প্রতিনিধি ধর্মনগর,,অনুপ্রবেশ যেন কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না। প্রায় আটক মাস পূর্বে অবৈধ ভাবে
বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে বিভিন্ন এলাকায় বসবাস করে অবশেষে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর হাতে ধরা পড়ে এক বাংলাদেশী নাগরিক।ধৃত ব্যাক্তির নাম শেখ মোহাম্মদ রুখন মিয়া, বয়স ৪০,পিতা মৃত শেখ মোহাম্মদ সমির মিয়া,বাড়ি বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া থানার গৌরিশঙ্কর পোষাইনগর গ্ৰামে।
বিবরনে প্রকাশ,গত বছরের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতির কারণে দলেই সক্রিয় কর্মী তথা উক্ত বাংলাদেশী নাগরিক উত্তর ত্রিপুরা জেলার কোনো এক সীমান্ত ডিঙ্গিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। তখন থেকে দীর্ঘ প্রায় আট মাস অসমের পাথারকান্দি এলাকায় বসবাস করছিলো বলে জানায় সে। এরপর ধর্মনগরের কোনো এক ব্যাক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে সে ধর্মনগর শহরে আসে কাজের সন্ধানে। কিন্তু তাতেও সে ব্যার্থ হয়ে পুনরায় পাথারকান্দি ফিরে যাবার সময় ধর্মনগর আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনাল থেকে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জোয়ানরা তাকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাকড়াও করে। মঙ্গলবার ধৃত বাংলাদেশীকে কদমতলা থানায় সমঝে দেয় রানীবাড়িস্থিত ই-কোম্পানির ৯৭নং ব্যাটেলিয়নের জোয়ানরা।
পুলিশ ধৃত বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে ২৩/২৫ নম্বরে ও ১৪৩(২)বিএনএস ২০২৩ এবং ১৯৬৭ সালের পাসপোর্ট আইনের ৩/১২(১) ধারায় একটি মামলা রুজু করেছে। আগামীকাল তাকে জেলা আদালতের সোপর্দ করা হবে বলে জানা যায়।
এদিকে,ধৃত বাংলাদেশী নাগরিক জানায় পঁয়ত্রিশ হাজার টাকার বিনিময়ে উত্তর জেলার কোন এক সীমান্ত দিয়ে সে ভারতে প্রবেশ করেছে। তবে সে সঠিক সীমান্তের নাম বলতে পারেনি কখনো বলছে রাগনা সীমান্ত আবার কখনও বা ব্রজেন্দ্রনগর সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। তবে পুলিশও সন্দেহজনক ভাবে একান্ডে জড়িত দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে মানব পাচারের সন্দেহে। অপরদিকে আরো জানাগেছে ধৃত এই ব্যক্তিকে জোয়ানরা বিভিন্ন থানার হাতে সমঝে দিতে গেলেও থানা কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশী ব্যক্তিকে সমঝে নি। অনেক নাটক মঞ্চস্থ করার পর মঙ্গলবার কদমতলা পুলিশের হাতে সমঝে দেওয়া হয় ধৃতকে।
দীর্ঘ আট মাস অবশেষে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে আটক এক বাংলাদেশী।।
150
previous post