- প্রতিনিধি, উদয়পুর :- গতবছরের বন্যার সময় উদয়পুরের ছনবন এলাকায় নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উদ্যোগে নদীর পাড়ে বোল্ডার বসানো হয়। আজ সরেজমিনে এলাকাটি পরিদর্শন করে ওই কাজের অগ্রগতি ও মান যাচাই করেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে একটি নদীঘাট নির্মাণের সম্ভাবনা নিয়ে পর্যালোচনা করেন তিনি। ২০২৪ সালের একুশে আগস্ট এক ভয়াবহ বন্যার সাক্ষী হয়েছিল গোটা উদয়পুরবাসী। একই সাথে ছনবন এলাকায় নদী ভাঙ্গনের ফলে তিনটি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে নদীগর্ভে চলে যায়। দিশেহারা হয়ে পড়েছিল সেই সময় মানুষজন। পরবর্তী সময় রাধা কিশোরপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায় এই নদী ভাঙ্গন রোধ করার জন্য বোল্ডার বসানোর সিদ্ধান্ত নেই। বর্তমানে সম্পূর্ণ কাজ সমাপ্তি ঘটে। আজ সকালে ঘন কুয়াশার মধ্যেই এলাকা পরিদর্শনে যান তিনি। কথা বলেন এলাকাবাসীদের সাথে। মন্ত্রীর এই ধরনের উদ্যোগের ফলেই বেঁচেছে গোটা এলাকাটি । মনে করছে উদয়পুর পৌর এলাকাবাসী।
admin
ধর্মনগর প্রতিনিধি,,আজ উত্তর জেলার দামছড়া থানার পুলিশের নেশা বিরোধী অভিযানে
সাফল্য পেল ।উত্তর জেলার দামছড়া থানাধীন উরিয়াচেরা এলাকা থেকে।ঘটনার বিবরণে জানা যায় আজ রাতে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে
দামছড়ার থানার পুলিশ জানতে পারে, যে উনান জয় রিয়াং এর বাড়িতে প্রচুর পরিমাণ হিরোইন মজুদ করে রাখা আছে। সেই গোপন খবরের ভিত্তিতে দামছাড়া থানার পুলিশ যখন উনান জয়র ইয়াং এর বাড়িতে তল্লাশি চালায় তখন তারা তিনটি সাবানের কেইছে মোট ৩৩ গ্রাম হিরোইন বাজেয়াপ্ত করে। তারি সাথে উনান জন রিয়াং, বয়স ২৪,পিতা সদাই রাম রিয়াং।
এবং এই উনাঞ্জয়ের ইয়াং এর বাড়িতেই উপস্থিত থাকা 2) জিল্লুল আহমেদ বয়স 28,পিতা মৃত জালাল উদ্দিন।
বাড়ি বাজারঘাট, কোটামনি, পিএস-বাজারিচেরা, জেলা শ্রীভূমি, আসাম
আটককৃত হেরোইনের। আনুমানিক কালোবাজারিমূল্য প্রায় ৩থেকে ৪ লক্ষ টাকা বলে জানা গেছে।
পুলিশ অভিযানে হিরোইন সহ ২ যুবক এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করেছে।
এ বিষয়ে দামছড়া থানার পুলিশ জানান, সীমান্ত এলাকায় অবৈধ মাদক পাচার রোধে পুলিশি নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। চলতি ঘটনায় NDPS আইনে একটি মামলা রুজু করে তাদের গ্রেফতার করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ ।আগামীকাল তাকে কোর্টে তোলা হবে বলে খবর।
ধর্মনগর প্রতিনিধি : আজ ধর্মনগর থানার টিম গোপন সূত্রের ভিত্তিতে। ধর্মনগর রেল স্টেশন রোড এলাকা থেকে নেশা বিরোধী অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল ধর্মনগর থানার পুলিশ। গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে গোয়েন্দা শাখার বিশেষ অভিযানে এক মহিলাকে আটক করা হয়। এই ধৃত মহিলার নাম, শুক্লা দেবনাথ, (পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় স্বামীর সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে তারা একসাথে থাকেন না) পিতা দ্বিজেন্দ্র দেবনাথ বয়স ৩৭ বছর,বাড়ি কমলাসাগর দেবিপুরে। তবে বর্তমানে তিনি আগরতলার চন্দ্রপুর এলাকায় বসবাস করছিলেন। পুলিশে প্রাথমিক জিজ্ঞাসা বাদে জানা গেছে, ধর্মনগরের রাজবাড়ী এলাকায় এই মহিলাকে আজকে সকালে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।তারপরই পুলিশের সন্দেহ জাগে এবং পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তারপর তল্লাশি চালাতেই শুক্লা দেবনাথের কাছ১০ টি প্যাকেট থেকে মোট ১৯৬০টি ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে পুলিশ । যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১০ থেকে ১২ লক্ষ টাকা হবে। আটক করার সময় আইন অনুসারে ডি সি এম, ফরেনসিক টিমও উপস্থিত ছিলেন। আজকে এই নেশা বিরোধী অভিযানে গোয়েন্দা দপ্তরের সহযোগিতায় এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন ধর্মনগর থানার ওসি এবং উনার টিম । এই আটককৃত মহিলাকে ধর্মনগর থানার গ্রেফতার করে ঘটনার পরই ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ এই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত মহিলা শিকার করেছে সে আজকেই আগরতলা থেকে ধর্মনগরে এসেছে।আরো জানা যায় এই মহিলা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেশা দ্রব্য পাচার করে রাজ্য এবং বহিরাজ্যে। বর্তমানে পুলিশ পুরো ঘটনার পেছনে আর কে কে জড়িত রয়েছে সেই ব্যাপারে তদন্ত চালাচ্ছে। এখন তদন্তের মাধ্যমেই উঠে আসবে আসল তথ্য বলেই আশা।
প্রতিনিধি, বিশালগড়, ৯ ডিসেম্বর।। বিশালগড়ে সাঙ্গ হলো বিজেপির ছ’দিন ব্যাপি একতা পদযাত্রা। গত চার ডিসেম্বর থেকে ঐক্যবদ্ধ উন্নত শ্রেষ্ঠ বিশালগড় গড়ার আহবানে একতা পদযাত্রা শুরু হয়। বিশালগড়ের গ্রাম থেকে শহর অলিগলি মেঠো পথ পরিক্রমা করে এই পদযাত্রা। কার্যকর্তা এবং সাধারণ মানুষের ব্যাপক উচ্ছ্বাস পরিলক্ষিত হয় একতা পদযাত্রা কে কেন্দ্র করে। মঙ্গলবার পদযাত্রা শেষ অনুষ্ঠিত হয় জনসমাবেশ। মন্ডল কার্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত জনসভায় কার্যত জনঢল পরিলক্ষিত হয়। এখানেও নারী শক্তির জয়। জনসভা স্থল ভরিয়ে দিয়েছে বিশালগড়ের নারীরা। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক, স্থানীয় বিধায়ক সুশান্ত দেব, পুর পরিষদের চেয়ারম্যান অঞ্জন পুরকায়স্থ, পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন অতসী দাস, মন্ডল সভাপতি তপন দাস প্রমূখ। মঙ্গলবার অন্তিম দিনের পদযাত্রা নিউমার্কেট নেতাজীনগর আম বাগান প্রভৃতি এলাকা পরিক্রমা করে। নিউমার্কেট রামঠাকুর সেবা মন্দিরে আশীর্বাদ নেন বিধায়ক সুশান্ত দেব। গত ৪ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত টানা ছয় দিনের পদযাত্রা উন্নয়ন আর ঐক্যবদ্ধ বিশালগড়ের বার্তা ছড়িয়েছে। প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার পায়ে হেঁটেছেন বিধায়ক সুশান্ত দেবের নেতৃত্বে বিজেপির কার্যকর্তারা। পদযাত্রা অঙ্গ হিসেবে বুথে বুথে ছিল গ্রামীণ খেলার আয়োজন, বসে আঁকো প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মঙ্গলবার বিকালে পদযাত্রা সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক সুশান্ত দেব বলেন ২০২৩ সালে সিপিএম মুক্ত হয়েছে বিশালগড়। প্রতিটি সরকারি প্রকল্পের সুবিধা ঘরে ঘরে পৌঁছে যাচ্ছে। গলি থেকে রাজপথ সর্বত্র উন্নয়ন যজ্ঞ চলছে। সংগঠন এবং উন্নয়ন দুটোই চলছে সমানতালে। তিনি বলেন এই সাজানো বাগানে ছাগল ঢুকতে দেওয়া যাবে না। চোখ কান খোলা রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন এখানকার এক সিপিএমের নেতা সামাজিক মাধ্যমে বলেছিলেন বিহার না-কি দেশের দিশা ঠিক করবে । বিহারের মানুষ আবার এনডিএ সরকার প্রতিষ্ঠা করেছে। বিহারে নোটার থেকেও কম ভোট পেয়েছে সিপিএম। কংগ্রেস সিপিএমকে সারা দেশের মানুষ প্রত্যাখান করছে। বিশালগড়ের বিজেপির কার্যকর্তারা সজাগ রয়েছে। গণতান্ত্রিক উপায়ে ষড়যন্ত্রের জবাব দিতে প্রস্তুত রয়েছে বিজেপির কার্যকর্তারা। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিক বলেন আমার জীবদ্দশায় সিপিএমকে দেখতে চাই না। কারণ এই সিপিএম গনহত্যার অপরাধী। বীরচন্দ্র মনু থেকে শুরু করে কল্যাণপুর , সাব্রুম থেকে ধর্মনগর মানুষের রক্ত নিয়ে হোলি খেলেছে সিপিএম। এই বিশালগড়ে বিধায়ক পরিমল সাহা এবং গৌতম দত্ত খুন হয়েছে। সিপিএম যাদেরকে খুন করেছে সেই কংগ্রেসের নেতারা আজ সিপিএমের সঙ্গে হাত মিলিয়েছে।গত নির্বাচনে এদেরকে উচিত শিক্ষা দিয়েছে মানুষ। আগামী নির্বাচনেও বিজেপিকে কেউ রুখতে পারবে না। ৬ দিনব্যাপী পদযাত্রা সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে বিজেপির মন্ডল বুথ স্তরের কার্যকর্তা থেকে শুরু করে পঞ্চায়েতের জনপ্রতিনিধি পুরো পরিষদের কাউন্সিলর পঞ্চায়েত সমিতি এবং জেলা পরিষদের সদস্যরা। এদিন উপস্থিত কার্যকর্তাদের পুষ্প বৃষ্টিতে সম্মান জানান বিধায়ক সুশান্ত দেব।
শান্তির বাজার প্রতিনিধি :শুক্রবার জোলাইবাড়ী কমিউনিটিহলে লংতরাই গুড়া মশলার উদ্দ্যোগে দক্ষিন জেলার সমস্ত রিটেলারদের নিয়ে অনুষ্ঠীত করাহয় রিটেলার মিট ২০২৫ । প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্যদিয়ে আজকের অনুষ্ঠানের শুভসূচনা করেন জোলাইবাড়ী বিধানসভাকেন্দ্রের বিধায়ক তথা মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া। উদ্ভোধকের পাশাপাশি আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিতছিলেন জোলাইবাড়ী ব্লকের পঞ্চায়েতসমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত, লংতরাই গুড়া মশলা কোম্পানির কর্নধার রতন দেবনাথ, কোম্পানির জেনারেলম্যনেজার সুব্রত দেবনাথ সহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে বক্তবরাখতেগিয়ে মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়ে লংতরাই গুড়া মশলার কর্নধারকে এইধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন করাতে বিশেষ ধন্যবাদজানান। মন্ত্রী উনার বক্তব্যরাখতেগিয়ে জানান কোম্পানির কর্নধারের সঙ্গে কথা বলে জানতেপারেন গুড়া মশলা উৎপাদনেরজন্য বিভিন্ন সামগ্রীগুলি বহিঃ রাজ্য থেকে নিয়েআসতেহয়। এই সামগ্রীগুলি যদি রাজ্যে উৎপাদন করাহয় তাহলে কৃষকদের আয় দ্বীগুনকরাসম্ভব হবে। মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া জানান রাজ্যের কৃষি মন্ত্রীর সঙ্গে কথাবলবেন যাতেকরে গুড়া মশলার সামগ্রীগুলি রাজ্যে উৎপাদন করাযায়। রাজ্যসরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার চাইছে লোকাল ফর ভোকাল। এই লোকাল ফর ভোকালে লংতরাই গুড়া মশলার গুরত্ব রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া। লংতরাই গুড়া মশলার কোম্পানি থাকাতে অনেক বেকার যুবক যুবতিদের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী শুক্লাচরন নোয়াতিয়া। অনুষ্ঠানে বক্তাদের বক্তব্যশেষে লাকী ড্র কোপনের খেলা অনুষ্ঠীত হয়। এই খেলায় জয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলেদেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিবৃন্দরা। আজকের এই কর্মসূচী সম্পর্কে সংবাদমাধ্যমের সামনে জানান লংতরাইগুড়া মশলার কোম্পানির কর্নধার রতন দেবনাথ।
ধর্মনগর প্রতিনিধি,,আজ ভারত–বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী কাঞ্চনপুর মহকুমার ভান্ডারী মা প্রত্যন্ত সাগরপাড়া গ্রাম আজ পরিণত হয়েছিল এক মানবিক উদ্যোগের কেন্দ্রস্থলে। আনন্দবাজার থানার অন্তর্গত এই গ্রামে ১২৪ ব্যাটালিয়ন সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আয়োজন করে একটি বিনামূল্যের চিকিৎসা শিবির। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলা এই শিবিরটি পরিচালিত হয় ব্যাটালিয়ন কমান্ড্যান্ট শ্রী এস. বালাসুব্রহ্মণ্যমের নির্দেশে, যা ছিল বিএসএফ-এর নাগরিক কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
শিবিরে নেতৃত্ব দেন ১২৪ ব্যাটালিয়নের এসএমও ডাঃ ভেনি নুহ এবং পিএইচসি জুম্পুইয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ গুড্ডু দেববর্মা। দুই চিকিৎসক গ্রামবাসীদের সাধারণ রোগের কারণ, প্রতিরোধের পদ্ধতি, স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে বিস্তারিত পরামর্শ দেন। পাশাপাশি, বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ওষুধ বিতরণ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়।
গ্রামবাসীদের আগ্রহ ছিল চোখে পড়ার মতো—মোট ২৫০ জন মানুষ শিবিরে অংশ নেন। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাগরপাড়া গ্রামের প্রধান শ্রী ক্ষেত্র মোহন রিয়াং সহ বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি। বিএসএফ-এর পক্ষ থেকে শিবিরে অংশ নেন শ্রী অনিল বোধ, ২ আইসি সহ ০২ জন কর্মকর্তা, ০৮ জন অধস্তন কর্মকর্তা এবং ৩৫ জন জওয়ান।
শিবির শেষে স্থানীয় মানুষের সন্তুষ্টি ছিল স্পষ্ট। গ্রামবাসীরা বিএসএফ-এর এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও সীমান্তবর্তী অঞ্চলগুলিতে এরকম আরও স্বাস্থ্য শিবির আয়োজনের অনুরোধ জানান।
মানবিকতার এই কর্মসূচি আবারও প্রমাণ করল—সীমান্ত রক্ষার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনমান উন্নত করতেও বিএসএফ সর্বদা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ধর্মনগর প্রতিনিধি : অবশেষে শুরু হলো ধর্মনগরের তিন নম্বর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় রাস্তার কাজ ।
বিগত দুই দিন আগে তিন নম্বর ব্রিজ এলাকায় একই দিনে পরপর চারটি দুর্ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। তারপর এলাকাবাসী রাতের বেলা পথ অবরোধ করেন।মুহূর্তের মধ্যেই ছোট বড় সকল ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায় । পুলিশও আসে সেই অবরো স্থলে এবং পরিস্থিতি সামল দেয়। তার সাথে অবরোধ স্থলে পৌঁছান বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার বেহাল অবস্থার অভিযোগ তুলে গ্রামবাসীরা নিরাপদ চলাচলের দাবি জানান। জনপ্রতিনিধিদের আশ্বাসদেন পরেরদিন থেকেই কাজ শুরু হবে। অবশেষে অবরোধ তুলে নেন গ্রামবাসীরা। কথা ছিল পরের দিন থেকে শুরু হবে রাস্তার কাজ অবশেষে অবরোধ প্রত্যাহারের দুদিন পরই সংবাদ মাধ্যমের সামনে ধরা পড়ল দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়া সেই জায়গাতেই শুরু হয়েছে রাস্তার মেরামতের কাজ। জনপ্রতিনিধিরা কথা দিয়েই কাজ শুরু করেছেন বলে জানান এলাকাবাসী।
স্বর্ণকমল জুয়েলার্স তাদের আগরতলা শোরুমে একটি পেশাদার অগ্নি ও দুর্যোগ নিরাপত্তা প্রদর্শনী মহড়া আয়োজন করেছে
আগরতলা প্রতিনিধি : স্বর্ণকমল জুয়েলার্স তাদের আগরতলা শোরুমে একটি পেশাদার অগ্নি ও দুর্যোগ নিরাপত্তা প্রদর্শনী মহড়া আয়োজন করেছে, যা গ্রাহক, দর্শনার্থী এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতি তাদের দৃঢ় অঙ্গীকারকে আরও একবার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই মহড়াটি পরিচালনা করা হয়েছিল ত্রিপুরা ফায়ার অ্যান্ড এমার্জেন্সি সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের নিরাপত্তা ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায়, যারা শোরুম কর্মীদের জরুরি পরিস্থিতিতে প্রতিক্রিয়া জানানো, নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া এবং অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন।এই উপলক্ষে স্বর্ণকমল জুয়েলার্সের প্রতিষ্ঠাতা শ্রী গোপাল চন্দ্র নাগ বলেন, “স্বর্ণকমল জুয়েলার্সে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের প্রকৃত দীপ্তি শুধুমাত্র গয়নার মধ্যেই নয়, বরং সেই যত্ন ও নিরাপত্তার মধ্যেও নিহিত যা আমরা প্রতিটি দর্শনার্থীর জন্য নিশ্চিত করি। নিরাপত্তা শুধুই একটি প্রটোকল নয়—এটি আমাদের দায়িত্ব।”ত্রিপুরা ফায়ার অ্যান্ড এমার্জেন্সি সার্ভিসেস ডিপার্টমেন্টের অফিসার-ইন-চার্জ স্বর্ণকমল জুয়েলার্সের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন এবং বলেছেন যে এই প্রতিষ্ঠানটি অন্যান্য ব্যবসায়িক সংস্থার জন্য একটি অনুকরণীয় উদাহরণ স্থাপন করেছে।প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে যে, ভবিষ্যতেও এই ধরনের নিরাপত্তা মহড়া নিয়মিতভাবে আয়োজিত হবে, যাতে সকল গ্রাহক ও কর্মীদের জন্য একটি নিরাপদ ও সুরক্ষিত পরিবেশ বজায় রাখা যায়।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-জল সম্পদ দপ্তর কৈলাসহর বিভাগের তত্ত্বাবধানে ফটিকরায় বিধানসভার রাইসিংপাড়া এলাকায় নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধে উন্নয়নমূলক কাজ হয়।অভিযোগ মূলে জানা যায়,এই কাজ অনেক আগেই সম্পন্ন হলেও ওয়াটার রিসোর্স দপ্তর কাজের বিল দেয়নি।গত ৮ই অক্টোবর সন্ধ্যায় কতিপয় দুষ্কৃতিকারী রণজয়ের কুমারঘাট স্থিত বাসভবনে হামলা চালায় এবং মন্ত্রীর নাম ব্যাবহার করে।এরপর উভয়পক্ষের মধ্যে বচসা হয় বলে জানা যায়।এনিয়ে সামাজিক মাধ্যমে যে বাইট দিয়েছে রনজয় দেববর্মা তার সাথে বাস্তবের সঙ্গে কোন মিল নেই।কিন্তু নিজের দোষ ঢাকতে গিয়ে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রনজয় দেববর্মা ফটিকরায়ের বিধায়ক তথা প্রানী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস ও ওনার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা হিমাংশু দাসের নাম উল্লেখ করায় এনিয়ে জনমনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।আজ বিকেলে ঊনকোটি জেলা ঠিকাদার সংঘের উদ্যোগে শতাধিক ঠিকাদার কৈলাসহর থানায় বাস্তকার রনজয় দেববর্মার বিরুদ্ধে ডেপুটেশন প্রদান করে।এরপর আজ সন্ধ্যায় ঊনকোটি কলাক্ষেত্রে ঠিকাদার সংঘের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়।উপস্থিত ছিলেন ঠিকাদার সংঘের সদস্য ভাস্কর রায়,দীপেন্দ্র মালাকার,বিমলেন্দু পাল,সুব্রত ঘোষ,প্রশান্ত সরকার এবং অজিত আচার্য্য।সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ঠিকাদার ভাস্কর রায় বলেন,সরকারি নিয়ম অনুযায়ী কোন কাজের চুক্তি হয় দপ্তর এবং ঠিকাদারি এজেন্সির মধ্যে।সেখানে মন্ত্রী সুধাংশু দাসের নাম উল্লেখ করে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রনজয় দেববর্মা পরিকল্পিতভাবে উনাকে হেয় প্রতিপন্ন করেন।বামমার্গী বাস্তুকার রনজয় দেববর্মার এহেন বক্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে ঠিকাদার সংঘ।একই সাথে সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে ঠিকাদার সংঘের তরফ থেকে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয় রণজয় দেববর্মাকে।এই মিথ্যা বক্তব্যের স্বপক্ষে ওনাকে যুক্তি দেখাতে হবে, নতুবা সংঘের তরফে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান ভাস্কর বাবু। এই সাংবাদিক সম্মেলনে রণজয়ের অনেক কীর্তিকলাপও তুলে ধরা হয়। যে কোন কাজ করতে গেলে তাকে কুড়ি শতাংশ কমিশন দিয়ে কাজ করতে হয়।নতুবা তিনি কোন বিলে সই করেন না।এখানেই শেষ নয় ঠিকাদার সংগঠনের তরফে গুরুতর অভিযোগ আনা হয় যে,জল সম্পদ বিভাগের ডিভিশন-৬ শাখায় সরকার প্রদত্ত ১০ কোটি টাকা থাকলেও এই শারদীয় উৎসবে ঠিকাদারদের বিল দেয়নি এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রনজয় দেববর্মা। তাকে কমিশন না দিলে কোন বিল দেওয়া হবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।এর ফলে পুজোর আনন্দ থেকে বঞ্চিত হয় এই কাজের সাথে যুক্ত কর্মীরা।সরকারের নির্দেশিকাকে অমান্য করে এই টাকা অব্যায়িত রেখে কি বুঝাতে চাইছে রনজয় বাবু?এ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে ঠিকাদার সংগঠন।রণজয়ের বিরুদ্ধে উত্থাপিত এই সংক্রান্ত বিষয়ে সংগঠনের তরফে সামগ্রিক বিষয়ের সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করা হয়েছে পূর্তমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহার কাছে।ভাস্কর রায় উনার বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন সম্প্রতি রনজয় দেববর্মা সাংবাদিকদের দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন গত ৮ই অক্টোবর উনার উপর প্রাণঘাতী হামলা সংঘটিত হয়েছে এবং নিগৃহীত করা হয়েছে।কিন্তু উনার বক্তব্যের স্বপক্ষে উনি থানায় যে অভিযোগ দিয়েছেন সেখানে এ ধরনের কোন প্রমাণ দিতে পারেনি।এখানেই শেষ নয় ঊনকোটি জেলায় উনি দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই কখনো দপ্তরের সামনে ক্ষোভের মুখে বাইক পোড়ানো,কখনো প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকদের সামনেই কাজে গাফিলতির জন্য স্থানীয়দের দ্বারা নিগৃহীত হয়েছিলেন।যা থেকে প্রমাণিত হয় উনার দায়িত্বে যথেষ্ট গাফিলতি রয়েছে এবং দপ্তরকে কালিমালিপ্ত করা তার পরিকল্পিত কাজের ধারাবাহিক প্রতিফলন।