প্রতিনিধি, আগরতলা :- গত ১২ তারিখ থেকে শুরু হয়েছে মাতার বাড়ি ধন্য মানিক্যমুক্ত মঞ্চে ধান ক্রয় কর্মসূচি। প্রথম দিকে গত কয়েকদিন সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও শনিবার থেকে প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে ব্যাপারিদের ধান বিক্রির ধুম। যে জায়গায় রাজ্য সরকার চাইছে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় করার জন্য। আর সেদিকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে ১০ জন যদি থাকে প্রকৃত কৃষক আর বাকি ৯০ জন থাকছে ধানের ব্যাপারী । তারা প্রতিটা সময় ধান বিক্রি করে চলেছে খাদ্য দপ্তরের কিছু কর্মচারীকে হাতে নিয়ে। এরমধ্যে একাংশ ভালো কর্মচারী সূত্রে জানা যায় , অধিকাংশ ধানের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ রয়েছে চিট আকারের । যা ধানের গুণগতমান একেবারে ভালো নয়। অন্যদিকে খাদ্য দপ্তরের এক সোমা নামে সরকারি কর্মী প্রতিনিয়ত ধানের গোটা বিষয় নিয়ে দেখাশুনার দায়িত্বে থাকলেও বর্তমানে একেবারে দায়সারা ভাবে কাজ করে চলেছে । অন্যদিকে আরো একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায় , সুবোধ দাস নামে এক সরকারি কর্মী গত ডিসেম্বর মাসেই অবসর নিয়েছে চাকরি থেকে। কিন্তু বর্তমানে তাকে আবারো খাদ্য দপ্তরে চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে উদয়পুরে। কিভাবে আবারো চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হলো এই নিয়ে দপ্তরের মধ্যেই চলছে কানাঘুষা । কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে রাজ্য সরকার যখন চাইছে স্বচ্ছতা ভাবে সমস্ত কাজকর্ম করার জন্য। আর সেই দিকে অস্বচ্ছতার এক ছাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে মাতারবাড়ির ধান বিক্রয় কেন্দ্রে। ছুটির দিন রবিবারে ধান বিক্রির কেন্দ্র এক অস্বচ্ছতার ছাপ লক্ষ্য করা যায়। শ্রমিকদের জন্য নেই পানীয় জলের কোন ব্যবস্থা। অন্যদিকে মাতাবাড়ি কৃষি মহকুমা কোন আধিকারিক কে দেখা যায়নি ধান বিক্রয় কেন্দ্রের সামনে। দপ্তরের বিশ্বস্ত সূত্রের খবর গত ৬ দিনে ১০৬০ মেট্রিক টন ধান এখনো পর্যন্ত কেনা হয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে গুণগত মান কতটুকু সঠিক রয়েছে তার বিচার করার কোন ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না মাতার বাড়ি ধান বিক্রয় কেন্দ্র। আগামী দিন কতটুকু স্বচ্ছতা বজায় রাখবে কৃষি দপ্তর থেকে শুরু করে খাদ্য ও জনসংভরণ দপ্তর । এই নিয়ে দেখা দিয়েছে প্রশ্ন ?
দেশ
বিদ্যুৎ মন্ত্রীর হাত ধরে দূর্গা চৌমুহনীতে আধুনিক ৩৩ কেভি সাব স্টেশনের উদ্বোধন
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া :- সোমবার কমলপুর মহকুমার সুরমা দুর্গা চৌমুহনী বাজার এলাকায় রাজ্যের বিদ্যুৎ নিগমের উদ্যোগে এন ই আর পাওয়ার সিস্টেম ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় নির্মিত অত্যাধুনিক ৩৩ কেভি সাব স্টেশনের উদ্বোধন করেন রাজ্যের বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথ। মোট ৯ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে স্থাপিত এই সাব স্টেশন উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধানের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিদ্যুৎ মন্ত্রী রতন লাল নাথের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন সুরমা বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়িকা স্বপ্না দাস পাল, কমলপুরের বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব, ধলাই জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি অনাদি সরকার, পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান ভানুপদ লোহী, সমাজসেবী ও সুরমা মন্ডল সভাপতি শুভাশিস আহিরসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী রতন লাল নাথ রাজ্যের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপ নিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এই নতুন সাব স্টেশন চালু হলে কমলপুর মহকুমা সহ সংলগ্ন এলাকার বিদ্যুৎ সরবরাহ আরও নিরবচ্ছিন্ন ও স্থিতিশীল হবে। পাশাপাশি, শিল্প ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, রাজ্য সরকার আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিকাঠামো ব্যবহার করে গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত সবার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এন ই আর পাওয়ার সিস্টেম ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্টের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নতুন সাব স্টেশন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ট্রান্সফর্মার ও উন্নত বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনসাধারণ নবনির্মিত সাব স্টেশন ঘুরে দেখেন এবং উন্নত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার সুফল পাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সার্বিকভাবে, এই উদ্বোধন অনুষ্ঠান সুরমা ও কমলপুর মহকুমার উন্নয়নযাত্রায় এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে চিহ্নিত হলো।
প্রতিনিধি, গন্ডাছড়া :- রাজ্যের পঞ্চায়েত ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একযোগে প্রশাসনিক বৈঠকে ব্যস্ত মন্ত্রী কিশোর বর্মন। সেই ধারাবাহিকতায় তিনি গত ৭ আগস্ট ধলাই জেলায় এসে জেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং ব্লক স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বিস্তৃত আলোচনায় অংশ নেন।
সভায় প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল প্রশাসনিক স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও পঞ্চায়েত স্তরের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করা। মন্ত্রী কিশোর বর্মন পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয়, জবাবদিহিমূলক ও জনমুখী করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি বলেন, পঞ্চায়েত হলো গ্রামীণ উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি, তাই এখান থেকে পরিবর্তনের সূচনা হওয়া উচিত।আলোচনায় আরও উঠে আসে শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বচ্ছ প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে সরকারি সেবার প্রাপ্যতা বৃদ্ধির বিষয়। মন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দেন যে, উন্নয়নের ক্ষেত্রে দুর্নীতি বা অবহেলা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাধিপতি সুস্মিতা দাস, বিধায়ক শম্ভু লাল চাকমা, বিদায়িকা স্বপ্না দাস পাল, সহকারী অনাদি সরকার এবং জেলার চার মহকুমার আধিকারিকসহ মহকুমার জনপ্রতিনিধিগণ। মন্ত্রী কিশোর বর্মনের এই সফর শুধু প্রশাসনিক নির্দেশনা দেওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি ছিল জনসংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। তাঁর বক্তব্য ও আলোচনা ধলাই জেলার পঞ্চায়েত ও শিক্ষা খাতের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য নতুন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে।
ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র এক প্রতিনিধি দল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার সাথে সাক্ষাৎ করেন
- প্রেস বিবৃতিঃ ৪ আগস্ট রোজ সোমবার ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র এক প্রতিনিধি দল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহার সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা রাজ্যের ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার বিভিন্ন সমস্যা সহ একাধিক দাবি দাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহার সাথে আলোচনা করেন। পাশাপাশি তথ্য দপ্তর থেকে বিজ্ঞাপনের বকেয়া টাকা মিটিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান ।মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাক্তার মানিক সাহা দীর্ঘ সময় ধরে ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র প্রতিনিধি দলের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেন। পরবর্তী সময় মুখ্যমন্ত্রী ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র প্রতিনিধি দলের সদস্যদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাস দেন। ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি-র প্রতিনিধি দলে ছিলেন ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক মিডিয়া সোসাইটির সম্পাদক তথা নিউজ টুডে চ্যানেলের এডিটর সৌরজিৎ পাল, সহ-সম্পাদক তথা চিনি খরাঙ নিউজ চ্যানেলের এডিটর রঞ্জিত দেববর্মা, সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ তথা সার্চ ইন্ডিয়া টিএনএন চ্যানেলের এডিটর মনিষ সাহা, অফিস সেক্রেটারি তথা এশিয়ান টাইমস নিউজ চ্যানেলের এডিটর সমরেশ দে, সোসাইটির কার্যকারী সদস্য তথা স্যান্দন টিভি চ্যানেলের এডিটর অভিষেক দে, কার্যকরী সদস্য তথা রাইস ইস্ট টিভি চ্যানেলের এডিটর সোমেন দেব, খুমপুই টিভি চ্যানেলের এডিটর মানস দেববর্মা এবং রাইজিং ত্রিপুরা টিভি চ্যানেলের এডিটর হানিফ আলী। ত্রিপুরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সোসাইটি আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের সাংবাদিক ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার স্বার্থে সহসাই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
প্রতিনিধি মোহনপুর:- রাস্তায় কুড়িয়ে পাওয়া টাকা হাতে পেয়েও নিজের সততা বিসর্জন দেয়নি যুবকরা।প্রায় দুমাস পূর্বে মোহনপুরের গোপালনগর গ্রামে রাস্তার মধ্যে বেশ কিছু টাকা কুড়িয়ে পেয়েছিল এলাকার কতিপয় যুবকরা। সেই টাকা প্রকৃত মালিকের হাতে ফিরিয়ে দিতে যুবকরা চেষ্টা করেছিল। সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও সন্ধান করা হয়েছিল প্রকৃত মালিকের। কিন্তু দুমাস পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত মালিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি। অবশেষে সেই টাকা দিয়ে গোপালনগরে দুস্থ ছেলেমেয়েদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করল স্নেহাশীষ গোপ এবং সিমরান দত্ত সহ অন্যান্য যুবকরা। যুবকদের এই সৎ মানসিকতা দেখে খুশি এলাকার অভিভাবক সহ সাধারণ মানুষ।
- ধর্মনগর প্রতিনিধি,,
- আজ দুপুরে পানিসাগর মহকুমা শাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হয় প্রাকৃতিক দোর্যোগ বন্যা ও ভূমিধসের মতো বিপর্যয় মোকাবিলায় আগাম প্রস্ততি বৈঠক। রাজ্য সরকারের নির্দেশানুসারে আসন্ন দশই জুলাই সমগ্র রাজ্য ব্যাপী সব কটি মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে সচেতনতা মুলক মকড্রিল ঘোষণা করেছে।এরই অঙ্গ হিসেবে আসন্ন ৯ই জুলাই উক্ত মকড্রিল কে সার্বিক ও সুন্দর ভাবে সুসম্পন্ন করতে পানিসাগর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় আগাম প্রস্তুতি বৈঠকটি।এতে পৌরোহিত্য করেন পানিসাগর মহকুমা শাসক সুশান্ত দেব্বর্মা।এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পানিসাগর মহকুমা প্রশাসনের ডেপুটি কালেক্টর দিবাকর জমাতিয়া,ডেপুটি কালেক্টর বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য,ডেপুটি কালেক্টর অভিষেক চক্রবর্তী,পানিসাগর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সৌম্য দেব্বর্মা,পানিসাগর নগর পঞ্চায়েতের সহকারী কার্যনির্বাহী আধিকারিক আইনূল হক,পানিসাগর আরক্ষা প্রশাসনের অফিসার ইনচার্জ সুমন্ত ভট্টাচার্য সহ পানিসাগর মহকুমার সবকটি লাইন ডিপার্টমেন্ট এর আধিকারিকেরা।উক্ত রাজ্য ভিওিক সচেতনতা মুলক মকড্রিল কে সার্থক রুপ দিতে উপস্থিত ছিলেন পুর্ত দপ্তর,ডি,ডব্লিও,এস, ওয়াটার রিসোর্স,স্বাস্থ্য দপ্তর,আর,ডি সাব ডিভিশন,কৃষি দপ্তর,শারির শিক্ষন মহাবিদ্যালয়,মৎস্য দপ্তর,প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর,তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর,সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক,নগর পঞ্চায়েত দপ্তর,বিদ্যালয় পরিদর্শক দপ্তর,অগ্নি নির্বাপক দপ্তর,আপদামিএ ভলান্টিয়ার,সিভিক ভলান্টিয়ার,১৩ নং টি,এস,আর,এর ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট এর জোয়ান সহ আধিকারিকেরা।বৈঠকে উপস্থিত প্রতিটি দপ্তরের আধিকারিক সহ পদাধিকারীরা মকড্রিলটিকে সুষ্ঠু ভাবে সুসম্পন্ন করতে নিজ নিজ মতামত ব্যাক্ত করেন।জানা গেছে এই ধরনের মকড্রিল উপস্থাপনা করতে সকল ধরনের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি।এরই অঙ্গ হিসেবে রাজ্যের আট টি জেলার সবকটি জেলা শাসক কে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহনের নির্ধেশিকা জারি করা হয়।প্রাকৃতিক বিপর্যয় তথা ভূমিকম্প প্রবণ এিপুরা রাজ্য বর্তমানে পাঁচ নম্বর বিপজ্জনক অবস্থানে রয়েছে।তৎসঙ্গে রয়েছে বন্যা ও ভূমিধসের প্রবনতা।বিগত বৎসর সহ এবারকার চলতি বছরেও রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যায় ও ভূমিধসে একাংশ জনগন কে বাড়িঘর ছেড়ে এান শিবিরে গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে।পাশাপাশি লক্ষ লক্ষ টাকার সহায় সম্পদ বন্যার জলে তলিয়ে গিয়ে সর্বশান্ত হয়ে পথে বসতে হয়েছে।তাই এই ধরনের অনাঙ্ক্ষিত বিপর্যয় মোকাবিলায় রাজ্য বাসিকে পরিএান দিতে রাজ্য সরকার কতৃক এই ধরনের সচেতনতা মুলক মকড্রিল উপস্থাপন করে রাজ্যের জনগনকে সচেতন করে তুলছেন।রাজ্য জোরে প্রাকৃতিক বিপর্যয় রোধ সহ বিপর্যয় মোকাবিলা করতে কি কি করণীয় সেই নিয়ে ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি রাজ্য জোরে এই ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষে নিরলস ভাবে প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন।এই মর্মে রাজ্যের সবকটি জেলার প্রতিটি লাইন ডিপার্টমেন্ট কে যুক্ত করে রাজ্য জোরে সার্বিক কল্যাণে এই ধরনের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে।ধারণা করা হচ্ছে,এই ধরনের মকড্রিল প্রদর্শনের মাধ্যদিয়ে রাজ্যের সমস্ত অংশের জনগন প্রাকৃতিক বিপর্যয় সহ বিপর্যয় মোকাবিলাজ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান আহরণ সহ সমস্ত ধরনের ভয়ভীতি কাটিয়ে উটে নিজেদের প্রস্তুত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।
মুপা ও দিয়াখো স্টেশনের মাঝামাঝি পাহাড় ধসে বড়সড় রেল বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।
ধর্মনগর প্রতিনিধি : অসমের লামডিং ও বদরপুর রেল সেকশনের মধ্যে মুপা ও দিয়াখো স্টেশনের মাঝামাঝি পাহাড় ধসে বড়সড় রেল বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ধস নামার ফলে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসকে মাইবং স্টেশনে আটকে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে শিলচর-গুয়াহাটি প্যাসেঞ্জার ট্রেনও বিপদের আশঙ্কায় থামিয়ে দেন এক সতর্ক রেলকর্মী। ধ্বসে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেললাইন। ফলে এই রুটে ট্রেন চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রেল কর্তৃপক্ষ দ্রুত উদ্ধার ও মেরামতির কাজ শুরু করেছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে রেল সুরক্ষা বাহিনী ও ইঞ্জিনিয়ারিং টিম। পাহাড়ি অঞ্চলে টানা বৃষ্টির জেরেই এই ধ্বস বলে প্রাথমিক অনুমান। যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
তেজপুর, আসাম :– বুধবার লংতরাই-এর উদ্যোগে “তেজপুর রিটেইলার্স মিট ২০২৫” এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।অনুষ্ঠানের সভাপত্বিত করেন লংতরাই-এর তেজপুর ডিস্ট্রিবিউটর শ্রী দেবাশীষ রোকশিট, প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন তেজপুর নর্থ ইস্ট ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের সেক্রেটারি শ্রী রাজু ভাটি। সম্মানিত অতিথি হিসাবে ছিলেন সোনিতপুর জার্নালিস্ট ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট শ্রী সঞ্জীব হাজারিকা এবং বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন শ্রী বিনয় জৈন।কোম্পানির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লংতরাই এর কর্ণধার রতন দেবনাথ, জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দেবনাথ, জোনাল ম্যানেজার শুভ রঞ্জন দাস, রিজিওনাল ম্যানেজার পলাশ সরকার এবং বাস্তব চ্যাংককটি সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।অনুষ্ঠানে প্রায় ১৩৫ জন রিটেইলার, ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটর অংশগ্রহণ করেন।
প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি ওনাদের ভাসনে লংতরাই-এর এই উদ্যোগকে অত্যন্ত সাধুবাদ জানান। সম্মানিত অতিথি উনি তার বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে সকল রিটেইলারস এবং ডিলারস দের লংতরাই মসলা বাজারজাত করার আহব্বান জানান এবং তার বিভিন্ন দিক গুলি তুলে ধরেন।
লংতরাই এর কর্ণধার শ্রী রতন দেবনাথ ওনার ভাষণে কোম্পানির ইতিবৃত্ত তুলে ধরতে গিয়ে এক দারুন মনোজ্ঞ আলোচনা করেন। লংতরাই এখন শুধু ত্রিপুরার জন্যই প্রসিদ্ধ নয় গোটা উত্তরপূর্ব ভারতের এক অনন্য নাম হতে চলছে। উনি আশা করছেন আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে লংতরাই প্রতিটি পরিবারের গৃহিণীদের মন জয় করে নেবে। লংতরাই প্রোডাক্ট শুধুমাত্র মশলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই তার মধ্যে রয়েছে তেল, ঘি, চাউল ইত্যাদি সহ আরো প্রায় ১২০টি প্রোডাক্ট। উনি আরো বলেন লংতরাই বর্তমানে ত্রিপুরা থেকে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিহার, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশেও লংতরাই-এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে।
রিটেইলারদের মধ্য থেকে অনেকে আলোচনা করতে গিয়ে লংতরাই গুণমান নিয়ে খুব প্রশংসা করেন এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যে নগাঁও স্থিত বাজার গুলিতে এক বিশাল প্রভাব ফেলবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন এবং আগামীদিন ওনারা লংতরাই ব্রান্ডের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণ রাখেন জেনারেল ম্যানেজার শ্রী সুব্রত দেবনাথ।
- প্রতিনিধি মোহনপুর:- মোহনপুর কৃষি মহকুমা এলাকার কৃষকের চাষ জমি পরিদর্শন করলেন কৃষিমন্ত্রী রতন লাল নাথ। বুধবার কলাগাছিয়া গ্রামের উচ্চ শিক্ষিত চন্দ্র কুমার শীল দাসের মিশ্র ফলের বাগান পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রী। উনার বাগানে মাল্টা, মুসাম্বির, ড্রাগন ফ্রুট, আম সহ বিভিন্ন ফলের গাছ রয়েছে। এইদিন কৃষক চন্দ্র কুমার শীল দাসের সাথে দীর্ঘ সময় কথা বলেছেন মন্ত্রী। ওনার আয় ব্যয় সম্পর্কে অবগত হয়েছেন। এর পাশাপাশি এই ধরনের চাষবাস করে এলাকার অন্যান্য যুবকদের আত্মনির্ভরতার পথে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান করলেন মন্ত্রী।
অন্যদিকে সাতডুবিয়া গ্রামের কৃষক সঞ্জীব বিশ্বাস সবজির পাশাপাশি বর্ষাকালীন তরমুজের চাষ করেছেন। এই এলাকাতে বর্তমান মরশুমে এই ব্যতিক্রমী ফলের চাষ একমাত্র তিনিই করেছেন। এদিন উনার জমিও পরিদর্শন করেছেন কৃষিমন্ত্রী। বর্ষাকালে এই এলাকাতে একটি বিকল্প ফলের চাষ করে বাড়তি আয়ের মুখ দেখার সম্ভাবনা পথে এই কৃষক। এদিন কৃষকের সাথে এই চাষবাস সম্পর্কে আলোচনা করেছেন মন্ত্রী। এইদিন মন্ত্রী বলেন বর্তমানে কৃষকরা ব্যতিক্রমী এবং নতুন চাষবাসের সাথে যুক্ত হচ্ছে। কৃষি দপ্তর থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হচ্ছে এলাকার কৃষকদের। এই ধরনের ব্যতিক্রমী সবজি এবং ফল চাষে আরও বেশি করে কৃষকদের এগিয়ে আসার আহ্বান করেছেন মন্ত্রী।
নগাঁও, আসাম :- রবিবার লংতরাই-এর উদ্যোগে “নগাঁও রিটেইলার্স মিট ২০২৫” এক উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়।অনুষ্ঠানের সভাপত্বিত করেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গৌরাঙ্গ দেব, প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন নগাঁও এর বরিষ্ঠ সাংবাদিক শ্রীযুক্ত কনক হাজারিকা। বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন নর্থ ইস্ট ডিস্ট্রিবিউটর এসোসিয়েশনের মাননীয় সম্পাদক আসিফ জামান। কোম্পানির পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লংতরাই এর কর্ণধার রতন দেবনাথ, জেনারেল ম্যানেজার সুব্রত দেবনাথ, জোনাল ম্যানেজার শুভ রঞ্জন দাস, রিজিওনাল ম্যানেজার পলাশ সরকার সহ অন্যান্য কর্মকর্তাগণ।অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫০ জন রিটেইলার, ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটর অংশগ্রহণ করেন।প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি যথাক্রমে শ্রীযুক্ত হাজারিকা ও আসিফ জামান দুইজনই তাঁদের বক্তব্যের মাধ্যমে উত্তর পূর্ব ভারতের ছোট্ট পাহাড়ি রাজ্য ত্রিপুরার অন্ন্যতম ব্র্যান্ড লংতরাই তার বিভিন্ন্য প্রোডাক্ট গুলি নিয়ে আজ নগাঁও এর রিটেইলার্স মিটের আয়োজন করেছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন।লংতরাই এর কর্ণধার শ্রী রতন দেবনাথ ওনার ভাষণে কোম্পানির ইতিবৃত্ত তুলে ধরতে গিয়ে এক দারুন মনোজ্ঞ আলোচনা করেন। লংতরাই এখন শুধু ত্রিপুরার জন্যই প্রসিদ্ধ নয় গোটা উত্তরপূর্ব ভারতের এক অনন্য নাম হতে চলছে। উনি আশা করছেন আর অল্প কিছুদিনের মধ্যে লংতরাই প্রতিটি পরিবারের গৃহিণীদের মন জয় করে নেবে। লংতরাই প্রোডাক্ট শুধুমাত্র মশলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই তার মধ্যে রয়েছে তেল, ঘি, চাউল ইত্যাদি সহ আরো প্রায় ১২০টি প্রোডাক্ট। উনি আরো বলেন লংতরাই বর্তমানে ত্রিপুরা থেকে আসাম, পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিহার, এমনকি পার্শ্ববর্তী দেশ বাংলাদেশেও লংতরাই-এর চাহিদা দিন দিন বেড়ে চলেছে।রিটেইলারদের মধ্য থেকে অনেকে আলোচনা করতে গিয়ে লংতরাই গুণমান নিয়ে খুব প্রশংসা করেন এবং অল্প কিছুদিনের মধ্যে নগাঁও স্থিত বাজার গুলিতে এক বিশাল প্রভাব ফেলবে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন এবং আগামীদিন ওনারা লংতরাই ব্রান্ডের সঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।জেনারেল ম্যানেজার শ্রী সুব্রত দেবনাথ তাঁর ভাষণে কোম্পানির তরফ থেকে রিটেইলার, ডিলারদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি গুণমানের দিক থেকে লংতরাই যে সেরা, তা উল্লেখ করতে গিয়ে গত ফেব্রুয়ারি মাসে টাইমস অফ ইন্ডিয়া কর্তৃক উত্তর-পূর্ব ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ বিশুদ্ধ গুঁড়া মশলার প্রস্তুতকারকের সম্মানের কথাও তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণ রাখেন আসামের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার, বাস্তব চ্যাংকাকটি। ও সব শেষে জোনাল সেলস ম্যানেজার শুভ রঞ্জন দাস ওনার ধন্যবাদ সূচক ভাষণের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।