প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া :- শনিবার ধলাই জেলা শাসকের কনফারেন্স হলে মৎস্য, প্রাণিসম্পদ বিকাশ ও এসসি ওয়েলফেয়ার দপ্তরের জেলাভিত্তিক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিকাশ এবং এসসি ওয়েলফেয়ার দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধলাই জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুস্মিতা দাস, বিধায়িকা স্বপ্না দাস পাল, ধলাই জেলা শাসক, বিভিন্ন স্তরের জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের অধিকর্তা ও জেলার বিভিন্ন দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকবৃন্দ।
সভায় মন্ত্রী সুধাংশু দাস সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান, এই পর্যালোচনা সভার মূল উদ্দেশ্য ছিল মৎস্য, প্রাণিসম্পদ বিকাশ এবং তপশিলি কল্যাণ দপ্তরের বিগত দিনের গৃহীত কর্ম পরিকল্পনা কতটা বাস্তবায়িত হয়েছে তার বিস্তারিত বিশ্লেষণ করা। পাশাপাশি আগামী দিনে এই তিনটি দপ্তরের মাধ্যমে জেলার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে কিভাবে আরও গতিশীল করা যায় সেই বিষয়ে দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে খোলামেলা আলোচনা হয়।
মন্ত্রী জানান, রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষের আর্থিক উন্নয়ন, বিশেষত প্রান্তিক ও তপশিলি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। মাছচাষ ও প্রাণিসম্পদ বিকাশের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে একাধিক নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সভা শুরুর আগে মৎস্য দপ্তরের উদ্যোগে এলাকার কিছু সুবিধাভোগী চাষির হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে মাছের পোনা তুলে দেওয়া হয়। মন্ত্রী সুধাংশু দাস, সভাধিপতি সুস্মিতা দাস সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও আধিকারিকরা নিজ হাতে সুবিধাভোগীদের মাছের পোনা বিতরণ করেন।
মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন, জেলার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্বনির্ভরতা ও কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
admin
মুপা ও দিয়াখো স্টেশনের মাঝামাঝি পাহাড় ধসে বড়সড় রেল বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।
ধর্মনগর প্রতিনিধি : অসমের লামডিং ও বদরপুর রেল সেকশনের মধ্যে মুপা ও দিয়াখো স্টেশনের মাঝামাঝি পাহাড় ধসে বড়সড় রেল বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধস নামার ফলে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে মাইবং স্টেশনে আটকে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে শিলচর-গুয়াহাটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনও বিপদের আশঙ্কায় থামিয়ে দেন এক সতর্ক রেলকর্মী। ধ্বসে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেললাইন। ফলে এই রুটে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্ধার ও মেরামতির কাজ শুরু করেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে রেল সুরক্ষা বাহিনী ও ইঞ্জিনিয়ারিং টিম। পাহাড়ি অঞ্চলে টানা বৃষ্টির জেরেই এই ধ্বস বলে প্রাথমিক অনুমান। যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ১ জুলাই:- ধলাই জেলাভিত্তিক কিশোরী উৎকর্ষ মঞ্চ ২০২৫-২৬-এর দুদিনব্যাপী জেলাভিত্তিক অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হলো মঙ্গলবার আমবাসা টাউন হলে। ধলাই ডিস্ট্রিক্ট প্রজেক্ট কোঅর্ডিনেটর (সমগ্র শিক্ষা মিশন)-এর উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ধলাই জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুস্মিতা দাস। প্রদীপ প্রজ্বালনের মাধ্যমে শুভ সূচনা হয় এই বিশেষ অনুষ্ঠানের।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধলাই জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি অনাদি সরকার, আমবাসা পুর পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান গোপাল সূত্রধর, জেলা শিক্ষা আধিকারিক মধুসূদন দেববর্মা সহ অন্যান্য প্রশাসনিক ও শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তারা। অতিথিরা তাদের বক্তব্যে কিশোরীদের সর্বাঙ্গীণ বিকাশে এই ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
এই দুদিনের অনুষ্ঠানে জেলার ৩৩টি বিদ্যালয় থেকে মোট ১০১ জন ছাত্রী অংশগ্রহণ করছে। ছাত্রীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও শারীরিক সক্ষমতা বিকাশের জন্য আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রতিযোগিতা। বিতর্ক প্রতিযোগিতা, আর্ট অ্যান্ড কালচার, সামাজিক সেবা, যোগা, কুইজ কম্পিটিশন এবং গেমস অ্যান্ড স্পোর্টস-এর মতো প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে ছাত্রীরা তাদের প্রতিভা ও দক্ষতা প্রদর্শন করছে।
শুধু প্রতিযোগিতাই নয়, ছাত্রীদের মানসিক উৎকর্ষ ও অনুপ্রেরণা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজন করা হয়েছে মোটিভেশনাল স্পিচ ও গোল টেবিল বৈঠকেরও। অতিথি বক্তারা ছাত্রীদের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন। উদ্বোধনী ভাষণে সভাধিপতি সুস্মিতা দাস বলেন, এই অনুষ্ঠান শুধু প্রতিযোগিতা নয়, ছাত্রীদের আত্মবিশ্বাস, নেতৃত্বের গুণাবলি ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তুলবে। ভবিষ্যতে এরা সমাজে সুদক্ষ নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে এটাই আমাদের লক্ষ্য।
সমগ্র শিক্ষা মিশনের এই উদ্যোগ ধলাই জেলার ছাত্রীদের জন্য এক নতুন দিশা খুলে দেবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল অতিথি ও শিক্ষকবৃন্দ। ছাত্রীদের এই ধরনের প্ল্যাটফর্ম প্রদানের মাধ্যমে তাদের আত্মপ্রকাশের সুযোগ যেমন বাড়ছে, তেমনি স্কুল পর্যায়েই নেতৃত্বের গুণাবলি গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
দুদিনব্যাপী এই অনুষ্ঠান বুধবার নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হবে।
- ধর্মনগর প্রতিনিধি : আবারো চুরি কান্ড সংগঠিত হলো ধর্মনগরের।গতকাল দেওয়ানপাশা গ্রাম পঞ্চায়েতের শান্তিপাড়া এলাকার বাসিন্দা যুগমায়া দে পুরকাইস্থ সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তাঁর ননদের বাড়ি উত্তর জেলার পানিসাগর মহকুমার জলেবাসা এলাকায় গিয়েছিলেন। সেই সুবাদে গতকালরাত বাড়িতে কেউ ছিলেন না।শনিবার সকালে যুগমায়া দে পুরকাইস্থের দেয়রের মেয়ে ঘুম থেকে উঠে দেখতে পায় উনার ঘরের মূল দরজার তালা ভাঙা এবং দরজা আধখোলা অবস্থায় রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাটি যুগমায়া দেবীকে জানানো হয়। পরে খবর দেওয়া হয় ধর্মনগর থানায়।খবর পেয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা পর ধর্মনগর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তদন্তে নামে পুলিশ, তবে খবর সংগ্রহ করা পর্যন্ত কোনো চোরকে ধরতে পারেনি ধর্মনগর থানার পুলিশ। বাড়ির মালিক যুগমায়া দে পুরকাইস্থ জানান, চোরেরা তাঁর ঘর থেকে নগদ ₹১০,০০০ টাকা, একটি সোনার চেইন, একজোড়া সোনার কানের দুল এবং একটি সোনার আংটি নিয়ে যায়।স্থানীয়দের অভিযোগ, সম্প্রতি ধর্মনগর একের পর এক চুরির ঘটনার পরেও পুলিশ কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অনেকেরই অভিযোগ, ধর্মনগর থানার পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা চোরদের বাড়তি সাহস জুগিয়ে দিচ্ছে।স্থানীয়রা দাবি তুলেছেন, চুরির ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের গ্রেফতার করা হোক এবং এলাকায় নিয়মিত টহল ও নজরদারি বাড়ানো হোক।
প্রতিনিধি মোহনপুর :- রাজ্যর ছেলেমেয়েদের বিনে পয়সায় আধ্যাত্মিকতার সাথে আধুনিক শিক্ষা প্রদান করতে নির্মাণ করা হয়েছে চিন্ময় হরহর বিদ্যালয়। মোহনপুরে নব নির্মিত এই বিদ্যালয়ের আঞলিক উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা, কৃষি ও প্রসব কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ গোটা ভারতবর্ষে চিন্ময়া ট্রাস্ট এর উদ্যোগে বিদ্যালয় কলেজ এবং ইউনিভার্সিটি রয়েছে। মোহনপুরে নব নির্মিত এই বিদ্যালয়ে ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের দেওয়া হবে শিক্ষাদান। বিনা পয়সায় শিক্ষাদানের ব্যবস্থা রয়েছে এই বিদ্যালয়ে। ভারতের পাশাপাশি পৃথিবীর অন্যান্য রাষ্ট্রে এই প্রতিষ্ঠানের বিদ্যালয় এবং কলেজ রয়েছে। মোহনপুরে নব নির্মিত এই বিদ্যালয়ের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ছেলেমেয়েদের পড়াশোনার পাশাপাশি আধ্যাত্মিক চেতনায় বড় করার ক্ষেত্রে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দারুণ ভূমিকা রয়েছে। যখন ত্রিপুরাতে এই বিদ্যালয়ে স্থাপন করার জন্য প্রস্তাব আসে তখন কেবিনেটে সিদ্ধান্ত গ্রহণের এক্ষেত্রে কোন ধরনের মতানৈক্য তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে আধ্যাত্বিক চেতনায় ছেলেমেয়েদের বড় করার ক্ষেত্রে এই ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রশংসা করলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্যদিকে মন্ত্রী রতন লাল নাথ এদিন অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান রাখেন ছেলেমেয়েদের সঠিকভাবে বড় করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার। বিশেষ করে ছেলেমেয়েরা ভুল করলে তাদের এই ভুলগুলোকে স্বাভাবিকভাবে নিয়ে শুধরে দেওয়া, ছেলে মেয়েদের ছোট বয়সেই যে কোনো কাজের জন্য এবং পড়ার জন্য মাত্রাতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করা, ছেলে মেয়েদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া সহ বিভিন্ন বিষয়ে এদিন আলোকপাত করেছেন তিনি। এদিন বিদ্যালয়ের উদ্বোধনের পাশাপাশি মন্দির নির্মাণ করার জন্য করা হয়েছে ভূমি পূজা। এইভূমি পূজাতে অংশ নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য অতিথিরা।
তেজপুর, আসাম :– বুধবার লংতরাই-এর উদ্যোগে “তেজপুর রিটেইলার্স মিট ২০২৫” এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।অনুষ্ঠানের সভাপত্বিত করেন লংতরাই-এর তেজপুর ডিস্ট্রিবিউটর শ্রী দেবাশীষ রোকশিট, প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন তেজপুর নর্থ ইস্ট ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি শ্রী রাজু ভাটি। সম্মানিত অতিথি হিসাবে ছিলেন সোনিতপুর জার্নালিস্ট ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট শ্রী সঞ্জীব হাজারিকা এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন শ্রী বিনয় জৈন।কোম্পানির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লংতরাই এর কর্ণধার রতন দেবনাথ, জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দেবনাথ, জোনাল ম্যানেজার শুভ রঞ্জন দাস, রিজিওনাল ম্যানেজার পলাশ সরকার এবং বাস্তব চ্যাংককটি সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।অনুষ্ঠানে প্রায় ১৩৫ জন রিটেইলার, ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটর অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি ওনাদের ভাসনে লংতরাই-এর এই উদ্যোগকে অত্যন্ত সাধুবাদ জানান। সম্মানিত অতিথি উনি তার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে সকল রিটেইলারস এবং ডিলারস দের লংতরাই মসলা বাজারজাত করার আহব্বান জানান এবং তার বিভিন্ন দিক গুলি তুলে ধরেন।
লংতরাই এর কর্ণধার শ্রী রতন দেবনাথ ওনার ভাষণে কোম্পানির ইতিবৃত্ত তুলে ধরতে গিয়ে এক দারুন মনোজ্ঞ আলোচনা করেন। লংতরাই এখন শুধু ত্রিপুরার জন্যই প্রসিদ্ধ নয় গোটা উত্তরপূর্ব ভারতের এক অনন্য নাম হতে চলছে। উনি আশা করছেন আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে লংতরাই প্রতিটি পরিবারের গৃহিণীদের মন জয় করে নেবে। লংতরাই প্রোডাক্ট শুধুমাত্র মশলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই তার মধ্যে রয়েছে তেল, ঘি, চাউল ইত্যাদি সহ আরো প্রায় ১২০টি প্রোডাক্ট। উনি আরো বলেন লংতরাই বর্তমানে ত্রিপুরা থেকে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিহার, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশেও লংতরাই-এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে।
রিটেইলারদের মধ্য থেকে অনেকে আলোচনা করতে গিয়ে লংতরাই গুণমান নিয়ে খুব প্রশংসা করেন এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যে নগাঁও স্থিত বাজার গুলিতে এক বিশাল প্রভাব ফেলবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন এবং আগামীদিন ওনারা লংতরাই ব্রান্ডের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণ রাখেন জেনারেল ম্যানেজার শ্রী সুব্রত দেবনাথ।
- প্রতিনিধি মোহনপুর:- মোহনপুর কৃষি মহকুমা এলাকার কৃষকের চাষ জমি পরিদর্শন করলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। বুধবার কলাগাছিয়া গ্রামের উচ্চ শিক্ষিত চন্দ্র কুমার শীল দাসের মিশ্র ফলের বাগান পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রী। উনার বাগানে মাল্টা, মুসাম্বির, ড্রাগন ফ্রুট, আম সহ বিভিন্ন ফলের গাছ রয়েছে। এইদিন কৃষক চন্দ্র কুমার শীল দাসের সাথে দীর্ঘ সময় কথা বলেছেন মন্ত্রী। ওনার আয় ব্যয় সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এর পাশাপাশি এই ধরনের চাষবাস করে এলাকার অন্যান্য যুবকদের আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান করলেন মন্ত্রী।
অন্যদিকে সাতডুবিয়া গ্রামের কৃষক সঞ্জীব বিশ্বাস সবজির পাশাপাশি বর্ষাকালীন তরমুজের চাষ করেছেন। এই এলাকাতে বর্তমান মরশুমে এই ব্যতিক্রমী ফলের চাষ একমাত্র তিনিই করেছেন। এদিন উনার জমিও পরিদর্শন করেছেন কৃষিমন্ত্রী। বর্ষাকালে এই এলাকাতে একটি বিকল্প ফলের চাষ করে বাড়তি আয়ের মুখ দেখার সম্ভাবনা পথে এই কৃষক। এদিন কৃষকের সাথে এই চাষবাস সম্পর্কে আলোচনা করেছেন মন্ত্রী। এইদিন মন্ত্রী বলেন বর্তমানে কৃষকরা ব্যতিক্রমী এবং নতুন চাষবাসের সাথে যুক্ত হচ্ছে। কৃষি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে এলাকার কৃষকদের। এই ধরনের ব্যতিক্রমী সবজি এবং ফল চাষে আরও বেশি করে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান করেছেন মন্ত্রী।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :- আজ থেকে গত দুই মাস আগে গোমতী নদীতে স্নান করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছিলো বিল্লাল মিঞা নামে গোমতী জেলার উদয়পুর মহকুমার অন্তর্গত সমতল ভদ্র এলাকার বাসিন্দার। অত্যন্ত গরিব ঘরের ছিল বিল্লাল মিঞা। বিল্লালের মৃত্যুতে অসহায় হয়ে পড়ে গোটা পরিবারটি। ছোট কন্যা সন্তান ছিল বিল্লালের পরিবারে। এক কালো মেঘের অন্ধকার নেমে আসে তার স্ত্রী জাহানারা খাতুনের কপালে। পরবর্তী সময় , উদয়পুর মহকুমা শাসক ত্রিদিব সরকার এই গোটা বিষয়টি তদন্ত করতে শুরু করে। একের পর এক সরকারি তথ্য জমা পড়ে মহকুমা শাসকের কাছে । দীর্ঘ দিন পর মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটায় গোমতী জেলা সভাধিপতি দেবল দেবরায় ও উদয়পুর মহকুমা শাসক ত্রিদিব সরকারের উপস্থিতিতে মৃত বিল্লাল মিঞার স্ত্রী জাহানারা খাতুনের হাতে তুলে দেওয়া হয় চার লক্ষ টাকার সরকারি অনুমোদন। জানা যায় , আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জাহানারা খাতুনের ব্যাংক একাউন্টে এই টাকা দেওয়া হবে অনলাইনের মাধ্যমে। এদিন মহকুমা শাসকের এই ধরনের উদ্যোগ খুবই প্রশংসার যোগ্য বলে মনে করছে উদয়পুরের মহকুমা শাসকের অফিস থেকে শুরু করে গোটা উদয়পুর মহকুমাবাসী। যেভাবে এক অসহায় গরিব মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে একজন মহকুমা শাসক তা খুবই কম সংখ্যক মহকুমা শাসক এমন নজির সৃষ্টি করেছে বলে মনে করছে মহকুমা বাসী ।
নগাঁও, আসাম :- রবিবার লংতরাই-এর উদ্যোগে “নগাঁও রিটেইলার্স মিট ২০২৫” এক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।অনুষ্ঠানের সভাপত্বিত করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গৌরাঙ্গ দেব, প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন নগাঁও এর বরিষ্ঠ সাংবাদিক শ্রীযুক্ত কনক হাজারিকা। বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন নর্থ ইস্ট ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের মাননীয় সম্পাদক আসিফ জামান। কোম্পানির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লংতরাই এর কর্ণধার রতন দেবনাথ, জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দেবনাথ, জোনাল ম্যানেজার শুভ রঞ্জন দাস, রিজিওনাল ম্যানেজার পলাশ সরকার সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫০ জন রিটেইলার, ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটর অংশগ্রহণ করেন।প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি যথাক্রমে শ্রীযুক্ত হাজারিকা ও আসিফ জামান দুইজনই তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে উত্তর পূর্ব ভারতের ছোট্ট পাহাড়ি রাজ্য ত্রিপুরার অন্ন্যতম ব্র্যান্ড লংতরাই তার বিভিন্ন্য প্রোডাক্ট গুলি নিয়ে আজ নগাঁও এর রিটেইলার্স মিটের আয়োজন করেছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।লংতরাই এর কর্ণধার শ্রী রতন দেবনাথ ওনার ভাষণে কোম্পানির ইতিবৃত্ত তুলে ধরতে গিয়ে এক দারুন মনোজ্ঞ আলোচনা করেন। লংতরাই এখন শুধু ত্রিপুরার জন্যই প্রসিদ্ধ নয় গোটা উত্তরপূর্ব ভারতের এক অনন্য নাম হতে চলছে। উনি আশা করছেন আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে লংতরাই প্রতিটি পরিবারের গৃহিণীদের মন জয় করে নেবে। লংতরাই প্রোডাক্ট শুধুমাত্র মশলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই তার মধ্যে রয়েছে তেল, ঘি, চাউল ইত্যাদি সহ আরো প্রায় ১২০টি প্রোডাক্ট। উনি আরো বলেন লংতরাই বর্তমানে ত্রিপুরা থেকে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিহার, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশেও লংতরাই-এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে।রিটেইলারদের মধ্য থেকে অনেকে আলোচনা করতে গিয়ে লংতরাই গুণমান নিয়ে খুব প্রশংসা করেন এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যে নগাঁও স্থিত বাজার গুলিতে এক বিশাল প্রভাব ফেলবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন এবং আগামীদিন ওনারা লংতরাই ব্রান্ডের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।জেনারেল ম্যানেজার শ্রী সুব্রত দেবনাথ তাঁর ভাষণে কোম্পানির তরফ থেকে রিটেইলার, ডিলারদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি গুণমানের দিক থেকে লংতরাই যে সেরা, তা উল্লেখ করতে গিয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে টাইমস অফ ইন্ডিয়া কর্তৃক উত্তর-পূর্ব ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ বিশুদ্ধ গুঁড়া মশলার প্রস্তুতকারকের সম্মানের কথাও তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণ রাখেন আসামের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার, বাস্তব চ্যাংকাকটি। ও সব শেষে জোনাল সেলস ম্যানেজার শুভ রঞ্জন দাস ওনার ধন্যবাদ সূচক ভাষণের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
তেলিয়ামুড়া পৌর পরিষদ এলাকার উন্নয়নে কাজকর্ম খতিয়ে দেখলেন বিধায়ক, চেয়ারম্যান।
- প্রতিনিধি। তেলিয়ামুড়া। ২৫ বছরের টানা বামফ্রন্ট সরকারের আমলে বিধায়ক, বিধায়িকা, চেয়ারম্যান সহ নেতারা শহরের নানা সমস্যা সমাধানের কোনও চেষ্টা করেনি। সেই জায়াগায় মাত্র সাত বছরের বিজেপি সরকারের বিধায়িকা, চেয়ারম্যান এর আমলে শহরের নাগরিক পরিসেবা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়েছে। এবং আগামীদিনেও এই ধরনের কাজ ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতে থাকবে। শনিবার তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের বিভিন্ন ওয়ার্ড এলাকায় নির্মিয়মান রাস্তা, ড্রেইন সহ নানা উন্নয়ন মূলক কাজ পরিদর্শনে বেরিয়ে একথা বলেন ত্রিপুরা বিধানসভার মূখ্য সচেতক তথা বিধায়িকা কল্যানী সাহা রায়। তিনি বিরোধী দলের নেতৃত্বদের কটাক্ষ করে বলেন, যাদের কাছে কোন রাজনৈতিক ইসু নেই। আগামী পুর পরিষদের নির্বাচনে কে সামনে রেখে নিজেদর অস্তিত্বের জানান দিতে ডেপুটেশন প্রদান করছে। অথচ দেখাযায় ডেপুটেশন দিচ্ছেন তাদের অনেকে পুর পরিষদের বিভিন্ন টেক্স বকেয়া রাখে। কিন্তু এসবে কাজ হবেনা মানুষ উন্নয়ন কারা করে তাদের ভাল করে চেনে। এদিনের এই পরিদর্শনে বিধায়িকা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের চেয়ারম্যান রুপক সরকার, কাউন্সিলর বিমল রক্ষিত, দপ্তরের আধিকারিক সহ অন্যান্যরা ।