Home ত্রিপুরা গরীব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সাহায্য মন্ত্রী টিংকু রায়ের

গরীব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সাহায্য মন্ত্রী টিংকু রায়ের

by admin
0 comment 89 views

প্রতিনিধি কৈলাসহর:-একটি গরীব পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক কর্মকান্ডের নজির স্থাপন করেছেন মন্ত্রী টিংকু রায়।সত্যিকার অর্থে দুঃস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবিকতার বার্তা দিলেন তিনি।বিগত কিছুদিন পূর্বে কৈলাসহর পুর পরিষদের কালিপুর ১৩ নং ওয়ার্ড এলাকার এক যুবক বেঙ্গালুরুতে বিষ পান করে আত্মহত্যা করে।আজ সন্ধ্যায় তার কফিন বন্দি মৃতদেহ বাড়িতে ফিরেছে।খবর নিয়ে জানা যায়,ওই এলাকার বাসিন্দা দীপক করের একমাত্র ছেলে বিশ্বজিৎ কর (২৪) বেশ কয়েক বছর ধরে বেঙ্গালুরুতে একটি বেসরকারি কোম্পানিতে সিকিউরিটি কর্মী হিসেবে কর্মরত ছিল।তবে দুর্গাপূজার সময়ও তার নিজ ঘরে সে আসে এবং বিগত এক সপ্তাহ পূর্বে সে আবার বেঙ্গালুরুতে চলে যায় তার কাজে যোগ দেবার জন্য।স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায় যে,গত বৃহস্পতিবার রাত্রিবেলা বিশ্বজিৎ করের মা প্রীতি রানী করের কাছে ফোন আসে যে বিশ্বজিৎ কর বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করেছে।তবে সে কি কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিল তা এখনোও জানা যায়নি।বিশ্বজিৎ করের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই দুর্বল।সেখান থেকে তার মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা তাদের পক্ষে সম্ভব না।কেননা বিশ্বজিৎ করের মৃতদেহ বাড়িতে নিয়ে আসতে অনেক টাকার প্রয়োজন।তাই পরবর্তীকালে বিশ্বজিৎ করের পরিবার চন্ডিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্য সরকারের যুব ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়ের দ্ধারস্থ হলে তিনি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।মন্ত্রী টিংকু রায়ের দৌলতেই আজ সন্ধ্যাবেলা বিশ্বজিৎ করের কফিন বন্দি মৃতদেহ তার নিজ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। পাশাপাশি তার বাড়িতে ছুটে যায় চন্ডিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্য সরকারের মন্ত্রী টিংকু রায়। বিশ্বজিৎ করের মৃতদেহ তার বাড়িতে নিয়ে আসার পর কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে তার পরিবারের লোকেরা।মন্ত্রীর এই ধরনের উদ্যোগ দেখে খুবই খুশি গোটা এলাকাবাসী। স্থানীয়দের কাছ থেকে আরো জানা যায় যে,বিশ্বজিৎ করের পিতা দীপক কর একজন ঠেলাগাড়ির চালক।পাশাপাশি বিশ্বজিৎ করের মা প্রীতি রানী কর কৈলাসহর ঊনকোটি জেলা হাসপাতালের একজন সাফাই কর্মী।তবে যাই হোক বিশ্বজিৎ করের মৃত্যুকে ঘিরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা কৈলাসহর জুড়ে।মন্ত্রীর এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি মাইল ফলক হয়ে থাকবে কালীপুরবাসীর মনে।

Related Post

Leave a Comment