প্রতিনিধি মোহনপুর :- কল্যাণপুর থেকে গাভী বোঝাই করে নিয়ে আসার সময় একট বাইকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে আসে একটি গাড়ি। সিধাই থানার অন্তর্গত গজ পাড়ায় আটক করা হয়েছে গাড়িটি। অতিরিক্ত জনতা গাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি মারধর করে চালককে। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কল্যাণপুর ও সিধাই থানার পুলিশ। তারপরই নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি।
সোনামুড়া এলাকার টিআর ০১জেড ১৯৫০ নাম্বারের একটি গাড়ি কল্যাণপুর এলাকা থেকে গাভী নিয়ে বড়কাঁঠাল অভিমুখে রওনা দেয় বুধবার। এদিন সকাল আনুমানিক দশটা নাগাদ দালাং বাড়ি এলাকায় বাইকে ধাক্কা দেয় গাড়িটি। এই বাইকে ছিলেন সমিত দেববর্মা এবং উনার মেয়ে কার্তিকা দেববর্মা। মেয়েটি স্কুল শেষে বাড়ি ফিরছিল বাবার সাথে। তাদেরকে আহত অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় স্থানীয় হাসপাতালে। এদিকে স্থানীয় জনতা পিছু করে গাড়িটির। খবর দেওয়া হয় গজপাড়া এলাকায় স্থানীয় জনতাকে। এখানে আটক করা হয় এই গাড়িটি। গাড়ি চালক প্রাণ বাঁচাতে গাড়িটি ঢুকিয়ে দিয়ে গজপাড়া টিএসআর ক্যাম্পের ভেতর। সেখানে উত্তেজিত জনতা জোড় হয়ে গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। মারধর করা হয়েছে গাড়ি চালককে। খবর পেয়ে ঘটনা স্হলে পৌঁছায় সিধাই ওসি মঙ্গেশ পাটারি এবং পুলিশ বাহিনী। অন্যদিকে কল্যাণপুর থানার ওসি এবং অন্যান্য পুলিশ আধিকারিক ছুটে আসন ঘটনাস্থলে। প্রাথমিকভাবে উত্তেজিত জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের তরফে গাড়ি মালিকের নিকট দাবি করা হয়েছে দুই লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য। দীর্ঘ সময় আলোচনার পর এক লক্ষ টাকায় দুপক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা হয়। তারপরই টাকা হাতে পেয়ে ঘাতক গাড়ি এবং অভিযুক্ত চালককে ঘটনাস্থল থেকে যেতে দেয় স্থানীয়রা। তবে এদিন আরক্ষা বাহিনী সঠিক সময়ে উপযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে আরও বড় ধরনের কোন দুর্ঘটনা ঘটায় সম্ভাবনা ছিল।
অপরাধ
শান্তিরবাজার প্রতিনিধি :মনপাথর ফাঁড়ী থানার ওসি জয়ন্ত দাস প্রতিনিয়ত নিষ্ঠার সহিত কাজকরেযাচ্ছেন। কোনোপ্রকার অন্যায়কে পশ্রয় দেননা ওসি জয়ন্ত দাস। তিনি আইনের রক্ষক হয়ে কাজকরার পাশাপাশি প্রতিনিয়ত সমাজসেবা মূলক কাজকরেথাকেন। জয়ন্ত দাসের এইধরনের কাজের জন্য তিনি সকলের মনে বিশেষ জায়গাকরেনিয়েছেন। জয়ন্ত দাস মনপাথর ফাঁড়ী থানায় থাকাকালিন অপরাধের সংখ্যা অনেকটা কমেছেন। এরইমধ্যে দেখাযাচ্ছে যুবসমাজকে ধ্বংস করারলক্ষ্যে কিছু সংখ্যক লোকজন নেশার রমরমা ব্যাবসা করছে। রাজ্যসরকার চাইছে নেশামুক্ত ত্রিপুরা গঠন করতে। রাজ্যসরকারের উদ্দ্যেশ্যকে সাফল্যমন্ডীত করতে কাজ করেযাচ্ছে ওসি জয়ন্ত দাস। উনার এলাকায় উত্তর তাকমা এলাকায় গাঁজা চাষের খবর পেয়ে বিশালবড় পুলিশ বাহিনী নিয়ে গাঁজা বাগান ধ্বংস করেন। শুক্রবার সকালবেলা এই অভিযান চালানোহয়। আজকের এই অভিযানে প্রায় ২ হাজার গাঁজা গাছ নষ্ট করাহয় বলে জানাযায়। ওসি জয়ন্ত দাসের নেতৃত্বে বিগতদিনেও এইধরনের অভিযান চালাতে দেখাযায়। জয়ন্ত দাসের এইধরনের অভিযানে খুবই খুশি স্থানীয় লোকজনের। সকলে আশাবাদী ওসি জয়ন্ত দাসের নেতৃত্ব যুব সমাজ নেশার করলগ্রাস থেকে মুক্তিপাবে । নেশামুক্ত ত্রিপুরা গঠনের সঠিক পথ দেখাচ্ছে ওসি জয়ন্ত দাস। জানাযায় ওসির এইধরনের অভিযান আগামীদিনেওজারীথাকবে।
প্রতিনিধি মোহনপুর :- অবৈধভাবে গড়ে তোলা গাঁজা বাগান কেঁটে ধ্বংস করে দিল লেকুঙ্গা থানার পুলিশ। সোমবার তালাবান এলাকায় চলে এই গাজা বিরোধী অভিযান। এতে প্রায় তিন হাজার গাঁজা গাছ ধ্বংস করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন লেফুঙ্গা থানার ওসি।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি লেফুঙ্গা থানা এলাকাতেও বেশ কিছু অঞ্চল জুড়ে তৈরি হয়েছে অবৈধ গাঁজা বাগান। সোমবার এই গাঁজা বাগান গুলোতে টিএসআর এবং পুলিশ যৌথভাবে অভিযান চালায়। এই অবৈধ গাঁজা বাগানে থাকা গাঁজা গাছগুলোকে কেটে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওসি সহদেব দাস। পাশাপাশি আগামী দিনেও এলাকার বিভিন্ন কাজা বাগান গুলো এভাবেই ধ্বংস করা হবে বলে স্পষ্ট করে দিলেন ওসি সহদেব দাস।
প্রতিনিধি মোহনপুর :- জঙ্গলে লুকিয়ে রাখা অবৈধ কাঠ উদ্ধার করতে সক্ষম হলো পুলিশ।বামুুটিয়া পুলিশ ফাঁড়ির অন্তর্গত বেড়ীমুড়ার সূর্য চৌমুহনি এলাকা থেকে গোপন খবরের ভিত্তিতে এই অবৈধ কাঠ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বামুটিয়া ফাঁড়ির ওসি এন্থনি জমাতিয়া। সোমবার সকালে জঙ্গলে ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে এই কাঠ গুলো। বামুটিয়া ফাঁড়ির ওসি এন্থনি জমাতিয়া জানান উনাদের কাছে খবর আসে এই এলাকাতে রাতের আঁধারে এনে বেশ কিছু অবৈধ কাঠ রাখা হয়েছে। সেই খবর ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয় এই এলাকাতে। কাঠ উদ্ধার করা সম্ভব হলেও কাঠের মালিককে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এই বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছেন এন্থনি জমাতিয়া। তুলা বাগানে অবৈধ গাঁজা বাগান ধ্বংস করল পুলিশ
প্রতিনিধি মোহনপুর:- শনিবার গভীর রাতে গাঁজা বিরোধী অভিযান করলো সিধাই থানার পুলিশ। কলাগাছিয়া এলাকায় এই অবৈধ গাঁজা বিরোধী অভিযানে নষ্ট করা হয়েছে গাঁজা গাছ। সিধাই থানার ওসি মঙ্গেশ পাটারির নেতৃত্বে চলে এই গাঁজা বিরোধী অভিযান। উল্লেখ্য এই এলাকাতে রয়েছে আরো গাঁজা বাগান। স্থানীয়রা দাবি করেছেন অন্যান্য গাঁজা বাগান গুলো ধ্বংস করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করুক পুলিশ।
উদয়পুর প্রতিনিধি : নিজ আপন ভাইয়ের হাতে খুন হয়েছিলেন ছুড়ির আঘাতে ৫১ বছরের টিটু মিঞা খাদিম । এই ঘটনাটি নূর মহম্মদ খাদিম ঘটিয়েছিলো ২০২১ সালের অক্টোবর মাসের এক তারিখ । ঘটনার বিবরণে প্রকাশ , ঐদিন বিকাল আনুমানিক পাঁচটার সময় নূর মহম্মদ খাদিমের বড় ভাই সোহাবর আলী খাদিমের বাড়িতে জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এক সালিশি সভা আয়োজন করা হয়েছিল। উক্ত সলিসি সভাতে টিটু মিঞা খাদিম এবং নূর মহম্মদ খাদিম ও সোহাবর আলী খাদিম সহ গ্রামের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গরাও উপস্থিত ছিলেন । কিন্তু হঠাৎ করে সালিশি সভার মধ্যে দুই ভাইয়ের বাক-বিতণ্ডা শুরু হয় । একটা সময় সভার মধ্যে সকলের সামনে ছুরি দিয়ে টিটু মিঞা খাদিমের শরীরে আঘাত করে । এতে রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয় সে । তৎক্ষণাৎ টিটু মিঞা খাদিমকে উদয়পুর গোমতী জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তারবাবু মৃত বলে ঘোষণা করে । ঐ ঘটনায় টিটু মিঞা খাদিমে ছেলে জাহির হোসেন খাদিম রাধা কিশোরপুর থানায় অভিযুক্ত নূর মহম্মদ খাদিমের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন । পুলিশ অভিযোগ মূলে ঘটনার তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন । পরে মাননীয় আদালত বাদী পক্ষের ১৭ জনের সাক্ষ্য বাক্য গ্রহণ করে এবং উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানির পর আসামি নূর মহম্মদ খাদিমকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেন ২০২৪ সালের কুড়ি ডিসেম্বর তথা শুক্রবার দুপুরে। মাননীয় বিচারপতি শংকর লাল দত্ত নূর মহম্মদ খাদিমকে , নিজের ভাইকে হত্যার অভিযোগে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেন। তৎসঙ্গে কুড়ি হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন । এই আদেশ দেওয়ার সাথে সাথে কান্নায় ভেঙে পড়ে নূর মহম্মদের পরিবার ।
১২ টি বার্মিজ গরু সহ দুটি বোলেরো পিকআপ গাড়ি আটক করল পানিসাগর থানার পুলিশ।
চুরাইবাড়ি প্রতিনিধি ২০ ডিসেম্বর:–রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বার্মিজ গরুর পাচার বাণিজ্য অব্যাহত রেখেছে গরুর মাফিয়ারা। জানা গেছে গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দুইটি বার্মিজ গরু বুঝাই বলেরো পিকআপ গাড়ি আটক করে রামনগর দেওছড়ার স্থানীয় একদল যুবক। মারধর করা হয় গাড়ি চালক ও সহচালক কে। পরবর্তী সময়ে অবস্থা বেগতিক দেখে স্থানীয়রা জড়ো হয়ে খবর দেন পানিসাগর থানা ও দমকল অফিসে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় পানিসাগর থানার ওসি সুমন্ত ভট্টাচার্য সহ দমকল কর্মীরা। এক গাড়ি চালকের অবস্থা, গুরুতর দেখে দমকলকর্মীরা তাকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান পানিসাগর মহকুমা হাসপাতালে। ওপর আরেক গাড়ি চালক ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে TR05 H 1563 ও TR05F 1797 নাম্বারের দুইটি বলে্রো পিকআপ গাড়ি সহ ১২ টি বার্মিজ গরু নিয়ে আসে পানিসাগর থানায়। ওসি সুমন্ত ভট্টাচার্য স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে ঘটনার সত্যতা প্রত্যক্ষ করেন। উনি জানান স্থানীয়রা যদি কোন অভিযোগ থানায় লিপিবদ্ধ করেন তবে উনি শক্ত হাতে তদন্তে নামবেন নতুবা একটি সমোট আইনে মামলা নিয়ে তদন্ত শুরু করবেন। বর্তমানে বোলোরো গাড়ি দুটিকে নিজ হেফাজতে নিয়ে বারোটি বার্মিজ গরু গুলোকে যুবরাজনগরের কালিকাপুর স্থিত বাবা গোরক্ষনাথ গোশালায় হস্তান্তর করা হবে।
সোনামুড়া প্রতিনিধিঃ গোপন খবরের ভিত্তিতে কাঠালিয়া সোনামুড়া সড়কের বেজি মারা সংলগ্ন এলাকায় টি আর ০৭c০৭৪৮ নম্বরের ইকো গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ছয়টি কার্টুনের ৬ ০০ ফেনসিডিল উদ্ধার করল সোনামুড়া থানার পুলিশ। আটক গাড়ী চালক সোলেমান মিয়া। উদ্ধারকৃত নেশা সামগ্রীর বাজার মূল্য প্রায় ছয় থেকে সাত লক্ষ টাকা। এদিনের অভিযান প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানান সোনামুড়া থানার ওসি জয়ন্ত দে। উক্ত ঘটনার ndps ধারায় একটি মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
সামাজিক মাধ্যমে কুৎসা প্রচার ও এক অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হলো দয়াল হরিকে । থানায় বিজেপি বিজেপি কর্মীদের ।
উদয়পুর প্রতিনিধি : দীর্ঘদিন ধরে বাম কর্মী দয়াল হরি দেবনাথ তার ব্যক্তিগত সামাজিক মাধ্যমে শাসক দলের বিভিন্ন বিধায়ক থেকে শুরু করে মন্ত্রী এবং অন্যান্য বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভাষায় লেখালেখি করে চলছিল । সেই সাথে এবার যুক্ত হলো নতুনভাবে এক ব্যক্তির পক্ষ থেকে দয়াল হরি দেবনাথের নামে থানায় মামলা দায়ের করা হয় । জানা যায় , মামলা হাতে পেয়ে রাধা কিশোরপুর থানার পুলিশ নড়ে চড়ে বসে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা রাতে আগরতলায় একটি বিশেষ পুলিশের টিম পাঠানো হয় তাকে গ্রেপ্তার করার জন্য । সূত্রের খবর দীর্ঘ কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় রাজধানী থেকে । পরে উদয়পুর থানায় রাতে তাকে নিয়ে আসা হয় । একাধিকবার দয়াল ভরি দেবনাথ এর সামাজিক মাধ্যম থেকে বিভিন্ন সময় বিভিন্নভাবে শাসক দলকে কালিমালিপ্ত করার অভিযোগ ওঠে নানাভাবে। মঙ্গলবার রাতে দয়াল হরি দেবনাথ গ্রেপ্তার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই বুধবার সকালে রাধা কিশোরপুর থানায় বিজেপির কর্মীরা থানার মধ্যে ভিড় জমাতে শুরু করে। পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত এবং অবনতির দিকে ধাবিত হতে থাকে। রাধা কিশোরপুর থানার ওসি বাবুল দাস উত্তপ্তের পরিস্থিতির আঁচ করতে পেরে কোন ধরনের ঝুঁকি নিতে তিনি রাজি হননি । খবর দেওয়া হয় উদয়পুর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক এবং জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে । নামানো হয় কেন্দ্রীয় সেনাবাহিনী । গোটা উদয়পুর থানা এবং শহরের রাজপথ কে কেন্দ্রীয় সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় পুলিশ দিয়ে করা নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয় । পরে থানা থেকে প্রিজন ভ্যানে করে উদয়পুর জেলা দায়রা আদালতে পুলিশ তাকে নিয়ে যায় আদালতের সোপর্দ করার জন্য । থানা থেকে বের করার সময় উত্তেজনা বেড়ে ওঠে থানার মধ্যে। শাসক দলের কর্মীরা স্লোগান এবং ধ্বনী দিতে শুরু করে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানায় , পুলিশের পক্ষ থেকে পাঁচ দিনের পুলিশ রিমান্ডের দাবি জানানো হয়েছে মাননীয় আদালতের কাছে । এদিন দয়াল হরি দেবনাথ কে গ্রেপ্তারের ঘটনায় যেভাবে উত্তপ্ত হয় উদয়পুরের রাজনৈতিক পরিবেশ। তাতে করে রাজনৈতিক মহলে অভিমত উত্তেজনার পরিবেশ আগামী দিনেও আরো বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
গ্যাস ভরে দেওয়ার নাম করে প্রায় কুড়ি জনের গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে গিয়ে আর ফিরিয়ে না দেবার অভিযোগ উঠে কৈলাসহর কালিপুর এলাকার এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে আজ সকাল বেলা ওই ব্যক্তিকে কৈলাশহর সোনামারা এলাকায় আটক করে এলাকাবাসী। গোপাল দত্ত নামে ঐ ব্যক্তি পেশায় একজন টুকটুক চালক দীর্ঘদিন ধরে শহরে টুকটুক চালিয়ে আসছে, অভিযোগ শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে একাধিক লোকের গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে যায় গ্যাস ভর্তি করার নাম করে কিন্তু সেই সব গ্যাস সিলিন্ডার মালিকগণের হাতে সে আর ফিরিয়ে দেয়নি। অভিযোগ সোনামারা এলাকার প্রায় কুড়িজনের গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে যায় সে গ্যাস ভর্তি করে এনে দেবে বলে, কিন্তু দীর্ঘদিন হয়ে যাওয়ার পরও সে আর গ্যাস সিলিন্ডার গুলি এনে দেয়নি তাই আজ এলাকাবাসীরা সোনামারা এলাকায় তার টুকটুক সহ তাকে আটক করে এবং সে লিখিতভাবে প্রতিশ্রুতি দেয় এলাকাবাসীদের এক মাসের ভেতরে সে কুড়ি জনের গ্যাস সিলিন্ডার ফিরিয়ে দেবে এরপর এলাকাবাসীরা তাকে ছেড়ে দেয় উক্ত ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাময়িক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গুটা এলাকায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এক এলাকাবাসী ঘটনার বিস্তারিত জানায়।