প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া 10 জুন:-ধলাই জেলার আমবাসা থানাধীন লালছড়ি এলাকায় মিয়ানমারের পাঁচজন নাগরিককে পাসপোর্ট এবং ভিসা ছাড়াই অনুপ্রবেশের অভিযোগে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা গত এক সপ্তাহ ধরে একটি বাড়িতে অচেনা ব্যক্তিদের চলাফেরা দেখে সন্দেহ প্রকাশ করেন এবং বিষয়টি আমবাসা থানায় জানানো হয়। আমবাসা থানার ইন্সপেক্টর উত্তম কুমার দাস নিজে গিয়ে তদন্ত শুরু করেন।
পুলিশ প্রথমে সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা জানায়, বন্ধুর সঙ্গে দেখা করতে তারা ত্রিপুরায় এসেছে এবং তাদের মধ্যে একজন পুলিশকে একটি আধারকার্ড দেখায়। তবে তদন্তে দেখা যায় আধারকার্ডটি ভুয়া। পরে পুলিশ পাঁচজনকে থানায় নিয়ে এসে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে। ধৃতদের দাবি, তাদের মধ্যে তিনজনের পাসপোর্ট রয়েছে, কিন্তু কারোর কাছেই ভিসা নেই। পুলিশ ফের ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের পাসপোর্ট নিয়ে আসে।
ধৃতদের মধ্যে তিনজনের নাম রজার খৈনি (৩৩), অনুগ নাইঙ্গ তং (৪০), এবং পে তাই জেন (৯)। বাকিদের নাম তং উইঙ্গ (৬০) ও সুন্দর উইঙ্গ (২৩), যাদের পাসপোর্টও নেই। তারা জানিয়েছে, চিকিৎসার উদ্দেশ্যে মিজোরাম সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরায় প্রবেশ করেছে এবং তাদের সহযোগী বর্তমানে হায়দ্রাবাদে অবস্থান করছেন। ধৃতদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে।
জানা গেছে, তারা ইংরেজি ও মাতৃভাষা ছাড়া অন্য কোনো ভাষা বোঝে না, ফলে জিজ্ঞাসাবাদে নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশের ধারাবাহিক জিজ্ঞাসাবাদে একের পর এক নতুন তথ্য উঠে আসায় সন্দেহ আরও ঘনীভূত হয়েছে। গোয়েন্দা বিভাগ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারাও তাদের পৃথকভাবে জেরা চালাচ্ছেন।
এ ঘটনায় আমবাসা থানায় ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে মামলা দায়ের করা হয়েছে (মামলা নম্বর: ১৫/২০২৫), পাসপোর্ট অ্যাক্টের ৩ নম্বর ধারায়। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে ইন্সপেক্টর জেম্স মলসুমের হাতে। আগামীকাল ধৃতদের ধলাই জেলা ও দায়রা আদালতে তোলা হবে।
সম্প্রতি ত্রিপুরা রাজ্যে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার থেকে বেআইনিভাবে অনুপ্রবেশের ঘটনা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অনুপ্রবেশকারীরা ভারতীয় নাগরিকত্ব ও নথিপত্র সংগ্রহের চেষ্টায় ব্যস্ত হয়ে পড়ছে, যার প্রকৃত উদ্দেশ্য এখনও পরিষ্কার নয়। আমবাসা ছাড়াও ধলাই জেলার কমলপুর, গন্ডাছড়া ও রইস্যাবাড়ি ভারত – বাংলা সীমান্ত এলাকা দিয়ে এই প্রবণতা বাড়ছে বলে সূত্রের খবর।
বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে, সীমান্তে নজরদারি আরও কড়া করা এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও প্রশাসনকে আরও সতর্কভাবে কাজ করতে হবে যাতে এই ধরনের বেআইনি অনুপ্রবেশ রোধ করা যায়।
দেশ
তুফানিয়া লুঙ্গা চা বাগানে ৯৩ জন শ্রমিকদের হাতে জমির পাট্টা তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী
- প্রতিনিধি মোহনপুর:- রাজ্যের চা শ্রমিকদের কল্যাণে সরকার বিশেষ নজর দিয়েছে। ২০১৮ সালে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জমির পাট্টা প্রদানের উদ্যোগের পাশাপাশি সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। রবিবার বামুটিয়ার তুফানিয়া লুঙ্গা স্কুল মাঠে মেগা প্রশাসনিক শিবিরে উদ্বোধকের ভাষনে বললেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা
মোহনপুর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে বামুটিয়ার তুফানিয়া লুঙ্গা চা বাগানে অনুষ্ঠিত হয়েছে মেগা প্রশাসনিক শিবির। এই প্রশাসনিক শিবিরে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবি, স্বাস্থ্য শিবির, বৃক্ষরোপণ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় নির্মিত ঘরের গৃহপ্রবেশ সহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহা বলেন রাজ্যের ২০২২ সাল থেকে প্রতি ঘরে সুশাসন কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। গোটা রাজ্যের বিভিন্ন ব্লক, নগর পঞ্চায়েত, ভিলেজ কমিটি এলাকাগুলোতে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৪৬০০ টি শিবির অনুষ্ঠিত হয়েছে গোটা রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন রাজ্যে শুধুমাত্র বড় বড় বিল্ডিং তৈরি করাই উন্নয়ন নয়। সমস্ত অংশের মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সার্বিক উন্নয়নের মাধ্যমে রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বিশ্বাসী সরকার। সে দৃষ্টিভঙ্গিতেই কাজ চলছে। আমরা চাই শহর এবং গ্রাম এক গতিতে এবং এক দিশাতে উন্নয়ন হোক। ডক্টর মানিক সাহা আরো বলেন গোটা উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মধ্যে পার ক্যাপিটা ইনকামের নিরিখে ত্রিপুরা রাজ্য বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। পাশাপাশি স্টেট জিএসটির নিরীক্ষ ত্রিপুরা রাজ্য উত্তর পূর্বাঞ্চলের মধ্যে দ্বিতীয় স্থান দখল করে রয়েছে। এদিনের এই প্রশাসনিক শিবিরে চা বাগান এলাকার ৯৩ জন শ্রমিককে জমির পাট্টা প্রদান করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডক্টর মানিক সাহা নিজ হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে শ্রমিকদের হাতে জমির পাট্টা তুলে দিয়েছেন। এই কর্মসূচিতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, এডিএম মেঘা জৈইন, মোহনপুর মহকুমা শাসক সুভাষ দত্ত, বামুটিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণ ধন দাস, বামুটিয়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দীপক সিংহ সহ অন্যান্যরা।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগাম প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক মন্ত্রী শুক্লাচরণ।
- শান্তিরবাজার প্রতিনিধি : আজ শান্তির বাজার মহকুমায় শান্তির বাজার মহকুমা শাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুত থাকতে বিভিন্ন দপ্তরে আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া। গত বছর সারা রাজ্যের সাথে শান্তির বাজার মহকুমায় বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গৃহ পালিত পশু ,চাষের জমি, পুকুর, রাস্তা, বিদ্যুৎ ,ঘরবাড়ি ইত্যাদি। তাই এবার আগাম প্রস্তুতি। ভারী বৃষ্টি বা বন্যা হলে যেকোনো পরিস্থিতিতে যাতে করে জনজীবনে গত বছরের মতন যাতে করে ক্ষতি সম্মুখীন না হয় তার জন্য শান্তির বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের এবং জোলাই বাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের সমস্ত দপ্তরে আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া । পাশাপাশি এই ০৯৮৬৩১৩১২৩১একটি ইমার্জেন্সি মোবাইল হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে । শান্তির বাজার মহকুমা শাসক কার্যালয় মন্ত্রির পাশাপাশি আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৩৬ শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং,বকাফা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান কৃষ্ণ রিয়াং,জোলাইবাড়ী পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত , শান্তির বাজার পুরো পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপ্না বৈদ্য ,শান্তির বাজার পূর্ত দপ্তরের এসডিও প্রবীরবরণ দাস, শান্তির বাজার মহকুমা শাসক মনোজ কুমার সাহা,জোলাইবাড়ী শিক্ষা অধিকত্তা বিকাশ দেবনাথ সহ অন্যান্যরা। ভারী বর্ষার আগেই আগাম সতর্কতা করতে বিভিন্ন দপ্তর আধিকারিকদের নিয়ে, মন্ত্রীর দূরদর্শিতায় এই বৈঠকের মূলত লক্ষ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যে কোন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে দ্রুত পরিষেবা দেয়া।
শান্তিরবাজার প্রতিনিধি :জনগণের মন্ত্রী জনগণের পাশে
মানুষের মনের দরজায়, মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়ার মানবিক স্পর্শ। এ যেনো সত্যি কারের নেতা মানবিক দৃশ্য! জুলাইবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে, যেখানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক সময় সাধারণ মানুষের কণ্ঠ হারিয়ে যায়, সেখানে মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া দাঁড়িয়েছেন মানুষের সঙ্গে, হৃদয়ে হৃদয় মেলাতে। ব্যস্ততম সময়ের মাঝেও তিনি এক কাপ চায়ের মুখরোচক চুমুকে মানুষের সঙ্গে বসেন, গল্প করেন, তাদের সুখ দুঃখের আবাপ আভিয়েগ শোনেন—আর সেটাই গড়ে তোলে তাঁর নেতৃত্বের সৌন্দর্য।৮৩ বছর বয়সী এক প্রবীণ নাগরিক বললেন, “আমার জীবনে এমন মন্ত্রী কখনো দেখিনি, যে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে বসে গল্প করেন, খোলামেলা মত বিনিময় করেন। এটা শুধু নেতা নয়, একজন মানুষের মতো করে,সঠিক মানুষের নিদর্শন।”
কিছু মানুষ হয়তো এটাকে ‘লোক দেখানো’ বলবেন। কিন্তু মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া জানেন—‘লোক দেখানো’ হলেও যদি মানুষের জীবনে ভালো পরিবর্তন আসে, তাহলে তা কখনোই বৃথা নয়। তিনি সহজ,তিনি সাধারন, তারই দৃষ্টান্তমূল্য মন্ত্রী নিজে তাঁর স্ত্রীর সন্তান প্রসবের সময় সরকারি আইজিএম হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন। যে হাসপাতাল হাজারো সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের আশ্রয়, যেখানে সবাই সমান।উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসরকারি বড় হাসপাতালেও যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও, তিনি তাঁর স্ত্রীকে সাধারণ মানুষের মাঝে রেখে চিকিৎসা করিয়েছেন, যেন রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি ও বিশ্বাস সবাই অনুভব করে। এটা শুধু আর্থিক নয়, মানবিকতার এক অনন্য নজির। তার জন্যই সাধারণ মানুষ বলতে শুরু করেছেন চা দোকানে পাড়ার দোকানে বসে বলতে শুরু করেছে অহংকার নেই মানবিক মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া।
শুক্লাচরণ নোয়াতিয়ার এই মানবিক নেতৃত্ব আমাদের শেখায়—নেতৃত্ব মানে শুধুমাত্র ক্ষমতা নয়, মানুষের হৃদয়ের পাশে থাকা, তাদের কষ্টে ভাগীদার হওয়া, এবং তাদের আশা ও বিশ্বাসে জোর দেওয়া। আজকের সময়ে যেখানে অনেকেই ক্ষমতার ঊর্ধ্বে উঠে জনসেবার কথা ভুলে যায়, সেখানে এই মানুষটি সাদাসিধে হৃদয় নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।
তাঁর গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সত্যিকার নেতৃত্ব হলো মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়া, তাদের সঙ্গে হাসা-কান্না ভাগাভাগি করা এবং মানবিকতার উষ্ণতা ছড়িয়ে দেওয়া। মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া সেই মানবিকতা, সেই ভালোবাসা, যা আমাদের সমাজকে আরও সুন্দর ও শক্তিশালী করে তোলে।
- প্রতিনিধি তেলিয়ামুড়া : এক জন জমির মালিকের দৌলতে একাধিক কৃষকের কৃষি জমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গোটা এলাকার বেশ কিছু পরিবারের না খেয়ে থাকার উপক্রম হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা তেলিয়ামুড়া আর.ডি. ব্লকের অন্তর্গত উত্তর কৃষ্ণপুর এবং মধ্য কৃষ্ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যবর্তী উতলা বাড়ি এলাকায়।অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এলাকার শুকলাল বিশ্বাস নামে জনৈক ব্যক্তি উনার কৃষি জমি সন্নিহিত পঞ্চায়েতের দীর্ঘদিনের পুরনো বাধ কাউকে না জানিয়ে বা সহজ করে বললে পঞ্চায়েতকে অবগত না করে নিজ উদ্যোগে কেটে দিয়েছেন। এর ফলশ্রুতিতে দু-এক দিন আগের বর্ষণের পরিপ্রেক্ষিতে নিকটবর্তী ছড়ার জল স্ফীত হয়ে অনায়াসে বেশ কিছু কৃষকের কৃষি জমিকে প্লাবিত করে এবং বর্তমানে এই কৃষি জমিগুলো বালিতে পরিপূর্ণ হয়ে রয়েছে। গোটা বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বক্তব্য হচ্ছে পরিস্থিতি এমন জায়গায় গিয়ে দাঁড়িয়েছে যেখানটায় উনারা এখন এই কৃষি জমিকে পুনরায় বালি ছড়িয়ে চাষ যোগ্য করার মতো জায়গায় নেই। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে গোটা বিষয় নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তরফ থেকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি তথা পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হলে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যাপারে বা বালি সড়িয়ে দেওয়ার ব্যাপারে কোন পদক্ষেপ বা প্রতিশ্রুতি না দিয়ে উলটো গোটা বিষয়টা সংবাদ মাধ্যমের গোচরে নিয়ে যাওয়ার সুপারিশ করেছেন।এদিকে এইভাবে এক কৃষকের দৌলতে এলাকার একাধিক বা বলা যায় বেশ কিছু কৃষকের কৃষি জমি নষ্ট হয়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এলাকা জুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে এবং সর্বসাকুল্যে দাবি উঠছে, প্রয়োজনীয় তদন্তক্রমে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বাঁচিয়ে রাখতে স্থানীয় প্রশাসন সাহায্য করুক, এই দাবি ক্রমান্বয়ে জোরালো হচ্ছে। এদিকে এই বিষয়টি নিয়ে আজ সন্ধ্যায় খোয়াই জেলা পরিষদের সদস্য রঞ্জিত সরকারের সাথে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলি যোগাযোগ করে। শ্রী সরকার এই বিষয়টি নিয়ে আগামী কালকে সকলকে নিয়ে বসে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করার আশ্বাস দেন বলে জানান।
প্রতিনিধি মোহনপুর – বামুটিয়া কৃষি মহাকুমার অন্তর্গত তেবাড়িয়ায় ভূমি পূজার মাধ্যমে শিলান্যাস হলো এগ্রি ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ কাম ট্রেনিং সেন্টার উইথ আইটি ফেসিলিটিস দপ্তরের। অন্যদিকে গান বাজারে নতুন মার্কেট স্টল নির্মাণের জন্য জমি পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রী। দীর্ঘ সময় ব্যবসায়ীদের সাথে খোলামেলা আলোচনায় এই প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে হয়েছে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
বামুটিয়ার কৃষি মহকুমা এলাকার অন্তর্গত তেবাড়িয়া এলাকায় নির্মাণ হতে যাচ্ছে এগ্রি ডেভেলপমেন্ট রিসার্চ কাম ট্রেনিং সেন্টার উইথ আইটি ফেসিলিটিস দপ্তরের। আনুষ্ঠানিকভাবে ভূমি পূজার মাধ্যমে হয়েছে শিলান্যাস। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী রতনলাল নাথ বলেন বর্তমানে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে কৃষিকাজ করতে হবে। উন্নত মানের বীজ ব্যবহার এবং দপ্তরের সঠিক দিকনির্দেশনায় ফসল বৃদ্ধিতে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। মন্ত্রী বলেন ভারতবর্ষের অর্থনীতিতে একটা বড় প্রভাব রয়েছে কৃষকদের। এই রাজ্যেও কৃষকদের গুরুত্ব কোনোভাবেই কম নয়। তবে ত্রিপুরাকে খাদ্যশস্যে স্বয়ংভর করার ক্ষেত্রে আরো ব্যাপকভাবে চাষবাসের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মন্ত্রী। আহ্বান করেছেন কোন জমি খালি না রেখে কিছু না কিছু চাষ করার জন্য। এই অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা ফোষনী ভুষণ জমাতিয়া, বামুটিয়ার প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণ ধন দাস, মন্ডল সভাপতি শিবেন্দ্র দাস সহ অন্যান্যরা।
অন্যদিকে গান্ধীগ্রাম বাজারে কৃষি দপ্তরের অর্থানুকুলে নির্মাণ হতে যাচ্ছে আধুনিক মার্কেট স্টল। সোমবার এই স্টল নির্মাণের জন্য নির্ধারিত জমি পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রী। কথা বলেছেন এলাকার জনপ্রতিনিধি আধিকারিক এবং ব্যবসায়ীদের সাথে। এদিন মন্ত্রী রতন লালন বলেন প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয় করে এই মার্কেট স্টল নির্মাণ করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সঠিকভাবে ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে আলোচনাক্রমে এই মার্কেট স্টল গুলো নির্মাণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। যার মধ্য দিয়ে এলাকার ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বেকারদের জন্যও রোজকারের একটি নতুন পথ খুলবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
অসহায় বাবা কাজল দাসের কাতর আবেদন — “মুখ্যমন্ত্রীই পারেন আমার মেয়েকে বাঁচাতে”
প্রতিনিধি,উদয়পুর :- গোমতী জেলার অমরপুর মহকুমার পূর্ব মৈলাক গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাসিন্দা কাজল দাসের মেয়ে প্রিয়াঙ্কা দাস জন্মসূত্রে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত। এই মারাত্মক জেনেটিক রোগের কারণে প্রিয়াঙ্কার শরীরে প্রতি মাসে অন্তত দু’বার করে রক্ত দিতে হয়। যদিও গোমতী জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক থেকে কখনো কখনো বিনামূল্যে রক্ত মেলে, তবুও বহু সময় রক্তের অভাবে সমস্যায় পড়তে হয় পরিবারটিকে। তখন রক্তদাতার খোঁজে কাজল দাসকে ছুটতে হয় রাজ্যের নানা প্রান্তে। রক্তদাতা পেলেও তাকে নিয়ে আসতে গাড়িভাড়া, খাওয়া-দাওয়া এবং অন্যান্য খরচ বহন করতে হয় এই দরিদ্র পরিবারকে।
দিনমজুর পেশায় নিয়োজিত কাজল দাস গত আট বছর ধরে মেয়ের চিকিৎসার জন্য প্রাণপণ লড়াই করে চলেছেন। তিনি জানান, তার পরিবারে ছয়জন সদস্য—তার বৃদ্ধ মা-বাবা, স্ত্রী, দুই মেয়ে এবং তিনি নিজে। বাবা স্ট্রোকের রোগী, মা শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। একমাত্র উপার্জনকারী হিসেবে তার সামান্য আয়ে পরিবারের চিকিৎসা ও দৈনন্দিন খরচ চালানো একপ্রকার অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
তিনি কাঁদতে কাঁদতে জানান, আজ থেকে ১৪ বছর আগে তার বড় মেয়েও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মাত্র এক বছর বয়সে মারা যায়। সেই সময়ও চোখের সামনে মেয়েকে হারাতে হয়েছে চিকিৎসার অভাবে। এখন ছোট মেয়ের জীবনও একই বিপদের মুখে পড়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রিয়াঙ্কার দ্রুত একটি অপারেশন দরকার, যা আগরতলার জিবি হাসপাতালে করা সম্ভব হলেও খরচ প্রায় লক্ষাধিক টাকা। এই বিপুল খরচ জোগাড় করা তার পক্ষে সম্পূর্ণ অসম্ভব।
কাজল জানান, তার পরিবার ইতিমধ্যেই মেয়ের চিকিৎসার জন্য ঘরের কাঠ, ফার্নিচার, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার, স্ত্রীর সমস্ত স্বর্ণালংকার বিক্রি করে দিয়েছেন। বর্তমানে তারা একেবারেই নিঃস্ব। দিনের পর দিন শুধু চোখের জলে দিন কাটছে। এ অবস্থায় তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডঃ মানিক সাহার কাছে কাতর আবেদন জানিয়ে বলেন, “আপনি একজন ভালো মানুষ, গরিবের পাশে সবসময় দাঁড়ান। দয়া করে আমার মেয়েটাকে বাঁচান।” তিনি আর ঘরবাড়ি চান না, শুধু চান মেয়ের চিকিৎসার সুযোগ।
কাজল দাস অভিযোগ করেন, প্রিয়াঙ্কার হাতে ৮০ শতাংশ প্রতিবন্ধী শংসাপত্র থাকা সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত কোনো প্রতিবন্ধী ভাতা বা কন্যা সন্তানের ভাতা পাচ্ছেন না। একাধিকবার মহকুমা সিডিপিও অফিস এবং জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে গিয়েও কোনো কাজ হয়নি। এর মধ্যেও প্রিয়াঙ্কা তার অদম্য ইচ্ছাশক্তি দিয়ে মৈলাক হাই স্কুল থেকে ভালো নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে।
তিনি চান, মেয়ে সুস্থ হয়ে যেন পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারে, তার জন্য শিক্ষা দপ্তর থেকে সকল রকম সহায়তা দেওয়া হোক। আজ এলাকাবাসী তাকিয়ে রয়েছেন, দেখার পর মুখ্যমন্ত্রী কবে এগিয়ে আসেন এই অসহায় পরিবারের পাশে। তারা বিশ্বাস করেন, মুখ্যমন্ত্রীর সহানুভূতির একটুকরো ছোঁয়ায় প্রিয়াঙ্কার জীবন নতুন আশায় ভরে উঠতে পারে।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-কৈলাসহর লায়ন্স ক্লাবের সদস্য অধ্যাপক সঞ্জীব চৌধুরী এবং ওনার সহধর্মিনী কাকলি রায়ের বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে ব্যতিক্রমী সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় লায়ন্স ক্লাব প্রাঙ্গনে।লায়ন্স ক্লাব এবং কৈলাসহর ব্লাড ডোনার এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়।যেখানে ৩০ জনেরও বেশি রক্তদাতা রক্ত দান করেছেন।এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে বিদ্যালয়ে পাঠরতা দুজন দুস্থ ছাত্রী অনামিকা চন্দ এবং তুলসী শব্দকরের হাতে ১০ হাজার টাকার অর্থ রাশি তুলে দেওয়া হয়। এছাড়াও নেশা মুক্ত সমাজ গড়ার বার্তা নিয়ে সরকারের যে প্রচার চলছে তাতে উদ্বুদ্ধ হয়ে কৈলাসহর এবং কুমারঘাটের আকাশ দাস, বাবলু মালাকার এবং অভিষেক দেব দীর্ঘদিন যাবত ড্রাগস সেবনের সাথে যুক্ত থাকার পর চিকিৎসা মাধ্যমে সুস্থ হয়ে মূল স্রোতে ফিরে এসেছে।তাদেরকেও অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে গোলাপের শুভেচ্ছা এবং উপহার তুলে দেওয়া হয়।গত ২৯শে এপ্রিল লায়ন্স ক্লাব এবং ঊনকোটি ডিস্ট্রিক্ট চেস এসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে অবিভক্ত উত্তর জেলা ভিত্তিক দাবা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।আজ বিজয়ীদের হাতে দাবা পুরস্কার গুলোও তুলে দেওয়া হয়েছে।অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব বিষয়ক ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিঙ্কু রায়,পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন চপলা দেবরায়,ভাইস চেয়ারপার্সন নীতিশ দে,জেলা পরিষদের সদস্য বিমল কর এবং কেবিডিএ সভাপতি অনুপম পাল।স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাব সদস্য সমীর দাস।বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী টিংকু রায় প্রথমেই সঞ্জীব চৌধুরী এবং ওনার স্ত্রীর বিবাহ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই সামাজিক কর্মসূচির জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।এ ধরনের উদ্যোগ যেন প্রতি বছর বিদ্যমান থাকে তারও আশা প্রকাশ করেন তিনি। এছাড়া মন্ত্রী শ্রী রায় বলেন লায়ন্স ক্লাব সারা বছর বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের মধ্যে যুক্ত রয়েছে এবং সমাজ সেবার শপথে অঙ্গীকারবদ্ধ প্রত্যেক সদস্যরাই কোন না কোনভাবে সমাজের দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সামাজিক বার্তা দিচ্ছেন।চা বাগান এলাকার দুস্থ পরিবারের শিশুরা যারা পড়াশুনায় আগ্রহী তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করার আহ্বান জানান তিনি কৈলাসহর লায়ন্স ক্লাবের সদস্যদের কাছে।
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে জনজাতি যুবকের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে সংশ্লিষ্ট এলাকায়।কৈলাসহর কুমারঘাট জাতীয় সড়কের কাউলিকুড়া এলাকায় সোমবার সকাল আনুমানিক ১১টা নাগাদ ঘটে গেল এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা।একটি বাইক ও জেসিবি গাড়ির সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে বাইক চালক জ্ঞান রঞ্জন চাকমার (৩৫)।এই দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন বাইকের আরোহী অরুপ চাকমা।দুজন-ই স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে যুক্ত এবং একজন এনজিও কর্মী হিসেবে কাজ করতেন। উভয়েরই বাড়ি পেচারথল থানাধীন উপলছড়া এলাকায়।জানা গেছে, ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে ত্রিপুরা স্টেট এইডস কন্ট্রোল সোসাইটির একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পেচারথল থেকে বাইকে করে কৈলাসহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন
দুই এনজিও কর্মী।কাউলিকুড়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি জেসিবি হঠাৎ অনিয়ন্ত্রিতভাবে রাস্তার বাদিক থেকে ডান পাশে মোড় নেওয়ার চেষ্টা করলে বাইকটি সোজাসুজি জেসিবির পেছনে ধাক্কা লাগে।তীব্র সংঘর্ষে বাইকের দুজন আরোহী ছিটকে পড়ে পিচঢালা রাস্তায়।স্থানীয় জনগণ তড়িঘড়ি করে দুজনকে ঊনকোটি জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জ্ঞান রঞ্জন চাকমাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং আহত অরুপ চাকমার চিকিৎসা শুরু করেন।ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান মহকুমা পুলিশ আধিকারিক জয়ন্ত কর্মকার ও কৈলাসহর থানার ওসি সুকান্ত সেন চৌধুরী। সঙ্গে সঙ্গে ঘটনাস্থলে ফরেনসিক টিম পৌঁছায় এবং ঘাতক জেসিবি গাড়ি সহ চালক প্রজেস সিনহাকে (২৩) আটক করে পুলিশ। মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
প্রতিনিধি ধর্মনগর, ২৪শে এপ্রিল থেকে নিখোঁজ হওয়া স্বামীকে ফিরে পেতে স্থানীয় থানার দারস্থ অসহায় স্ত্রী।ঘটনাটি ঘটে পানিসাগর থানাধীন দক্ষিণ পানিসাগর গ্রামে।ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে,ঐ এলাকার এক নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা পঞ্চুরাম মালাকার এর ৩৮ বর্ষিয় পুএ পেষায় মৎস ব্যাবসায়ী পবিত্র মালাকার নিত্য দিনের মতো সকাল এগারো টা নাগাদ বাড়ি থেকে পানিসাগর বাজারে এসে রাএি হওয়াতেও আর বাড়ি ফিরেনি।তাতে সন্দেহ হওয়াতে রাএি থেকে আত্মীয় পরিজনদের বাড়ির আশেপাশে খোঁজা খোজি করে না পেয়ে নিরাশ হয়ে ২৫শে এপ্রিল দুপুরে পানিসাগর থানায় নিরুদ্দেশ হওয়া স্বামীকে ফিরে পেতে মিসিং এন্ট্রি লিপিবদ্ধ করে স্ত্রী সন্ধ্যা মালাকার।নিরুদ্দেশ হওয়া পবিএ এর গায়ের রং কালো,চুল লম্বা ও কালো,মুখমন্ডল সামান্য লম্বাকৃতি,পরনে ছিল নীল রঙ্গের জিন্সের প্যান্ট ও হালকা কমলা রঙ্গের ফুল গেঞ্জি।এই মর্মে পানিসাগর পুলিশ নিখোঁজ হওয়া ব্যাক্তি কে উদ্বার করতে পাশ্ববর্তী থানা গুলো সহ সকল ধরণের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।হারিয়ে যাওয়া স্বামীকে ফিরে পেতে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের স্মরনাপন্ন হয়ে তুলে ধরেন অসহায় পরিবারের করুন কাহিনি।কারণ স্বামী পবিত্রই ছিল ঐ পরিবারের একমাএ উপার্জনশীল ব্যাক্তি।স্বামী হারা নিখোঁজ পরিবারটিকে সহায়তা দিতে স্থানীয় এলাকার লোকজন সহ আশপাশ এলাকার লোকজন সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেয়।এখন দেখার বিষয় নিখোঁজ স্বামীকে উদ্ধার করতে পানিসাগর পুলিশ কি পদক্ষেপ গ্রহন করেন।