Home » ধর্মনগরের উত্তর জেলা হাসপাতালের শৌচালয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির, পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ অন্যান্য রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা।

ধর্মনগরের উত্তর জেলা হাসপাতালের শৌচালয়ে মৃত্যু হল এক ব্যক্তির, পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ অন্যান্য রোগীর আত্মীয় পরিজনেরা।

by admin

ধর্মনগর প্রতিনিধি।
ধর্মনগরের উত্তর জেলা হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে ক্ষোভ জানায় বিভিন্ন রোগীর সাথে আসা আত্মীয় পরিজনেরা। এই হাসপাতালের শৌচালয়ে চিকিৎসা করাতে আসা নান্টু শীলের মৃত্যুকে ঘিরে সাধারণ রোগী এবং তার পরিজনদের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায় শিলচর নিবাসী ইলেকট্রিশিয়ান নান্টু শীল 10 বছর যাবত ধর্মনগরের মান্ডপপাড়া তে ভাড়া থেকে কাজকর্ম করেন। শরীরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় এবং ব্যথা বেদনা অনুভব করায় গতকাল অর্থাৎ রবিবার ধর্মনগর এর উত্তর জেলা হাসপাতালে তার স্ত্রী মিতালী পাল নিয়ে এসে ভর্তি করান। আজ অর্থাৎ সোমবার নান্টু শীল হাসপাতালের শৌচালয়ে গেলে বাইরে থেকে একটা জোরে আওয়াজ পাওয়া যায়। দরজা খুলে দেখা যায় নান্টু শীল মাটিতে পড়ে আছে। সাথে সাথে স্ত্রী মিতালী পাল কর্তব্যরত নার্সদের কাছে দৌড়ে যায়, গিয়ে ঘটনা জানায় এবং সাহায্যের জন্য আবেদন করে। কিন্তু তখন কর্তব্যরত নার্সরা চূড়ান্ত অবহেলা দেখায় কাকে পাঠাবে কেমন করে পাঠাবে এইসব নিয়ে ভাবতে থাকে। অবশেষে নিরুপায় মিতালী পাল টেনে হিজড়ে নান্টু পালের দেহকে শৌচালয়ের বাইরে নিয়ে আসে। ঘটনা ঘটার 30 থেকে 45 মিনিট পর নার্স এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক আসেন। এসে চিকিৎসক নান্টু পালের দেহ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন নান্টু পাল আর জীবিত নেই, সে মারা গেছে। এদিকে কর্তব্যরত নার্সদের এই ধরনের অবহেলায় অন্যান্য রোগীদের সাথে আস া আত্মীয় পরিজনেরা ক্ষিপ্ত হয়ে পড়ে। তারা সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনে জানায় কোন ভরসায় তারা ধর্মনগরের এই উত্তর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য রোগীদের নিয়ে আসবেন। কারণ এই হাসপাতালে রোগীদেরকে পরিষেবা দেওয়া দূরের কথা জন্তু-জানোয়ারদের থেকে অধম ভাবে পরিগণিত করা হয়। এদিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডক্টর শতাব্দী দাস জানান প্রচন্ড দুর্বলতার কারণে বাথরুমে পড়ে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এবং তিনি কর্তব্যরত হাসপাতালের কর্মীদের পক্ষ নিয়ে বলেন নার্সরা এবং ওয়ার্ল্ড বয়রা তাদেরকে শৌচালয় থেকে বের হতে যথেষ্ট সাহায্য করেছে।

You may also like

Leave a Comment