Home ত্রিপুরা কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট পরিচালনার নামে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে সপরিবারে খোয়াই ছেড়ে পালিয়ে গেল এক প্রতারক।

কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট পরিচালনার নামে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে সপরিবারে খোয়াই ছেড়ে পালিয়ে গেল এক প্রতারক।

by admin
0 comment 67 views

কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট পরিচালনার নামে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে সপরিবারে খোয়াই ছেড়ে পালিয়ে গেল এক প্রতারক। গত বৃহস্পতিবার চিকিৎসার নাম করে সে খোয়াই ছেড়ে পালায়। উক্ত প্রতারকের নাম বিষ্ণু দেবনাথ। বাড়ি খোয়াইয়ের সোনাতলা এলাকায়। বিষ্ণু বেশ কয়েক বছর ধরে খোয়াই শহরের সুভাষ পার্ক এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে কাস্টমার সার্ভিস পয়েন্ট খুলে বসে। এতদিন সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও সম্প্রতি তার চলাফেরায় অসঙ্গতি লক্ষ্য করা যায়। বিভিন্ন কাস্টমারের একাউন্টেও গরমিল ধরা পড়ে। এছাড়া জানা যায় সুভাষ পার্ক এলাকার বেশ কিছু ব্যবসায়ীর কাছ থেকে সে প্রচুর টাকা ধার নেয়। বিষ্ণুর পালিয়ে যাবার বিষয়টি বাজারে প্রচার হতেই গত দুইদিন ধরে তার কাস্টমার পয়েন্টে ভিড় জমাতে শুরু করে সাধারণ মানুষ। তারা বিষ্ণুর সার্ভিস পয়েন্ট বন্ধ দেখতে পেয়ে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েন। জানা যায় একাধিক কাস্টমারের একাউন্টে নয় ছয় ধরা পড়েছে। কারোর পঞ্চাশ হাজার টাকা,কারোর এক লক্ষ টাকা এইভাবে প্রচুর টাকা সে হাতিয়ে নিয়েছে। এদিকে রবিবার সকালে খোয়াইয়ের অজগরটিলাস্থিত বিষ্ণুর দোকান ম্যানেজার সঞ্জয় মল্লিক এর বাড়ির পিছনের অংশে খোয়াই নদীর তীরে বেশ কিছু ব্যাংকের নথিপত্র উদ্ধার হয়। এলাকাবাসী জানায় আজ সকালে খোয়াই নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে এক জেলের জালে উঠে আসে একটি ব্যাগ। ব্যাগ খুলতেই দেখা যায় ব্যাগের ভিতর ব্যাংকের অসংখ্য নথিপত্র। এ নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে কৌতুহল সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসীর ধারণা প্রতারক বিষ্ণুর সাথে তার ম্যানেজার সঞ্জয় ও জড়িত। ব্যাংকের নথিপত্র উদ্ধারের খবর পেয়ে রবিবার দুপুরে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় খোয়াই থানার পুলিশ। পুলিশ গিয়ে নথিপত্র উদ্ধার করে নিয়ে আসে থানায়। এদিকে বিষ্ণুর পরিবারের পক্ষ থেকে লোক দেখানো নিখোঁজ ডাইরি করা হয় খোয়াই থানায়। পুলিশ বিষ্ণুর খুঁজে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর নিচ্ছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে খোয়াই শহরে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

Related Post

Leave a Comment