয় স্থান দখল করে গোপাল সরদার পাড়া সিআরসি’র অন্তর্ভুক্ত গোপাল সরদার পাড়া হাই স্কুল। বিজয়ী তিনটি স্কুল আগামীদিনে যথাক্রমে জেলা এবং রাজ্য স্তরে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করবে। এদিনের কুকিং কম্পিটিশন’কে ঘিরে কুক কাম হেল্পারদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়।
আন্তঃ হোস্টেল নক আউট ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন গন্ডাছড়া গার্লস এবং কবি গুরু বয়েস
প্রতিনিধি,গন্ডাছড়া ১৪ ডিসেম্বর:- ট্রাইবেল ওয়েলফেয়ার ডিপার্টমেন্টের উদ্যোগে আন্তঃহোস্টেল নক আউট ফুটবল টুর্নামেন্টে শনিবার দুইটি ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। এদিন গন্ডাছড়া দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের মাঠে প্রথম ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হয় গন্ডাছড়া এসটি গার্লস হোস্টেল বনাম আনন্দরোয়াজা এসটি গার্লস হোস্টেলের মধ্যে। এই ম্যাচে পেনাল্টি শটে ১-০ গোলে গন্ডাছড়া গার্লস হোস্টেল জয়লাভ করে। প্রথমার্ধের খেলায় কোন দলই গোল করতে পারে নি। দ্বিতীয়ার্ধেও গোল শূন্য অবস্থায় খেলা শেষ হয়। এরপর পেনাল্টি শটে ১-০ গোলে গন্ডাছড়া গার্লস হোস্টেল জয়লাভ করে। দিনের দ্বিতীয় ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ স্মৃতি বিদ্যা ভবন এসটি বয়েস হোস্টেল বনাম গন্ডাছড়া এসটি বয়েস হোস্টেলের মধ্যে। এই ম্যাচে ২-০ গোলে কবি গুরু জয়লাভ করে। প্রথমার্ধে কোন দলই গোল করতে পারে নি। দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় কবিগুরু পর পর দুটি গোল করে ২-০ গোলের ব্যবধানে জয়লাভ করে। ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ডিসিএম দিলিপ দেববর্মা, গন্ডাছড়া দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের শিক্ষক লবাজয় রিয়াং সহ বিভিন্ন হোস্টেলের সুপার’রা। দুটি চ্যাম্পিয়ন দলের হাতে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি তুলে দেন ট্রাইভেল ওয়েলফেয়ার অফিসার তথা ডিসিএম দিলীপ দেববর্মা। দুটি ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করতে এদিন মাঠে প্রচুর দর্শক সমাগম ঘটে। উল্লেখ্য গত ১০ ডিসেম্বর থেকে ৮ টি দলকে নিয়ে নক আউট ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ সূচনা হয়েছিল। আজকের ফাইনাল ম্যাচের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি ঘটে।
প্রতিনিধি, বিশালগড় , ১৩ ডিসেম্বর।। সিপাহীজলা জেলা পুলিশ এবং জেলার সাংবাদিকদের মধ্যে প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। শুক্রবার বিকালে সিপাহীজলা জু মাঠে আয়োজিত ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৮ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ৬৪ রান করে সাংবাদিক একাদশ। সাংবাদিক পক্ষে জেলা শাসক ড: সিদ্ধার্থ শিব জয়সওয়াল ২৩ রান করে। মান্নান হক ৭ রান করে। পুলিশ দলের আরপি সিং এবং ময়নাল ৩ টি করে উইকেট পায়। জবাবে খেলতে নেমে ৬.১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পুলিশ একাদশ। বিজয়ী দলের আরপি সিং ৪০ জেলা পুলিশ সুপার বি জে রেড্ডি ৭ রানে অপরাজিত থাকে। ম্যান অব দি ম্যাচ আর পি সিং এর হাতে পুরস্কার তুলে দেন বিশালগড় প্রেস ক্লাবের সভাপতি ভবতোষ ঘোষ। রানার্স দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন এসপি বি জে রেড্ডি, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার রাজীব সুত্রধর সহ জেলার পুলিশ আধিকারিকরা। বিজয়ী দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন বিশালগড় প্রেস ক্লাবের সম্পাদক তাজুল ইসলাম, সহসভাপতি সমীর ভৌমিক, সহসম্পাদক খোকন ঘোষ প্রমুখ।
২৭ নভেম্বর।। সিপাহীজলা প্লে সেন্টার আয়োজিত নরেশ চন্দ্র দাস স্মৃতি অনুর্দ্ধ ১৩ ক্রিকেট টুর্নামেন্টে প্রথম শতরান করেন উদয়পুরের শ্রীমান দেবনাথ। বুধবার বিশালগড় রাইজিং স্টারকে হারিয়ে ফাইনালে চলে গেলো উদয়পুর কেবিআই। সেমিফাইনালে টসে জয়লাভ করে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৩৫ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৮১ রান করে উদয়পুর । দলের পক্ষে শ্রীমান দেবনাথ ১১৭ রান করে। বীপ্রজিৎ দাস ২৮ রান করে। রাইজিং স্টারের ঈশান দাস ২ টি উইকেট পায়।
জবাবে খেলতে নেমে রাইজিং স্টারের ছেলেরা ৩০ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১২১ রান করতে সক্ষম হয়। দলের পক্ষে সমরজিৎ ৩৬ রান করে। রাইজিং এর সুরজিৎ এবং রিয়ান দু’টি করে উইকেট পায়। ম্যান অব দি ম্যাচ হয় উদয়পুরের শ্রীমান দেবনাথ ।
প্রতিনিধি, বিশালগড় , ২৪ নভেম্বর।। মধুপুর স্কুল মাঠে আয়োজিত কসবেশ্বরী নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলেন জম্পুইজলা প্লে সেন্টার। এক ঝাঁক বিদেশি খেলোয়াড় মাঠে নামিয়েও রানার্স ট্রফিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয় বক্সনগর এর ব্রাদার্স ইউনাইটেডকে । রবিবার বিকালে মধুপুর স্কুল মাঠে আয়োজিত টানটান উত্তেজনা পূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে প্রথমার্ধে গোলশূন্য ছিল। দ্বিতীয়ার্ধে উভয় দল একটি করে গোল করে। লড়াই হয়েছে একেবারে হাড্ডাহাড্ডি। জম্পুইজলার স্থানীয় খেলোয়াড়েরা দারুণ খেলে। বক্সনগরের খেলোয়াড়েরা প্রতিপক্ষের পায়ে আঘাত করতে বেশি ব্যস্ত ছিল। খেলায় জম্পুইজলার বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় আঘাত পেয়েছেন। শেষ পর্যন্ত খেলা গড়ায় টাই ব্রেকারে। টাই ব্রেকারে এক গোলে জয়লাভ করে জম্পুইজলা প্লে সেন্টার। ফাইনাল ম্যাচে উপস্থিত ছিলেন ক্রীড়া মন্ত্রী টিংকু রায়, বিধায়ক অন্তরা সরকার দেব, মীনা সরকার, তফাজ্জল হোসেন, জেলা পরিষদের সদস্য গৌরাঙ্গ ভৌমিক, মহকুমা শাসক দেবযানী চৌধুরী প্রমুখ। অতিথিরা চ্যাম্পিয়ন এবং রানার্স দলের হাতে সুবিশাল ট্রফি এবং মোটরসাইকেলের চাবি তুলে দেন। ক্রীড়া মন্ত্রী টিংকু রায় ভাষণে যুব সমাজকে খেলার মাঠে সময় দেওয়ার আহবান জানান। একমাত্র খেলাধুলা শরীর এবং মন সুস্থ রাখতে পারে। তিনি বলেন সরকার খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে নতুন মাঠ সহ খেলার পরিকাঠামো উন্নয়ন করছে। বিনামূল্যে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ হচ্ছে। উল্লেখ্য এ বছর প্রথমবারের মতো কসবেশ্বরী ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন করে স্থানীয় বিধায়ক অন্তরা সরকার দেব। মোট ১২ টি দল অংশ নিয়েছিলেন। রবিবার ফাইনাল ম্যাচ উপভোগ করতে মাঠে ভিড় জমান কয়েক হাজার ফুটবল প্রেমী। প্রতি বছর এই টুর্নামেন্ট হবে বলে জানান বিধায়ক অন্তরা সরকার দেব।
প্রতিনিধি মোহনপুর:- মোহনপুর বিধানসভা এলাকা থেকে মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে সুনাম অর্জনকারী তানিয়া দেবকে তার বাড়িতে গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মোহনপুরে বিধায়ক তথা মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তানিয়া ত্রিপুরা অনূর্ধ্ব ১৯ মহিলা ক্রিকেট দলের বোলার হিসেবে দক্ষতা দেখিয়েছে মাঠে। তার এই সাফল্যের জন্য মন্ত্রী ছুটে গিয়েছেন তার বাড়িতে।
মোহনপুর বিধানসভা এলাকার ইন্দ্রমোহন দেবের মেয়ে তানিয়া দেব। সে দীর্ঘদিন যাবত ক্রিকেট খেলার সাথে জড়িত। বর্তমানে অনূর্ধ্ব ১৯ ত্রিপুরা মহিলা ক্রিকেট দলের হয়ে খেলার মাঠে অত্যন্ত দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। দলের হয়ে বলার হিসেবে সুনাম অর্জন করেছে তানিয়া। রবিবার মোহনপুরে তার বাড়িতে গেলেন মোহনপুরে বিধায়ক তথা মন্ত্রী রতন লাল নাথ। উনার সাথে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর পুর পরিষদের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে অন্যান্যরা। এদিন তানিয়ার সাথে কথা বলেছেন মন্ত্রী। পাশাপাশি তার বাবা এবং মাকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তানিয়ার হাতে তার এই সাফল্যের জন্য ফুলের তোড়া এবং ব্যাট তুলে দিয়ে আগামী দিনে আরো এগিয়ে যাওয়ার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :- রান ফর ইউনিটি স্লোগানকে সামনে রেখে ভারত জুড়ে এখন চলছে রাষ্ট্রীয় একতা কর্মসূচি। ত্রিপুরা রাজ্যেও যথাযোগ্য মর্যাদায় এই কর্মসূচি উদযাপন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে শনিবার গোমতী জেলা পুলিশের উদ্যোগে উদয়পুর অনুষ্ঠিত হলো ম্যারাথন র্যালি।ম্যারাথন র্যালিটি উদয়পুর শহরের বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে পুনরায় কে বি আই ময়দানে শেষ হয়েছে। এতে মোট ২০০ জন পুলিশ, টিএসআর ও বিএসএফ সদস্য অংশ নেন। প্রসঙ্গত, ৩১ অক্টোবর রাষ্ট্রীয় একতা, সংহতি ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় নিবেদিত প্রাণ লৌহ মানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকী। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে গোমতী জেলা পুলিশের উদ্যোগে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় একতা দিবস উদয়পুর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই ম্যারাথন রেলিতে উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলার পুলিশ সুপার নমিত পাঠক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সৌভিক দে মহকুমা পুলিশ আধিকারিক অজয় দেববর্মা সহ আরো পুলিশ আধিকারিকগন
এদিন গোমতী জেলার পুলিশ সুপার নমিত পাঠক বলেন, ভারতবর্ষের জন্য সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল অসাধারন কাজ করেছিলেন। জাতীয় অখণ্ডতা, জাতীয় ঐক্যের অঙ্গীকার এবং সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের অবদান সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে গোমতী জেলা পুলিশ উদ্যোগে একটি ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে। এদিন তিনি আরো বলেন, সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল ছিলেন অখণ্ড ও অবিচ্ছিন্ন ভারতের মূল কান্ডারী।
প্রতিনিধি, বিশালগড়, ২৬ অক্টোবর।। বিধায়ক সুশান্ত দেব ফ্যান ক্লাবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় প্রীতি ফুটবল ম্যাচ। শনিবার বিকালে কড়ুইমুড়া মাঠে আয়োজিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে বক্সনগর একাদশ খেলে কড়ুইমুড়া একাদশের সঙ্গে। ম্যাচের উদ্বোধন করেন বিধায়ক সুশান্ত দেব। হেমন্তের বিকালে ফুটবল ম্যাচ উপভোগ করতে হাজারো দর্শক সমাগম ঘটে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় দু’পক্ষের। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচের ফয়সালা না হওয়ায় ম্যাচ গিয়ে গড়ায় টাই ব্রেকারে। এতে ৩-২ গোলে জয়লাভ করে কড়ুইমুড়ার ছেলেরা। শেষে বিজয়ী এবং রানার্স দলের হাতে ট্রফি এবং প্রাইজমানি তুলে দেন বিধায়ক সুশান্ত দেব। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য শংকর সাহা, বিজেপি নেতা দীপক শীল, বাপি সাহা প্রমুখ। বিধায়ক সুশান্ত দেব বলেন যুব সমাজকে নেশার করালগ্রাস থেকে রক্ষা করতে খেলাধুলা শরীর চর্চা ইত্যাদি কার্যক্রম আরও বেশি করতে হবে। প্রীতি ম্যাচ আয়োজন করার জন্য তিনি আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। এছাড়া পরবর্তী সময়ে ফুটবল টুর্নাম্যান্টের আয়োজন করলে সবধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।