প্রতিনিধি ধর্মনগর : আজ দুপুরে পানিসাগর থানাধীন পশ্চিম পানিসাগর গ্রাম পঞ্চায়েতের চার নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ক্লিয়ার স্ট্রিম ওয়াটার নামক একটি প্যাকেজিং ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টে আচমকাই অভিযান চালায় উওর জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক ও পানিসাগর মহকুমা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের যৌথ অভিযানকারী একটি প্রতিনিধি দল।এতে উপস্থিত ছিলেন নর্থ ডিস্ট্রিক্ট ফুড সেইপ্টি অফিসার ড:কিঙ্কর দেব্বর্মা,নর্থ ডিস্ট্রিক্ট হেল্থ অফিসার ড:রাহুল পুরকায়স্থ,পানিসাগর মহকুমা প্রশাসনের খাদ্য দপ্তরের ফুড ইন্সপেক্টর গৌতম ভট্টাচার্যী,পানিসাগর মহকুমা প্রশাসনের রেভিনিউ ইন্সপেক্টর অজয় দেব নাথ সহ পানিসাগর আরক্ষা প্রশাসনের কর্মী সহ টি,এস,আর জোয়ানেরা।খাদ্য নিরাপওা ও মান আইন ২০০৬ অনুসারে ফেসাই এক্ট নির্ধারিত নিতী নির্ধেশিখা না মেনে উওর জেলরা বিভিন্ন স্থানে গজিয়ে ওঠা প্যাকেজিং মিনালের ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট গুলোকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রটোকল কে মান্যতা দিয়ে সঠিক এবং স্বাস্থ্য সম্মত প্যাকেজিং ওয়াটার সরবরাহ করতে উওর জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিকের খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে এই ধরনের ঝটিকা অভিযান চালানো হচ্ছে উওর জেলার ধর্মনগর,পানিসাগর সহ প্রত্যন্ত এলাকা গুলোতে।উক্ত অভিযান কালে অভিযান কারি দল টি পশ্চিম পানিসাগর স্থিত ক্লিয়ার স্ট্রিম ওয়াটার প্যাকেজিং ওয়াটার প্যান্ট টির বৈধ নতিপএ সহ পারিপার্শ্বিক বিষয় গুলো ক্ষতিয়ে দেখেন।অভিযান শেষে অভিযান কারি দলটি জানান ক্লিয়ার স্ট্রিম ওয়াটার প্ল্যান্ট টির কিছু বৈধ নতিপএ পাওয়া গেলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রটোকল অনুযায়ী টেস্টিং ল্যাব সহ বিভিন্ন ধরনের প্রতিকুল প্রতিবন্ধকতা থাকায় প্ল্যান্ট মালিক অশোক দাস,পিতা শীতেশ দাস কে প্রথম বারের মতো সতর্ক করা সহ উৎপাদন কৃত প্যাকেজিং জলের জার গুলোকে আপাতত বাজারজাত করার উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।পাশাপাশি অতি শ্রীগ্রই সংশ্লিষ্ট দপ্তরের স্মরনাপন্ন হয়ে প্যাকেজিং ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট পরিচালনার ক্ষেএে নির্ধারিত নতিপএ তৈরি করতে পরামর্শ প্রদান করেন অভিযান কারি দলটি।পরবর্তীতে অভিযান কারি দলটি পানিসাগর বাজারে এসে বেশ কয়েকটি প্যাকেজিং ওয়াটার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়ে আমদানি কৃত প্যাকেজিং জলের জার গুলোর নির্ধারিত উৎপাদন তারিখ,মেয়াদ উওীর্ণ তারিখ,সঠিক ব্যাচ নম্বর সহ জলের প্লাস্টিকের জার গুলোর গুনগত মান খতিয়ে দেখেন।পাশাপাশি সকল জল সরবরাহ কারি খুচরো বিক্রেতাগন কে উওর জেলা স্বাস্থ্য আধিকারিক কার্যালয়ে গিয়ে খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের সাথে যোগাযোগ করে অনতিবিলম্বে প্রত্যেক কে ফেসাই লাইসেন্স সহ রেজিষ্ট্রেশন করিয়ে নাম নতিভুক্ত করতে নির্ধেশিকা জারি করা সহ নির্ধারিত বৈধ নতিপএ সংগ্রহের পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত বিভিন্ন কোম্পানির প্যাকেজিং ওয়াটার বিক্রয়ের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে অভিযান কারি দলটি।অভিযান কালে প্রতিটি প্যাকেজিং জল বিক্রয়কারি খুচরো বিক্রেতাগনের ক্ষেএে প্যাকেজিং জল বিক্রয়ের ক্ষেএে বিভিন্ন ধরনের গাফিলতির চিএ পরিলক্ষিত হয়।তার দরুন প্রতিজন খুচরো বিক্রেতাগনের বিরুদ্ধে নির্ধারিত মেয়াদ সম্পন্ন জল বিক্রি সহ জলে প্লাস্টিকের জার গুলোর গুনগত মান যাচাই করে জল বিক্রির নির্ধেশ জারি করা হয়।অন্যতার পরবর্তী সময়ে পুনরায় এই ধরনের গাফিলতির কারনে জরিমানা সহ প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়।অভিযানকারী দলটি জানান এখন থেকে গতানুগতিক ভাবে এই ধরনের অভিযান চালিয়ে যাওয়া হবে,যাতে করে অসাধু জল কারবারিরা প্যাকেজিং মিনারেল ওয়াটার বিক্রির নামে সাধারণ জনগনকে ঠকাতে না পারে।
admin
প্রতিনিধি ধর্মনগর,, গতকাল রাত্রি আনুমানিক দশটার পিকে গোপন খবরের ভিত্তিতে দাম ছাড়া থানা ওসি সঞ্জয় মজুমদার ও এডিশনাল এসপি জেরি মিয়া ডালং এর যৌথ নেতৃত্বে মাদকদ্রব্য ও নগদঅর্থ সহ দুই নেশা কারবারিকে গ্রেফতার করে সাফল্য লাভ করল দামছড়া থানা । উত্তর ত্রিপুরার দামছড়া থানার অন্তর্গত কাসকাউ পাড়ায় পুলিশ এক মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযুক্তদের একজন সঞ্জীব দেববর্মা, বয়স ২৮, পিতা অজয় দেববর্মা, যার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩৩ গ্রাম হেরোইন পাউডার ও ৮০০টি ইয়াবা ট্যাবলেট। এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা। অভিযানের সময় অভিযুক্তের বাড়ি থেকে ৩ লক্ষ ৭৪ হাজার ৫০০ টাকা নগদ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত তার সহযোগী, কাসকাউ পাড়ার বাসিন্দা কৃষিরাম রিয়াং,বয়স ৪৬, কেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দামছড়া থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনার প্রেক্ষিতে NDPS আইন অনুযায়ী একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ধৃত ব্যক্তিরা একটি বড় মাদকচক্রের সঙ্গে যুক্ত। উল্লেখ্য, নেশামুক্ত ত্রিপুরা এই স্লোগান কে কেন্দ্র করে পুলিশের মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জনগণের সহায়তা ও সচেতনতা এই ধরনের অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।” এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এবং স্থানীয়দের দাবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাসকাউকা পাড়াসহ আশপাশের অঞ্চলে নজরদারি আরও বাড়ানো হোক।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগাম প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক মন্ত্রী শুক্লাচরণ।
- শান্তিরবাজার প্রতিনিধি : আজ শান্তির বাজার মহকুমায় শান্তির বাজার মহকুমা শাসক কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় প্রস্তুত থাকতে বিভিন্ন দপ্তরে আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া। গত বছর সারা রাজ্যের সাথে শান্তির বাজার মহকুমায় বন্যায় ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গৃহ পালিত পশু ,চাষের জমি, পুকুর, রাস্তা, বিদ্যুৎ ,ঘরবাড়ি ইত্যাদি। তাই এবার আগাম প্রস্তুতি। ভারী বৃষ্টি বা বন্যা হলে যেকোনো পরিস্থিতিতে যাতে করে জনজীবনে গত বছরের মতন যাতে করে ক্ষতি সম্মুখীন না হয় তার জন্য শান্তির বাজার বিধানসভা কেন্দ্রের এবং জোলাই বাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের সমস্ত দপ্তরে আধিকারিকদের নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া । পাশাপাশি এই ০৯৮৬৩১৩১২৩১একটি ইমার্জেন্সি মোবাইল হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে । শান্তির বাজার মহকুমা শাসক কার্যালয় মন্ত্রির পাশাপাশি আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৩৬ শান্তিরবাজার বিধানসভা কেন্দ্রে বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং,বকাফা পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান কৃষ্ণ রিয়াং,জোলাইবাড়ী পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান তাপস দত্ত , শান্তির বাজার পুরো পরিষদের চেয়ারম্যান স্বপ্না বৈদ্য ,শান্তির বাজার পূর্ত দপ্তরের এসডিও প্রবীরবরণ দাস, শান্তির বাজার মহকুমা শাসক মনোজ কুমার সাহা,জোলাইবাড়ী শিক্ষা অধিকত্তা বিকাশ দেবনাথ সহ অন্যান্যরা। ভারী বর্ষার আগেই আগাম সতর্কতা করতে বিভিন্ন দপ্তর আধিকারিকদের নিয়ে, মন্ত্রীর দূরদর্শিতায় এই বৈঠকের মূলত লক্ষ যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যে কোন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে দ্রুত পরিষেবা দেয়া।
শান্তিরবাজার প্রতিনিধি :জনগণের মন্ত্রী জনগণের পাশে
মানুষের মনের দরজায়, মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়ার মানবিক স্পর্শ। এ যেনো সত্যি কারের নেতা মানবিক দৃশ্য! জুলাইবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে, যেখানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় অনেক সময় সাধারণ মানুষের কণ্ঠ হারিয়ে যায়, সেখানে মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া দাঁড়িয়েছেন মানুষের সঙ্গে, হৃদয়ে হৃদয় মেলাতে। ব্যস্ততম সময়ের মাঝেও তিনি এক কাপ চায়ের মুখরোচক চুমুকে মানুষের সঙ্গে বসেন, গল্প করেন, তাদের সুখ দুঃখের আবাপ আভিয়েগ শোনেন—আর সেটাই গড়ে তোলে তাঁর নেতৃত্বের সৌন্দর্য।৮৩ বছর বয়সী এক প্রবীণ নাগরিক বললেন, “আমার জীবনে এমন মন্ত্রী কখনো দেখিনি, যে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে বসে গল্প করেন, খোলামেলা মত বিনিময় করেন। এটা শুধু নেতা নয়, একজন মানুষের মতো করে,সঠিক মানুষের নিদর্শন।”
কিছু মানুষ হয়তো এটাকে ‘লোক দেখানো’ বলবেন। কিন্তু মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া জানেন—‘লোক দেখানো’ হলেও যদি মানুষের জীবনে ভালো পরিবর্তন আসে, তাহলে তা কখনোই বৃথা নয়। তিনি সহজ,তিনি সাধারন, তারই দৃষ্টান্তমূল্য মন্ত্রী নিজে তাঁর স্ত্রীর সন্তান প্রসবের সময় সরকারি আইজিএম হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন। যে হাসপাতাল হাজারো সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের আশ্রয়, যেখানে সবাই সমান।উন্নত চিকিৎসার জন্য বেসরকারি বড় হাসপাতালেও যাওয়ার সুযোগ থাকা সত্ত্বেও, তিনি তাঁর স্ত্রীকে সাধারণ মানুষের মাঝে রেখে চিকিৎসা করিয়েছেন, যেন রাজ্যের চিকিৎসা পরিষেবার উন্নতি ও বিশ্বাস সবাই অনুভব করে। এটা শুধু আর্থিক নয়, মানবিকতার এক অনন্য নজির। তার জন্যই সাধারণ মানুষ বলতে শুরু করেছেন চা দোকানে পাড়ার দোকানে বসে বলতে শুরু করেছে অহংকার নেই মানবিক মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া।
শুক্লাচরণ নোয়াতিয়ার এই মানবিক নেতৃত্ব আমাদের শেখায়—নেতৃত্ব মানে শুধুমাত্র ক্ষমতা নয়, মানুষের হৃদয়ের পাশে থাকা, তাদের কষ্টে ভাগীদার হওয়া, এবং তাদের আশা ও বিশ্বাসে জোর দেওয়া। আজকের সময়ে যেখানে অনেকেই ক্ষমতার ঊর্ধ্বে উঠে জনসেবার কথা ভুলে যায়, সেখানে এই মানুষটি সাদাসিধে হৃদয় নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন।
তাঁর গল্প আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সত্যিকার নেতৃত্ব হলো মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়া, তাদের সঙ্গে হাসা-কান্না ভাগাভাগি করা এবং মানবিকতার উষ্ণতা ছড়িয়ে দেওয়া। মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া সেই মানবিকতা, সেই ভালোবাসা, যা আমাদের সমাজকে আরও সুন্দর ও শক্তিশালী করে তোলে।
প্রতিনিধি, উদয়পুর :-প্রাকৃতিক দুর্যোগকে উপেক্ষা করে শুক্রবার মহারানীর লাভ স্টোরি বাজারে অনুষ্ঠিত হয় এক রক্তদান শিবির এবং স্বাস্থ্য শিবির। এই শিবিরের আয়োজন করে অল ত্রিপুরা গভারমেন্ট গ্যাজেটেড ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন। শুক্রবার সকাল ১১ টায় এই স্বাস্থ্যশিবির ও রক্তদান শিবিরের উদ্বোধন করেন মাতারবাড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক অভিষেক দেবরায় এবং এমডিসি সম্রাট জমাতিয়া!
লাভ স্টোরি বাজারের এই স্বাস্থ্য শিবিরে মোট ২৬৪ জন রোগী স্বাস্থ্য পরিষেবা গ্রহণ করেন। মোট কুড়িজন রোগীকে আলট্রাসাউন্ড করা হয়, অস্ত্রোপ্রচারের জন্য ১৫ জন রোগীকে ইসিজি করা হয়। ৩০ জনকে মুখ্যমন্ত্রী আয়ুষ্মান কার্ড তৈরি করে দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য শিবিরের স্বাস্থ্য পরিষেবা নেওয়ার অনেক আমজনতা থাকলেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রক্তদানে আগ্রহী লোকের সংখ্যা পাওয়া যায়নি। রক্তদান শিবির থেকে পাঁচ ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। “সকলের জন্য স্বাস্থ্য” এই স্লোগানকে কাজে সামনে রেখে এই স্বাস্থ্য শিবির এবং রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে অল ত্রিপুরা গভারমেন্ট গ্যাজেটেড ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন।এই রক্তদান শিবির এবং স্বাস্থ্য শিবিরের উদয়পুর মহকুমার এক ঝাঁক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অংশ নিয়েছেন। উল্লেখযোগ্য । চিকিৎসকদের মধ্যে ছিলেন গোমতী জেলা হাসপাতালের এমএস, তথাস্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ কাজল দাস, ডক্টর বিশ্বজিৎ পাল, প্রদীপ মল্লিক, অর্পণ মিত্র, শর্মিষ্ঠা চৌধুরী , প্রসেনজিৎ দেবনাথ, সৌমিক চক্রবর্তী, জয় শংকর মজুমদার , অভিষেক বর্মন , শ্যামুয়েল দেববর্মা, পার্থ তলাপাত্র প্রমুখ। এই স্বাস্থ্য শিবির এবং রক্তদান শিবির কে কেন্দ্র করে প্রত্যন্ত ওই এলাকাবাসীর মধ্যে বিশেষ উৎসাহ এবং উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।
প্রতিনিধি। তেলিয়ামুড়া। ২৯ শে মে।মুঙ্গিকামি ব্লকের আওতাধীন আঠারমুড়া এডিসি ভিলেজ কমিটির অন্তর্ভুক্ত
ত্রিপুরা বস্তি এলাকায় আজ অনুষ্ঠিত হয় মেগা ম্যালেরিয়া সচেতনতা মূলক কর্মসুচি।
এদিনের এই কর্মসুচিতে উপস্থিত ছিলেন মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের বি ডি ও দিপ্তনু দেববর্মা, এডিশনাল বিডি ও স্টিফেন রিয়াং, মুংঙ্গিয়াকামি ব্লকের বি এ সি চেয়ারম্যান সুনীল দেববর্মা সহ অন্যান্যরা ।উল্লেখ্য মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের অধিন বিভিন্ন এডিসি ভিলেজের অন্তর্ভুক্ত এলাকায় এই মরসুমে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ দেখাদেয়। একটা সময় ছিল এই সমস্ত এলাকার মানুষের ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মেগা ম্যালেরিয়া সচেতনতা কর্মসূচি আয়োজন
মুঙ্গিয়াকামি আরডি ব্লক.। ব্লকের আওতাধীন আঠারমুড়া ভিলেজ কমিটির অন্তর্ভুক্ত
ত্রিপুরা বস্তি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয় এই মেগা ম্যালেরিয়া সচেতনতা মূলক কর্মসুচি।
এদিনের এই কর্মসুচিতে উপস্থিত ছিলেন মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের বি ডি ও দিপ্তনু দেববর্মা, এডিশনাল বিডি ও স্টিফেন রিয়াং, মুংঙ্গিয়াকামি ব্লকের বি এ সি চেয়ারম্যান সুনীল দেববর্মা সহ অন্যান্যরা ।উল্লেখ্য প্রতি বছর ই মুঙ্গিয়াকামি ব্লকের অধিন বিভিন্ন এডিসি ভিলেজের অন্তর্ভুক্ত এলাকায় বর্ষা মরসুমে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ দেখাদেয়। একটা সময় ছিল এই সমস্ত এলাকার মানুষের ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর খবর ছিল প্রতিটি সংবাদপত্রের পাতার নিয়মিত । বাদ যেত। না শিশু থেকে বৃদ্ধ কেওই, তাই এই সমস্ত এলাকায় মানুষকে সচেতন করতে সরকারি ভাবে আগে থেকেই ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়। যাতে পুর্বের ন্যায় ম্যালেরিয়াএই সমস্ত অঞ্চলের গিরিবাসিদের ক্ষতি করতে না পারে। আজকের সচেতনতা শিবিরে উপস্থিত মুঙ্গিয়া কামির ব্লকের বিএসসি চেয়ারম্যান সুনীল দেববর্মা বলেন, আঠার মোড়া এডিসি ভিলেজ এলাকায় আগে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বহু মানুষের মৃত্যুর খবর আমরা পেতাম। সময় পেরিয়েছে অনেক, বর্তমানে মুঙ্গিয়া কামি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের কোলে বড় অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণ মানুষও এখন স্বাস্থ্য পরিষেবা আগের থেকে অনেক বেশি পাচ্ছে। মানুষের মধ্যে সচেতনতা আগের থেকে কিছুটা হলে ও বৃদ্ধি পেয়েছে। ম্যালেরিয়ার বিরুদ্ধে আরো বেশি করে মানুষকে সচেতন করে তুলতে আরো বেশি করে এ ধরনের শিবির করার জন্য আবেদন রাখেন।
পূর্ণশ্লোক রানী অহলাবাই হল কারের ৩০০ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন করলো উদয়পুর পৌর পরিষদ
- প্রতিনিধি , উদয়পুর :- পূর্ণশ্লোক রানী অহলাবাই হল কারের ৩০০ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন করলো উদয়পুর পৌর পরিষদ উদয়পুর রাজশ্রী কলা কেন্দ্রের প্রেক্ষাগৃহে। বুধবার প্রধান অতিথি বিশিষ্ট সমাজসেবী সবিতা নাগ , উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারম্যান শীতল চন্দ্র মজুমদার , সহকারী চেয়ারম্যান প্রদীপ দেবনাথ, গোমতী জেলা পরিষদের এডুকেশন স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হরে কৃষ্ণ গোস্বামী সহ প্রমূখ। এদিন অতিথি বর্গের উপস্থিতিতে রানী অহলাবাদের ৩০০ তম জন্মদিন পালন করা হয়। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে উদয়পুর পৌর এলাকার শুভাকাঙ্কী নাগরিকের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। অতিথি বর্গদ্বয় আলোচনা করতে গিয়ে রানী অহলাবায়ের জীবনী সকলের সামনে তুলে ধরেন এবং আগামী দিনে ইতিহাসকে স্মরণ করে ভারতের নারী শক্তিকে এগিয়ে যেতে উদ্বৃত্ত করেন ।
নচিকেতার গানের ছন্দে চলছে শান্তিরবাজার বিদ্যু দপ্তর বারোটায় অফিস আসি দুটোই টিফিন ।দুর্ভোগে গ্রাহক।
শান্তিরবাজার প্রতিনিধি : শান্তির বাজার বিদ্যুৎ দপ্তরের অফিসে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকেও দেখামিলছেনা অফিসার বাবুদের। শান্তির বাজার বিদ্যুৎ দপ্তরের অফিসের বেহাল অবস্থা। বিদ্যুৎতের বিল দেওয়াথেকে সংযোগের নানান বিষয়ে মহকুমার বিভিন্নপ্রান্তথেকে লোকজনেরা ছুটেআসে দপ্তরের মহকুমার কার্যালয়ে। দপ্তরের আধিকারিক ছারা এইসকল সমস্যা সমাধানকরা অসম্ভব। তাই সকলে নিজেদের কাজ ছেরেদিয়ে বিদ্যুৎ সক্রান্ত সমস্যা সমাধানেরজন্য অফিসে ছুটে আসে। কিন্তু দেখাযায় অফিসশুরুর সময় অতিক্রান্ত হবার ১ ঘন্টাপরেও দপ্তরের আধিকারিকদের কোনোপ্রকার খোঁজখবর নেই। মঙ্গলবার শান্তির বাজার বিদ্যুৎ দপ্তরের অফিসে এমনটাই চিত্রলক্ষ্যকরাযায়। বেলা ১১ টা ৩০ মিনিট নাগাদ পর্যন্ত অফিসারবাবুদের অফিস কক্ষ ফাঁকা লক্ষ্যকরাযায়। অফিসকক্ষে ফাঁকা চেয়ারে চলছে পাঁখা। এতেকরে দপ্তরের আধিকারিকরা নিজেরাই বিদ্যুৎতের অপচয় করেযাচ্ছে। অপরদিকে মহকুমার বিভিন্নপ্রান্তথেকে আগত বিদ্যুৎ গ্রাহকরা আধিকারিকদের নাপেয়ে নিরাশহয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বসেথাকতে দেখাযায়। বিদ্যুৎ গ্রাহকরা দপ্তরের কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জানান দপ্তরের সমস্ত প্রকারের অর্থ মিটিয়ে দেওয়াসত্বেও বাঁকাপথে অর্থ উপার্জনের জন্য গ্রাহকদের কাছথেকে টাকাচেয়ে থাকে কর্মীরা। গ্রাহকরা দপ্তরের কর্মীদের আবদার নামেটাতে পারলে গ্রাহকদের সঠিকভাবে পরিষেবা প্রদানকরাহয়না। চা খাঁওয়ার নামে এই অর্থ আদায়করে দপ্তরের কর্মীরা এমনটাই অভিযোগ। এখন দেখার বিষয় দপ্তরের কর্মীদের এইভাবে দেরিতে আসার বিষয়ে ও লোকজনের কাছথেকে চা খাওয়ার নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের বিষয়ে রাজ্যের বিদ্যুৎ দপ্তরের মন্ত্রী কিপ্রকার পদক্ষেপগ্রহনকরে।
- প্রতিনিধি ধর্মনগর : উত্তর জেলা ধর্মনগরে মহকুমার বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ কাঠ পাচারকারীদের রুখতে বনদপ্তর এর উদ্যোগে রাত্রিকালীন প্রহরা এতটাই প্রখর যে যে কোন এলাকা দিয়ে রাতের আঁধারে কাঠ প্রচার করতে গেলেই বন দপ্তরের পেট্রোলিং পার্টি র হাতে আটক হচ্ছে পাচারকারীর কাঠ সহ বহনকারী গাড়ি। গতকাল গভীর রাতে ধর্মনগর বনদপ্তরের সাঁড়াশি অভিযানে পানিসাগর মহাকুমার পালগাঁও এলাকা থেকে আটক করা হয় দুইটি গাড়ি। বন দপ্তরের নৈশকালীন পেট্রোলিন পার্টি ভোর রাতে দেখতে পায় তিনতই পালগাঁও দিয়ে দুটি গাড়ি কাঠ বুঝাই করে আসছে। সন্দেহ বসে গাড়ির গাড়িটিকে তারা থামানোর জন্য সিগন্যাল দেয় অবস্থার ব্যাগতিক বুঝে গাড়ি চালক গাড়ি রেখে পালিয়ে যায়। বনদপ্তর এর কর্মীরা গাড়িটি তল্লাশি করে দেখতে পায় প্রায় ২০০ ফুট অবৈধ সেগুন কাঠ গাড়িতে রয়েছে যার বাজার মূল্য আনুমানিক লক্ষাদিক টাকার উপরে।এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মহকুমা বন দপ্তর অধিক আধিকারিক জানান পানিসাগর পেট্রোলিন পার্টি টি আর 05 বি ১৫৯১ টি আর ০২ ৭৮৭৩ এই দুটি বলেরগাড়ি কে গভীর রাতে সন্দেহ বসত দাঁড়া করানোর জন্য তিল থই পালগাঁও এলাকাতে সিগনাল দিলে গাড়ির চালক গাড়ি রেখে পালিয়ে যায়। বন দপ্তরের পেট্রোলিন পার্টি গাড়ি তল্লাশি করে দেখতে পায় গাড়িতে অবৈধ কাঠ রয়েছে। খবর পেয়ে এলাকায় ছুটে যায় ধর্মনগর মহকুমা ফরেস্ট অফিসার অশোক কুমার। অবশেষে গাড়ি দুটিকে মালসহ জুরি রিজার্ভ ফরেস্ট অফিসে নিয়ে যায়। তিনি জানান কয়েক লক্ষ টাকার অবৈধ পাচার কালে চোরাই কাঠ এই দুটি গাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে যার বাজার মূল্য কয়েক লক্ষ টাকা। তিনি জানান এই কার্ডগুলি রাতের আঁধারে বইয়ের রাজ্যে প্রচার করার জন্যই নিয়ে যাচ্ছিল পাচারকারীরা। এই অভিযানে সাব ডিভিশনাল ফরেস্ট অফিসার ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ধর্মনগর ফরেস্টার আব্দুল সাত্তার ধর্মনগর রেঞ্জার সুপ্রিয় দেবনাথ সহ বন দপ্তরের পেট্রোলিং পার্টির কর্মীরা।
প্রতিনিধি ধর্মনগর : পুনরায় চুড়াইবাড়িতে সশস্ত্র ডাকাতি জনমনে তীব্র আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে । এবারের ডাকাতির ঘটনাটি সংঘটিত হয়েছে চুড়াইবাড়ি থানাধীন পূর্ব ফুলবাড়ী খাদিমপাড়া দুই নং ওয়ার্ড এলাকায়। ওই এলাকার বাসিন্দা দেওসিং গৌড় (৫০) পিতা মৃত দুর্গাচরণ গৌড় এর বাড়িতে হানা দেয় ডাকাত দল। বন্দুক ছুরি নিয়ে মাঙ্কি টুপি পরে চার পাঁচ জনের এক ডাকাত দল এই দুঃসাহসিক ঘটনাটি সংঘটিত করেছে। এই ঘটনার বিষয়ে বাড়ির মালিক দেওসিং গৌড় জানান বুধবার রাতে প্রতিদিনের ন্যায় খাওয়া-দাওয়া সেরে স্ত্রী সহ সন্তানদের নিয়ে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। বাড়িতে তৈরি করা হচ্ছে নতুন ঘর সেই ঘরের এক অংশে বসবাসের জন্য আরেকটি ঘর তৈরি করা হয়েছে। তাছাড়া নতুন ঘরের কাজ চলছে দ্রুত গতিতে। গত ১৮ তারিখ ব্যাংক থেকে ২ লক্ষ টাকা তুলে দোকানদার সহ মিস্ত্রিদের দেওয়ার জন্য টাকা গুলো ঘরে এনে রাখেন। ডাকাত দল ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে উনার হাত-পা বেঁধে ফেলে চিৎকার না করার জন্য বলে ডাকাতরা। এরপর ডাকাতরা উনাকে জিজ্ঞেস করে ঘরে কোথায় টাকা রাখা আছে যে টাকা উনি ব্যাংক থেকে ঘরে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি ঘরে টাকা নেই বললে ডাকাতরা বলে ঘরে টাকা রাখা আছে তারা জানে। দেওসিং গৌড় একজন দিনমজুর শ্রমিক দুই সন্তান রয়েছে উনার পাশাপাশি উনার স্ত্রী পাথর ভাঙ্গার কেসারে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। উনার জায়গার উপর দিয়ে গ্যাসের পাইপলাইন সরবরাহ হওয়াতে তিন লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন। সেই টাকা ছিল ব্যাংকে। তার মধ্য থেকে দুই লক্ষ টাকা তুলে নিয়ে এসেছিলেন ঘরের কাজ করাবেন বলে। ঘরের ভিতরে থাকা একটি টাঙ্ক থেকে সেই টাকাসহ একটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় ডাকাত দল। প্রায় কয়েক মিনিট তাণ্ডব লীলা চালায় ডাকাত দল। চুড়াইবাড়ি থানার অধীন সংখ্যালঘু সম্প্রদায় অধ্যুষিত এলাকায় থাকা হিন্দু বাড়ি গুলিতে ডাকাতির ঘটনা বেড়ে যাওয়াতে জনমনে আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশের ভূমিকা একরাশ ক্ষোভ রয়েছে জনমনে যার বহিঃপ্রকাশ যে কোন সময় হতে পারে। লাগা তোর চোরাইবাড়িতে চুরি ডাকাতি সংগঠিত হচ্ছে । কয়েকদিনের মধ্যে একের পর এক চুরি এবং ডাকাতির তথ্য আসাতে প্রশ্ন উঠছে থানার উপর,চুড়াই বাড়ি থানা কি তদন্ত করছে তা নিয়ে বিশাল বড় প্রশ্ন জনমনে ? জনতার মতামত যে চোরাই বাড়ির থানা তার বাড়তি উপার্জন নিয়ে ব্যস্ত বর্তমানে, তার জন্য প্রতিনিয়ত কোন না কোন ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। পুলিশি টহল থেকে চোর এবং ডাকাতের টহলএই এরিয়াতে বেশি চলছে। কারণ পুলিশ তাদের কর্তব্য থেকে বিরতি নিয়ে নিজেদের পকেট গরম করতে বেশি তৎপর। তাদের কাছে জনতার সুরক্ষা কোন মাইনে রাখছে না।শুধু তাই না ওসি সংবাদ মাধ্যমকে সঠিক তথ্য দিতে নারাজ। প্রায়ই কোন তথ্যের জন্য যোগাযোগ করলে ওসি বিভিন্ন অজুহাতে সংবাদ মাধ্যমকে সংবাদ প্রেরণ করতে বিরক্তি প্রকাশ করছেন নয়তোবা সঠিক তথ্য প্রদান করছেন না। তার পরেও এখন দেখা যাক চুরাইবাড়ি থানার পুলিশ থানা এলাকায় চুরি ও ডাকাতির ঘটনার লাগাম টানতে কতটুকু সক্ষম হয় পাশাপাশি ডাকাতদলকে জালে তুলতে পারে কিনা।প্রশ্ন তো উঠছে সত্যিই কি আমজনতা সুরক্ষিত ?