প্রতিনিধি কৈলাসহর:-কুমারঘাটের গীতাঞ্জলি অডিটোরিয়ামে উদ্যান ও মৃত্তিকা সংরক্ষণ দপ্তরের উদ্যোগে এবং ইয়ং ডার্লং অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় ধলাই,উত্তর এবং ঊনকোটি জেলা নিয়ে প্রথমবারের মতো কুমারঘাটে অনুষ্ঠিত হয়েছে আনারস প্রদর্শনী এবং প্রতিযোগিতা। যেখানে ১২৩ জন আনারস চাষী তাদের উৎপাদিত সামগ্ৰী নিয়ে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতন লাল নাথ,প্রানী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস, বিধায়ক ভগবান চন্দ্র দাস, সভাধিপতি অমলেন্দু দাস, সহকারী সভাধিপতি সন্তোষ ধর সহ দপ্তরের সচিব এবং অধিকর্তা সহ অন্যান্যরা।চারা গাছে জল সিঞ্চনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়েছে।এই আনারস উৎসবে ইয়ং ডারলং এসোসিয়েশনের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়েছে স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির। যেখানে ৩০ জনেরও বেশী যুবক রক্তদান করেছেন।এই প্রতিযোগিতায় ৮ জনকে পুরস্কৃত করা হয় এবং ১০ জন আনারস চাষীকে সন্মাননা জ্ঞাপন করা হয। মন্ত্রী শ্রী নাথ আনারস হাতে নিয়ে চাষীদের সাথে আনন্দে মেতে উঠেন।রাজ্যের জাতীয় ফল নিয়ে সত্যিই এক অন্যরকম উন্মাদনা তৈরী হয় আজ।এই সুমিষ্ট ও পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল রাজ্যবাসীর গর্ব- এক উজ্জ্বল পরিচয়। আনারসে রয়েছে ব্রোমেলেইন,যা হজমে সহায়তা করে,আর প্রদাহ কমায়।শরীরে জলধারণ, রোগ প্রতিরোধে সহায়তা, এমনকি হার্টের যত্নেও আনারস কার্যকর।ভিটামিন সি ও অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ এই ফল একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প।এই অপূর্ব ফলের পেছনে রয়েছেন যাঁরা—আমাদের খেটে খাওয়া আনারস চাষীরা,তাঁদের প্রতি সকলেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাদের এই চাষের ক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তত সরকার,বলে বক্তরা জানান।
99
previous post