
প্রতিনিধি কৈলাসহর:-ত্রিপুরা সরকারের সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে রাজ্যভিত্তিক ষষ্ঠ রাষ্ট্রীয় পোষন মা-২০২৩ শীর্ষক অনুষ্ঠান কৈলাশহরের জেলা পরিষদের কনফারেন্স হলে আজ সম্পন্ন হয়েছে। এবছরের ভাবনা ছিল সুপষিত ভারত সাক্সার ভারত সশক্ত ভারত।প্রতিবছরের সেপ্টেম্বর মাসেই সারা ভারতে এই কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয়ে থাকে।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে আজকের অনুষ্ঠানের সূচনা করেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি অমলেন্দু দাস। সভাপতিত্ব করেন সহকারী সভাধিপতি শ্যামল দাস। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন কৈলাসহর পুর পরিষদের চেয়ারপারসন চপলা দেবরায়, কুমারঘাট ও গৌরনগর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান,চন্ডিপুর পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান সহ অন্যান্যরা।প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের পর ১১টি ঔষধীয় বৃক্ষ রোপন করেন অতিথিরা।স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের এডিশনাল ডিরেক্টর এল-রাঞ্চল।এরপর উদ্বোধনী ভাষণ রাখতে গিয়ে সভাধিপতি অমলেন্দু দাস বলেন সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তর হচ্ছে শিশু এবং মহিলাদের সুরক্ষা এবং ভরসার মূল কেন্দ্র।যেখানে শিশু মৃত্যু প্রতিরোধ এবং মাতৃ মৃত্যু প্রতিরোধ করাই মূল লক্ষ্য হচ্ছে আইসিডিএস। এরপর আইসিডিএস প্রকল্প নিয়ে বক্তব্য রাখেন সমাজ কল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তরের যুগ্ম অধিকর্তা অরুন দেববর্মা।এর পরেই শিশু কল্যাণ প্রকল্পে বক্তব্য রাখেন ডঃ চন্দ্রানী বিশ্বাস যুগ্ম অধিকর্তা সমাজকল্যাণ ও সমাজ শিক্ষা দপ্তর।ড্রাগ ডিমান্ড রিডাকশন স্কিম এবং ডিসেবিলিটি বিষয়ে বক্তব্য রাখেন দপ্তরের ডেপুটি কমিশনার অচিন্তম ক্লিকদার। মহিলা কল্যাণ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে যুগ্ম অধিকর্তা বিজন চক্রবর্তী বলেন ডমেস্টিক ভায়োলেন্স প্রতিরোধে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মহিলাদের জন্য প্রটেকশন সেন্টার করা হয়েছে এবং নির্যাতিত ও অত্যাচারিত মহিলাদের জন্য প্রতিটি জেলায় ওয়ান স্টপ সেন্টার খোলা হয়েছে।এরপর যুগ্ম অধিকর্তা কেলভিন দেববর্মা মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক সহায়তা প্রকল্পে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন ত্রিপুরা রাজ্যে ৩৪ টি ভাতা চলছে রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে। প্রধান এবং সমাজপতি যারা রয়েছেন তাদের ভাতা বৃদ্ধি করার বিষয়ে সমস্ত পরিকল্পনা সরকার হাতে নিয়েছে এবং সেই অনুযায়ী জোর কদমে কাজ চলছে। ৩৪টি ভাতার মধ্যে তিনটি রয়েছে কেন্দ্রীয় ভাতা এবং বাকিগুলো রাজ্য সরকারের ভাতা।প্রতিটি ভাতা ২০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। সেখানে ভারত সরকার দুশো টাকা দিচ্ছে এবং ত্রিপুরা সরকার ১৮০০ টাকা দিচ্ছে। বর্তমানে বিভিন্ন ভাতার সংশোধন এবং সঠিক তদন্তের জন্য যে দুই মাস ভাতা বন্ধ ছিল তা পুনরায় সকল ভাতা প্রাপকদের একাউন্টে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে।