41
- প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ২৪ মার্চ:- সোমবার গোটা রাজ্যের সাথে তাল মিলিয়ে রাইমাভ্যালী মন্ডলেও “বিকশিত ভারতের বিকশিত বাজেট” উপলক্ষে এক বিশাল রেলীর আয়োজন করা হয়। জনকল্যাণমুখী ও জনহৈতেষী বাজেট পেশের জন্য রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাতে এই রেলী অনুষ্ঠিত হয়। রেলীটি মন্ডল কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে গন্ডাছড়া বাজার এলাকার বিভিন্ন পথ পরিক্রমা করে মধ্যবাজারে এসে এক পথসভায় মিলিত হয়। এই বিশাল রেলী ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির রাজ্য সম্পাদক তথা এমডিসি ভূমিকানন্দ রিয়াং, ধলাই জেলা সভাপতি পতিরাম ত্রিপুরা, প্রদেশ মহিলা মোর্চার সভানেত্রী সতী চাকমা, কৃষাণ মোর্চা রাজ্য কমিটির সদস্য গোপাল সরকার, রাইমাভ্যালী মন্ডল সভাপতি ধন্য মানিক ত্রিপুরা, প্রাক্তন মন্ডল সভাপতি সমীর রঞ্জন ত্রিপুরাসহ মন্ডল ও বিভিন্ন মোর্চার নেতৃবৃন্দ। পথসভায় বক্তারা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ডাক্তার মানিক সাহা ও তার মন্ত্রিসভার জনমুখী বাজেট পেশের প্রশংসা করেন। তারা বলেন, এই বাজেট সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কথা চিন্তা করে প্রণয়ন করা হয়েছে, যা রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
বাজেটে সরকারি কর্মচারীদের জন্য ৩ শতাংশ ডিএ ঘোষণা করা হয়েছে, যা তাদের আর্থিক সুরক্ষা আরও নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করলে তার জন্য ৫০ হাজার টাকার বীমা প্রকল্প চালু করা হয়েছে, যা নারীর ভবিষ্যৎ সুরক্ষায় এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
তাছাড়া, বাজেটে কৃষি, শিক্ষা, শিল্প, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী এবং মহিলাদের উন্নয়নে একাধিক জনহিতকর প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। রাজ্যের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে এই বাজেট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে বক্তারা মনে করেন। এদিনের রেলী ও পথসভাকে ঘিরে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। তাঁরা ব্যানার, পতাকা ও স্লোগানের মাধ্যমে সরকারের উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানান। সরকারের জনহিতকর বাজেট ঘোষণার জন্য মুখ্যমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয় এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নমুখী পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
“বিকশিত ভারতের বিকশিত বাজেট” উপলক্ষে আয়োজিত এই রেলী ও পথসভা জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও উদ্দীপনার মাধ্যমে সফলভাবে সম্পন্ন হয়। এটি প্রমাণ করে যে, রাজ্য সরকার কর্তৃক গৃহীত নীতি ও পরিকল্পনাগুলি জনসাধারণের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। ভবিষ্যতে এই ধরনের আরও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করা যায়, যা রাজ্যের অগ্রগতিকে আরও শক্তিশালী করবে।