প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া :- রাজ্যের পঞ্চায়েত ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একযোগে প্রশাসনিক বৈঠকে ব্যস্ত মন্ত্রী কিশোর বর্মন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি গত ৭ আগস্ট ধলাই জেলায় এসে জেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং ব্লক স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনায় অংশ নেন।
সভায় প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও পঞ্চায়েত স্তরের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা। মন্ত্রী কিশোর বর্মন পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয়, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত হলো গ্রামীণ উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি, তাই এখান থেকে পরিবর্তনের সূচনা হওয়া উচিত।আলোচনায় আরও উঠে আসে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বচ্ছ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি সেবার প্রাপ্যতা বৃদ্ধির বিষয়। মন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন যে, উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুর্নীতি বা অবহেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাধিপতি সুস্মিতা দাস, বিধায়ক শম্ভু লাল চাকমা, বিদায়িকা স্বপ্না দাস পাল, সহকারী অনাদি সরকার এবং জেলার চার মহকুমার আধিকারিকসহ মহকুমার জনপ্রতিনিধিগণ। মন্ত্রী কিশোর বর্মনের এই সফর শুধু প্রশাসনিক নির্দেশনা দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি ছিল জনসংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তাঁর বক্তব্য ও আলোচনা ধলাই জেলার পঞ্চায়েত ও শিক্ষা খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।
admin
প্রতিনিধি, বিশালগড় ।। শুকনো গাঁজা উদ্ধার করলো বিশালগড় থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার গোপন খবরের ভিত্তিতে সুকান্ত কলোনি এলাকায় শুকনো গাঁজা সহ গাড়ি আটক করে পুলিশ। গাঁজার পরিমাণ ৯৮ কেজি। পুলিশের কাছে খবর ছিল শুকনো গাঁজা ভিনরাজ্যে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পুলিশ অভিযান শুরু করে। সুকান্ত কলোনিতে মারুতি কোম্পানির গাড়ি আটক করে পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ি রেখে পালিয়ে যায় ড্রাইভার। বহিঃরাজ্যে প্রচার করতে গাঁজা গুলি রেলস্টেশনের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পুলিশ গাড়িটিকে ধাওয়া করলে গাঁজা ভর্তি গাড়ি ফেলে পালিয়ে যায় গাঁজা কারবারিরা। পরবর্তী সময়ে ডিসিএম প্রসেনজিৎ দাসের উপস্থিতিতে গাঁজা পরিমাপ করে বিশালগড় থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন ওসি বিজয় দাস। ডিসিএম প্রসেনজিৎ দাস জানান পুলিশ গাঁজা সহ গাড়ি আটক করেছে। বাজেয়াপ্ত করা হয় সমস্ত আইন মেনে। গাড়িতে তল্লাশি হয় ডিসিএমের উপস্থিতিতে। ওসি বিজয় দাস জানান যেহেতু গাড়ি আটক হয়েছে তাই গাঁজা কারবারিকে আটক করা সহজ হবে। পুলিশ মামলা নিয়ে অপরাধীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।
কোচবিহারে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সেই সঙ্গে শুভেন্দুর কনভয়ে থাকা পুলিশের গাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। কোচবিহারের খাগড়াবাড়ি এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল উত্তেজনা ছড়ায়।পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করতে মঙ্গলবার কোচবিহারে আসেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে আগে থেকেই কালো পতাকা নিয়ে খাগড়াবাড়িতে জমা হয়েছিলেন তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা। শুভেন্দুর কনভয় ঢুকতেই লাঠি দিয়ে আঘাতের পাশাপাশি পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। শুভেন্দু যে গাড়িতে ছিলেন সেই গাড়ির পেছনের কাচ ভেঙে যায়। পাশাপাশি পুলিশের গাড়িও ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপর সেই কনভয় পৌঁছায় বিজেপির জেলা কার্যালয়ে। বর্তমানে সেখানেই রয়েছেন শুভেন্দু।
ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র এক প্রতিনিধি দল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সাথে সাক্ষাৎ করেন
- প্রেস বিবৃতিঃ ৪ আগস্ট রোজ সোমবার ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র এক প্রতিনিধি দল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রাজ্যের ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার বিভিন্ন সমস্যা সহ একাধিক দাবি দাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহার সাথে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তথ্য দপ্তর থেকে বিজ্ঞাপনের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান ।মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা দীর্ঘ সময় ধরে ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র প্রতিনিধি দলের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেন। পরবর্তী সময় মুখ্যমন্ত্রী ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র প্রতিনিধি দলের সদস্যদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র প্রতিনিধি দলে ছিলেন ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক মিডিয়া সোসাইটির সম্পাদক তথা নিউজ টুডে চ্যানেলের এডিটর সৌরজিৎ পাল, সহ-সম্পাদক তথা চিনি খরাঙ নিউজ চ্যানেলের এডিটর রঞ্জিত দেববর্মা, সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ তথা সার্চ ইন্ডিয়া টিএনএন চ্যানেলের এডিটর মনিষ সাহা, অফিস সেক্রেটারি তথা এশিয়ান টাইমস নিউজ চ্যানেলের এডিটর সমরেশ দে, সোসাইটির কার্যকারী সদস্য তথা স্যান্দন টিভি চ্যানেলের এডিটর অভিষেক দে, কার্যকরী সদস্য তথা রাইস ইস্ট টিভি চ্যানেলের এডিটর সোমেন দেব, খুমপুই টিভি চ্যানেলের এডিটর মানস দেববর্মা এবং রাইজিং ত্রিপুরা টিভি চ্যানেলের এডিটর হানিফ আলী। ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সাংবাদিক ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার স্বার্থে সহসাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
ভারতীয় জনতা পার্টির ৪৮ করমছড়া মণ্ডল কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া :- শনিবার করমছড়া কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত হল ভারতীয় জনতা পার্টির ৪৮ করমছড়া মণ্ডল কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি-র রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য। এছাড়াও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন ধলাই জেলা সভাপতি পতিরাম ত্রিপুরা, মণ্ডল সভাপতি সঞ্জিত দেববর্মা, এম.ডি.সি. সঞ্জয় দাস, বিমল কান্তি চাকমা সহ দলের জেলা ও মণ্ডল স্তরের নেতৃত্বরা। বৈঠকে মূল আলোচ্য বিষয় ছিল স্থানীয় স্তরে দলের সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে দলের সংযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ। রাজ্য সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য দলের কার্যকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, প্রতিটি কার্যকর্তাকে কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের জনমুখী ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। জনগণের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে দলের গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ানো সম্ভব বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, দলের প্রতিটি সদস্যকে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বজায় রেখে, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। সংগঠনের ভিত যত শক্তিশালী হবে, দলের ভবিষ্যৎ তত উজ্জ্বল হবে। মণ্ডল সভাপতি সঞ্জিত দেববর্মা তাঁর বক্তব্যে করমছড়া মণ্ডলে দলের বর্তমান সাংগঠনিক অবস্থা এবং কার্যক্রম তুলে ধরেন। তিনি জানান, দলের প্রতিটি স্তরের কার্যকর্তা সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে কাজ করছেন এবং ভবিষ্যতেও এই ধারা বজায় থাকবে। এই বৈঠকে দলের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, সাংগঠনিক দিকনির্দেশনা এবং জনসংযোগমূলক কর্মকাণ্ডের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। বৈঠকের শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, দলের জনভিত্তি সম্প্রসারণ এবং সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই ধরনের বৈঠক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হবে। দলের একাংশের মতে, এই বৈঠক করমছড়া মণ্ডলের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে, যা আগামিদিনে দলের কর্মপন্থা নির্ধারণে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
প্রতিনিধি মোহনপুর :- রাজ্যের নতুন প্রজন্মের চাষীদের ধান চাষে উৎসাহিত করতে এবার জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ। বৃহস্পতিবার সিমনা বিধানসভার ঈশানপুরে ধানের চারা রোপন করে নতুন প্রজন্মকে কৃষিকাজে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন মন্ত্রী।
ইতিমধ্যেই আউশ ধানের চারারোপন শুরু হয়েছে গোটা রাজ্য জুড়ে। বিশেষ করে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান এবং সুগন্ধি ধান চাষের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে কৃষি দপ্তর। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি সার বীজ প্রদান করেও সহায়তা করা হচ্ছে কৃষকদের। এইদিন এলাকার অন্যান্য জনপ্রতিনিধি এবং কৃষি দপ্তরের আধিকারিকদের সাথে নিয়ে মাঠে ধানের চারা রোপন করে কৃষিমন্ত্রী দাবি করেন ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে ত্রিপুরাতে ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়েছে। এরমধ্যে খরিফ মৌসুমে ৮৬৩০ হেক্টর এবং রবি মরশুমে মোট ২৬৩৭০ হেক্টর জমিতে ধানের চাষ হয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন বর্তমানে রাজ্যের ৫৮টি ব্লকের মধ্যে ৩০ টি ব্লক খাদ্যের স্বয়ংসম্পূর্ণ। তিনি রাজ্যের সমস্ত অংশে কৃষকদের আহ্বান করেছেন প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি কাজে আয় বৃদ্ধি করতে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য। পাশাপাশি দপ্তর সমস্ত কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা করার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী।
প্রতিনিধি মোহনপুর:- ত্রিপুরা থেকে গাঁজা নিয়ে বহিঃ রাজ্যে যাওয়ার সময় গ্রেফতার বহিঃ রাজ্যের দুই অভিযুক্ত। শনিবার লেফুঙ্গা থানার অন্তর্গত লেম্বু ছড়ার নাকা পয়েন্টে একটি যাত্রীবাহী বাস থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২০ কিলো গাঁজা। পাশাপাশি দুই মহিলা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অন্যান্য দিনের মতো লেম্বুছড়া নাকা পয়েন্টের সামনে যানবাহনে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ। শনিবার দুপুরে মোহনপুর আগরতলা সড়কের একটি বাসে তল্লাশি চালানোর সময় একটি সন্দেহজনক ব্যাগ উদ্ধার করে পুলিশ। ব্যাগের ভেতর ছিল মোট কুড়ি কিলো অবৈধ গাঁজা। এই গাঁজার সাথে জড়িত দুই মহিলা অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হল মাম্পি দেব এবং ঝিলমি দেব। অভিযুক্তদের বাড়ি আসামের করিমগঞ্জে। মোহনপুর থেকে এই অবৈধ গাঁজা নিয়ে করিমগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল তারা। মোহনপুরের শনি তলা এলাকার এক গাঁজা ব্যবসায়ী কাছ থেকে এই গাঁজা গুলো ক্রয় করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন অভিযুক্তরা। লেফুঙ্গা থানার ওসি সহদেব দাস জানান অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে এনডিপিএস ধারায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই গাঁজার মূল মালিক কে এবং কোথায় থেকে আনা হয়েছিল সেগুলো খুঁজে বার করা হবে।
ধর্মনগর প্রতিনিধি,,আজ ত্রিপুরা রাজ্য মহিলা কমিশনের উদ্যোগে আজ যুবরাজনগর আর ডি ব্লকের কমিউনিটি হলে এক সচেতনতামূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল “মাদক দ্রব্যের অপব্যবহার এবং তার পরিবারের উপর প্রভাব বাল্যবিবাহ ও মহিলা সুরক্ষা “।অনুষ্ঠানটি শুরু হয় আনুমানিক বেলা বারোটা নাগাদ। এতে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা রাজ্য মহিলা কমিশনের মাননীয়া চেয়ারপার্সন শ্রীমতী ঝর্না দেববর্মা তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে মাদকের ভয়াবহতা, বিশেষ করে পরিবারে নারীদের উপর এর প্রভাব সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “মাদক কেবল একজন ব্যক্তিকে নয়, একটি সম্পূর্ণ পরিবারকে ধ্বংস করে দিতে পারে। নারীরা পরিবারে মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেন, তাই মাদকবিরোধী সচেতনতা তাদের মধ্যে আরও ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। পরে বাল্যবিবাহ এবং নারী সুরক্ষা নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা করেন এই অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেনকমিশনের সদস্যা রত্নাদেবনাথ, জেলা সভাপতি কাজল দাস,সমাজসেবী রূপালী অধিকারী, ব্লক চেয়ারম্যান অপর্না সিংহ দেব নাথ,মলিনা নাথ সহযুবরাজনগর ব্লকের অধিকাংশ মহিলাদের উপস্থিত ছিল লক্ষণীয়।
শান্তি বাজার প্রতিনিধি :মঙ্গলবার শান্তির বাজার থানা সংলগ্ন এলাকায় রুটিন তল্লাশী চালায় শান্তির বাজার থানার পুলিশ। এরইমধ্যে আগরতলাথেকে সাব্রুম মনুবলকুলগামী টি আর ০৭ ১২০৩ নাম্বারের কুয়েশা কৃষ্টি নামক বাসে তল্লাসী চালাতেগিয়ে এক যাত্রী কথাবার্তায় সন্দেহজেগে তল্লাশী চালায় শান্তির বাজার থানার পুলিশ। সন্দেহজনক তল্লাশিচালিয়ে শ্যামল সরকার (৪৩) নামে যাত্রীর কাছথেকে ৫ পেকেট গাঁজা উদ্ধার করাহয়। জানাযায় প্রতি পেকেটে ২ কেজিকরে মোট ১০ কেজি গাঁজা উদ্ধারকরাহয়। ঘটনার পরবর্তী সময় মহকুমা শাসকের কার্যালয়থেকে ডি সি এম পবিত্র দাস ও ফরেন্সিক টিমের উপস্থিতিতে গাঁজাগুলি পরিক্ষা করাহয়। সমস্ত আইনি পক্রিয়া শেষে গাঁজা সহ শ্যামল সরকার নামে যাত্রীকে গ্রেপ্তার করাহয়। জানাযায় শ্যামল সরকার বিশ্রামগঞ্জ বরজলা এলাকার বাসিন্দা। সে এই গাঁজা গুলি বিশ্রামগঞ্জ থেকে সাব্রুম মনুর উদ্দ্যোশ্যে নিয়ে যাচ্ছিলো। শান্তির বাজার থানার ওসি আশুতোষ শর্মা, মনপাথর ফাঁড়ী থানার ওসি জয়ন্ত দাস ও মহকুমার পুলিশ আধিকারিক বাপি দের্বমার যৌথ উদ্দ্যোগো আজকের অভিযান চালানোহয়। জানাযায় পুলিশের এইধরনের অভিযান আগামীদিনেও জারী থাকবে। আজকের এই সাফল্যের কথা সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান শান্তির বাজার থানার ওসি আশুতোষ শর্মা।
ধর্মনগর প্রতিনিধি : রবিবার সকালে মুষলধারে দু-তিন ঘন্টা বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন জায়গায় জল জমে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যে জেলরোড ব্যতীত অন্যান্য জায়গার জল নেমে যায়। সকাল থেকে দুপুর দুপুর থেকে সন্ধ্যার পরেও সংবাদ লেখা পর্যন্ত জেল রোড এলাকায় বাড়িঘর সহ রাস্তার উপর দিয়ে আটো সমান জল রয়েছে । কিছু কিছু স্থানে তো যত সময় যাচ্ছে ততই জল বেড়ে যাচ্ছে হতবাক এলাকাবাসী। কিছুদিন পূর্বে প্রবল দর্শনে রাজ্যের সাথে ধর্মনগর শহরে নদী সংলগ্ন এলাকা গুলি প্লাবিত হয়েছিল কিন্তু কোন বন্যা কবলে মানুষকে পড়তে হয়নি। বিভিন্ন সময় দেখা গেছে পুরো পরিষদের থেকে বিভিন্ন মাস্টারপ্লেন তৈরি করছেন কিভাবে জেলরোড এলাকাতে বৃষ্টির ফলে জল না জমে। ডজার দিয়ে অনেক ট্রেন দখল করে রাখা বাড়িঘর দোকানপাটের সামনের থেকে মাটি ও খনন করে পরিষ্কার করে দিয়ে ড্রেনের পরিধি বড় করেছেন তারপরেও জেলরোডের মানুষের দুর্দশা কমছে না। বর্তমানে সমগ্র জেলরোড বাসীএই জলের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ চাইছে।