প্রতিনিধি কৈলাসহর:- সংবিধানের ৭৫ বর্ষ পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে চণ্ডীপুর মণ্ডলে সংবিধান গৌরব অভিযানের প্রথম দিনের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন মণ্ডল সভাপতি পিন্টু ঘোষ ও রাজ্য কমিটির সদস্য বিমল কর এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।কর্মশালায় ভারতীয় সংবিধানের ইতিহাস,তার মূল চেতনা এবং গণতন্ত্রের ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি সময়ে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।তবে এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানান আয়োজকরা।
রাজনীতি
নিজস্ব প্রতিনিধি।।উদয়পুর, ৫ জানুয়ারি-
যুব পদযাত্রা ও সভায় আন্দোলিত উদয়পুর মহকুমার মির্জা। হকের দাবিতে যুবকরা হুমকি, হুলিয়া, ভয় উপেক্ষা করে সামিল মিছিলে। আওয়াজ তুললো কাজের, কর্মসংস্থানের। শপথ নিলো রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধারের। নেশার বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষনা করে বিজেপি’র পরিকল্পিত ছকের বিরুদ্ধে সব অংশের জনগণকে সামিল হওয়ার আহ্বান জানালো যুবকরা।
ডিওয়াইএফআই-টিওয়াইএফ মির্জা ও পূর্ব মির্জা অঞ্চল কমিটির উদ্যোগে রবিবার মির্জাতে অনুষ্ঠিত হয় যুব পদযাত্রা ও মিছিল। সাদা, সবুজ পতাকা হাতে যুবকদের গর্জমান পদযাত্রা ব্যাপক সাড়া ফলে গোটা মির্জাতে। যুবদের পদযাত্রায় সামিল হয়েছেন অন্যান্য গণতান্ত্রিক অংশের জনগণও। সিপিআই(এম) মির্জা অফিসের সামনে থেকে পদযাত্রা শুরু হয়ে গোটা বাজার পরিক্রমা করে মির্জা আরপিএস, শনিতলা হয়ে মির্জা স্কুলের পাশ দিয়ে মোটর ষ্ট্যান্ড ঘুরে পুনরায় বাজার হয়ে পার্টি অফিসের সামনে এসে মিলিত হয় সভায়। শ্লোগান সোচ্চার পদযাত্রা যে পথ দিয়ে গিয়েছে তাতে সাধারন মানুষ থেকে বাড়ি-ঘরের লোকজন ছুটে এসে প্রত্যক্ষ করেছে। আর বহুদিন পর যুবকদের উচ্ছ্বাসপূর্ন পদযাত্রা দেখে উদ্বেলিত হয়েছেন তারা।
গোটা রাজ্যেই এই সময়ে ডিওয়াইএফআই-টিওয়াইএফ কর্মসংস্থানের দাবিতে, রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পুনরুদ্ধার করতে এবং নেশার বিরুদ্ধে ৩ দফা দাবিতে কর্মসূচীর আহ্বান জানিয়েছিল। তারই অঙ্গ হিসাবে উদয়পুর মহকুমার নানান অঞ্চলে এই কর্মসূচী সংগঠিত হচ্ছে। রবিবার শীতের বিকেলে মির্জাতে যুব পদযাত্রা উত্তাপ ছড়ায়। পদযাত্রা শেষে সভায় যুব নেতৃত্বরা কর্মসংস্থান, আইনশৃঙ্খলা ও নেশা তিন ইস্যুতে তীর্যক ভাষায় শাসক বিজেপি’র বিরুদ্ধে আক্রমন শানায়। তাতে বিজেপি’র ব্যাপক গায়ে লাগে এবং যুবদের পদযাত্রা-সভার পর মির্জা বাজারে বিজেপি তীব্র উস্কানি ও কুরুচিপূর্ন শ্লোগান দিয়ে মিছিল সংগঠিত করে। আর এতে বাজারে থাকা সাধারন ব্যবসায়ীদের মধ্যে ভীতির সঞ্চার হয়।
এদিন পদযাত্রা শেষে সিপিআই(এম) মির্জা অঞ্চল অফিসের সামনে আয়োজিত পথসভায় যুবনেতা পার্থ লোধ ও অমল দেববর্মার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি পলাশ ভৌমিক, উদয়পুর বিভাগীয় সভাপতি ফারুক আহমেদ, টিওয়াইএফ উদয়পুর বিভাগীয় সম্পাদক রাজেন্দ্র জমাতিয়া। এই নেতৃত্বরা এছাড়াও পদযাত্রায় অংশ নিয়েছেন প্রাক্তন যুবনেতা নিখিল দাস, বিজয় চক্রবর্ত্তী, বিপ্লব দাস, গৌতম আইচ, ডিওয়াইএফআই বিভাগীয় সম্পাদক শুভ চক্রবর্ত্তী প্রমুখরা।
ডিওয়াইএফআই রাজ্য সভাপতি পলাশ ভৌমিক আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, বিজেপি দেশ, রাজ্যের জনগণের সাথে প্রতারনা করে চলছে। ত্রিপুরার জনগণ গত সাত বছরে বিজেপি’র কাছ থেকে কি পেয়েছেন? সন্ত্রাস, লুটতরাজ, আক্রমন ছাড়া আর কিছু জুটে নি। অথচ এরাই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বছরে পঞ্চাশ হাজার যুবকের চাকরি, ঘরে ঘরে রোজগারের ব্যবস্থা করবে। অভিজ্ঞতা হচ্ছে হাজার হাজার শূন্যপদ অবলুপ্ত করা হচ্ছে, চাকরির দরজা প্রতিদিন সঙ্কুচিত করা হচ্ছে। যুবকরা যাতে কাজের দাবিতে একত্রিত না হতে পারে তারজন্য পরিকল্পিত পন্থায় যুবকদের নেশায় ডুবিয়ে রাখা হচ্ছে, ধর্মীয় উন্মাদনায় বেঁধে রাখার চেষ্টা করছে। গোটা রাজ্যকে নেশার ডিপোতে পরিনত করছে এই বিজেপি সরকার। এর প্রতিবাদ না হলে যিনি বিজেপি করছেন তার ঘরের সন্তানদেরও কর্মসংস্থান হবে না, নেশায় বুঁদ হওয়ার রাস্তা প্রশ্বস্থ হবে। তাই সব অংশের জনগণকে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, বিজেপির শাসনে ত্রিপুরার আইনশৃঙ্খলা তলানিতে ঠেকেছে। বেওয়ারিশ লাশ প্রতিদিন পাওয়া যাচ্ছে, নারীর সম্ভ্রম নষ্ট হচ্ছে। শিক্ষক খুন হচ্ছে, কর্মক্ষেত্রে ডাক্তার থেকে কর্মচারী আক্রান্ত হচ্ছেন। পুলিশকে নেশা কারবারিরা পিষে মারছে। কথা বলার অধিকার কেড়ে নিচ্ছে। আতীতে কি এরকম ছিল ত্রিপুরা? ত্রিপুরাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে বিজেপি? ডিওয়াইএফআই-টিওয়াইএফ যে দাবিতে আন্দোলন করছে এটা শুধু তাদের দাবি না, সমাজের সব অংশের দাবি। তাই দলমত নির্বিশেষে বিজেপির স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে রাস্তায় নামুন। রাস্তায় নেমে হকের দাবি সোচ্চার হোন। সমাজকে সুস্থ রাখতে কথা বলুন। যারা প্রতিশ্রুতি দিয়ে রক্ষা করেনা তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান রাখেন পলাশ ভৌমিক।
- প্রতিনিধি, উদয়পুর :- রবিবার উদয়পুর রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে বিবেকানন্দ বিচার মঞ্চ অনুমোদিত রাষ্ট্রবাদী কর্মচারী সংঘ ও রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক সংঘের উদ্যোগে আয়োজিত মেগা রক্তদান উৎসব ও গোমতী জেলার এক দিবসীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শুভ সূচনা করেন বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য মজদুর মনিটরিং সেলে সভাপতি বিপ্লব কর, রাজ্য মজদুর মনিটরিং সেলের ও আশা ফেসিলেটর সম্পাদিকা সেবিকা চৌধুরী, বিবেকানন্দ বিচারমঞ্চের রাজ্য কমিটির সদস্য দীপেন ভৌমিক, রাজ্য মনিটারিং সেলের সদস্য বিপ্লব দাস সহ আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে ৫১ জন রক্তদাতা রক্তদান করেন। এক দিবসীয় কনভেশন অনুষ্ঠান শেষে বিধায়ক রাম পদ জমাতিয়া বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন , কর্মচারীদের বদলির কথা চিন্তা না করে কর্মক্ষেত্রে আরও অধিক মনোনিবেশ করার আহবান জানান এবং কাজের ফাঁকে নিজেদেরকে অর্থনৈতিকভাবে অধিকতর সমৃদ্ধ করার জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের দিকে মনোনিবেশ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
এছাড়াও বিবেকানন্দ বিচারমঞ্চের রাজ্য কমিটির সদস্য দীপেন ভৌমিক বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন আমাদের সমাজব্যবস্থায় দেখা যাচ্ছে সমাজের মানুষের মধ্যে একটা আত্মকেন্দ্রিকতার প্রবণতা যেন জেগে আছেন। এই আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব যাতে এটা থেকে আমরা দূরে থাকতে পারি আমরা যাতে সমাজের মানুষের সেবায় নিজেদেরকে নিয়োজিত করতে পারি আদর্শকে পাথেয় করে আমরা বিবেকানন্দ বিচার মঞ্চ ধরা পরিচালিত হয়ে রাষ্ট্রবাদী কর্মচারী সংঘ এবং রাষ্ট্রবাদী শিক্ষক সংঘের ছাত্র ছায়ায় সামিল হয়েছেন। পাশাপাশি বেশ কিছু দাবি সনদ নিয়ে বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া কাছে পেশ করেন। দাবি গুলি হল , সর্বশিক্ষার শিক্ষকদের ত্রিপুরা মাননীয় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায় অনুযায়ী নিয়মিত করতে হবে। সমস্ত দপ্তরের কর্মচারীদের সপ্তম বেতন কমিশনের ন্যায় সমস্ত এলাউন্স প্রদান করতে হবে ইত্যাদি। গোটা অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে অন্যান্য বিভাগের লোকেদের উপস্থিতি ছিল সারা জাগানো ।
অর্থমন্ত্রীর নামে ত্রিপুরায় খোলা হয়েছে ভুয়ো ফেসবুক অ্যাকাউন্ট । থানায় মামলা ।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :- রাজ্যের অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ সিংহ রায়ের নাম ও ছবি ব্যবহার করে কে বা কারা ফেসবুকে একটি অ্যাকাউন্ট চালু করেছে। এই বিষয়টি নজর আসার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর শুভানুধ্যায়ীদের পক্ষ থেকে একাউন্টটি বন্ধ করে দেওয়ার জন্য বার্তা দেওয়া হয় কিন্তু একাউন্টটি এখনো চলছে। আজ মন্ত্রীর নির্দেশে তাঁর আপ্ত সহায়ক আর কে পুর থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ জানান। অভিযোগ নং ২১/২৫। এর আগেও গত বছর প্রায় একই সময়ে ফেসবুকে এরকমই একটি অ্যাকাউন্ট চালু করা হয়েছিল যা নিয়েও থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছিল। ২০২২ সালে এপ্রিল এবং মে মাসে হোয়াটসঅ্যাপে দুটো অ্যাকাউন্ট চালু করা হয়েছিল যেগুলো নিয়েও আই টি এক্ট্যে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। মন্ত্রীর পক্ষ থেকে ফেসবুকে এবং অন্যান্য মাধ্যমে এই একাউন্টগুলিতে সাড়া না দিতে এবং অস্বাভাবিক কিছু নজরে এলে পাশ্ববর্তী থানায় অভিযোগ জানাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী কে নিয়ে এই ধরনের ফেসবুক একাউন্ট খোলা কে কেন্দ্র করে রীতিমতো চাঞ্চল্য উদয়পুরে ।
প্রতিনিধি , উদয়পুর :- রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকেই জনজাতি এলাকাগুলিকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। কেননা সিপিআইএম শাসনকালে রাজ্যের জনজাতিদের সাথে শুধু মাত্র ভোটের রাজনীতিই হতো এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে উনাদের সাথে প্রতারণা করতো সিপিএম নেতৃত্বরা। ঠিক একই রূপ ভাবে মাতাবাড়ি বিধানসভার অন্তর্গত মালসাধু এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ৭০ বৎসর ধরে পানীয় জল সংগ্রহের কোন সুবিধা নেই এবং তৎকালীন সরকার এই এলাকায় পানীয় জল সংগ্রহের জন্য কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেননি। যার দরুন এই এলাকার জনগণকে দূর-দূরান্ত থেকে ছড়া এবং ঝর্নার জল সংগ্রহ করে খেতে হতো। যার ফলে এই এলাকার জনগণকে প্রচন্ড অসুবিধার সম্মুখীন হতে হতো। আর এই অসুবিধার কথা চিন্তা করেই মালসাধু ইনোভেশন জল সরবরাহ প্রকল্প তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আজ মালসাধু ইনোভেশন জল সরবরাহ প্রকল্প এর ভূমি পূজন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায় । বিধায়ক বলেন, আগামী এক বছরের মধ্যে এই পানীয় জল সরবরাহ প্রকল্পটি তৈরি হয়ে যাবে। যার ফলে এই এলাকার জনগণকে আর পানীয় জল সংগ্রহ করতে দূর দূরান্তে যেতে হবে না। অতি অনাহাসে জল সংগ্রহ করে পান করতে পারবেন এলাকাবাসী। যার দরুন এলাকাবাসী রাজ্যে এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
মোহনপুর পুর পরিষদে নব নিযুক্ত সাফাই কর্মীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন মন্ত্রী
প্রতিনিধি মোহনপুর:- মোহনপুর পুর পরিশোধের উদ্যোগে ১৮ জন নতুন সফাই কর্মী নিয়োগ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মোহনপুরে বিধায়ক তথা মন্ত্রী রতনলাল নাথ আনুষ্ঠানিকভাবে নবনিযুক্ত এই সাফাই কর্মীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন।
মোহনপুর পুর পরিষদ এলাকাকে আরো সুন্দর এবং স্বচ্ছ রাখার লক্ষ্যে নতুন করে ১৮ জন সাফাই কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার মোহনপুর পুর পরিষদ প্রাঙ্গনে আনুষ্ঠানিকভাবে সাফাই কর্মীদের হাতে নিয়োগপত্র, সাফাই সামগ্রী এবং তাদের পোশাক তুলে দিয়েছেন মন্ত্রী রতন লাল নাথ। তিনি নব যুক্ত সাফাই কর্মীদের প্রতি আহ্বান রাখেন মোহনপুর পুর পরিষদ এলাকাকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রত্যেকে সঠিকভাবে নিজের দায়িত্ব পালন করার। পাশাপাশি আগামী বছর গোটা রাজ্যের মধ্যে স্বচ্ছ শহর হিসেবে মোহনপুর পুর পরিষদকে অন্যতম জায়গায় নিয়ে যাওয়ার জন্য সাফাই কর্মী এবং পুর পরিষদ এলাকার জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল হবার আহ্বান করলেন মন্ত্রী। এই কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর পুরো পরিষদের সিইও সুভাষ দত্ত, চেয়ারপারসন অনিতা দেবনাথ, ভাইস চেয়ারম্যান শংকরদেব সহ অন্যান্যরা।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ৩০ ডিসেম্বর:- রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সিপিএম এবং কংগ্রেসের মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সোমবার রাইমাভ্যালী মন্ডলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল এবং পথসভা সংঘটিত করা হয়। এদিন বিকাল চারটায় মন্ডল কার্যালয়ের সামনে থেকে শত শত দলীয় কর্মী সমর্থকদের নিয়ে বিশাল একটি রেলি গন্ডাছড়া বাজার সহ শহর এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা শেষে মধ্য বাজারে পথ সভায় মিলিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টি ধলাই জেলা কমিটির সভাপতি পতিরাম ত্রিপুরা, সহ-সভাপতি বিকাশ চাকমা, এমডিসি ভূমিকানন্দ রিয়াং , রাইমাভ্যালী মন্ডল সভাপতি ধন্য মানিক ত্রিপুরা, কৃষাণ মোর্চা রাজ্য কমিটির সদস্য গোপাল সরকার প্রমুখ। বক্তারা ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ’কে নিয়ে সিপিএম এবং কংগ্রেসের অপপ্রচারে তীব্র ভাষায় নিন্দা জানিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করেন। নেতৃত্বরা বলেন সিপিএমের এই ধরনের অপপ্রচার দেশের উন্নয়নের অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্থ করার প্রচেষ্টা মাত্র। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে গোটা দেশে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। দেশের উন্নয়নের অগ্রগতি সহ্য করতে পারছে না কংগ্রেস এবং সিপিএম। তাই তারা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের খেলায় মেতে উঠেছে। এদিনের বিক্ষোভ মিছিলে সাধারণ কর্মী সমর্থকদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ২৮ ডিসেম্বর:- রাইমাভ্যালী মন্ডল অফিস বিয়ারারের পক্ষ থেকে শনিবার নবনিযুক্ত মন্ডল সভাপতি ধন্য মানিক ত্রিপুরাকে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করা হয়। এদিন মণ্ডল কার্যালয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ডলের সহ-সভাপতি আদিত্য সরকার, সাধারণ সম্পাদক মদন বিকার চাকমা, সম্পাদক প্রীতি কুমার চাকমা, সমীর দাস প্রমুখরা। পাশাপাশি এদিন মন্ডলের সকল অংশের নেতৃত্বদের সাথে পরিচয় পর্ব এবং সাংগঠনিক সভায় অংশ নেন। সাংগঠনির সভায় মন্ডল সভাপতি ছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টি ধলাই জেলা কমিটির সহ-সভাপতি বিকাশ চাকমা, মন্ডলের সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সম্পাদক সহ মন্ডল, মোর্চা এবং জেলার বিভিন্ন শাখা সংগঠনের নেতৃত্বরা। সেখানে আগামী দিনের সংগঠনের বিভিন্ন রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়। তাছাড়াও এদিন তিনি পার্টির প্রবীণ নেতৃত্ব তথা ২০০৮ সালে এডিসি নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী প্রেম কুমার ত্রিপুরার বাড়িতে গিয়ে উনার কাছ থেকে আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। পার্টির প্রবীণ নেতৃত্বদের প্রতি মন্ডল সভাপতির উদার মানসিকতা দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে ওনার গ্রহণযোগ্যতা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।
উদয়পুর প্রতিনিধি : উদয়পুর জেলা কংগ্রেস কমিটির উদ্যোগে বাবাসাহেব আম্বেদকরের সম্মান যাত্রা করা হয় মঙ্গলবার দুপুরে। এই দিন দুপুরে উদয়পুর জেলা কংগ্রেস ভবন থেকে কংগ্রেস কর্মীরা এক সম্মান যাত্রা বের করে এদিন। এদিন সম্মান যাত্রাটি দলীয় অফিস থেকে বের হয়ে উদয়পুর শহরের নানা পথ পরিক্রমা করে । পরে মিছিলটি গোমতী জেলাশাসকের অফিসে সামনে গিয়ে এক পথ সভায় মিলিত হয় এবং গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক জয়ন্ত ভট্টাচার্য্যর নিকট পাঁচজনের একটি প্রতিনিধি দল ডেপুটেশানে মিলিত হয় জেলা কংগ্রেস সভাপতি টিটন পালের নেতৃত্বে । এদিন ডেপুটেশান শেষে জেলা কংগ্রেসের সভাপতি টিটন পাল বলেন , দেশের সংসদে দাঁড়িয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সংবিধান প্রণেতা ডঃ বি আর আম্বেদকরকে নিয়ে যে মন্তব্য করেছে তার জন্য গোটা দেশের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী চাইতে হবে এবং অবিলম্বে যেন পদত্যাগ করা হয় সে বিষয়ে জেলাশাসকের মধ্য দিয়ে দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে ডেপুটেশান পত্র পাঠানো হচ্ছে। এই দিনের ডেপুটেশানে জেলা সভাপতি ছাড়াও ছিলেন , ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক মিলন কর সহ ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি রঞ্জিত দেবনাথ ও অন্যান্য নেতৃত্বরা । এদিনের মিছিলটি ব্যাপক সাড়া ফেলেছে উদয়পুর শহরে।
- উদয়পুর প্রতিনিধি : রবিবার উদয়পুর রাজর্ষি কলাক্ষেত্রে ত্রিপুরা রাজ্য কর্মচারী সংঘ গোমতী ও উদয়পুর মহকুমার কমিটির উদ্যোগে দ্বিতীয় ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভ সূচনা করেন উদয়পুর পৌর পরিষদের পৌরপিতা শীতল চন্দ্র মজুমদার এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএম এস এিপুরা রাজ্য কমিটির সভাপতি দেবশ্রী কলই,TRKS এিপুরা রাজ্য কমিটির সভাপতি পার্থ পাল, TRKS এিপুরা রাজ্য কমিটির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ বিশ্বাস, অর্গানাইজিং কমিটির কনভেনার তপন মজুমদার প্রমূখ।
এই সম্মেলনের অর্গানাইজিং কমিটির কনভেনার তপন মজুমদার বলেন, ভারতীয় মজদুর সংঘ অন্যান্য শ্রমিক সংগঠন গুলোর মত নয় রাষ্ট্র এবং রাজ্যের কল্যাণই এই সংগঠনের মূল লক্ষ্য। তাই অতীত ভুলে গিয়ে নতুন সূর্যোদয়ের প্রত্যাশা নিয়ে সমস্ত কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ ভাবে দেশ ও রাজ্যের জন্য কাজ করতে হবে। একই সাথে নিজেদের প্রাপ্য অধিকার নিয়েও কথা বলতে হবে।
পরবর্তী পর্যায়ে ত্রিপুরা রাজ্য কর্মচারী সংঘ ২য় ত্রৈ বাষির্ক সম্মেলনের গোমতী জেলা ৪৫ জনের কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির মধ্যে সভাপতি নারায়ণ চন্দ্র দাস, সম্পাদক দেবব্রত লোধ, কোষাধক্ষ্য অশোক বর্ধন। একই সাথে উদয়পুর মহকুমা ৪৫ জনের কমিটি গঠিত হয়। সভাপতি ধ্রুব রঞ্জন ধর, সম্পাদক নারায়ণ চন্দ্র দাস, কোষাধক্ষ্য রূপেশ লোধ ।
ত্রিপুরা রাজ্য কর্মচারী সংঘের দ্বিতীয় ত্রিবার্ষিক রাজ্য সম্মেলন উপলক্ষ্যে লোক সমাগমের উপস্থিত ছিল বেশ লক্ষণীয়।