প্রতিনিধি মোহনপুর:- ত্রিপুরা থেকে গাঁজা নিয়ে বহিঃ রাজ্যে যাওয়ার সময় গ্রেফতার বহিঃ রাজ্যের দুই অভিযুক্ত। শনিবার লেফুঙ্গা থানার অন্তর্গত লেম্বু ছড়ার নাকা পয়েন্টে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২০ কিলো গাঁজা। পাশাপাশি দুই মহিলা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অন্যান্য দিনের মতো লেম্বুছড়া নাকা পয়েন্টের সামনে যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। শনিবার দুপুরে মোহনপুর আগরতলা সড়কের একটি বাসে তল্লাশি চালানোর সময় একটি সন্দেহজনক ব্যাগ উদ্ধার করে পুলিশ। ব্যাগের ভেতর ছিল মোট কুড়ি কিলো অবৈধ গাঁজা। এই গাঁজার সাথে জড়িত দুই মহিলা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হল মাম্পি দেব এবং ঝিলমি দেব। অভিযুক্তদের বাড়ি আসামের করিমগঞ্জে। মোহনপুর থেকে এই অবৈধ গাঁজা নিয়ে করিমগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল তারা। মোহনপুরের শনি তলা এলাকার এক গাঁজা ব্যবসায়ী কাছ থেকে এই গাঁজা গুলো ক্রয় করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন অভিযুক্তরা। লেফুঙ্গা থানার ওসি সহদেব দাস জানান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস ধারায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই গাঁজার মূল মালিক কে এবং কোথায় থেকে আনা হয়েছিল সেগুলো খুঁজে বার করা হবে।
admin
ধর্মনগর প্রতিনিধি,,আজ ত্রিপুরা রাজ্য মহিলা কমিশনের উদ্যোগে আজ যুবরাজনগর আর ডি ব্লকের কমিউনিটি হলে এক সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল “মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার এবং তার পরিবারের উপর প্রভাব বাল্যবিবাহ ও মহিলা সুরক্ষা “।অনুষ্ঠানটি শুরু হয় আনুমানিক বেলা বারোটা নাগাদ। এতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য মহিলা কমিশনের মাননীয়া চেয়ারপার্সন শ্রীমতী ঝর্না দেববর্মা তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাদকের ভয়াবহতা, বিশেষ করে পরিবারে নারীদের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি সম্পূর্ণ পরিবারকে ধ্বংস করে দিতে পারে। নারীরা পরিবারে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেন, তাই মাদকবিরোধী সচেতনতা তাদের মধ্যে আরও ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। পরে বাল্যবিবাহ এবং নারী সুরক্ষা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন এই অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেনকমিশনের সদস্যা রত্নাদেবনাথ, জেলা সভাপতি কাজল দাস,সমাজসেবী রূপালী অধিকারী, ব্লক চেয়ারম্যান অপর্না সিংহ দেব নাথ,মলিনা নাথ সহযুবরাজনগর ব্লকের অধিকাংশ মহিলাদের উপস্থিত ছিল লক্ষণীয়।
শান্তি বাজার প্রতিনিধি :মঙ্গলবার শান্তির বাজার থানা সংলগ্ন এলাকায় রুটিন তল্লাশী চালায় শান্তির বাজার থানার পুলিশ। এরইমধ্যে আগরতলাথেকে সাব্রুম মনুবলকুলগামী টি আর ০৭ ১২০৩ নাম্বারের কুয়েশা কৃষ্টি নামক বাসে তল্লাসী চালাতেগিয়ে এক যাত্রী কথাবার্তায় সন্দেহজেগে তল্লাশী চালায় শান্তির বাজার থানার পুলিশ। সন্দেহজনক তল্লাশিচালিয়ে শ্যামল সরকার (৪৩) নামে যাত্রীর কাছথেকে ৫ পেকেট গাঁজা উদ্ধার করাহয়। জানাযায় প্রতি পেকেটে ২ কেজিকরে মোট ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধারকরাহয়। ঘটনার পরবর্তী সময় মহকুমা শাসকের কার্যালয়থেকে ডি সি এম পবিত্র দাস ও ফরেন্সিক টিমের উপস্থিতিতে গাঁজাগুলি পরিক্ষা করাহয়। সমস্ত আইনি পক্রিয়া শেষে গাঁজা সহ শ্যামল সরকার নামে যাত্রীকে গ্রেপ্তার করাহয়। জানাযায় শ্যামল সরকার বিশ্রামগঞ্জ বরজলা এলাকার বাসিন্দা। সে এই গাঁজা গুলি বিশ্রামগঞ্জ থেকে সাব্রুম মনুর উদ্দ্যোশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলো। শান্তির বাজার থানার ওসি আশুতোষ শর্মা, মনপাথর ফাঁড়ী থানার ওসি জয়ন্ত দাস ও মহকুমার পুলিশ আধিকারিক বাপি দের্বমার যৌথ উদ্দ্যোগো আজকের অভিযান চালানোহয়। জানাযায় পুলিশের এইধরনের অভিযান আগামীদিনেও জারী থাকবে। আজকের এই সাফল্যের কথা সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান শান্তির বাজার থানার ওসি আশুতোষ শর্মা।
ধর্মনগর প্রতিনিধি : রবিবার সকালে মুষলধারে দু-তিন ঘন্টা বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন জায়গায় জল জমে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে জেলরোড ব্যতীত অন্যান্য জায়গার জল নেমে যায়। সকাল থেকে দুপুর দুপুর থেকে সন্ধ্যার পরেও সংবাদ লেখা পর্যন্ত জেল রোড এলাকায় বাড়িঘর সহ রাস্তার উপর দিয়ে আটো সমান জল রয়েছে । কিছু কিছু স্থানে তো যত সময় যাচ্ছে ততই জল বেড়ে যাচ্ছে হতবাক এলাকাবাসী। কিছুদিন পূর্বে প্রবল দর্শনে রাজ্যের সাথে ধর্মনগর শহরে নদী সংলগ্ন এলাকা গুলি প্লাবিত হয়েছিল কিন্তু কোন বন্যা কবলে মানুষকে পড়তে হয়নি। বিভিন্ন সময় দেখা গেছে পুরো পরিষদের থেকে বিভিন্ন মাস্টারপ্লেন তৈরি করছেন কিভাবে জেলরোড এলাকাতে বৃষ্টির ফলে জল না জমে। ডজার দিয়ে অনেক ট্রেন দখল করে রাখা বাড়িঘর দোকানপাটের সামনের থেকে মাটি ও খনন করে পরিষ্কার করে দিয়ে ড্রেনের পরিধি বড় করেছেন তারপরেও জেলরোডের মানুষের দুর্দশা কমছে না। বর্তমানে সমগ্র জেলরোড বাসীএই জলের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ চাইছে।
নেশাগ্রস্ত অবস্থায় শান্তির বাজারে বিভিন্নজায়গায় তান্ডব চালাতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক এক যুবক।
শান্তিরবাজার প্রতিনিধি :ঘটনার বিবরনে জানাযায় শান্তির বাজার শহরের আমটিলা এলাকার বাসিন্দা উত্তম দাস প্রতিনিয়ত ব্রাউন সুগার সহ বিভিন্ন প্রকারের নেশা সামগ্রী পান করে বিভিন্ন জায়গায় তান্ডব চালায় বলে অভিযোগ। উত্তম দাসের নেশার রমরমা ব্যবসার জন্য শান্তির বাজারের যুব সমাজ ধ্বংসের মুখে। উত্তম দাস প্রতিনিয়ত ব্রাউন সুগার সহ বিভিন্ন নেশা পান করে শাসক দলের নাম ভাঙ্গিয়ে তান্ডব চালায় বলে অভিযোগ। উত্তম দাস পার্টির কোনো দায়িত্বে নেই। সে বামেদের সমর্থনকরে শাসক দলকে বদনামকরতে প্রতিনিয়ত কাজকরেযাচ্ছে। বামেদের ছত্র ছায়ায় থেকে নিজেকে শাসকদলের লোক বলে শান্তির বাজারের শান্তি শৃঙ্খলা নষ্টকরার প্রয়াস চালিয়েযাচ্ছে উত্তম দাস নামে যুবক। শুক্রবার রাত্রিবেলায় নেশা সামগ্রী পান করে শান্তির বাজারে বাজার এলাকায় তান্ডব চালায় উত্তম দাস। উত্তম দাসের এইধরনের তান্ডবের সংবাদ সংগ্রহ করতেগেলে সে সাংবাদিককে বিভিন্নপ্রকারের হুমকি ধমকি দেয়। পরবর্তীসময় ঘটনার খবরপেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় শান্তির বাজার থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিতহয়ে উত্তম দাসকে শান্তির বাজার থানায় নিয়েযায়।
কমিউনিটি ট্রান্সপ্লান্টিং মাধ্যমে আমন ধানের যারা রোপন করলেন বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া
- প্রতিনিধি , উদয়পুর :- টেপানিয়া কৃষি মহকুমার উদ্যোগে দক্ষিণ বাগমা গ্রাম পঞ্চায়েতের কৃষক পরিমল দে-র আমন ধানের জমিতে সফলভাবে কমিউনিটি ট্রান্স প্লান্টিং কার্যক্রম সম্পন্ন হয় । পরিমল দে কুড়িকানি জমিতে গোমতী জাতের ধান রোপন করা হয়েছে ধান জালাল বয়স ছিল ১৫ দিনের। এদিন বাগমা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক রামপদ জমাতিয়ার হাত ধরে। এদিন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে এই চাষের জন্য কৃষককে ধানের মানসম্পন্ন বীজ, কেমিক্যাল ফার্টিলাইজার , অর্গানিক সার , প্ল্যান্ট প্রোটেকশন কেমিক্যালস এবং প্রতি হেক্টরে মোট ৫৬৫০ টাকার অনুদান প্রদান করা হবে । তারিফ মৌসুমের সূচনা লগ্নে কৃষকদের উৎসাহ দিতে এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রচলন ঘটাতে এই ধরনের ট্রান্সপ্লান্টিং কর্মসূচিকে উৎসব মুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে আয়োজন করা হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন , টেপানিয়া কৃষি মহকুমার কৃষি তত্ত্বাবধায়ক অর্পিতা দত্ত, টেপানিয়া পঞ্চায়েত সমিতি ভাইস চেয়ারম্যান রামচন্দ্র দেবনাথ , বাগমা এগ্রি সেক্টর অফিসার ইন্দ্রানী চক্রবর্তী এবং এই মহিলা পরিচালিত টেপানিয়া কৃষি মহকুমার সকল মহিলা কর্মচারীবৃন্দ। কৃষি দপ্তরের এই ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের মাঝে নতুন উৎসাহ যোগাবে এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিধায়ক রামপদ জমাতিয়া ।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-ঊনকোটি জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে ঊনকোটি কলাক্ষেত্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে গুরু পূর্ণিমা উৎসব।১৪ই জুলাই আয়োজিত এই বর্ণময় অনুষ্ঠানে অবিভক্ত উত্তর জেলার গুণী ব্যক্তিদের সম্মানিত করা হয়।আজীবন যারা শিক্ষাব্রতী ছিলেন, যাদের শিক্ষার আলোয় হাজারো ছাত্রছাত্রী আলোকিত হয়েছেন সেই সকল গুণী ব্যক্তিত্বদের সম্মানিত করা হয়।যে ৭ জনকে সম্মানিত করা হয়েছে কমলপুর কলাছড়া হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক এবং তিলকপুর স্থিত গায়ত্রী পরিবারের অধ্যক্ষ চন্দ্রকান্ত সিনহা,শ্রীনাথপুর হাইয়ার সেকেন্ডারি স্কুল থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক বিধুভূষন দাস,ধর্মনগর গোবিন্দপুর সিনিয়র বেসিক স্কুল থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রামকৃষ্ণ দাস,পেচারথল দ্বাদশমান বিদ্যালয় থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রঞ্জিত দেব, ফটিকরায় দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয়ের সহ-শিক্ষক চন্দ্রকান্ত সিনহা,ভগিনী নিবেদিতা দ্বাদশ শ্রেণী বিদ্যালয় থেকে অবসরপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল সমীরণ মালাকার এবং কমলপুর থেকে আগত ভাগবত প্রবাচক ও গীতা পাঠক কমল দুবেকে সম্মানিত করা হয়।গুরু গম্ভীর এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয় প্রদীপ প্রজ্জ্বননের মধ্য দিয়ে।উদ্বোধক হিসেবে ছিলেন জেলা সভাধিপতি অমলেন্দু দাস এবং সভাপতিত্ব করেন চেয়ারপার্সন চপলা দেবরায়। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষা আধিকারিক প্রশান্ত ক্লিকদার ও জেলা পরিষদ সদস্য বিমল কর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সহ অধিকর্তা বিশ্বজিৎ দেব। আমন্ত্রিত গুরুদের স্মারক সম্মাননা সহ অন্যান্য উপহার তুলে দেওয়া হয়েছে।উক্ত অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি মোহনপুর:- রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া টাকা হাতে পেয়েও নিজের সততা বিসর্জন দেয়নি যুবকরা।প্রায় দুমাস পূর্বে মোহনপুরের গোপালনগর গ্রামে রাস্তার মধ্যে বেশ কিছু টাকা কুড়িয়ে পেয়েছিল এলাকার কতিপয় যুবকরা। সেই টাকা প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে যুবকরা চেষ্টা করেছিল। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও সন্ধান করা হয়েছিল প্রকৃত মালিকের। কিন্তু দুমাস পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে সেই টাকা দিয়ে গোপালনগরে দুস্থ ছেলেমেয়েদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করল স্নেহাশীষ গোপ এবং সিমরান দত্ত সহ অন্যান্য যুবকরা। যুবকদের এই সৎ মানসিকতা দেখে খুশি এলাকার অভিভাবক সহ সাধারণ মানুষ।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-কুমারঘাটের গীতাঞ্জলি অডিটোরিয়ামে উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ দপ্তরের উদ্যোগে এবং ইয়ং ডার্লং অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় ধলাই,উত্তর এবং ঊনকোটি জেলা নিয়ে প্রথমবারের মতো কুমারঘাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে আনারস প্রদর্শনী এবং প্রতিযোগিতা। যেখানে ১২৩ জন আনারস চাষী তাদের উৎপাদিত সামগ্ৰী নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ,প্রানী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস, বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস, সভাধিপতি অমলেন্দু দাস, সহকারী সভাধিপতি সন্তোষ ধর সহ দপ্তরের সচিব এবং অধিকর্তা সহ অন্যান্যরা।চারা গাছে জল সিঞ্চনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়েছে।এই আনারস উৎসবে ইয়ং ডারলং এসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির। যেখানে ৩০ জনেরও বেশী যুবক রক্তদান করেছেন।এই প্রতিযোগিতায় ৮ জনকে পুরস্কৃত করা হয় এবং ১০ জন আনারস চাষীকে সন্মাননা জ্ঞাপন করা হয। মন্ত্রী শ্রী নাথ আনারস হাতে নিয়ে চাষীদের সাথে আনন্দে মেতে উঠেন।রাজ্যের জাতীয় ফল নিয়ে সত্যিই এক অন্যরকম উন্মাদনা তৈরী হয় আজ।এই সুমিষ্ট ও পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল রাজ্যবাসীর গর্ব- এক উজ্জ্বল পরিচয়। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলেইন,যা হজমে সহায়তা করে,আর প্রদাহ কমায়।শরীরে জলধারণ, রোগ প্রতিরোধে সহায়তা, এমনকি হার্টের যত্নেও আনারস কার্যকর।ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ এই ফল একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প।এই অপূর্ব ফলের পেছনে রয়েছেন যাঁরা—আমাদের খেটে খাওয়া আনারস চাষীরা,তাঁদের প্রতি সকলেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের এই চাষের ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তত সরকার,বলে বক্তরা জানান।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-আজ কৈলাসহর ঊনকোটি কলাক্ষেত্রে আয়োজিত পিএম বিশ্বকর্মা যোজনার অন্তর্গত প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কারিগর ও উদ্যোগীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে আত্মনির্ভর ভারতের পথে এগিয়ে চলা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো দেশজুড়ে হস্তশিল্প,কারুশিল্প ও ঐতিহ্যবাহী পেশায় নিযুক্ত শ্রমজীবী মানুষদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে তাঁদের আর্থিক ও সামাজিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করা।আজকের এই সার্টিফিকেট বিতরণ শুধুমাত্র প্রশিক্ষণের সমাপ্তি নয়,বরং এক নতুন সম্ভাবনার সূচনা। দক্ষতার মাধ্যমে গড়া ভবিষ্যতের এই যাত্রায় প্রত্যেক অংশগ্রহণকারীদের শুভেচ্ছা জানান সকলেই।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী টিংকু রায়,জেলা সভাধিপতি অমলেন্দু দাস, চ্যায়ারপার্সন চপলা দেবরায় সহ অন্যান্যরা।