Home অপরাধ মহিষ আটককে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড, আহত আট পুলিশ কর্মী সহ এক মহিষ কারবারী।

মহিষ আটককে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ড, আহত আট পুলিশ কর্মী সহ এক মহিষ কারবারী।

by admin
0 comment 53 views

চুরাইবাড়ি প্রতিনিধি ,২৪ জুন।।

মহিষ আটককে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কান্ডে আহত আট পুলিশ কর্মী সহ এক মহিষ কারবারী। আহতদের মধ্যে এক‌ পুলিশ কর্মী ও এক মহিষ কারবারী আশঙ্কাজনক অবস্থায় ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনা উত্তর ত্রিপুরা জেলার কদমতলা থানাধীন বরগোল গ্রাম পঞ্চায়েত সংলগ্ন ২০৮ এ বিকল্প জাতীয় সড়কের উপর।ঘটনার বিবরণে কদমতলা থানার ইন্সপেক্টর রেমুলাস সাংমা জানান, রবিবার রাত আনুমানিক দশটার দিকে কদমতলা থানায় একটি খবর আসে যে বরগোল এলাকায় পাঁচটি মহিষ সহ এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। খবরের ভিত্তিতে যথারীতি থানার এএসআই যোগদানন্দ গোস্বামী দলবল নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান কিছু উশৃঙ্খল যুবক এক ব্যক্তিকে মারধর করে আটক করে রেখেছে। যথারীতি পুলিশ ঐ ব্যক্তিকে গাড়িতে তুলে নিয়ে আসতে চাইলে উশৃঙ্খল যুবক ঐ ব্যক্তির উপর হামলে পড়ে।তখন ঐ ব্যক্তিকে বাঁচাতে গিয়ে আহত হয় পুলিশ ও এসপিও জওয়ানরা।পরবর্তীতে অবস্থা বেগতিক দেখে তিনি (রেমুমালস সাংমা) সহ আরো পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তারাও অল্পবিস্তর আহত হন।যদিও পরে পুলিশ ধৃত ব্যক্তি সহ আহত পুলিশ কর্মীদের কদমতলা সামাজিক হাসপাতালে নিয়ে আসে।সাথে পাঁচটি মহিষ থানাতে নিয়ে আসে পুলিশ।জানা গেছে উশৃঙ্খল যুবকের হাতে আক্রান্ত হন ইন্সপেক্টর রেমুলাস সাংমা,এএসআই জগদানন্দ গোস্বামী, কনস্টেবল সুজিত পাল,শঙ্কু দাস,তৈয়ব আলী,অনিল কুমার রিয়াং,এসপিও জওয়ান সুদীপ আচার্য ও অনিমেষ নাথ।সাথে গুরুতর ভাবে আহত হয় ফরিজ উদ্দিন নামের মহিষ কারবারী।জানা গেছে তার‌ বাড়ি কদমতলা থানা এলাকার ইচাই টুলগাও এলাকায়। এদিকে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা করে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হলেও কনস্টেবল সুজিত পাল ও মহিষ কারবারী ফরিজ উদ্দিনের অবস্থা আশংকাজনক দেখে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে উভয়েই জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।অপরদিকে বরগোল এলাকার স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,এদিন রাতে পাঁচটি মহিষ নিয়ে চার পাঁচজন ব্যক্তি কদমতলা থেকে ইচাই টুলগাও এর দিকে যাচ্ছিল।আর‌ যেহেতু ধর্মনগর মহকুমা জুড়ে চোরের উপদ্রব তাই মহিষ সহ চারপাঁচ জনের দলকে আটক করে স্থানীয় কিছু যুবক।তখন তাদের মধ্যে থাকা বাকি সবাই দৌড়ে পালিয়ে গেলেও একজনকে আটক করা হয়।এক টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে ধর্মনগর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক দেবাশীষ সাহা‌ জানান,গোটা ঘটনাটি তিনি পর্যবেক্ষণ করে দেখছেন।পুলিশের উপর আক্রমনের অভিযোগে বাদী হিসেবে পুলিশই মামলা দায়ের করবে।গোটা ঘটনায় বরগোল এলাকা জুড়ে তীব্র আতঙ্ক বিরাজ করছে।

Related Post

Leave a Comment