প্রতিনিধি, উদয়পুর :- দিন দুপুরে উদয়পুরে আক্রান্তের শিকার হল চারজন স্কুল পড়ুয়া ছাত্র । ঘটনা উদয়পুর জামজুরী- খিলপাড়া সড়কে । ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে স্কুল পড়ুয়া ছাত্র শুভ্রদীপ দাস জানান , বৃহস্পতিবার বিকেল চারটা নাগাদ মির্জাতে নিজেদের পুরনো বাড়ি থেকে শুভদীপ উদয়পুরে ফেরার পথে তার উপর হঠাৎ করে দুই যুবক ইট পাটকেল মারতে শুরু করে । কেন তার উপর এই ধরনের ইট পাটকেল মারা হল সে বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে গিয়ে এবার আক্রমণের শিকার হয়েছে শুভ্রদীপ । তার সাথে থাকা আরও তিন বন্ধু তন্ময় দাস , দ্বীপ দে ও নাহার সরকার কিছু জিজ্ঞাসা করে করতেই তাদের ওপর হামলা চালায় দুই যুবক। কোনক্রমে স্কুল পড়ুয়া ছাত্ররা রাধা কিশোরপুর থানায় নিজেদের প্রাণ নিয়ে ছুটে আসে। পরে এই ঘটনায় পুলিশকে বিস্তারিত জানানো হলে রাধা কিশোরপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উদ্দেশ্যে রওনা দেয় গোটা ঘটনার তদন্ত করার জন্য। সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে এই ধরনের আক্রমণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় উদয়পুরে।
দেশ
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-
প্রতিনিয়ত ভারতের সীমান্ত পার হয়ে ভারতীয় বিএসএফের চোখে ফাঁকি দিয়ে রাজ্যে প্রবেশ করছে বাংলাদেশী নাগরিকরা । একদিকে যখন অস্থির পরিবেশ বিরাজ করছে বাংলাদেশে আর তখন রাজ্যে ঘাঁটি গেড়ে বসতে শুরু করেছে বাংলাদেশী নাগরিক। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তর থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশে যে বর্তমান অস্থির পরিবেশ চলছে তার মাঝে যেন কোন বাংলাদেশী নাগরিক সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলিতে প্রবেশ না করতে পারে সেদিকে নজর রাখার জন্য। কিন্তু তারপরেও প্রবেশ করছে বিভিন্ন বাংলাদেশী নাগরিকরা। রবিবার রাতে রাধা কিশোরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি সমর দাসের কাছে গোপন খবর আছে উদয়পুর শালগড়া এলাকায় দুজন বাংলাদেশি যুবক ঘুরাফেরা করছে। এই ঘটনা জানতে পেরে ওসি সমর দাস শালগড়া এলাকায় ছুটে গিয়ে রাতেই তাদেরকে গ্রেপ্তার করে । পুলিশ জানায় , বাংলাদেশী নাগরিক বিশ্ব দাস ও দেবাশীষ কুমার দাসকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসার পর সোমবার দুপুরে উদয়পুর জেলা আদালতে তাদেরকে সোপর্দ করা হয়েছে । পুলিশ জানিয়েছে, রাধা কিশোরপুর থানায় মামলা নম্বর ৩৬ এবং এই দুইজন বাংলাদেশী নাগরিকের কাছ থেকে কোন ধরনের বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। বর্তমানে পুলিশ গোটা বিষয়ে তদন্ত করছে এই দুইজন বাংলাদেশী কাদের বাড়িতে এসেছিল এবং কাদের সাথে যোগাযোগ রয়েছে শালগড়া এলাকায়। বাংলাদেশ নাগরিক গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শালগড়া জুড়ে ।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ২৮ ফেব্রুয়ারি:- ধলাই জেলার গন্ডাছড়া বাজারে শুক্রবার এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দ্বিতল বিশিষ্ট আধুনিক কৃষি বাজারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় বিধায়ক নন্দিতা দেববর্মা রিয়াং, এমডিসি ভূমিকানন্দ রিয়াং, সমাজসেবী পতিরাম ত্রিপুরা, ধন্য মানিক ত্রিপুরা, ডুম্বুর নগর ব্লক চেয়ারম্যান প্রেম সাধন ত্রিপুরা, ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ চাকমা, কৃষি দপ্তরের ডিরেক্টর ড. ফনিভূষণ জমাতিয়া, গন্ডাছড়া মহকুমা শাসক চন্দ্র জয় রিয়াং, মহকুমা কৃষি তত্ত্বাবধায়ক চন্দ্র কুমার রিয়াং, গন্ডাছড়া এগ্রি স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান নকল জয় ত্রিপুরা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে মন্ত্রী রতন লাল নাথ বলেন, রাজ্য সরকার কৃষকদের সর্বাধিক গুরুত্ব দিচ্ছে। তাই কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরে বিভিন্ন পদে প্রচুর সংখ্যক লোক নিয়োগ করা হবে। তিনি বলেন, “কোনো জমি যেন পতিত না থাকে। যদি ধান চাষ সম্ভব না হয়, তবে অন্য ফসল, ফল বা সবজি চাষ করা উচিত।”
তিনি আরও বলেন, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সরকার গ্রাম, গরিব ও কৃষকের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। তিনি মনে করেন, “কৃষকের উন্নতি হলেই দেশের প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব।”
মন্ত্রী বলেন, গন্ডাছড়া এখন আর প্রত্যন্ত এলাকা নয়। ধারাবাহিক উন্নয়নের ফলে এটি এখন যেকোনো মহকুমা শহরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে পারে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই নতুন কৃষি মার্কেট স্থানীয় কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানের এক আবেগঘন মুহূর্তে মন্ত্রী এক কৃষকের পা ছুঁয়ে প্রণাম জানান এবং বলেন, “কৃষকরা আমাদের অন্নদাতা, তাই তাদের যথাযথ সম্মান জানানো উচিত।”
কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের পক্ষ থেকে এদিন স্থানীয় দুইজন সুবিধাভোগীর মধ্যে দুটি পাওয়ার টিলার তুলে দেওয়া হয়। মন্ত্রী নবনির্মিত বাজারটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য আহ্বান জানান, যাতে এটি দীর্ঘদিন কৃষকদের উপকারে আসে।
নতুন এই বাজারের ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি বিক্রি করতে পারবেন, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত হবে। এটি শুধু অর্থনৈতিক নয়, সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-
রক্ত ছাড়া মানুষ বাঁচতে পারে না। সকলের কাছে এই রক্ত হচ্ছে একটি অমূল্য সম্পদ। রক্তদানের চেয়ে বড় উপহার আর কিছু হয় না। একজন রক্তদাতার রক্তদানের মাধ্যমে একজন নয়, আরও তিন-চারজন মানুষ উপকৃত হতে পারেন। আজ উদয়পুর ত্রিপুরা সুন্দরী মহকুমা হাসপাতালে কনফারেন্স হলে অল ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের গোমতী জেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত জেলা ভিত্তিক কনফারেন্স কাম রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে একথা বলেন উদয়পুর জিলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়। রক্তদান শিবিরে অতিথিরা রক্তদাতাদের সাথে মিলিত হয়ে তাদের উৎসাহ দান করেন।
রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করে সভাধিপতি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে রাজ্যের ব্লাড ব্যাঙ্কগুলিতে রক্তের স্বল্পতা দেখা দিয়েছিল। রক্তের এই চাহিদা এবং যোগানের মধ্যে অসমতা দূর করতে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন হাসপাতাল গুলিতে জনসাধারণকে রক্তদানে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানানো হয়। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে রক্তের স্বল্পতা দূর করতে রাজ্যের মানুষ যেভাবে এগিয়ে এসেছেন তা রক্তদানকে এক জনজাগরণে পরিণত করেছে। মানুষ মানুষের জন্য তা প্রমান করেছে। অল ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন গোমতী জেলা কমিটি পক্ষ থেকে আজকের দিনে এধরণের রক্তদান কর্মসূচি গ্রহণ করায় সভাধিপতি দেবল দেবরায় তাদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই ধরনের উদ্যোগ আগামীদিনেও অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।
বিধায়ক জিতেন্দ্র মজুমদার বলেন, রক্তের কোনও ধর্ম, লিঙ্গ বা রাজনৈতিক রং হয় না। রক্তদান মনে করিয়ে দেয় আমরা সবাই এক। রক্ত যাতে কোনও ভাবে নষ্ট না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রেখে রক্তের চাহিদা এবং যোগানের মধ্যে সমতা বজায় রাখতে হবে।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিধায়ক অভিষেক দেবরায়, বিশিষ্ট সমাজসেবী সবিতা নাগ, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার, অল ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট ডক্টরস এসোসিয়েশন গোমতী ডিভিশনের সভাপতি ডক্টর বিশ্বজিৎ পাল, অর্গানিজিং সেক্রেটার ডক্টর সৌমিক চক্রবর্তী, গোমতী জেলার চিফ মেডিকেল অফিসার কমল রিয়াং, অল ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ডাঃ কনক চৌধুরী, অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. প্রদীপ কুমার দেববর্মা সহ অন্যান্যরা। অল ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট ডাক্তার এসোসিয়েশন গোমতী জেলা কমিটির মোট ৫১জন কর্মচারী আজ রক্তদান করেন। ব্যাপক উৎসাহের মধ্য দিয়ে অল ত্রিপুরা গভর্নমেন্ট ডাক্তার এসোসিয়েশন গোমতী ডিভিশনের উদ্যোগে আজ এ রক্তদান শিবির কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই দিন জেলা শাখার পঞ্চম বার্ষিকী সম্মেলনে নতুন কমিটি গঠন করা হয় । সম্মেলনের মধ্য দিয়ে সর্ব সম্মতি ক্রমে আগামী দুই বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠন করা হয় । নতুন কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডাক্তার বিশ্বজিৎ পাল , সহসভাধিপতি ডক্টর জয়দ্বীপ দেববর্মা ও ডাক্তার সুকান্ত সাহা । কোষাধক্ষ্য নির্বাচিত হয়েছেন ডাক্তার সৌমিক চক্রবর্তী ও অডিটর ডঃ অজয় দাস । আগামী ৮ ই মার্চ এটি জিডিএ রাজ্য শাখার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে এই উপলক্ষে গোটা রাজ্যেই সাংগঠনিক কর্মসূচি শুরু হয়েছে ।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-ত্রিপুরা রাজ্যের কর্মচারী সংঘ ঊনকোটি জেলা কমিটির উদ্যোগে আজ কৈলাসহর ঊনকোটি কলাক্ষেত্রে অনুষ্ঠিত হয় ৩য় ত্রিবার্ষিক জেলা সম্মেলন। ভারত মায়ের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ প্রদান এবং প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও শ্রমিক গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সম্মেলন পর্ব।উদ্বোধনী মঞ্চে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের যুব বিষয়ক ক্রীড়া দপ্তর ও শ্রম দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়।বিশেষ অতিথি ছিলেন ত্রিপুরা সরকারের শিল্প ও বাণিজ্য দপ্তরের মন্ত্রী সান্তনা চাকমা।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান মবস্বর আলী,জেলা পরিষদের সদস্য তথা ভারতীয় জনতা পার্টির জেলা সভাপতি বিমল কর,পুর পরিষদের চেয়ারম্যান চপলা দেবরায়,ত্রিপুরা রাজ্য কর্মচারী সংঘের প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ বিশ্বাস,কোষাধ্যক্ষ রঞ্জন পাল,প্রদেশ সহ-সভাপতি দিলীপ ভৌমিক এবং ভারতীয় মজদুর সংঘের ঊনকোটি জেলা সভাপতি অসীম চাকমা।অনুষ্ঠান মঞ্চে সভাপতিত্ব করেন কর্মচারী নেতা প্রহ্লাদ দেবনাথ।স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক তথা নেতাজি বিদ্যাপীঠের শিক্ষক পার্থ সারথি দত্ত।বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী টিংকু রায় বলেন, ২০১৮ সাল থেকে ২৫ সাল অব্দি বিকশিত ভারত নির্মাণের অঙ্গীকারে ত্রিপুরার গ্রামীণ স্তরে যোজনা এবং প্রতি ঘরে সুশাসনের বার্তা পৌঁছে দিতে সরকারি কর্মচারীরাই বড় দায়িত্ব পালন করেছেন।এই সময় অব্দি ৭০ হাজারের মধ্যে ৪০ হাজার দিব্যাঙ্গ ভাইবোনদের ইউআইডি কার্ড প্রদান করা হয়েছে।বাম আমলে কোন সরকারি ফাইল মহকুমা থেকে মন্ত্রী হয়ে ঘুরে আসতে প্রায় ছয় মাস লাগতো।আজ এক ঘণ্টার মধ্যে ডিরেক্টরেট থেকে ফাইল আসে এবং মানুষের সমস্যার সমাধান করা হয়।২০১৪ সালের পূর্বে অর্থাৎ ৬৮ বছরে সারা ভারতবর্ষে ৫৮ হাজার কিলোমিটার জাতীয় সড়ক তৈরি করা হয়।।আর ২০১৪ সালের পর থেকে সারা ভারতবর্ষে দেড় লক্ষ কিঃমিঃ জাতীয় সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে।একটা সময় আর কে এই মাঠে জনসভার মাঠ ভর্তি করার জন্য বাগান শ্রমিকদের আনা হতো।অথচ তাদের মাথার উপরে ছাদ রয়েছে কিনা অন্ন,বস্ত্র,বাসস্থান রয়েছে কিনা সেদিকে বাম সরকার কখনোই চিন্তা করেনি।কারণ তাদের শোষণের মানসিকতা ছিল। আজ ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার এই সময়ের মধ্যে তিন হাজার জমির পাট্টা দিয়েছে।যার ফলে বাগিচা শ্রমিকরা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় ঘর পেয়েছে এবং শৌচালয় পেয়েছে।ওরাও আত্মনির্ভর ভারতের সমান অংশীদার হয়েছে।তিনি বলেন ২০১৪ সালের পূর্বে ভারতবর্ষে পাঁচটি রাজ্যে মেট্রোরেল ছিল।আজ এই দশ বছরে ২২টি রাজ্যে মেট্রোরেলের কাজ চলছে। এই মেট্রো রেল একটা সময় জাপানের প্রকৌশলীরা তৈরি করত,আর আজ ভারতের ছেলেমেয়েরা মেট্রো রেল তৈরি করছে এবং বিদেশে এক্সপোর্ট করছে।করোনা কারীন পরিস্থিতিতে ভারতেই ভ্যাকসিন তৈরি করা হয় এবং এই দেশীয় ভেকসিন ভারতবাসীকে দেওয়ার সাথে সাথে বিশ্বের ১০০টি দেশে বিনামূল্যে দেওয়া হয়েছে। একটা সময় বিদেশি কোম্পানির মোবাইল ভারতে এক্সপোর্ট হতো।আজ ভারতের ছেলেমেয়েরা ভারতে তৈরি এন্ড্রয়েড মোবাইল বিদেশে এক্সপোর্ট করেছে যেখানে ৩৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি রেভিনিউ এসেছে।সারা ভারতবর্ষে ৩৫০টিরও বেশি মেডিকেল কলেজ নির্মাণ হয়েছে এবং কিছু স্টেটে নির্মাণের কাজ চলছে।উত্তর পূর্বাঞ্চলে ২০১৪ সালের পূর্বে সাতটি বিমানবন্দর ছিল বর্তমানে ১৭ টি বিমানবন্দর রয়েছে।এই সরকার আসার পর ছয়টি জাতীয় সড়ক নতুন ভাবে তৈরি করা হয়েছে।স্বাস্থ্য পরিষেবার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আয়ুষ্মান কার্ড প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করা হয়েছে। কৈলাসহর আর জি এম হাসপাতালে ৫০ শয্যা বিশিষ্ট নেশা মুক্তি কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে এবং বিশ্রামগঞ্জ মহকুমায়ও এই নেশা মুক্তি কেন্দ্র হাসপাতাল তৈরির কাজ শুরু হবে।ডেন্টাল কলেজ নির্মাণের জন্য ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় চার লক্ষেরও বেশি ত্রিপুরাবাসী ঘর পেয়েছে। বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী সান্তনা চাকমা বলেন রাষ্ট্র এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই ভারতীয় জনতা পার্টির সরকারের মূল লক্ষ্য। সরকারের বিভিন্ন যোজনা এবং প্রকল্প গুলোকে রূপায়িত করেন কর্মচারী বন্ধুরাই।সরকারের সবকা সাত সবকা বিকাশের নীতিতে প্রায় চার লক্ষ লাখপতি দিদি হয়েছেন ত্রিপুরায়।ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্যের সাথে মানুষের গড় আয় যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে তেমনি ক্রমোন্নতির পথে এগিয়ে চলেছে ত্রিপুরাও।বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলা সভাপতি বিমল কর জানান, কর্মচারী হিতে কাজ করে চলেছে ত্রিপুরা রাজ্য কর্মচারী সংঘ।একটা সময় শোনা যেত ভেঙে দাও,গুড়িয়ে দাও, কলকারখানা বন্ধ করে দাও। আর আজ শ্রমিক হিতে রাষ্ট্র হিতে কাজ করছে এই সংগঠন।নিয়ম নীতি মেনে যেমন চাকরি দেওয়া হচ্ছে, তেমনি সুষ্ঠু বদলি নীতির মাধ্যমে কর্মচারীরাও উপকৃত হচ্ছেন।সম্মেলনের প্রথম পর্ব শেষ হবার পর নতুন কমিটি গঠনের প্রস্তাব রাখা হয়। নবনিযুক্ত জেলা সভাপতি হয়েছেন নিপুল দেবনাথ এবং সম্পাদক হয়েছেন পার্থ সারথি দত্ত।মহকুমা কমিটির সভাপতি হয়েছেন গৌতম চন্দ,সম্পাদক আশীষ দাস এবং ফাইনান্স সেক্রেটারি হয়েছেন প্রসেনজিৎ সিনহা।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :- উদয়পুর রেল স্টেশন থেকে কখনো বহি:রাজ্যে আবার কখনো রাজ্যে প্রবেশ করছে গাঁজা ভর্তি প্যাকেট । কারা পাচার করছে এই ধরনের গাঁজা ভর্তি প্যাকেট গুলি ? তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে প্রতিনিয়ত । বুধবার রাতে আগরতলা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস উদয়পুর স্টেশনে আসে যাত্রী নিয়ে । তখন বিএসএফ এবং স্থানীয় পুলিশ কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে তল্লাশি চালায় । তল্লাশি চালানোর সময় তাদের নজরে পড়ে তিনটি গাঁজা ভর্তি প্যাকেট । এই ঘটনা চোখে পড়তেই সাথে সাথে তিনটি প্যাকেট গাঁজা বাজেয়াপ্ত করে বিএসএফ এবং পুলিশ । পরে গাঁজা ভর্তি প্যাকেটগুলিকে রাধা কিশোর পুর থানায় নিয়ে আসা হয় । থানার সেকেন্ড ওসি সমর দাস জানায় , রেলের বগি থেকে এই প্যাকেট গুলি উদ্ধার হয়েছে কিন্তু কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি । যেভাবে উদয়পুর রেল স্টেশন দিয়ে গাঁজা পারাপার হচ্ছে তাতে করে গাঁজা মাফিয়ারা যোগাযোগের এক বড় মাধ্যম পাওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন জায়গা থেকে তাদের সাথে যোগাযোগ করে চলেছে বিভিন্ন ছোট বড় গাঁজা ব্যবসায়ীরা। রাজ্য সরকার নেশা মুক্ত ত্রিপুরা গড়ার যে ডাক দিয়েছিল সেই স্লোগানকে সামনে রেখেই পুলিশ ও বিএসএফ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে উদয়পুর রেলস্টেশনে গাঁজা উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া ১২ ফেব্রুয়ারি:- গন্ডাছড়ায় একটি ফুটবল মাঠ নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি অবশেষে পূরণ হতে যাচ্ছে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য বুধবার স্থান নির্ধারণের কাজ চূড়ান্ত করা হয়। এদিন এমডিসি ভূমিকানন্দ রিয়াং এবং গন্ডাছড়া মহকুমা শাসক চন্দ্র জয় রিয়াং উপস্থিত থেকে মহকুমার নারায়ণপুর আইটিআই কলেজের পাশে ফুটবল মাঠ নির্মাণের জন্য একটি স্থান চূড়ান্ত করেন। স্থানীয় জনগণ এবং ক্রীড়া প্রেমীদের জন্য এটি একটি সুখবর।
মহকুমায় ফুটবল মাঠ নির্মাণের এই সিদ্ধান্ত এলাকার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাসের সৃষ্টি করেছে। খুশি হয়েছেন এলাকার ক্রীড়া প্রেমী মানুষরা, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে এই মাঠের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। বিশেষত, যুবসমাজের মধ্যে ক্রীড়ার প্রতি আগ্রহ ও উৎসাহ বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন অনেকে।
উল্লেখ্য গত ছয় মাস আগে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা গন্ডাছড়া মহকুমা এলাকার উন্নয়নের জন্য একাধিক প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন, যার মধ্যে ফুটবল মাঠ নির্মাণের জন্য প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এই উন্নয়নমূলক পদক্ষেপে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এলাকার ক্রীড়াবিদরা বিশেষভাবে খুশি।
এমডিসি ভূমিকানন্দ রিয়াং সরকারের একের পর এক উন্নয়নমূলক কাজ বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। ফুটবল মাঠ নির্মাণের মতো প্রাথমিক উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি এলাকায় নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছেন। পাশাপাশি, এমডিসি’র নেতৃত্বে বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে, যা এলাকাবাসীর জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সহায়ক হয়েছে।
এমডিসি ভূমিকানন্দ রিয়াং-এর নেতৃত্বে এলাকায় সরকারের সঠিক পরিকল্পনা ও উদ্যোগের ফলস্বরূপ, সাধারণ মানুষ সরকারের প্রতি তাদের আস্থা বাড়িয়েছেন। এলাকার ক্রীড়া প্রেমীরা আশা করছেন, এই ফুটবল মাঠটি কেবল স্থানীয় ক্রীড়াবিদদের জন্যই নয়, বরং সার্বিকভাবে গন্ডাছড়া মহকুমার ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।
এমনকি, এই ফুটবল মাঠে স্থানীয় যুবকদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশের সুযোগ মিলবে, এবং ভবিষ্যতে এটি জেলা বা রাজ্য স্তরে প্রতিযোগিতার আয়োজনের জন্য একটি আদর্শ ক্ষেত্র হিসেবে পরিণত হতে পারে। এছাড়াও, এই মাঠটি যুব সমাজের মধ্যে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যও সহায়ক হবে।
সবশেষে, এই ফুটবল মাঠ নির্মাণের মাধ্যমে গন্ডাছড়ার জনগণের দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে চলেছে, যা এলাকায় ক্রীড়ার প্রসারে এবং যুবকদের জন্য একটি নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করবে।
এক কোটি টাকা ব্যয় নির্মিত হচ্ছে সেতু , যোগাযোগ ব্যবস্থা হবে উন্নত : অভিষেক
প্রতিনিধি, উদয়পুর :- দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন যেন থমকে গিয়েছিল মাতাবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে । তার কারণ বিগত ২৫ বছরের বাম শাসনে তৎকালীন এই কেন্দ্রের বিধায়ক মাধব সাহার আমলে উন্নয়ন যেন মহারানী লাভ স্টোরি কৃষ্ণ ভক্ত পাড়ায় উন্নয়নের জোয়ার কখনো বইতে দেখেনি জনজাতি অংশের মানুষ । প্রতি পাঁচ বছর পর পর বিধানসভা ভোট অনুষ্ঠিত হলেও কখনো তাদের সমস্যার কথা ভাবেনি তৎকালীন বাম বিধায়ক। ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়কালে দলীয় প্রচারে বের হয়ে বর্তমানে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় জানতে পারে এই কৃষ্ণভক্ত পাড়ায় একটি সেতুর অভাবে মানুষ এক গ্রামের সাথে অন্য গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে রয়েছে। তখন জনজাতি ভোটারদের বার্তা দিয়েছিলেন তিনি ক্ষমতায় ফিরে এই এলাকায় একটি নতুন সেতু তৈরি করে দেবে। বর্তমানে অভিষেক দেবরায় জনজাতিদের কে দেওয়া সেই কথা আজ বাস্তবে রূপ নিতে চলেছে । মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় কৃষ্ণভক্ত পাড়ায় নতুন সেতুর ভূমি পূজা এবং গঙ্গা পূজা করা হয় । এই পূজায় অংশ নেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায় ও এম ডিসি সহ প্রমূখ। বিধায়ক জানান , এই সেতুটি নির্মাণ করতে প্রায় খরচ হবে এক কোটি টাকা । পাশাপাশি এই এলাকার উন্নয়নের জন্য নতুন একটি ক্লাব ঘর নির্মাণ করা হয়েছে যার ফিতা কেটে এদিন উদ্বোধন করেন বিধায়ক। একই সাথে তিনি জানান গ্রামবাসীদের দীর্ঘদিনের একটি দাবি ছিল এই এলাকায় একটি মন্দির নতুনভাবে নির্মাণ করে দেওয়া তার কারণ পুরনো মন্দিরটি ভগ্নদশায় পরিণত। তাই আগামী এক বছরের মধ্যে এই এলাকায় তৈরি করা হবে নতুন একটি মন্দির। পাশাপাশি এলাকায় একটি পাকা সড়কের যে সমস্যা রয়েছে তার সমাধান আগামী দিনে করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেন উপজাতি অংশের নাগরিকদের। বিজেপি বিধায়ক অভিষেক দেবরায় যেভাবে এলাকায় উন্নয়ন করে যাচ্ছে তাতে করে আগামী দিনে এই বিধানসভা কেন্দ্র আরো সুন্দরভাবে গড়ে উঠবে বলে মনে করছে উপজাতি অংশের লোকজন।
চারার পরিবর্তে অঙ্কুরিত ধানের বীজ লাগিয়ে পরীক্ষামূলক ধান চাষ লঙ্কামুড়ায়
প্রতিনিধি মোহনপুর :- ধানের চারা রোপনের পরিবর্তে অঙ্কুরিত বীজ রোপন করে ধান চাষের পরীক্ষা শুরু করল কৃষি দপ্তর। বৃহস্পতিবার লঙ্কা মোড়ায় এলাকার কৃষকের জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে রোপণ করা হয়েছে অঙ্করিত ধানের বীজ। সাফল্য এলে আগামী দিনে রাজি বৃহৎ পরিসরে এই চাষ প্রক্রিয়া নিয়ে চিন্তাভাবনা রয়েছে দপ্তরের।
এতদিন যাবত ধানের চারা তৈরি করার পর সেই চারা রোপন করা হতো জমিতে। কিন্তু এখন হয়তো এই প্রক্রিয়া বদলাবার সময় এসেছে। রাজ্যের কৃষি দপ্তরের স্টেট এগ্রিকালচার রিসার্চ স্টেশন, হায়দ্রাবাদ আইসিএআর এবং আইআইআর যৌথভাবে পরীক্ষামূলক এই চাষ প্রক্রিয়ায় অবতীর্ণ হয়েছে। বৃহস্পতিবার স্টেট এগ্রিকালচার রিসার্চ স্টেশনের জয়েন্ট ডাইরেক্টর ডঃ উত্তম সাহা জানান যে প্রক্রিয়ায় ধানের বীজ রোপন করা হয়েছে তাকে বলা হয় ডিএসআর। এই প্রক্রিয়ায় ধানের বীজ রোপন করলে প্রায় ২০ দিন সময় বেঁচে যাবে কৃষকদের। পাশাপাশি ২০ সেন্টিমিটার বাই ২০ সেন্টিমিটার দূরত্বে এই বীজ রোপন করার পর তার উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখা হবে বলে জানিয়েছেন ডক্টর উত্তম সাহা। তিনি আরো জানান এই এলাকার কৃষক বিষ্ণুপদ আধিকারির জমিতে দুটি ভাগে অঙ্কুরিত ধানের বীজ রোপন করা হয়েছে। যদি এখান থেকে ভালো উৎপাদন হয় তাহলে আগামী দিনে এই প্রক্রিয়া নিয়ে দপ্তর নতুন কিছু ভাবতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই ধানের বীজ রোপন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বামুটায়া কৃষি মহাকুমার এগ্রি সুপার্যান্টের রাজু রবিদাস, সেক্টর অফিসার এবং দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিকরা।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-অন্নদাতা কৃষকদের দীর্ঘ সমস্যার সমাধানে উদ্যোগী হয়েছেন এলাকার বিধায়ক তথা মন্ত্রী টিংকু রায়।চাষবাসের সমস্যার কারনে ভালো ফলন হচ্ছেনা বহু বছর ধরে।কাউলিকুড়া হাওরের জলাবদ্ধতা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার কৃষকদের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল।বর্ষার সময় জল জমে থাকার কারণে ফসল উৎপাদনে বিঘ্ন ঘটত,যার ফলে কৃষকদের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হতো।বহু বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা এই সমস্যার সমাধানের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আসছিলেন। অবশেষে, সমাজ শিক্ষা ও সমাজ কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়ের আন্তরিক প্রচেষ্টায় এই সমস্যার সমাধান হতে যাচ্ছে।
কাউলিকুড়া হাওরের জল নিষ্কাশনের কাজ শিগগিরই শুরু হতে চলেছে,যা নিঃসন্দেহে এলাকার কৃষকদের জন্য এক স্বস্তির খবর।জানা গেছে,ঊনকোটি জেলার জেলা শাসকের ফান্ড থেকে প্রায় ৯৮ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে এই প্রকল্পের জন্য।মন্ত্রীর উদ্যোগে জেলা শাসক দিলীপ কুমার চাকমা এই ফান্ডের অনুমোদন দিয়েছেন, যা প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
এই জল নিষ্কাশন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কাউলিকুড়া গ্রামের প্রচুর সংখ্যক কৃষক সরাসরি উপকৃত হবেন। জলাবদ্ধতা দূর হলে কৃষিজমিতে ফসল ফলানো সহজ হবে এবং জমির উর্বরতা বাড়বে।ফলে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আসবে।সরকারের এই উদ্যোগ শুধু কাউলিকুড়া গ্রাম নয়,আশে পাশের এলাকাতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।কৃষি উৎপাদন বাড়লে খাদ্য শস্যের যোগান বৃদ্ধি পাবে,যা বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। তাছাড়া, জল নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নতির ফলে পরিবেশগত ভারসাম্যও রক্ষা হবে।